Abdul Kadir Mollah City College Union

Abdul Kadir Mollah City College Union Hey Good People ,
This is a page where all the students of a AKMCC will stay connected as an union . Stay connected !!

আচ্ছা চেয়ারম্যান স্যার কি আমাদের শিক্ষকদের মানুষই মনে করেন না, নাকি? আজ একটা শুক্রবার ছুটির দিন হওয়া স্বত্তেও স্যার ম্যা...
21/09/2024

আচ্ছা চেয়ারম্যান স্যার কি আমাদের শিক্ষকদের মানুষই মনে করেন না, নাকি? আজ একটা শুক্রবার ছুটির দিন হওয়া স্বত্তেও স্যার ম্যামদের সকাল ১১টায় কলজে এনে বেহুদা বসিয়ে রেখেছেন। আর অভিভাবক সমাবেশ শেষ হয়েছে সাড়ে ৮টায়, অথচ স্যারদের ছুটি দেওয়া হয়েছে সাড়ে ৯টায়। গত কয়েকদিন আগে উনার এনকে এম স্কুলের এক ম্যাডাম এই অভিভাবক সমাবেশের প্যারায় এমনই ছুটির দিনে হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেলেন। এতে চেয়ারম্যান স্যারের মনে একটু কষ্ট পেয়েছেন বলে মনে হয় না। উনার একটু অনুশোচনাও মনে হয় হয় না। যদি উনি মানুষ হতেন তাহলে তিনি স্যারদের সাথে এমন আচরণ করতেন না। উনার একটু মনুষ্যত্ব থাকলে এমন ছুটির দিনে সারাদিন স্যারদেরকে কষ্ট দিতেন না। আচ্ছা মানুষ এত নির্দয়, নিষ্ঠুর হয় কেন? কই একটা মানুষকে ত ভুলেও দেখলাম না চেয়ারম্যান স্যারের প্রসংশা করতে! অধিকাংশ অভিভাবক সন্ধ্যার পরে গেটের মুখে গিয়ে যা ইচ্ছে গালিগালাজ করতে দেখলাম উনাকে। কেন উনার যদি এতই শখ হয় মানুষকে উনার জীবনী শোনানোর তাহলে সকালে শুরু করে সারাদিন কথা শুনিয়ে বিকেলেও ত শেষ করতে পারেন, তাইনা? রাতে শেষ করে উনি আসলে মানুষের সাথে মস্করা করে মজা দ্যাখেন।
শেষ করতে চায় ফারুক স্যারের হেডাম দেখে। তিনি নতুন দায়িত্বে আসার পরে স্যারদের সাথে উনার ব্যবহারে অনেক পরিবর্তন দেখা গেলো। সব স্টাফ রুমে উনি তালা ঝুলিয়েছেন স্যারেরা যেন গিয়ে একটু বসতে না পারে। আচ্ছা উনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করতে মন চাই, প্রায় ১৫শ মতো খাবার প্যাকেট বেঁচে থাকার পরে স্যারদের জন্য মাত্র দুই প্যাকেট বরাদ্দ দিয়ে বাকিটা আসলে তিনি কার পকেটে ঢোকালেন।

(লিখেছেন নিয়াজ ঘানি)

03/03/2018

"যার কথার চেয়ে কাজের পরিমাণ যত বেশি, সাফল্য তার কাছে এসেই তত ধরা দেয়। কারণ যে নদী যত গভীর, তার বয়ে যাওয়ার শব্দ তত কম।"
............................. এপিজে আবদুল কালাম

02/03/2018

ঢাকায় এসে কানাডা প্রবাসী এক ছেলের সাথে দেখা হলো । কথায় কথায় জানতে পারলাম তার বেকার জীবনের গল্প ।

চাকুরি পাচ্ছিলাম না । বনশ্রীতে টিউশনি করাতাম ৩ টা । মিডিয়া ফি দেয়ার পরেও টিউশনির বেতন ঠিকঠাক মতো পেতাম না । অনেক দুপুর কেটেছে না খেতে পেয়ে । প্রচন্ড ক্ষুধা পেলে পরিচিত কারো সাথে দেখা করার অজুহাতে একসাথে হোটেলে বসে খেয়ে নিতাম । ফাঁকা মানিব্যাগের ফাপড় দেখিয়ে বলতাম বিলটা দিবো আমি । কিন্তু সৌজন্যতা দেখিয়ে ওপাশের মানুষটাই টাকা দিয়ে দিতো । আমার ক্ষুধা মিটতো । কিন্তু সম্মানটা যেতো । সেটা শুধু টের পেতাম আমি আর আমার ঈশ্বর ।

চাকুরি হাতে ধরা দেয় নি । শুরু করলাম শেয়ার বিজনেস । কপাল সেখানেও খুলল না প্রথমে । হার না মেনে লেগে ছিলাম । আস্তে আস্তে হাতে টাকা আসলো । এখন কানাডা থাকি । গাড়ি আছে । দুপুরে না খেয়ে থাকতে হয় না । চাকুরি করি না আমি । তবে চাকুরি দেই সবাইকে ।

তামিল একটা মুভি দেখে জেনেছিলাম মেয়েরা মানিব্যাগের অবস্থা দেখেই বলে দিতে পারে একটা ছেলের আর্থিক অবস্থা কেমন । মেয়েদের পেছনে দৌড় দিয়ো না । যদি কিছু অর্জন করো তাহলে সেটা হচ্ছে শুধুই একটা মেয়ে । ক্যারিয়ার আর পরিবারের পেছনে সময় দাও । তাহলে একটা ভালো স্ত্রী আর জীবন দুইটাই পাবা ।

honestly speaking ...
হাতিরঝিলে বসে বিড়ি টানার মধ্যে ক্রেইজ থাকতে পারে । কিন্তু জীবনটা থাকে হাতিরঝিলের অন্য পাড়ে । যেখানে মানুষ পবালিক বাসে উঠার জন্য লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে । যেখানে মেকাপ করা সুন্দরী আর গার্মেন্টস কন্যা একই কথা ।

বিসিএসের জন্য কোচিং করেও একদল মানুষ ক্যাডার হতে পারে না । আরেকদল কোচিং এর ধারে কাছে না গিয়েও ক্যাডার হয়ে যায় । জীবন কে কখনো জিজ্ঞেস করেছো এটার রহস্য কি ? জিজ্ঞেস করে নিও ।

আসো জীবন দেখাই তোমাকে ...
ফার্মগেটে যাও । সিভি নিয়ে প্রচুর ছেলেমেয়েকে ঘুরতে দেখবা । এরা অনেকেই তোমার থেকে অনেক বেশি যোগ্য । আবার অনেকেই আছে তোমার ধারে কাছেও না । অবাক হয়ে দেখবা যারা তোমার থেকে নিচে ছিল তারা এখন তোমার বস হয়ে বসে আছে । তুমি পার্ট মারছো আমি অমুক ক্যাম্পাসের ছাত্র । আর সে বলছে ... আমি তোমার বস ,তা তুমি যেখান থেকেই আসো না কেন !!

ফ্যাক্ট ইজ ... যুদ্ধ করে জীবন চলে না । কিন্তু প্রতিশ্রুত যোদ্ধা সবসময় যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ন্ত্রন করতে পারে । বহুত ছেলে আছে যাদের কোন প্রেমিকা নাই । কিন্তু অন্যের প্রেমিকার সামনে গেলে তাঁদের কারনে ব্রেকাপ হয়ে যায় । মেয়েরা ঠোঁট কামড়ে জিজ্ঞেস করে , এই মানুষটাকে কেন পেলাম না ? Try To be That One ...not To be an Ordinary One ...

জীবনের প্রভু হয়ে যাও ।
জীবনকে নিজের প্রভু হতে দিও না ।
যতো রকমভাবে চেষ্টা করা যায় সেটা করে নাও । শুধু মরে যাওয়া ছাড়া বাকি সবরকম ট্রায়াল দিয়া নাও । এরপর অন্তত আফসোস থাকবে না ।
God Bless U

Arafat Abdullah
University Of Chittagong

09/02/2018

"যদি সূর্য হতে চাও তবে সূর্যের মতো নিজেকে পোড়াও....।"..................................এপিজে আবদুল কালাম

পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্র এলাকায় থাকবে না ইন্টারনেট সেবা!আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার পরীক্ষা ...
04/01/2018

পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্র এলাকায় থাকবে না ইন্টারনেট সেবা!

আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্র এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র বহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ট্যাপযুক্ত বিশেষ খামে পরিবহনের ব্যবস্থা, বহু সেট প্রশ্ন প্রস্তুত রাখা, নির্ধারিত সময়ের আগে প্রশ্ন না খোলা, পিন কোড ব্যবহার, অনলাইনে বা ইউএসবি ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্ন পাঠানো সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পাশাপাশি গত বছরের মতো এবারও পরীক্ষা শুরুর আধা ঘন্টা আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে হবে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে কেউ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। তবে শুধু কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করার বিষয়টি বহাল থাকবে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত এ নেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, নির্বিঘœ ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় জানানো হয়, নির্দিষ্ট সময়ের আগে কোনো পরীক্ষার্থী যথাসময়ে হলে প্রবেশে ব্যর্থ হলে তাকে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেয়া হবে না।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন তিনি।

সূত্রঃ Daily Manab Zamin [https://goo.gl/hKLpwd]

আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্র এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ কর�...

01/01/2018

#সফলতার_গল্প👌

ক্লাস এইটের কোন এক সময় আমাদের বাড়িতে আব্বুর এক ফ্রেন্ড তার তিন মেয়েসহ বেড়াতে আসে।দুপুরের খাবার শেষে আব্বু বড় মেয়েটার সামনে আমাকে ডাক দিয়ে বসতে বলে।আমি ছোটটার পিছনে ঘুরঘুর করতে থাকলেও আব্বু কেন বড়টার সামনে বসালো সেটার মাজেজা বুঝতে পারলাম না।শুরুতেই বলে দিল তোমার এই আপু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিতে পড়ছে।ব্যস!স্টোরি ক্লিয়ার।
সেদিনের একটা কনভারসেশনের পর দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি নেশাটা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠে।
ছোটবেলা থেকেই ঢাবির গল্প আব্বুর কাছে বেশি শুনতাম।আম্মুর কাছে বুয়েট মেডিকেলই প্রাধান্য পেত। পড়াশুনা কোন আমলেই খারাপ ছিল না।তাই পিএসসি,জেএসসি ভালোভাবেই উতরে যাই।ক্লাস নাইন-টেনে রেজাল্ট ভাল করার পেছনে একটা তাড়না ছিল ঢাবির।কারণ জিপিএ মার্কটা খুবই দরকার।আর দশজনের এটাও ভালোভাবেই পার করে ফেলি।
কলেজ লাইফটাই ভার্সিটি লাইফের বীজ বোনার সময়।বাড়ির পাশের কলেজটাতে শুরুতে ব্যাপারটা ভুলে গিয়েছিলাম মনে হয়।তবুও বই পত্রে একটু বেশিই সময় দিয়ে শুরুর শূণ্যতা খুব ভালোভাবেই পূরণ করেছিলাম।কলেজের শুরুতে বাইরের অনেকেই জিজ্ঞাসা করত,বাবা কোন কলেজে পড়ো?
-সুন্দরগঞ্জ ডি.ডব্লিউ. ডিগ্রি কলেজ
-সমস্যা নাই বাবা।এই কলেজ থেকেও ভাল রেজাল্ট করা যায়।
আসলে এটা ছিল তাদের সূক্ষ্ম বিদ্রূপ। কানে আসলেও কানে নেই নি।কারণ এদের এখন কিছুই বলার নেই।ভাল রেজাল্টের পর একটা ভাল ভার্সিটি অর্থাৎ স্বপ্নের ঢাবিই পারে এদের কনভার্ট করতে।
এক দিকে স্বপ্ন পূরণের অদম্য ইচ্ছা অন্যদিকে সামাজিক অবস্থা দুটো ব্যাপারই এইচএসসি পরীক্ষার উপর চেপে বসেছিল।সেকেন্ড ইয়ারে অনেক চাপাচাপি করে আব্বুর কাছে বাইক কিনে নেই।এলাকায় অনেকটা হইহই রব ওঠে ছেলেটা এবার বোধহয় বখে গেল। আব্বু চাপ নিতে দেয় নি।ফলাফল এইচএসসিতেও জিপিও পয়েন্ট অতিব সম্মানজনক।
এইচএসসির পর মনে হয় এখন পর্যন্ত লাইফের সবচেয়ে ক্রিটিকাল সিচুয়েশনে পড়েছিলাম।আম্মু বলে মেডিকেলের জন্য প্রিপারেশন নাও,মামা বলে ইঞ্জিনিয়ারিং-এর দিকে তাকাও,ফুপি বলে মেডিকেলে চান্স পেলে লাইফে আর কোন পেইন থাকবে না।কেউই আমার স্বপ্ন,আমার ইচ্ছার কথা জানতে চায় নি।কিন্তু আমি ছোটবেলা থেকেই কাউকে আমার উপর ডমিনেট করতে দেই নি। 'ডি' ইউনিট নিয়ে কনফিডেন্স ছিল।ছিল মানে ভালো লেভেলেই ছিল।সো আমার ডিসিশনই ফাইনাল। আব্বুও কেন জানি আমার ইচ্ছাটাকেই সাপোর্ট করে। যেভাবেই হোক ঢাবিতে পা রাখব এরকম কষা লেভেলের ডিটারমাইন্ড হয়েই ঢাকায় কোচিং করতে আসি।কোচিং-এ পারফরমেন্স মোটামুটি ভালোই ছিল।তবে এই পারফরমেন্সের পিছনে ছিল বহু ঘুমহীন রাত।
সেপ্টেম্বরে ঈদের ছুটিতে তিনদিনের জন্য বাসায় এসেছিলাম।দাওয়াত
ে গিয়েছিলাম এক আত্মীয়ের বাসায়।একজন বলল, বাবা জেনারেল লাইনে পড়ে কি পড়বা?শুধু ভার্সিটি প্রিপারেশন নিচ্ছো কিন্তু চান্স পাবা তো??
-কিচ্ছু বলিনি।আসলে বলার কিছুই ছিল না।তবে করার ছিল।সেটার পিছনেই ছিলাম।
আরেকদিন একজন বলছে,বাবা এত ভাল একাডেমিক রেজাল্ট নিয়েও 'ডি' ইউনিটের প্রিপারেশন নিচ্ছো যে?
এবারও যে কিচ্ছু বলি নি তা না। জাস্ট বলেছিলাম, হুমম।
ঈদের ওই ছুটিটা শিখিয়ে দিয়েছিলো, চান্স না পেলে এসব একাডেমিক রেজাল্ট মূল্যহীন।
পরীক্ষার আগ পর্যন্ত আর কোন কিছুই ভাবিনি। জাস্ট লক্ষ্য পূরণের প্রচেষ্টা। এর মাঝে অন্যদের মেডিকেল পরীক্ষার রেজাল্ট হয়ে যাওয়ায় নিজের উপর চাপটা বুঝতে পাচ্ছিলাম।নিজের নিঃশ্বাসের শব্দটাও কানে লাগছিলো। তবে কখনোই আত্মবিশ্বাস হারাইনি।
জাহাঙ্গীরনগর দিয়ে পরীক্ষার সিজন শুরু হয়ে গেল।ফলাফলে সম্মানজনক অবস্থান।কিন্তু স্বপ্নটা তো ঢাবি।
অক্টোবরের ২০তারিখ। বেশ বৃষ্টি হচ্ছিল।আব্বু সহ পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির পানি লাগাচ্ছিলাম।সবা
রই ফেস বোঝার চেষ্টা করছিলাম।কেউ ভয়ে তো আবার কেউ নিয়ম রক্ষার খাতিরে আবার কেউ স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশ্যে।
যাহোক ১ঘণ্টার পরীক্ষা খুব ভালোভাবেই দিলাম।কিন্তু পরীক্ষার পর মনে হয়েছে,আমার মত বোকা এই দুনিয়ায় আর দ্বিতীয় কেউ নেই।দুটো সিলি মিসটেক।তবুও পরীক্ষা ভাল হয়েছিল তাই অতটা টেনশনেও ছিলাম না।কারণ টেনশন করার কারণ পাইনি।
২২তারিখে রেজাল্ট পাবলিশড হবে।সময় কাটবে না জেনে ২১তারিখ রাত থেকে ২২তারিখ দুপুর পর্যন্ত চারটা মুভি দেখে ফেললাম।
রেজাল্ট আমার legendary primo rm2 তেই দেখে ফেললাম।হাত কাঁপছে।আব্বুকেও ফোন দিয়ে জানালাম।আব্বুর এক্সপ্রেশন দেখতে পারি নি।আমার রেজাল্ট শুনেই কেটে দিয়েছে শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানানোর জন্য।
আমার পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস আমার স্বপ্নকে নষ্ট হতে দেয় নি।
এখন আর কেউ বিদ্রুপ করার সাহস পায় না ভাই।আর কেউ বলে না চান্স পাবা তো?
জ্বি ভাই,পরিশ্রম করতে থাকো সফলতা আসবেই।
এখন অনেকেই জানতে চায়,ভাই ডেইলি কতক্ষণ পড়াশুনা করেছেন?
ভাই আমি বইপোকা না।বইয়ের বাইরেও জগত আছে।চান্স পেয়েছি কারণ আমার আত্মবিশ্বাস ছিল এবং একটা স্বপ্ন ছিল।বাকিটা পরিশ্রম।
"when you want something, all the universe conspires in helping you to achieve it"- Paulo Coelho, The Alchemist
ভাই জাস্ট এইটা ফলো করো তাহলে আর কখনোই পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না।
-Nur Nawaz Ahmed Mahin
Department of English Language and Literature
University of Dhaka.

28/12/2017

আমাদের পেইজকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করার জন্যে "আব্দুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ" এর চলমান দুটি ব্যাচ থেকে কিছুসংখ্যক একটিভ এডিটর প্রয়োজন!
আগ্রহীরা ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা আগ্রহী ফ্রেন্ডদের ম্যানশন দিয়ে সহয়তা করুন!

18/08/2016

ফল পুনঃনিরীক্ষা
রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ১৯ থেকে ২৫ অগাস্ট পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে।
ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।
ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইযেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) দেয়া হবে।
আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।
প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ’ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে।
যে সব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সকল বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দুটি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে।
একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।

13/07/2016

Thank You everyone for 1k likes

06/07/2016

Eid Mubarak

21/06/2016

Tasbeehs for Ramazan
1st Ashra- Alhamdolillah
2nd Ashra- Astaghfirullah
3rd Ashra- Allahumma ajirni min annar

06/06/2016

Ramadan Mubarak to everyone.

Address

Dhaka Sylhet Mohashorok
Narsingdi
1600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdul Kadir Mollah City College Union posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share