Narsingdi Central College

Narsingdi Central College We have already started with great desire and responsibility to make new world of everyone. We ensure the quality of education .

31/12/2017
জাতীয় শোক দিবসে নরসিংদী সেন্ট্রাল কলেজ কতৃক অালোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
15/08/2017

জাতীয় শোক দিবসে নরসিংদী সেন্ট্রাল কলেজ কতৃক অালোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম বর্ষের ২য় সেমিস্টার পরীক্ষা চলছে।
24/01/2017

প্রথম বর্ষের ২য় সেমিস্টার পরীক্ষা চলছে।

Celebrating Rag Day
15/11/2016

Celebrating Rag Day

18/06/2016

আপনারা যারা মেধা তালিকায় আমাদের কলেজের নাম এসেছে তারা অবশ্যই একবার আমাদের কলেজ পরিদর্শন করার জন্য আহ্বান করছি ৷
ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না ৷
আমরা এই মতবাদে বিশ্বাসী ৷
ফোন করুন যে কোন প্রয়োজনে
01735544459

22/05/2016

নতুন নিয়মে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি|| নিয়মগুলো হলো–
নতুন নিয়মে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি|| নিয়মগুলো হলো---

সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের জন্য অনলাইনে মাত্র একবারই আবেদনের সুযোগ রেখে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে।
দেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে ২৬ মে থেকে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু এবং ১০ জুলাই ক্লাশ শুরুর কথা আগেই জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সে অনুযায়ী ভর্তির বিস্তারিত বিধান তুলে ধরে আজ বৃহস্পতিবার নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যাতে আগের বছরের মতো মাধ্যমিকের ফলের ভিত্তিতে ভর্তির নিয়ম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন।
মাধ্যমিকে এবারের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গত বছর ও তার আগের বছর (২০১৪ ও ২০১৫) উত্তীর্ণরাও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেন।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে হবে। টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করেও আবেদন করা যাবে।
২৬ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত অনলাইন ও টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করে আবেদন করা যাবে। যারা ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন তাদেরকেও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
১৬ জুন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া ১৮ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে।
আর বিলম্ব ফি দিয়ে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। একাদশের ক্লাস শুরু হবে ১০ জুলাই।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনলাইনে ১৫০ টাকা ফি জমা দিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে। গত বছর অনলাইনে একাধিকবার আবেদনের সুযোগ থাকলেও এবার একবারই আবেদন করা যাবে।
তবে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা ফি দিতে হবে শিক্ষার্থীদের।
অনলাইনে কীভাবে আবেদন করা যাবে সে বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড নির্দেশনা জারি করবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌজন্যে : নরসিংদী সেন্ট্রাল কলেজ

13/05/2016

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আবেদন করবেন কিভাবে? জেনে নিন ভর্তি সংক্রান্ত খুঁটিনাটি সব তথ্য
একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আবেদন করবেন কিভাবে? জেনে নিন ভর্তি সংক্রান্ত খুঁটিনাটি সব তথ্য
নিউজ ডেস্ক : একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার এসএসসির ফল প্রকাশের একদিন পরই এই নীতিমালা জারি করা হয়। নীতিমালায় জানানো হয়েছে, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কোন ধরণের পরীক্ষা নেয়া যাবে না।

জানা গেছে, একাদশে ভর্তিচ্ছু সবাইকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য অনলাইন ছাড়াও টেলিটকের এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে।

অনলাইনে আবেদনের জন্য ওয়েব সাইটের ঠিকানা হচ্ছে, www.xiclassadmission.gov.bd । কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কলেজ ইচ্ছা মাফিক ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী এবার তার কলেজ পছন্দের তালিকায় সর্বমোট ১০টি প্রতিষ্ঠানে জন্য আবেদন করতে পারবে।

আগামী ২৬ মে থেকে ৯ জুনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। যারা পুনঃনিরীক্ষনের জন্য আবেদন করবে তাদেরও এ সময়ের মধ্যেই আবেদন করতে হবে। ভর্তির আবেদনের জন্য অনলাইনে ক্ষেত্রে ১৫০ টাকা এবং এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের ক্ষেত্রে ১২০ টাকা জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে।

এবার একবারই


ভর্তির জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৬ জুন। এ তালিকার ভিত্তিতে আগামী ১৮ জুন থেকে ৩০ জুনের মধ্যে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে বলে জারিকৃত নীতিমালায় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আগামী ১০ জুলাই থেকে প্রতিটি কলেজে নতুন শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণীর ক্লাস শুরু করতে হবে। বিলম্ব ফিসহ ভর্তি চলবে ১০ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত। ভর্তির জন্য এবার ১০ থেকে বাড়িয়ে ১১ শতাংশ আসন সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ৮৯ শতাংশ আসন সকলের জন্য উন্মুক্ত রেখে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিভাগীয় ও জেলা সদরের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য ৩ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও তার অধস্তন দপ্তর ও গভর্নিং কমিটির সদস্যদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এবং প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য এবার ১ শতাংশ আসন সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে নীতিমালায়।

অনলাইনেও এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তিচ্ছুদের আবেদন বিবেচনা করা হবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলের মেধাক্রমের ভিত্তিতে। বিজ্ঞান গ্রুপের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে। এরপর পর্যায়ক্রমে ইংরেজী পদার্থ বিজ্ঞান রসায়নের নাম্বার বিবেচনায় আনা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান মোট নাম্বার বিবেচনার পর ইংরেজী, গণিত ও বাংলার প্রাপ্ত নাম্বার বিবেচনায় আনা হবে।

ভর্তির ফি নির্ধারণ করে নীতিমালায় বলা হয়েছে, মফস্বল পৌর এলাকা/উপজেলা সদরে অবস্থিত কলেজের সেশন চার্জ ভর্তি ফি সব মিলিয়ে ১ হাজার টাকা, পৌর এলাকা জেলা সদরে অবস্থিত কলেজের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা এবং ঢাকা ব্যতিত অন্যান্য মহানগর এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি হবে না। ঢাকা মহানগর এলাকায় অবস্থিত এমপিওভূক্ত প্রতিষ্ঠানের সকল সেশন চার্জসহ ৫ হাজার টাকার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিও বহির্ভূত কলেজে উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজী ভার্সনের সর্বোচ্চ ১০ হাজার গ্রহণ করতে পারবে। উন্নয়ন খাতে কোন প্রতিষ্ঠান ৩ হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

13/05/2016

নরসিংদী সেন্ট্রাল কলেজের পক্ষ থেকে সদ্য এসএস সি পাশ করা শিক্ষার্থীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন এবং আমন্ত্রণ রইল একবার আমাদের আঙ্গিনায় আসার জন্য ৷

03/03/2016

সঠিক নিয়মে পড়ালেখা ও মনে রাখার টেকনিক


একদিকে ঝড়ের গতিতে পড়ে যাচ্ছেন আর আরেকদিকে ঠিক একইভাবে ভুলেও যাচ্ছেন। পড়াশোনার ক্ষেত্রে এমন সমস্যায় পড়েননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীদের এই একটি বিষয় নিয়ে হা হুতাশ করতে শোনা যায় যে তারা পড়া পড়ে মনে রাখতে পারেন না। এক্ষেত্রে আপনাদের এই হা হুতাশ দূর করতে কিছু টিপস প্রদান করা হল।

লেখাপড়া০১.পড়ার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন:

আপনি যা পড়ছেন সেই বিষয়ের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন। নিজে নিজেকে প্রশ্ন করুন ও পড়ার ভেতর থেকে উত্তর ও নিজেই খুঁজে বের করুন। যখনই আপনি কোন বিষয়ে পড়তে গিয়ে ঘটনার কারণ ও ফলাফল সম্পর্কে নিজে থেকে জানার চেষ্টা করবেন তখন সেই পড়া আপনার ভেতর খুব পাকাপোক্তভাবে বসে যাবে। তাই সহজে আপনার মন থেকে পড়া হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি কমে যায়।

০২. নোট করে করে পড়ুন

একটানা কোন বিষয় পড়ে না গিয়ে বরং ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বা অল্প করে করে পড়ুন। এক নাগারে কোন বিষয়ে পড়ে গেলে আপনার ভুলে যাওয়ার সুযোগ থাকে, তাই ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে বা নোট করে পড়লে আপনার স্মৃতিতে তা ভালোভাবে আটকে যায় আর ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

০৩. যা পড়ছেন তা কল্পনা করার চেষ্টা করুন

আপনি যে বিষয়ে পড়ছেন ভা যে ঘটনা সম্পর্কে পড়ছেন সেটা নিজে নিজে কল্পনা করার একটা চেষ্টা করে দেখুন। যদি আপনি কোন যুদ্ধ সম্পর্কে পড়তে বসেন তাহলে নিজেকে যুদ্ধ ময়দানে কল্পনা করুন, ভাবুন কেন আপনি যুদ্ধে এসেছেন আর কি নিয়েই বা এই যুদ্ধ। দেখবেন পড়ার বিষয়বস্তু আপনার মস্তিস্কে একটি স্থায়ী জায়গা দখল করে থাকবে।

০৪.একটু ব্যাতিক্রম ঘটনায় বাড়তি মনোযোগ দিন

কোন বিষয়ে পড়তে গিয়ে হয়তো আপনার সামনে অন্য রকম কাহিনী বা ঘটনা সম্পর্কিত আলোচনা আসবে, কারণ সবটাই আপনার জানা বিষয় সম্পর্কিত আলোচনা সামনে পড়বেনা এমনটাই কাম্য। তাই এইসব সময়ে আপনি আপনার আলোচ্য বিষয়বস্তুতে বাড়তি মনোযোগ প্রদান করুন। আপনার একটু বাড়তি দেখাশোনা পড়া মনে রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

০৫. অনুশীলন করুন

আপনার মুখস্ত পড়া মনে রাখতে বার বার সেটি অনুশীলন করুন। সব থেকে ভালো হয় যদি আপনার আলোচ্য বিষয় পড়ার পাশাপাশি একটু একটু লিখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। যেকোন বিষয় পড়ার সাথে সাথে লিখতে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই বার বার পড়া বিষয় অনুশীলন করুন।

০৬. পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিন

আপনি যদি ভেবে থাকেন শুধু একটানা পড়ে গেলেই পড়া বিষয় আপনার মনে থাকবে তাহলে ভুল করবেন। বরং পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিরতি নিন, আর বিরতির পর আগের পড়াগুলো মনে মনে আওড়ানোর চেষ্টা করুন। এভাবে পড়লে দেখবেন আপনার স্মরণশক্তি এমনিতেই বাড়বে।

সবার মেধা সমান নয় আর একইভাবে একই কায়দায় পড়লে সবায় তা মনে রাখতে পারবে এটাও সম্ভব নয়। তাই নিজে নিজে পড়া মনে রাখার নতুন নতুন কৌশল আয়ত্ত করুন।

সঠিক নিয়মে পড়ালেখার টেকনিক

পড়া বুঝে মনে রাখার সহজ উপায়টা কী? মুখস্থবিদ্যা কোনো সমাধান না, আর মুখস্থ করা মানে সেটা বোঝা, মনে রাখা কোনোটাই না। কোনো কিছু পড়ে সহজে সেটা মনে রাখতে হলে আপনাকে স্মৃতি গড়ার কায়দা জানতে হবে।

পরিচিত অনেক ছাত্রকেই দেখবেন, একবার পড়লেই মনে রাখতে পারে, সেখানে আপনি হয়তো ঘন্টার পর ঘণ্টা ঘষটে ঘষটেও কিছু মনে রাখতে পারছেন না।

তাহলে কায়দাটা কী? আঁতেল ভালো ছাত্র কাউকে জিজ্ঞেস করলে বলবেনা হয়তো তাদের গোপন রহস্য, তাই এই লেখা থেকে জেনে নিন সেটা।

০১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী।

০২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।

০৩. দেখা, দেখতে পারা ~ কোনো জিনিষ মনে রাখতে হলে সেটা দেখা অথবা কল্পনায় করাটা দরকারী। ধরা যাক, মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামল মনে রাখতে হবে। বিরক্তিকর সব জিনিষ তোতাপাখির মতো মুখস্থ করার চাইতে চোখ বুঁজে একবার সম্রাট আকবরকে কল্পনা করেন, হাতির পিঠে বসে মোগলাই পরোটা খেতে খেতে কটকটে হলুদ পাঞ্জাবি পরা হিমুর সাথে যুদ্ধ করছে। পানিপথের যুদ্ধ আর তোতার মতো মুখস্থ করা লাগবেনা, এই দৃশ্যটা মনে করলেই বাকিটা মনে থাকবে আপনার।

০৪. সম্পর্ক — কোনোকিছু পড়ার পরে সেটার সাথে আপনার পরিচিত কিছুর সম্পর্কটা চিন্তা করে নিন। যেমন ধরেন বয়েলের সূত্র দিয়ে গ্যাসের গতিবিধির তত্ত্ব মনে রাখতে হবে। বয়েল এর নামটা বয়লারের মতো, তাই না? আবার অনেকটা কয়েলের মতো লাগে। কয়েল থেকে ধোয়া টাইপের গ্যাস বের হয়, তাই না? এভাবে যেটাই পড়বেন, পরিচিত কিছুর সাথে সম্পর্ক বের করেন। আবার যেগুলা পড়ছেন, তাদের নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক বের করেন।

০৫. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন। কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দু-ঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে।

০৬. পড়ুন, লিখুন, আঁকুন, মনে রাখুন – ১০ মিনিটের বেশি কিছু পড়বেন না।১০ মিনিট পড়ার পরে যেটা পড়লেন, সেটাকে লিখে ফেলেন, অথবা সেটা নিয়ে ছবি আঁকেন। চিন্তার কিছু নাই, ছবি আঁকতে না পারলেও কাকের ঠ্যাং মার্কা কিছু আঁকেন। তার পর পরের পড়ায় যান। কারণ মনে কিছু ঢোকার পরে সেটা যদি লেখার মাধ্যমে হাতে না আনেন, তাহলে মন থেকে কান দিয়ে সেটা বেরিয়ে পালাবেই। তাই পড়া, লেখা, মনে রাখা, এই চক্রে পড়ার অভ্যাস করেন, সহজেই মনে থাকবে সবকিছু।

০৭. অল্প অল্পেও অনেক – একবারে গাছের আগায় উঠা যায় না। তাই একগাদা জিনিষ একবারে এক দফায় না পড়ে অল্প অল্প করে পড়েন। মনের জগতে ওভারডোজ সহ্য হয় না।

০৮. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন। পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন।

০৯. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে। টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ।

১০. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।

১১. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন।

১২. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক।

১৩. যেখানে আপনি পড়তে কমফোর্ট ফিল করবেন, সেখানেই পড়বেন। সবসময় একই জায়গায় বা পরিবেশে পড়ার চেষ্টা করবেন।

১৪. এমন জায়গায় পড়তে বসুন যেখানে আপনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারবেন।

কীভাবে আপনার মনে রাখার ক্ষমতাকে বাড়াবেন?

অনলাইনে ফ্রী মডেল টেস্ট দিন নিজেকে সেরা হিসেবে গড়ে তুলুন
অনলাইন বিসিএস মডেল টেস্ট: বিসিএস মডেল টেস্ট
অনলাইন ব্যাংক জব মডেল টেস্ট: ব্যাংক জব মডেল টেস্ট
অনলাইন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা: বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ভর্তি পরীক্ষা: মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা
অনলাইন সরকারী নিয়োগ পরীক্ষা: সরকারী নিয়োগ পরীক্ষা

০১. প্রথমত, যা আপনি মনে রাখতে চান তা মনোযোগ দিয়ে ধীরে ধীরে পড়ুন এমন ভাবে পড়বেন যেন নিজের কানে স্পষ্ট শুনুতে পান।কি পরছেন তা বুঝার চেষ্টা করুন … প্রথমবারে বুঝতে না পারলে পুনরায় পড়ুন … যে শব্দ বুঝতে পারছেন না তা দাগান সেইগুলোর অর্থ জানা না থাকলে তা খুঁজে জেনে নিন ।

০২. একই সময় যদি একটা বিষয়েই মনোযোগ দেন তাহলে এটা সহজ হবে। যে তথ্যগুলো মনে রাখতে চান সেগুলোকে নির্দিষ্ট করুন এবং শুধু তাতেই মনোযোগ দিন। যেমন, বইয়ের যে তথ্যগুলো আপনি নতুন দেখছেন বা কঠিন মনে হচ্ছে সেগুলোই হবে আপনার মনোযোগের বিষয়।

০৩. একটি বিষয়কে আপনি যত ভিন্ন দৃষ্টিকোণ এবং ব্যাখ্যা থেকে বুঝবেন তত এটি আপনার মনে রাখা সহজ হবে। যত পুরনো জানা তথ্যের সঙ্গে মিল-অমিল চিন্তা করবেন, তত আপনার মনে থাকবে।

০৪. যা মনে রাখতে চান, তাকে একটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামোয় রূপান্তরিত করুন। আংশিক না করে বিষয়টি পুরোপুরি শিখতে বা বুঝতে চেষ্টা করুন। মনে রাখার ক্ষেত্রে ছবির ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই কোনো জটিল বা ব্যাপক বিষয়কে ছবি, চার্ট বা ডায়াগ্রামে সাজিয়ে নিন।

০৫. মনে রাখার জন্যে প্রথমবার পড়ার দুই/ এক দিনের মধ্যেই পড়াকে রিভাইজ করুন।

০৬. এছাড়া তৈরি করতে পারেন মনে রাখার নানা ছন্দ। যেমন, মোঘল সাম্রাজ্যের পরম্পরা বোঝাতে ‘বাবার হইলো একবার জ্বর, সারিলো ঔষধে’ ছড়াটি আওড়ালেই [বাবর হুমায়ূন আকবর জাহাঙ্গীর সাজাহান আওরঙ্গজেব] প্রমুখ মোঘল বাদশাহদের নাম একের পর এক বলে দেয়া যায়।
মনে রাখার জন্য আমি একটা টেকনিক ফলো করি … জানি না অন্য কারো ক্ষেত্রে কাজ করে কিনা … সেইটা হল ক্যামেরা টেকনিক
এইটা একধরনের মনে রাখার গেইমের মত …
যেমন আমি কোন নম্বর বা লাইন বা প্যারা এইবার দেখে চোখ বন্ধ করে ফেলি অনেকটা ক্যামেরায় ছবি ধারণ করার মত…তারপর চিন্তা করি সেখানে কি কি ছিল … এর পর ওই তথ্যের সাথে মিলায় দেখি কতটুকু মিলল…
এভাবে কয়েক বার ট্রায় করি … অন্য যে কোন পদ্বতির চেয়ে এই পদ্বতিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত ও ভালো মনে থাকে …যারা আগে ট্রায় করেন নি তারা ট্রায় করে দেখতে পারেন …
এতে আপনার মনে রাখার ক্ষমতা বাড়বে …

ব্যাস, পেয়ে গেলেন তো ভালো ছাত্রদের গোপন রহস্য! এবারে পড়তে বসে এগুলাকে প্রয়োগ করে ফেলেন, সহজেই মনে রাখতে পারবেন সবকিছু।
এতো টিপস বা পরামর্শের পরও যাদের সমস্যা থেকেই যাচ্ছে তারা আমার সাথে যোগাযোগ করুন।

04/02/2016

মহান ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কলেজে দেয়ালিকা প্রকাশ করা হবে। কলেজ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবিতা, ছড়া, গান, প্রবন্ধ, নকশা জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

27/01/2016

This is to notify that Narsingdi Central College shall remain close on 31-01-2016 and will be open on 01-02-2016 and classes will be continue as per routine.

22/01/2016

২৩ জানুয়ারি ২০১৬ আমাদের একাদশ শ্রেণীর ২য় সাময়িক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। সবার জন্য রইল শুভকামনা।

Address

231, West Brahmondi, College Road
Narsingdi
1602

Telephone

+8801670283585

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Narsingdi Central College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Narsingdi Central College:

Share