Life Chapters & Lessons

Call Directions Contact the university

Life Chapters & Lessons Life Event

Life cycle of HR.........  😎
16/05/2026

Life cycle of HR......... 😎

17/04/2026

اردو تحریر جاوید تیمور
ফিজিক্সের একটা আইন আছে যাকে আমরা "Escape Velocity" বলি। যখন কোনো রকেটকে পৃথিবী থেকে মহাকাশে পাঠাতে হয়, তখন তাকে ১১.২ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডের বিস্ফোরক গতির দরকার হয়। যদি গতি একটুও কম হয়ে যায়, তাহলে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ তাকে টেনে নামিয়ে আনবে আর রকেট মাটিতে পড়ে যাবে।

দারিদ্র্যের সমস্যাটাও ঠিক এই মাধ্যাকর্ষণের মতোই। এটা শুধু টাকার অভাব নয়, বরং এটা একটা অদৃশ্য চৌম্বকীয় শক্তি যা তোমাকে তোমার পরিবেশ, তোমার অভ্যাস আর তোমার সামাজিক চক্রের মাধ্যমে ক্রমাগত নিচের দিকে টেনে নামায়। যে ব্যক্তি দারিদ্র্যের মধ্যে জন্ম নেয়, তার জন্য ধনী হওয়া শুধু "পরিশ্রম" করার ব্যাপার নয়—এটা একটা "লড়াই"। কারণ সে প্রকৃতির একটা বিশাল সিস্টেমের বিপরীতে সাঁতার কাটার চেষ্টা করছে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, মহাকাশে যাওয়া রকেটকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে বের হওয়ার জন্য শুরুর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার মোট জ্বালানির ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পুড়িয়ে ফেলতে হয়। এক মিনিটের জন্য ভেবে দেখো—যাত্রার প্রথম অংশে ৯০% শক্তি শুধু পৃথিবীর আকর্ষণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য খরচ হয়, আর বাকি যাত্রা মাত্র ১০% জ্বালানি দিয়ে সম্পন্ন হয়, কারণ সেখানে ঘর্ষণ আর প্রতিরোধ শেষ হয়ে যায়।

ঠিক একইভাবে আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে হলে তোমাকে তোমার জীবনের ৯০% পরিশ্রম, ত্যাগ আর দক্ষতা প্রথম কয়েক বছরে ঢেলে দিতে হবে।

এটা সেই পর্যায় যেখানে সাধারণ চাকরি বা ছোটখাটো চেষ্টা কাজে আসে না। এখানে তোমাকে "রকেট" হতে হয়—যার পেছনে থাকে বিশাল পরিমাণ জ্বালানি।

বেশিরভাগ মানুষ ব্যর্থ হয় না কারণ তারা চেষ্টা করে না, বরং ব্যর্থ হয় কারণ তারা মাধ্যাকর্ষণ ভাঙার জন্য যে শক্তি লাগে, তার পরিমাণ ভুল অনুমান করে। তারা ভাবে ধীরে ধীরে চললে দারিদ্র্য থেকে বের হয়ে যাবে। অথচ মাধ্যাকর্ষণ থেকে বের হতে হলে চলা যায় না উড়তে হয়। তোমাকে একসঙ্গে অনেক দক্ষতা শিখতে হবে, ঘুমের ত্যাগ করতে হবে, অপচয় আর নেতিবাচক বন্ধুদের কমাতে হবে। এই পর্যায়টা অত্যন্ত কষ্টদায়ক, কারণ তোমার পুরো পরিবেশ তোমাকে পেছনে টানছে—বিল, ঋণ, মূল্যস্ফীতি, পারিবারিক দায়িত্ব—এগুলো সব চেইন যা তোমাকে মাটির সঙ্গে বেঁধে রাখতে চায়।

কিন্তু এই গল্পের আরেকটা দিক খুব সুন্দর। যেই মাত্র কোনো রকেট পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে বেরিয়ে যায়, তখন আর গতি বজায় রাখার জন্য জ্বালানির দরকার হয় না। সে মহাকাশে শান্তভাবে ভেসে চলে। একে বলে মোমেন্টাম।

এটাই ধনী হওয়ার রহস্য। প্রথম কোটি টাকা আয় করা ঠিক পাহাড় খোঁড়ার মতো কঠিন, কিন্তু দ্বিতীয় কোটি আয় করা বাতাসে শ্বাস নেওয়ার মতো সহজ। যখন তোমার সম্পদ তৈরি হয়ে যায়, তখন টাকা নিজে থেকেই আরও টাকা আকর্ষণ করে। এটা সেই বিন্দু যেখানে তুমি "আর্থিক মাধ্যাকর্ষণ" থেকে মুক্ত।

তাই যদি আজ তুমি তীব্র চাপ আর কষ্টের মধ্যে থাকো, তাহলে খুশি থেকো—কারণ এটা প্রমাণ করে যে তুমি এখনও "লঞ্চিং প্যাড"-এ আছো এবং মাধ্যাকর্ষণের সঙ্গে লড়াই করছো। শুধু জ্বালানি শেষ হতে দিয়ো না। কারণ একবার কক্ষপথ ভেঙে ফেলতে পারলে—সমস্ত বিশ্ব তোমার।

*কালেক্টেড *
#কুয়াশা

Is that juicy yammeeeeeeee😋  #রসমালাই   #মাতৃভান্ডার
14/04/2026

Is that juicy yammeeeeeeee😋

#রসমালাই
#মাতৃভান্ডার

Understanding the difference between HR (people management) and Admin (operations management) is crucial for growth beca...
28/01/2026

Understanding the difference between HR (people management) and Admin (operations management) is crucial for growth because HR focuses on talent, culture, and development, while Admin ensures the physical and logistical environment runs smoothly, allowing each to specialize, reduce stress, and drive efficiency, with HR acting as the "heart" (people) and Admin as the "backbone" (systems) of the business. When clear, these roles prevent overlap and support both employee well-being and operational success, fostering stronger teamwork and growth.

23/01/2026

একজন রিযিকের আধিক‍্যতা চাইলো, তার ইনকাম বেড়ে গেলো। গাড়ি কিনলো, বাড়ি করলো। কিন্তু সেই সাথে যুক্ত হলো নতুন নতুন খরচ। মেডিকেল চেকআপ, ৮/১০ টা ক্রেডিট কার্ডের বিল, বড় বড় ক্লাবের মেম্বারশীপ ফী। বোনাস হিসেবে আছে আরও নানা দুশ্চিন্তা আর অশান্তি।

আরেকজন রিযিকের বারাকাহ চাইলো। তার চাকরীটা চলে গেলো। একজন আলিমকে হতাশ হয়ে প্রশ্ন করাতে জবাব দিলেন, হারাম ইনকামের চাকরী চলে যাওয়াটাই দুআ কবুলের প্রথম ধাপ।

ছোট খাট আরেকটা চাকরী পেলেও ইনকাম আগের চেয়ে অর্ধেক। আয় কমলেও সেই সাথে সংকুচিত হতে থাকলো ব‍্যয়ও। দিন শেষে তার কোন সেভিংস থাকছে না, কিন্তু নতুন করে তার কোন লোনও যোগ হয় না।
এই তো সেদিন ডাক্তার তার ঘুম আর প্রেসারের ঔষধের ডোজ কমিয়ে দিলেন। ঘুম এখন যদি নিয়মিত হয়, ঔষধ খাবেনই বা কেন।

রিযিকের বারাকাহ এক অদ্ভুত রহমত। আধিক‍্যতা ছাড়াই যা পাওয়া সম্ভব। আল্লাহ! আপনি যা রিযিক দিবেন তাতে সন্তুষ্ট বানিয়ে দিন। এবং তাতে বরকত নাযিল করুন।

~ Rizwanul Kabir (Hafi.)

18/01/2026

মাত্র ৫ সেকেন্ডের একটা ভুল মোড়, আর তাতেই শুরু হয়ে গেল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ!

ড্রাইভার যদি ওই গলি দিয়ে না যেত, তবে হয়তো আজ পৃথিবীর মানচিত্রটাই অন্যরকম হতো। বিশ্বাস হচ্ছে না?

আপনি হয়তো ভাবেন, ছোট ছোট ঘটনার কোনো ভ্যালু নেই। কিন্তু আজ আপনাকে এমন একটা থিওরির গল্প বলব, যেটা শোনার পর আপনি মশা মারার আগেও দশবার ভাববেন। বিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম- "দ্য বাটারফ্লাই ইফেক্ট"।

গল্পটা শুরু করি একজন আবহাওয়া বিজ্ঞানীকে দিয়ে।

নাম এডওয়ার্ড লরেঞ্জ।

১৯৬০ সাল।

তিনি কম্পিউটারে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বের করার চেষ্টা করছিলেন। একটা বিশাল অঙ্ক করার সময় তিনি ভাবলেন, "এত বড় দশমিক সংখ্যা লেখার কী দরকার? সময় বাঁচাই।"

তাই তিনি .৫০৬১২৭ এর বদলে শুধু .৫০৬ লিখলেন। মাত্র ০.০০০১২৭ এর পার্থক্য। তিনি ভাবলেন, এতটুকু চেঞ্জ তো ধর্তব্যেই আসবে না।

তিনি কফি খেতে গেলেন।

ফিরে এসে দেখলেন এক ভুতুড়ে কাণ্ড!

কম্পিউটার সম্পূর্ণ উল্টো রেজাল্ট দিচ্ছে। ওই দশমিকের সামান্য পরিবর্তনের কারণে পুরো আবহাওয়া রিপোর্টটাই বদলে গেছে। রোদ হওয়ার কথা যেখানে, সেখানে দেখাচ্ছে প্রলয়ঙ্করী ঝড়! লরেঞ্জ শিউরে উঠলেন।

তিনি বললেন, "ব্রাজিলে যদি একটা প্রজাপতি ডানা ঝাপটায়, বাতাসের সেই সামান্য কম্পন কয়েক সপ্তাহ পর টেক্সাসে টর্নেডো তৈরি করতে পারে।"
জন্ম নিল 'কেওয়াস থিওরি' (Chaos Theory)।

কিন্তু দাঁড়ান, এটা তো ল্যাবের গল্প। রিয়েল লাইফের টুইস্টগুলো শুনলে আপনার মাথা ঘুরে যাবে।

১৯১৪ সাল। অস্ট্রিয়ার আর্চডিউক ফার্দিনান্দ গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। তার ড্রাইভার ভুল করে একটা ভুল রাস্তায় মোড় নিল। ড্রাইভার যখন বুঝতে পারল, সে গাড়িটা ব্যাক করার চেষ্টা করল।

ঠিক ওই মুহূর্তেই, ফুটপাতে দাঁড়িয়ে ছিল এক আততায়ী, যে এর আগে তাকে মারতে গিয়ে ফেইল করেছিল। কিন্তু ভাগ্য বা দুর্ভাগ্য—গাড়িটা ঠিক তার সামনে এসে থামল। সে গুলি করল। ফার্দিনান্দ মারা গেলেন।
আর রেজাল্ট?

শুরু হয়ে গেল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। মারা গেল কোটি কোটি মানুষ। পতন হলো বড় বড় সাম্রাজ্যের।

চিন্তা করুন তো, ড্রাইভার যদি ওই ভুল মোড়টা না নিত? হয়তো আজকের পৃথিবীটা সম্পূর্ণ অন্যরকম হতো!

এখন আসেন সিনেমার মতো একটা গল্পে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময়। আমেরিকা জাপানে পরমাণু বোমা ফেলবে। টার্গেট ফিক্স করা হলো 'কোকুরা' শহর।

বোমারু বিমান আকাশে উড়ল। পাইলট রেডি। কিন্তু কোকুরা শহরের আকাশে সেদিন ছিল প্রচুর মেঘ। পাইলট কিছুই দেখতে পাচ্ছিলেন না।

তিনি তিনবার চক্কর দিলেন, কিন্তু মেঘের জন্য টার্গেট লক করতে পারলেন না। ফুয়েল শেষ হয়ে আসছিল।

বাধ্য হয়ে পাইলট প্লেন ঘোরালেন সেকেন্ডারি টার্গেটের দিকে।

সেই শহরটার নাম ছিল—নাগাসাকি।

মাত্র একটুখানি মেঘের জন্য একটা পুরো শহর (কোকুরা) বেঁচে গেল, আর আরেকটা শহর (নাগাসাকি) মাটির সাথে মিশে গেল।

কোকুরার মানুষ জানলও না যে, শুধু প্রকৃতির একটা খেয়ালে তারা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে। একেই বলে বাটারফ্লাই ইফেক্ট।

আরেকটা টুইস্ট শুনবেন?

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এক তরুণ ভিয়েনার আর্ট স্কুলে ভর্তি হতে গিয়েছিল। তার স্বপ্ন ছিল পেইন্টার হওয়া। কিন্তু স্কুলের প্রফেসররা তার ছবি দেখে বললেন, "তোমার মধ্যে কোনো ট্যালেন্ট নেই। তুমি বরং অন্য কিছু করো।" দুইবার তাকে রিজেক্ট করা হলো।

মন ভেঙে সেই তরুণ রাজনীতিতে যোগ দিল। তার নাম—অ্যাডলফ হিটলার।

যদি ওই আর্ট স্কুল তাকে একসেপ্ট করত? হয়তো আমরা একজন সাধারণ পেইন্টার হিটলারকে পেতাম, কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আর হলোকাস্টের মতো বিভীষিকা হয়তো ঘটত না। একজন প্রফেসরের একটা ছোট সিদ্ধান্ত কোটি মানুষের জীবন কেড়ে নিল।

সায়েন্স ফিকশন রাইটার রে ব্র্যাডবেরি একটা গল্প লিখেছিলেন—"A Sound of Thunder"।

সেখানে এক লোক টাইম ট্রাভেল করে ডাইনোসরের যুগে যায়। তাকে বলা হয়েছিল কিচ্ছু না ছুঁতে। কিন্তু ভুল করে সে একটা প্রজাপতি মাড়িয়ে ফেলে। যখন সে বর্তমান সময়ে ফিরে আসে, দেখে পুরো পৃথিবী বদলে গেছে। ভাষা আলাদা, স্বৈরাচারী সরকার দেশ চালাচ্ছে। ওই একটা মৃত প্রজাপতি পুরো বিবর্তনের ইতিহাস বদলে দিয়েছিল।

অ্যাস্টন কুচারের 'দ্য বাটারফ্লাই ইফেক্ট' সিনেমাটাও তো দেখেছেন হয়তো। যতবার সে অতীতে গিয়ে ছোট একটা ভুল ঠিক করতে যায়, বর্তমানে ফিরে দেখে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে গেছে।

সো ব্রাদার, এই গল্পগুলো থেকে আপনার জন্য লেসন কী?

আপনি ভাবছেন, "আজকে রাতে না পড়ে ফেসবুকে সময় নষ্ট করলে কী আর হবে?" বা "আজকে ফাস্ট ফুড খেলে কী এমন ক্ষতি?"

মনে রাখবেন, আপনার আজকের এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলোই ১০ বছর পর আপনার লাইফের 'টর্নেডো' বা 'সুনামি' হয়ে ফিরে আসবে।

আপনি আজ কার সাথে মিশছেন, কোন স্কিলটা শিখছেন, বা কোন সময়টা নষ্ট করছেন—এগুলোই ঠিক করে দেবে আপনি ভবিষ্যতে সফল হবেন, নাকি আফসোস করবেন।

জীবন কোনো রিওয়াইন্ড বাটনওয়ালা মুভি না। এখানে প্রতিটা সেকেন্ড কাউন্ট হয়।

ওই ড্রাইভারের ভুল মোড় বা কোকুরার আকাশের মেঘের মতো, আপনার জীবনের মোড়ও যেকোনো সময় ঘুরে যেতে পারে।

চয়েস কিন্তু আপনার হাতেই!

(Copied)

28/11/2025

#অফটপিক
#কুয়াশা
এক ভিখারি সামান্য একটু মরিচ পোড়া দিয়ে ভাত খেতে বসেছিলো।
খাবার সময় হঠাৎ তাঁর মাথায় প্রশ্ন আসলো যে, রাজা কিভাবে ভাত খায়। সে ভাবলো যে, এই যে আমি সামান্য মরিচ পোড়া দিয়ে ভাত খাচ্ছি, রাজা নিশ্চয়ই থালা ভর্তি মরিচ পোড়া নিয়ে ভাত খায়। ভিখারির কল্পনায় ভালো খাবারের ধারণা প্রচুর মরিচ পোড়ার উপরে ওঠার সাধ্য নাই।
রুপপুর আণবিক পাওয়ার প্ল্যান্টে ১২ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে রাশিয়ার কোম্পানি। ভারতে একই কোম্পানি এর অর্ধেক, অর্থাৎ ৬ বিলিয়ন ডলার খরচ করে এর চেয়ে বড় আণবিক পাওয়ার প্ল্যান্ট বানিয়েছে।
কথিত আছে, বাকী ৬ বিলিয়ন ডলার হাসিনা, টিউলিপ এবং পুতিন স্বয়ং ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।
এক বিলিয়ন ডলার কতটুকু? এক বিলিয়ন ডলারের ক্রয়ক্ষমতা কতটুকু, এক বিলিয়ন ডলারের রাজনৈতিক ক্ষমতা কতটুকু?
মরিচ পোড়া দিয়ে ভাত খাওয়া ভিখারিটির মতই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের দূর্নীতি নিয়ে আমাদের কল্পনা করারও সাধ্য নেই।
অতএব, এ নিয়ে আমাদের কোন মাথাব্যাথাই নেই।
তাই ওই ভিখারিটির মতোই আমাদের কল্পনার সীমাবদ্ধতার ভেতরে মাত্র ৮৩২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে আমরা নড়েচড়ে বসেছি এবং এটিকেই বিরাট মাপের দূর্নীতি হিসেবে গণনা করে চেঁচামেচি করছি।

কুয়শা....
সংগৃহীত :

30/03/2025

Address

Natore
6260

Telephone

+8801708503558

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life Chapters & Lessons posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Life Chapters & Lessons:

Shortcuts

Share