Nstu Subject Reviews

Nstu Subject Reviews let's we can Help you to choose a subject whose may appropriate for you by introduce all subject in nstu and those informations.

22/05/2023

স্বপ্নভূমি ১০১ ❤️

Video Credit: Nahid Parvez

13/11/2021
23/05/2021

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে GST (General, Science & Technology) গুচ্ছভুক্ত ২০ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা

প্রাথমিক আবেদন
সরকার ঘোষিত চলমান লকডাউন শেষ হওয়ার পরবর্তী ১০ দিন পর্যন্ত চলবে।

প্রাথমিক আবেদনের যোগ্যতা
ইউনিট যে সকল শাখার ছাত্রছাত্রী আবেদন করতে পারবে ন্যূনতম যোগ্যতা
ইউনিট-A (বিজ্ঞান শাখা) বিজ্ঞান, মাদ্রাসা (বিজ্ঞান), ভোকেশনাল (এইচএসসি) ২০১৭, ২০১৮ সালে এসএসসি/সমমান ও ২০১৯, ২০২০ সালে এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০সহ সর্বমোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে।

ইউনিট-B (মানবিক শাখা) মানবিক, মাদ্রাসা (সাধারণ, মুজাব্বিদ), সংগীত, গার্হস্থ্য অর্থনীতি, ইসলামিক স্টাডিস ২০১৭, ২০১৮ সালে এসএসসি/সমমান ও ২০১৯, ২০২০ সালে এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০সহ সর্বমোট জিপিএ ৬.০০ থাকতে হবে।

ইউনিট-C (বাণিজ্য শাখা) বাণিজ্য, ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ২০১৭, ২০১৮ সালেএসএসসি/সমমান ও ২০১৯, ২০২০ সালে এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০সহ সর্বমোট জিপিএ ৬.৫০ থাকতে হবে।

Apply Here

13/11/2019

█▒▒▒ সাবজেক্ট রিভিউ ▒▒▒█
ZOOLOGY/প্রাণীবিদ্যা
#সি ইউনিট
# আসন সংখ্যাঃ২৭
☑বিষয়বস্তুঃ
কেবল স্বতন্ত্র একটি প্রাণী নয়, গোটা প্রাণিকুল ও তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক, উদ্ভিদ ও অজৈব পরিবেশের সঙ্গে প্রাণীর সম্পর্ক ইত্যাদি সব ধরনের ধারণযোগ্য আলোচনা ও গবেষণা প্রাণিবিজ্ঞানের বিষয়বস্ত্ত। বিশাল পরিসরের কারণে প্রাণিবিজ্ঞান সাধারণত কতকগুলি শাখায় এখন বিভক্ত এবং এগুলির মধ্যে মুখ্য শ্রেণীবিন্যাস, কোষতত্ত্ব, অঙ্গসংস্থান, শারীরবৃত্ত, প্রায়োগিক শারীরস্থান, ভ্রূণবিদ্যা, প্রত্নজীববিদ্যা, জীনতত্ত্ব ও বংশগতি, বাস্ত্তসংস্থান, প্রাণিভূগোল এবং অর্থনৈতিক প্রাণিবিদ্যা। জ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে প্রোটোজুলজী, কীটতত্ত্ব, পরজীবীবিদ্যা, মৎস্যবিদ্যা, বন্যপ্রাণিবিদ্যা, সংরক্ষণ জীববিদ্যা ইত্যাদি শাখাসমূহের উদ্ভব ঘটেছে।

☑কেন পড়বেন প্রাণীবিজ্ঞানঃ
বর্তমানে প্রাণিবিদ্যার শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনেক। দেশের প্রায় সব কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের বিশেষ প্রয়োজন হয়। এই বিভাগ থেকে পাস করে কাউকে বসে থাকতে হয় না। তারা শিক্ষকতা করতে পারেন। এ ছাড়া ফিশারিজ, কৃষি, ফরেস্ট্রি ইত্যাদি খাতে অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন। দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজেও এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাজের ভালো সুযোগ রয়েছে।
☑কোথায় কোথায় প্রাণিবিদ্যা পড়ানো হয়ঃ
ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী,জগন্নাথ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত কোন কোন কলেজে প্রাণিবিদ্যা পড়ানো হয়।
☑ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনাঃ
মলিকুলার বায়োলজি, জীনতত্ত্ব, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, রেশম চাষ, মৌমাছি চাষ, মাছ চাষ ও ইনটেনসিভ ফামিং, পরিবেশ বিদ্যা, toxicology, মুক্তা চাষ, চিংড়ি গবেষণা ও অন্যান্য ফলিত শাখায় এমফিল ও phD–র সুযোগ।
☑উচ্চ শিক্ষাঃ
ক) দেশে: ঢাকা, জগন্নাথ, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ ,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণিবিদ্যার বিভিন্ন বিষয়ের উপর M.S, M.Sc এবং Ph.D করা যায়।

খ) বিদেশেঃ প্রাণিবিদ্যা পড়ে Australia,Japan, USA,Uk,CANADA, EUROPE এর যেকোন দেশে PhD করা সম্ভব।
☑গবেষনার ক্ষেত্রসমূহঃ
বাংলাদেশের নিম্নোক্ত গবেষণা সংস্থাগুলিতে প্রাণিবিজ্ঞান বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
১. বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশন

২.বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন
৩. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
৪. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
৫. বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
৬. বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (SRARRSO)
৭. বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
৮. বাংলাদেশ প্রানিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট; ৯. বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট;
১০. বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট;
১১. বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট
১২. জাতীয় রোগ প্রতিরোধ ও সামাজিক চিকিৎসা
১৩. বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (BCSIR) খাদ্যবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট।
☑চাকুরীর ক্ষেত্রসমূহঃ
১. মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা সহ বিসিএস ক্যাডার সার্ভিসে যোগদানের সুযোগ।
২. Medical Representative হিসাবে বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীতে যোগদানের সুযোগ।
৩. BCSIR, NIPSOM, IEDCR, AIPH, ICDDR, BIRDEM ও অন্যান্য দেশী ‍বিদেশী গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসাবে যোগদানের সুযোগ।
৪. শিক্ষালয় জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যেগে Sericulture, poultry farm, Fish farm, Fish Apiculture, Hatchery, Fish culture ইত্যাদি Prownculture করার সুযোগ।

#নোবিপ্রবিতে ২০১৮-১৯ সেশন থেকে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ চালু করা হয়।

#কালেক্টেড
হুমায়ুন কবির
প্রাণিবিদ্যা বিভাগ,নোবিপ্রবি
সেশনঃ২০১৮-১৯

২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক(সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তি ২৪ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত।ভর্তি সংক্রান্ত যে...
12/11/2019

২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক(সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তি ২৪ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত।

ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো সহযোগিতার জন্যে যোগাযোগ করতে পারো।

Azhar Shovon
Mobile:01907243671
Dept. Of Biochemistry and Molecular Biology
NSTU.

মোহাম্মদ পলাশ
মোবাইলঃ+880 1628-200967
বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ
নোবিপ্রবি।

08/11/2019

Subject Review:Biochemistry and Molecular Biology👀👀

বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি-র বাংলা করলে দাঁড়ায় প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান।
সোজা ভাষায় এই সাবজেক্টে প্রাণের রসায়ন নিয়ে গল্প সল্প করে আর জীবনকে ব্যাখ্যা করে আনবিক পর্যায়ে। তোমার জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তুমি কি কর, কেন কর, কেন সুখী হও, কেন দুখি হও, কিভাবে এত বড় হলে, কেন বুড়ো হবে,এমনকি কেন প্রেম কর সেটাও আলাপ আলোচনা করে এই সাবজেক্ট। মরলেও রেহাই নেই। তোমার ডি এন এ খুঁজে বায়োকেমিস্ট বলে দিতে পারবেন তুমি কে, কি তোমার পরিচয়। একটু দুষ্টু করে বলি। এই সাবজেক্ট হচ্ছে একটা দুষ্টু ছেলের মত যে অনেকগুলা মেয়ের সাথে প্রেম করে।
এই সাবজেক্টে পড়ে তুমি যদি কম্পিউটার প্রোগ্রামার হতে চাও হতে পারবে (Bioinformatics ), যদি হতে চাও পদার্থবিদ (Biophysics) তাও পারবে, যদি হতে চাও প্রকৌশলী (Bioengineer/ Genetic Engineer) তাও পারবে। যদি হতে চাও এলিয়েনবিদ (Alien Biology)m তাও পারবে। মানুষের শরীরে কিভাবে রোগ জীবাণু আক্রমন করে, আমাদের দেহের Immune সিস্টেম (Immunology) কিভাবে সৈন্য সামন্ত নিয়ে সেটা প্রতিরোধ করে, না পারলে আমরা কিভাবে ওষুধ
বানিয়ে (Pharmacy) সেগুলো ধ্বংস করতে পারি এত্ত সব মজার জিনিস দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। আমাদের নিজেদের কিছু কোষ কিভাবে রাজাকার হয়ে আমাদের ক্ষতি করে ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যায় (Onclology) তাও বুঝতে পারবে।
এই সাবজেক্টের কিছু রহস্যময় আর রোমাঞ্চকর দিক আছে। যেমনঃ কিভাবে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং করে এক্স-মেনদের
মত মানুষ অথবা অন্য প্রানী বানানো যায়,
যে কোন প্রাণীর কাছ থেকে একটু কোষ নিয়ে ক্লোনিং করে হুবহু একই রকম আরেকটি প্রাণী বানানো যায়, স্টেম সেল
দিয়ে কিভাবে নতুন হাত পা ছাড়াও বিভিন্ন অঙ্গ একবারে নতুন করে তৈরি করা যায়
ইত্যাদি
গত শতাব্দী ছিল ভৌত বিজ্ঞান আর
প্রযুক্তির। এই শতাব্দী হচ্ছে প্রাণরসায়নের।
বিজ্ঞানের এই দিকটা এখনও মানুষের
কাছে বেশিরভাগই অজানা।প্রতিদিনই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে। যেমন
ধর ই-বোলা ভাইরাস। এখনও এইডস আর
ক্যানসারের ভাল কোন ওষুধ আবিস্কার হয়নি। তাই সারা পৃথিবীতে প্রাণরসায়ন
নিয়ে চলছে প্রচুর গবেষণা। আগামী শতাব্দির সব চ্যালেঞ্জ একসেপ্ট করতে আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে অনেক গবেষণা। এরই মধ্যে তোমরা পাটের জিনোম প্রজেক্টের কথা জান। শুনেছ ড. মাকসুদুল আলমের কথা। পুরো বিশ্বে বিজ্ঞানের এই দিকটায় বাংলাদেশি আরও অনেকে আছেন যারা তাঁদের কাজের
ক্ষেত্রে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন
সবার প্রশ্ন থাকে চাকরি কোথায় এই সাবজেক্টের। সারা পৃথিবীতে চাকরির ব্যাপারটাই ধাঁধার মত। কেউ হয়ত প্রকৌশলী কিন্তু চাকরি করে ব্যাঙ্কে। আজকাল ডাক্তাররাও এমবিএ করে। তুমি যদি মনে কর এবং দিন শেষে প্রমান কর তুমি কেউ একজন তাহলে চাকরি তোমার পেছনে ঘুরবে।
বাংলাদেশে বায়োকেমিস্ট্রিতে ক্যারিয়ার গড়ার চমৎকার সব সুযোগ রয়েছে। এই ক্ষেত্রে ভালো রেজাল্টধারীগণ বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা এবং গবেষণার সুযোগ লাভ করেন। দেশে-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বায়োকেমিস্টগণ

* বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে শিক্ষকতা,
*বিভিন্ন ঔষুধ কোম্পানি,
*বায়োটেকনোলজি কোম্পানি,
*ক্যামিক্যাল ইন্ড্রাস্টি,
*ফুড ইন্ড্রাস্টি,
*ফরেনসিক ল্যাব, *হসপিটাল,
*ডায়াগনোস্টিক ল্যাব,
*কসমেটিক ইন্ড্রাস্টি
ইত্যাদিতে কাজ করতে পারেন। এসবের বাহিরেও বায়োকেমিস্ট্রতে ডিগ্রিধারীগেণর জন্য বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বহুজাতিক কোম্পানি, ব্যবসা ইত্যাদিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে।
সরকারি চাকুরীঃবাংলাদেশের সরকারি চাকুরীগুলোতে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসাবে ন্যুনতম যে কোন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী হলেই যেহেতু অাবেদন ও চাকুরী পাওয়া যায় সেহেতু বায়োকেমিস্ট্রিও মলিকুলার বায়োলজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারীদের বাংলাদেশের সরকারী চাকুরীতে অাবেদন করার ও নিয়োগ লাভের প্রচুর সুযোগ অাছে।বায়োকেমিস্ট্রি­ও মলিকুলার বায়োলজিতে ডিগ্রিধারীরা একদিকে যেমন বিসিএস দিয়ে পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগদান করতে পারবেন তেমনি ৩১ তম বিসিএস হতে বায়োকেমিস্ট্রিসাধার­ন শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত হওয়ায় অাপনারা বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে ও যোগদান করতে পারবেন অর্থাৎ বিসিএস জেনারেল এবং টেকনিক্যাল উভয় ক্যাটাগরিতে এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা চাকুরি করার সুযোগ পাবেন।তাছাড়া একজন স্নাতকোত্তর হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের চাকুরি ও পিএসসির ( নন ক্যাডার) চাকুরি লাভের অবারিত সুযোগ রয়েছে।।মোট কথা সবার জন্য উম্মুক্ত যে সকল চাকুরি রয়েছে সেই সকল চাকুরিতে বায়োকেমিস্ট্রির ছাত্র/ছাএীরা অাবেদন করতে পারবেন এবং যদি স্বীয় যোগ্যতা ও মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারেন তাহলে চাকুরিগুলো অাপনাদের হওয়ারও সম্ভবনা থাকবে প্রচুর।
বায়োকেমিস্ট্রিও মলিকুলার বায়োলজি( টেকনিক্যাল পদ)
সংশ্লিষ্ট চাকুরিঃবায়োকেমিস্ট্­রিও মলিকুলার বায়োলজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্নকারীরা সাধারনত #বিসিএসঅাইঅার,
#অাইসিডিডিঅারবি
#বাংলা­দেশ পরমানু শক্তি কমিশন,
#ন্যাশন্যাল ইনস্টিটিউড অব বায়োটেকনোলজি,
#বাংলাদেশ চা বোর্ড,
# বারডেম,
#বিসিঅাইসি,
#বিএসএমএমইউ(পিজি) ,
#বাংলাদেশ ডায়াবেটিকস অাস্যোশিয়েশন,
#মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন
#ন্যাশন্যাল ফরেনসিক ডিএন এ প্রোফাইল ল্যাবরেটরীর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা,
#বিএসটিঅাই ও বাংলাদেশ এ্যাক্রোডিটেশন বোর্ড এর পরীক্ষক,
#ওয়াসা এর সহকারি রসায়নবিদ ও সহকারি জীবানুবিদ,
#বাংলাদেশ বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের অধীন সহকারি রসায়নবিদ ও প্রানরসায়নবিদ,
#শিল্প­ মন্ত্রনালয়ের অধীন ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের পেটেন্ট ডিজাইনার(প্রানরসায়ন­),
#স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের অধীন ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ড্রাগ সুপার,ড্রাগ ইন্সপেক্টর, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা,
#শিশু হাসপাতালের অধীন সি এইচ অার এফ এর রির্সাচ অফিসার,
#বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক বিভাগ প্রভৃতি সেক্টরে কাজ করার সুযোগ পেয়ে থাকেন।
ব্যাংক ও বীমা সংশ্লিষ্ট চাকুরিঃস্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারী হিসাবে বায়োকেমিস্ট্রিও মলিকুলার বায়োলজির শিক্ষার্থীরা সাধারনত বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার, সিনিয়র অফিসার, সহকারি ব্যাবস্হাপক এবং সরকারি বিভিন্ন ব্যাংক ও বীমাতে অফিসার, সিনিয়র অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেয়ে থাকেন।বেসরকারি ব্যাংকে যেহেতু এম বি এ ডিগ্রীধারীদের বেশি প্রাধান্য দেয় তাই বায়োকেমিস্ট্রির শিক্ষার্থীদের বেসরকারী ব্যাংকে ভাল চাকুরি পেতে গেলে অবশ্যই এম বি এ ডিগ্রী নিতে হবে, তা না হলে বেসরকারি ব্যাংকে ভাল পোস্টে অাপনারা কাজ করার তেমন সুযোগ পাবেন না।।
মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাব সংশ্লিষ্ট চাকুরিঃ
#দেশের বিভিন্ন বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকল্যাবে বায়োকেমিস্ট্রিও মলিকুলার বায়োলজিতে অধ্যায়নকৃত শিক্ষার্থীদের চাকুরি করার অবারিত সুযোগ অাছে। যেহেতু এই সেক্টরটাতে খুব সহজেই চাকুরি পাওয়া যায় তাই এই বিভাগে অধ্যায়নকৃতদের বেকার থাকতে হয় না।
#মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এই বিভাগের অধ্যয়নকৃতরা মূলত বায়োকেমিস্ট, সায়েন্টিফিক অফিসার,রিপোর্ট ট্রান্সক্রিপ্টশনিস্ট­, রির্সাচ অফিসার, জুনিয়র কনস্যালট
এছারা সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের বায়োকেমিস্ট্রি কোর্সেরর লেকচার, ফার্মসিটিকেল এ এক্সিকিউটিব অফিসার, ম্যানেজার,রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার সহ আরো।কেমিক্যাল রিলেটেড সকল ইনডাস্ট্রিজ এ কোয়ালিটি কন্ট্রোলার, কোয়ালিটি এসুরেন্স সহ অারো,এমনকি টেক্সটাইল এ কোয়ালিটি কনট্রলার হিসেবে জব রয়েছে।।।এছাড়া আমার জানার বাইরেও আছে অনেক

এবার বলি মলিকুলার বায়োলজির কথা......
বিজ্ঞান চর্চার প্রাথমিক যুগের সূচনা ঘটেছিল গণিত চর্চার মধ্য দিয়ে। মধ্যযুগে তা পদার্থবিদ্যার বিকাশে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখে। ধীরে ধীরে নিউটন, গ্যালিলিও, আইনস্টাইন, বোরের তত্ত্ব একে আধুনিক যুগে নিয়ে আসে। কিন্তু, 1920 এর আবিষ্কারের ধারা কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। তখন, বিজ্ঞানীরা ঝুকতে থাকে পরিবেশ, পৃথিবী, মানুষ, জীবজগৎ নিয়ে গবেষণার দিকে। বর্তমানে একবিংশ শতাব্দীকে তাই নিঃসন্দেহে বলা হচ্ছে The Century of Biological Science. এর কারণ 1972 সালে পল বার্গের রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজি বা মলিকুলার ডকিং এর আবিষ্কার।
প্রাণ রসায়ণের সবচেয়ে আধুনিক একটি শাখা মলিকুলার বায়োলজি!যেখানে জীবনকে সংজ্ঞায়িত করা হয় অণু-পরমাণু পর্যায়ে, একে বলা হয় "The Molecular Logic Of Life"। A-T-C-G এই মাত্র চারটি হরফে লেখা এ বিষয়কে বলা হয় Language of GOD. মলিকুলার বায়োলজি মূলত ট্রান্সজেনিক (উন্নত বৈশিষ্টধারী) উদ্ভিদ ও প্রাণী সৃষ্টিতে কাজ করে। এর একটি শাখা জেনেটিক্স, জীববিজ্ঞানের এ শাখাটিতেই নিজের ইচ্ছামত ডিজাইন করে একটি প্রাণী সৃষ্টি করা যায়, ডিজাইন করা যায় নিজের পছন্দের ই.কোলাই যে কিনা নিজের কথামত উঠবে বসবে। কাজটা অনেকটা একটা কম্পউটার প্রোগ্রাম ডিজাইন করার মত, যা তোমার আদেশ সম্পূর্ণ মেনে চলে। চিন্তা করে দেখ, ব্যাপারটা একজন আবিষ্কারকের জন্য কতটা রোমাঞ্চকর যখন সম্পূর্ণ জীবন্ত কিছু একটা নিজের ডিজাইন মত কাজ করছে?
মলিকুলার বায়োলজি ভালো করে জানতে হলে মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, বায়োস্ট্যাটিসটিক, ইমিউনোলজি, ওর্গানিক কেমিস্ট্রি, এনজাইমোলজি, ইনসিলিকো (কম্পিউটেশনাল) বায়োলজি, টিস্যু কালচার ইত্যাদি ভালোভাবে জানতে হবে।
একজন মলিকুলার বায়োলজিস্ট একাধারে একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট কারণ, নিজের ব্যাকটেরিয়াগুলো তাকে পেটরি ডিসে জন্মাতে হয়; সে একজন বায়োকেমিস্ট কারণ নিজের সৃষ্টি জীব থেকে সংগৃহীত প্রোটিন তাকে বিশ্লেষণ করতে হয়; সে একজন পরিসংখ্যানবিদ কারণ 3.2 বিলিয়ন বেস পেয়ারের মাঝে তাকে ধারণা করে কাজ করতে হয়; সে একজন অর্গানিক কেমিস্ট কারণ নিজের আবিষ্কৃত ওষুধের মলিকিউলার গঠন তাকে বের করতে হয় এবং পরিশেষে একজন কম্পিউটার প্রকৌশলী কারণ বিশাল ডিএনএ এনালাইসিসের জন্য তাকে সফট ওয়ার ডিজাইন করতে হয়।এত সব কিছুর মাঝে তুমি সত্যিই হয়ে উঠবে “Jack of all traits, master of SOME".
কি কি গুণ লাগবে বিশ্বের আধুনিকতম এ বিষয়ে পড়তে? তোমাকে হতে হবে খুবই অভূতপূর্ব চিন্তাবিদ, কঠোর পরিশ্রমী, মানবিক গুণসম্পন্ন বিশেষ করে দেশপ্রেমিক। পাশাপাশি ঝানু হতে হবে জীববিজ্ঞান, জৈব রসায়ন এবং প্রোগ্রমিং এ। চিন্তা করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে এমন কিছু করা সম্ভব যা কেউ ভাবতেও পারে না। যেমন, একবার এক বিজ্ঞানী ঠিক করলেন ছাগলের দুধের মধ্যে তিনি মাকড়সার জালের সূতা তৈরি করবেন যা হবে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সূতা। তিনি সফল হয়েছিলেন এবং সৃষ্টি করেছিলেন বায়োস্টীল!। সুতরাং, আজগুবি চিন্তা করতে জানতে হবে।
এত অবিশ্বাস্য জিনিস একদিনে আবিষ্কার হয় না। তাই, তোমাকে হতে হবে কঠোর পরিশ্রমী।
নেচার ম্যাগাজিনের কভারের প্রতিদিনিই জায়গা করে নিচ্ছে জাপান, আমেরিকার মলিকুলার বায়োলজিস্ট রা। এ বছর ২০১৬ তে চিকিৎসা বিজ্ঞানে যিনি নোবেল পেলেন তিনি একজন মলিকুলার বায়োলজিস্ট।
সবার সব ব্যাপার সবসময় ভাল লাগেনা। বায়োকেমিস্ট্রি এই ব্যাপারটা বেশি প্রশ্রয় দেয় কারন বায়োকেমিস্ট্রি পড়তে সবই দরকার হয়। যা খুশি হতে পার। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে তোমার কি করতে ভাল লাগে আর কি করলে তুমি সুখী হবে। তাই চাকরির নিয়ে বেশি কথা না বলি। তোমরা গুগল দৈত্যে সার্চ দিলেই সারাবিশ্বে এই সাবজেক্টের চাকরি কোথায় সব জানতে পারবে। আরেকটু বেশি উৎসাহী হলে এই সাবজেক্টের স্যালারি নিয়েও সার্চ দিয়ে দেখতে পার। অনেকেই মনে করতে পার যে বায়োকেমিস্ট্রিতে যেহেতু বায়োলজি আর কেমিস্ট্রি আছে তাই প্রচুর মুখস্ত করতে হয়। এই ধারনা কতটুকু ভুল সেটা বুঝতে ইউটিউবে বিখ্যাত Eric Lander এর লেকচার দেখতে পার। এই ভদ্রলোক গণিত শাস্ত্রে পি এইচ ডি শেষে এখন MIT তে মলিকুলার বায়োলজি পড়ান!
NOTE: বাংলাদেশের নিম্নোক্ত পাব্লিক বিশ্ব্ব বিদ্যালয় গুলোতে এই বিষয়টি পড়ানো হয়
1.DU
2.JU
3.CU
4.RU
5.SUST
6.MBSTU
7.BSMRSTU
8.NSTU
এছাড়াও কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এ এই বিষয়টি পড়ানো হয়।
বর্তমানে NSTU তে দুইটি ব্যাচ বিদ্যমান। এ বছর আরও একটি ব্যাচের যাত্রা শুরু হবে। বর্তমানে এই ডিপার্টমেন্টে ৬ জন অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলী ও অত্যাধুনিক গবেষণাগার রয়েছে।
"Biochemistry is the mother subject of life science"

Lithu
Dept. Of Biochemistry and molecular biology.
Nstu

** Subject Review ** ** APPLIED MATHEMATICS ** ২০০৬ সালে দেশের ২৭তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৫ম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্...
08/11/2019

** Subject Review ** ** APPLIED MATHEMATICS **
২০০৬ সালে দেশের ২৭তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৫ম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বিভাগ হিসেবে "গণিত বিভাগ" প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালে বিভাগটিকে "ফলিত গণিত বিভাগ" হিসেবে রুপান্তরিত করা হয়। নোবিপ্রবির একাডেমিক ভবন-২ এর তৃতীয় তলায় অবস্থিত এই ডিপার্টমেন্টে বর্তমানে রয়েছে ৮ জন দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা (৪ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা পিএইচডি সম্পন্ন করার জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করছেন)। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের প্রেক্ষিতে "ফলিত গণিত বিভাগ" প্রায় নতুন ই বলা চলে। বর্তমানে দেশের মাত্র ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিভাগে অধ্যয়ন করার সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম "ফলিত গণিত বিভাগ" চালু হয়। পরবর্তীতে যথাক্রমে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিভাগ চালু হয়।

এবার আসি ফলিত গণিত বিষয় সম্পর্কে, ফলিত গণিত মূলত বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা, প্রকৌশল, অর্থনীতি, অর্থসংস্থান এবং বাস্তব জীবনের আরও অনেক প্রয়োগে ব্যবহৃত গণিত পদ্ধতিতে ফোকাস করে। বিশিষ্ট গণিতবিদ Carl Friedrich Gauss বলেছেন, "Mathemathics is the queen of the science" গণিত বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখা। আর সেই গণিতের ব্যবহারিক প্রয়োগ হলো ফলিত গণিত। নোবিপ্রবির ফলিত গণিত বিভাগে স্নাতক(বিএসসি অনার্স) পর্যায়ে যেসকল বিষয়ে আলোচনা করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হল :
1. Classical Mathematics
2. Statistics
3. Calculus
4. Scientific Computing
5. Different Types of Analysis (Vector, Tensor, Numerical, Complex etc.)
6. Computer Programming (FORTRAN, C/C⁺⁺) 7. Discrete Mathematics
8. Thermodynamics
9. Quantum Mechanics
10. Bio-Mathematics
11.Mathematical Cosmology & Astronomy
12. Mathematical Economics

ফলিত গণিত থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট, আইটি, ইকোনোমিক্স, বায়োইনফরমেটিক্স ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় থেকে স্নাতকোত্তর(মাস্টার্স) ডিগ্রী লাভ করার সুযোগ থাকে। **ফলিত গণিত থেকে থিসিস বা গবেষণার জন্য কিছ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল :
1. Bio-Fluid Dynamics
2. Traffic Low Dynamics
3. Control Theory
4. Artificial Neural Networks
5. Linear and Non-Linear Optimization
5. Nano-Technology
6. Nano-Fluid Dynamics
7. Numerical Heat Transfer & Heat Exchanger 8. CFD (Computational Fluid Dynamics)
9. Perturbation & Approximation
10. Bio-Mechanics
11. Bio-Mathematics
12. Aero-Dynamics & Rocket Study
13. Advanced Number Theory
14. Pharmaco-Dynamics & Drug Delivery Process
15. Mathematical Modeling in Finance
[** This part is collected from Abdul Karim bhai (1st Batch, Applied Mathematics, NSTU)]

আমাদের দেশে ফলিত গণিত অনেকটা নতুন বিষয় হলেও বহির্বিশ্বে আরো অনেক আগে থেকেই এই বিষয়ের চর্চা হচ্ছে। আর চাকুরী ক্ষেত্রে প্রায় সকল কিছুতে গণিতের প্রয়োজন আছে। বিসিএস ছাড়াও এখান থেকেই চাইলে শিক্ষক, গবেষক, ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যাংকার, আইটি এক্সপার্ট ইত্যাদি হওয়া যায়। এছাড়াও ফলিত গণিত এবং এর চাকুরী ক্ষেত্র নিয়ে আরো জানতে চাইলে দেখে নিতে পারো : 1. http://careers.yorku.ca/my-degree/applied-mathematics/ 2. https://www.zippia.com/applied-mathematics-major/ 3. https://youtu.be/OF7qR-d-Vxs গণিতের প্রতি ভালোবাসা থাকলে "ফলিত গণিত" হতে পারে স্নাতক সম্পন্ন করার জন্য একটি অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয়।
ফলিত গণিতে আগত সকল নবীন শিক্ষার্থী কে স্বাগতম! ধন্যবাদ সবাইকে

মোঃ আব্দুল্লাহ বায়েজীদ তপু
ফলিত গণিত বিভাগ
১৩তম ব্যাচ,
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা প্রয়োজনে : 01689771482

Applied Mathematics Have you always been a “numbers person” but are most interested in the way mathematics can shape the world around us? Do you want to use mathematics to create new ideas, better understand our surrounding world and help develop techniques and technologies that can advance huma...

08/11/2019

📚 📓সাবজেক্ট রিভিউ 📚📒

📚সমাজকর্ম - Social Work (SW)

আমাদের সমাজে যে কেউ কিছু সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করলেই সে হয়ে যায় সমাজকর্মী। তাহলে সমাজকর্ম পড়ে কি লাভ? কি আছে এই বিষয়ে? এটি কি শুধুই একটি বিষয়? এই বিষয়ের ভবিষ্যৎ কি? বাইরের দেশে এর কি অবস্থা?

📚📚প্রথমত, সমাজকর্ম হল একটি পেশা। যে পেশার মাধ্যমে একটি মানুষকে তার পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী আরো যোগ্য করে তোলা হয়, তার সমস্যা সমাধানে সাহায্য করা হয়। শুধু একটি মানুষ নয় বরং একটি দল বা কমিউনিটি কেও সাহায্য করা হয় তাদের সমস্যা সমাধান করতে ও দক্ষ হতে।

এই পেশাটির জন্ম ইংল্যান্ডে এবং আমেরিকায় প্রায় ২০০ বছর আগে। শুরুর দিকে এটি সেচ্ছাসেবী কাজ হিসেবে ধরা হলেও পরে এটি সরকারী পৃষ্ঠপোষ্কতায় পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এবং এরই ধারাবাহিকতায় এই পেশায় দক্ষ ও উপযোগী কর্মী নিয়োগের জন্য জন্ম হয় সমাজকর্ম বিষয়টি।

💼আমাদের দেশে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষকতা যেমন পেশা তেমনি England,  USA, Russia, Canada, Northern Ireland, Vietnam, Australia ইত্যাদি দেশে সমাজকর্ম এখন একটি স্বীকৃত পেশা,আমাদের দেশে এখন এটি একটি স্বীকৃত পেশা,সমাজকর্মীরা দেশের সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত।

🎓🎓যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ,রাজশাহী বিশ্ববিআদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ,নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ,এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ আর ও অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে।উল্লেখ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেও বিভিন্ন কলেজে সমাজকর্ম বিষয়টি পড়ানো হয়।তাছাড়া স্কলারশিপ অর্জন করে উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশের বাহিরে ও অনেক সুযোগ রয়েছে ।

📙📙বিষয় হিসেবে সামাজিক বিজ্ঞানের সাবজেক্ট গুলোর মধ্যে এটি যথেষ্ট বিজ্ঞান সম্মত ও উন্নত। সাধারণ ভাবে বললে এটি অনেকটা এ্যাপ্লাইড বেইসড সাবজেক্ট। মানুষের জীবন ও সমাজের সমস্যা সমাধানের ও উন্নয়নের উপায়গুলো সমাজকর্মের মাধ্যমে এ্যাপ্লাই করা হয়। এজন্য একটি মানুষের জীবন ও সমাজের সমস্যা ও সমাধানের বিষয়বস্তু এই সাবজেক্টের পড়ার অন্তর্গত। বিশেষ করে সাইকোলজি, ফিজিওলজি, হেলথ, ইকোনমিকস ইস্যু কান্ট্রি ওয়েল্ফেয়ার পলিসি ইত্যাদি বিষয়াদি আলোচিত হয়ে থাকে।

📒📖📙এই বিষয়ে যা যা পড়ানো হয় -

# Social  Case Work
# Social Group work
# Social Policy & Planning
# Community Development
# Social Research
# Psychology
# Public Health
# Demography
# Social welfare administration, law , human right, social justice
# Disaster management /Gender issues / Disability welfare
# Counselling etc.
# এছাড়া রয়েছে দুই মাসের  Field Work/ Internship

✒তাহলে বুঝতেই পারছ এই বিষয়টি বা ডিসিপ্লিনটি কেমন এবং কি কি বিষয় সম্পর্কে পড়তে হবে।

💼💰💴চাকুরী সুবিধা!!!!!

মূলত সবচেয়ে এটিই জানার আগ্রহ বেশি সবার। পড়াশুনা করবো ঠিক আছে কিন্তুু চাকরি পাব তো? হ্যাঁ পাবা, এটি যেহেতু এটি বাইরের দেশে একটি পেশা তাই বাইরের দেশে এর প্রচুর ডিমান্ড বা ভ্যাল্যু রয়েছে। প্রচুর স্কলারশিপ এরও সুযোগ আছে।এছাড়া দেশে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা অধিদপ্তর এ তো লোভনীয় কিছু চাকুরী রয়েছে সাথে আছে বিসিএস এ সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার। তাছাড়া, দেশ বা বিদেশের যে কোন এনজিও তে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অর্গানাইজেশন সমাজকর্ম স্কলারদের রয়েছে ফার্স্ট প্রায়োরিটি।
পাশাপাশি বাংলাদেশেই Higher Graduation এ থাকছে Clinical Social Work পড়ার সুযোগ যার মাধ্যমে Medical Social Worker হওয়া সম্ভব এবং থাকছে Health সেক্টরে কাজ করার সুযোগ।

🏠সমাজকর্ম সংগঠন: যেহেতু এটি একটি পেশা (১৯৪০ সাল থেকে) তাই সারাবিশ্বে সমাজকর্মীদের ও রয়েছে একটি বৃহৎ সংগঠন যার নাম:
✒National Association of Social Workers (NASW)
♦ প্রতিষ্ঠিত- ১৯৫৫,সদস্য- ১.৫ লক্ষ

◾অতএব,আশা করি সমাজকর্ম বিষয়ে সবার কিছুটা ধারনা হয়েছে।
সমাজকর্ম বিভাগে ভর্তিচ্ছুদের অগ্রিম শুভকামনা 🌷🌷।

Borhan uddin
14th batch
Department of Social Work,
Nstu

08/11/2019

Subject review

English Language & Literature

.

You want to wander lonely as a cloud?
No it's not possible if you are in English department. You will find company & pleasure in every sphere of your life if you are able to understand the sweetness of English literature. It's like honey bunch. You have to drive out bee for honey. But if you can’t ..!
Those honey bees will bite you like hell.
You will be capable enough to find the blessings of nature, as nature is a focal point of romantic period's poetry. Someone will be able to arrange his life. It's possible to dance with daffodils..!
You want to drink your life to the lees? Then, you are cordially invited to study in English language & literature

want to discover new things throughout struggle?
yeah, here you go.! Literature will teach you. Is it possible to write some noble note? yes, literature will motivate you

Job fields?

Yeah,.there's a lot.

(Personal review)

Md. Naeem Uddin
Session: 2018-19
Department of English Language & Literature,
Noakhali Science & Technology University

ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারো।
06/11/2019

ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারো।

ইউনিট অনুযায়ী বিভাগের নাম ও আসন সংখ্যা
06/11/2019

ইউনিট অনুযায়ী বিভাগের নাম ও আসন সংখ্যা

Address

Noakhali Sadar Upazila
3814

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nstu Subject Reviews posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Nstu Subject Reviews:

Share