Al Jamia Al Islamia Patiya

Directions Website

Al Jamia Al Islamia Patiya আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া পরিচালিত অফিসিয়াল পেইজ। নিয়মিত আপডেট পেতে সঙ্গে থাকুন।
(1)

আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া পরিচালিত বাংলাদেশ তাহফীজুল কোরআন সংস্থা, এর উদ্যোগে  ২০ দিন ব্যাপী হিফজ শিক্ষক প্রশিক্ষণ ...
22/10/2026

আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া পরিচালিত বাংলাদেশ তাহফীজুল কোরআন সংস্থা, এর উদ্যোগে ২০ দিন ব্যাপী হিফজ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স

18/10/2026

জামিয়া পটিয়ায় ২য় সাময়িক পরীক্ষা: হল পরিদর্শনে জামিয়ার মুহতামিম আল্লামা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী (দা.বা.)

ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২য় সাময়িক পরীক্ষা।

পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও সুশৃঙ্খলতা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে হল পরিদর্শন করেছেন আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদরিস বাংলাদেশের সভাপতি এবং জামিয়া পটিয়ার সম্মানিত মুহতামিম—আল্লামা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী (দামত বারাকাতুহুম)।

পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন হল ঘুরে দেখেন, শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পর্যবেক্ষণ করেন এবং গভীর মনোযোগ ও সততার সাথে পরীক্ষা দেওয়ার দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সাথে তিনি জামিয়ার শিক্ষা পরিচালক ও হল সুপার মুফতী জসিম উদ্দীন কাসেমী সাহেবের সাথে মতবিনিময় করেন।

আল্লাহ তাআলা ঐতিহ্যবাহী এই দ্বীনি নিকেতনের সকল শিক্ষার্থীকে মেধার পূর্ণ বিকাশ ঘটিয়ে দ্বীনের খেদমতে কবুল করুন। আমিন।

কুমিল্লার প্রখ্যাত বুজুর্গ, প্রবীণ আলেম আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর ইন্তেকালে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার মুহতামিমের শ...
15/10/2026

কুমিল্লার প্রখ্যাত বুজুর্গ, প্রবীণ আলেম আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর ইন্তেকালে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার মুহতামিমের শোক প্রকাশ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর, বটগ্রাম হামিদিয়া মাদরাসার মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস এবং কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের সম্মানিত সভাপতি, প্রবীণ আলেম, পীরে কামেল আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

মরহুম আল্লামা নূরুল হক সাহেব আনুমানিক ১৯৪১ সালে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাতবাড়িয়া (দাতামা) গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত দ্বীনদার মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক শিক্ষার পর তিনি সুয়াগঞ্জ বাজারের জোলাই ইসলামিয়া মাদ্রাসায় এবং পরবর্তীতে উম্মুল মাদারিস আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসায় শিক্ষালাভ করেন। ১৯৬৯ সালে সেখান থেকে কৃতিত্বের দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করে এবং পরবর্তীতে তাফসীর বিষয়ে বিশেষ পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।

কর্মজীবনে তিনি ১৯৭১ সালে ফরিদপুরের একটি আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে ইলমে দ্বীনের খিদমত শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সাল থেকে কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী বটগ্রাম মাদ্রাসায় অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির সহকারী মুহতামিম এবং ১৯৯০ সালে মুহতামিমের গুরুদায়িত্ব লাভ করে আমৃত্যু তা সুনামের সাথে আঞ্জাম দিয়ে যান।

দীর্ঘ জীবনে সুন্নতে নববীর প্রচার-প্রসার, বটগ্রাম মাদরাসা, দাতামা মাদরাসাসহ বিভিন্ন দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহিহ বুখারি শরিফের দরস প্রদান এবং দাতামা মাদরাসাসহ অনেক মাদরাসা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি তিনি বহুমুখী দ্বীনি খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন। তাঁর ইলমি ও আমলি অবদানে গড়ে উঠেছেন হাজারো আলেম ও মুহাদ্দিস। তাঁর সাদাসিধে জীবনযাপন, তাকওয়াপূর্ণ চরিত্র এবং হৃদয়গ্রাহী আধ্যাত্মিক নসিহত দ্বীনদার মুসলমানদের জন্য যুগ যুগ ধরে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তিনি শায়খুল ইসলাম মুফতি ফয়জুল্লাহ (রহ.), মাও. মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) এর সান্নিধ্য লাভ করেন এবং মাও. আব্দুল হালীম সাহেব (প্রকাশ উলামা বাজার হযরত) খেলাফত অর্জন করেন। ইলম ও আমলের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল তাঁর জীবনে। ইখলাস, বিনয়, সুন্নতের ইত্তেবা এবং বেদআতের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের মূল ভূষণ ছিল।

গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ইং, রোজ মঙ্গলবার রাত ১১:50 মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। পরবর্তীতে ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং, রোজ বুধবার সকাল ১১:০০ টায় শুয়াগাজী হাইস্কুল মাঠে হাজারো ওলামায়ে কেরাম, ছাত্র ও ভক্ত-অনুরাগীর অংশগ্রহণে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় এবং জন্মভূমি দাতামায় তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার আসাতেজায়ে কেরাম ও সর্বস্তরের শিক্ষার্থীবৃন্দ মরহুমের মাগফিরাত কামনা করছেন। মহান আল্লাহ তাঁর দ্বীনি খেদমতসমূহ কবুল করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, ছাত্র, শিক্ষক ও সহকর্মীদের সবরে জামিল দান করুন। আমীন।

শোকজ্ঞাপনে-
আল্লামা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী
মুহতামিম:আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম।
সভাপতি: আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ

বার্ষিক সীরাত প্রতিযোগিতা
28/09/2026

বার্ষিক সীরাত প্রতিযোগিতা

24/09/2026

আল্লামা মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.)-এর স্মরণে জামিয়া পটিয়ায় মরছিয়া ও দোয়া অনুষ্ঠান

আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার সাবেক মুহতামিম, পীরে কামেল আল্লামা শাহ মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.)-এর রূহের মাগফিরাত ও তাঁর স্মৃতিচারণে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার দারুল হাদিসে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব এক মরছিয়া ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার শো‘বায়ে মুশাআরা (কবিতা ও সাহিত্য বিভাগ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশের মহাসচিব, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস ও মুশাআরা বিভাগের পরিচালক হযরত মাওলানা আব্দুল জলিল কাওকব (হাফিজাহুল্লাহ)।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার নায়েবে মুহতামিম হযরত মাওলানা মুফতী যাকারিয়া আজহারী সাহেব; হযরত মাওলানা হাফেজ মাছুম সাহেব; হযরত মাওলানা জাফর সাদেক সাহেব; হযরত মাওলানা কারী আব্দুস সামাদ সাহেব; হযরত মাওলানা হাবিবুল্লাহ সাহেব; হযরত মাওলানা সলিমুদ্দিন মাহদী কাসেমী; হযরত মাওলানা ইউনুস কাসেমী; হযরত মাওলানা সরওয়ার কামাল রাগেব সাহেব; বাংলা সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম সাহেব এবং হযরত মাওলানা মীর কাউসার খলীল সাহেব।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আল্লামা শাহ মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.)-এর ইলমি, শিক্ষাগত, দাওয়াতি ও প্রাতিষ্ঠানিক খেদমত এবং আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সংশ্লিষ্টতা ও অবদানের বিভিন্ন দিক স্মরণ করেন। তাঁরা মরহুমের জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা গ্রহণ এবং তাঁর রেখে যাওয়া ইলমি ও প্রাতিষ্ঠানিক খেদমতের ধারাকে অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মুফতী যাকারিয়া আজহারীর স্মৃতিচারণ

অনুষ্ঠানে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার নায়েবে মুহতামিম হযরত মাওলানা মুফতী যাকারিয়া আজহারী সাহেব আল্লামা মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.)-এর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন, দারুল ইকামার নাজিম হিসেবে দায়িত্ব পালন, জামিয়ার আখলাকী পরিবেশ উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা এবং বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আল্লামা মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.) নদওয়াতুল উলামা থেকে ফারেগ হয়ে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ায় যোগদান করেন। তাঁর কাছ থেকে তিনি ও তাঁর সহপাঠীরা আরবি সাহিত্য, আরবি ইনশা ও মাকালা প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ এবং ইস্তেফাদা করার সুযোগ পান। নদওয়া থেকে প্রকাশিত ‘আর-রায়েদ’ ও ‘আল-বাতুল ইসলামী’সহ বিভিন্ন আরবি পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের মাধ্যমে তাঁরা হুজুরের কাছ থেকেও উপকৃত হতেন বলে তিনি স্মরণ করেন।

মুফতী যাকারিয়া আজহারী সাহেব আরও বলেন, আল্লামা মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.) দীর্ঘদিন জামিয়ার দারুল ইকামার নাজিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সেই দায়িত্ব আঞ্জাম দেন। তাঁর সময়ে জামিয়ার আখলাকী পরিবেশ প্রশংসনীয় পর্যায়ে উন্নীত হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি স্মরণ করেন, হুজুর বলতেন, ‘আমি মোবাইলমুক্ত জামিয়া, মসবুকমুক্ত মসজিদ চাই।’

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মাদরাসায় সফরকালে আল্লামা মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.) জামিয়া পটিয়াকে মোবাইলমুক্ত এবং জামিয়া পটিয়ার মসজিদকে মসবুকমুক্ত রাখার অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গেও তুলে ধরতেন। জামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় সফরের একটি ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন, বাবুনগরের মুহতামিম ও আমিরে হেফাজত আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী সাহেব তাঁকে জামিয়া পটিয়াকে মোবাইলমুক্ত করার অভিজ্ঞতা বাবুনগর মাদরাসার আসাতিযা-তলাবার সামনে তুলে ধরার অনুরোধ করেছিলেন।

দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আল্লামা মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.) সমালোচনা, অভিযোগ ইত্যাদি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতেন না; বরং অনেক কিছু বরদাশত ও সহ্য করতেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ‘আমি আমার জিম্মাদারি আঞ্জাম দিয়েছি’—এটাই ছিল তাঁর মূল কথা।

জামিয়ার একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সময়ের স্মৃতিচারণ করে মুফতী যাকারিয়া আজহারী সাহেব বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছাত্র-শিক্ষকসহ সবাইকে জামিয়া ও ক্যাম্পাস ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হলে আল্লামা আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.) ফজরের সময় মসজিদে দাঁড়িয়ে জামিয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। তাঁর ভাষায়, হুজুরের সেই ঘোষণার পর অনেকে জামিয়ায় এসে উপস্থিত হন এবং প্রশাসন জামিয়া বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়।

তিনি আরও স্মরণ করেন, জামিয়ার জন্য আল্লামা আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.) রাতের পর রাত পরিশ্রম করেছেন। বিভিন্ন সময় তাঁরা একসঙ্গে কান্নাকাটি ও রোনাজারি করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি মাদরাসাসংক্রান্ত নানা দুশ্চিন্তার মধ্যেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে তিনি স্মৃতিচারণ করেন।

মুফতী যাকারিয়া আজহারী সাহেব বলেন, তাঁরা বিভিন্ন স্থানে গেলে এখনও অনেকে আল্লামা আবু তাহের নাদভী (রহ.)-এর কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর স্নেহ, মহব্বত ও মায়ার কথা বলেন। তাঁর মাত্র দুই বছরের এহতেমামের সময়ে ফাজিলানে জামিয়া পটিয়া ফাউন্ডেশন, ফাজিলান ভবন, জান্নাতি কাফেলা ও নূরানী শিক্ষা বোর্ড পটিয়াসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, জামিয়ার ইত্তেহাদকে ধরে রাখা এবং ইত্তেহাদ যে জামিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ—এ বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে বর্তমান নেতৃত্ব যে পরিশ্রম করে যাচ্ছে, তা অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

এ ছাড়া আল্লামা আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.) জামিয়ার মেহমানখানায় শেষ রাতে আসাতিযায়ে কেরাম, সাথী ও আগত মেহমানদের নিয়ে জিকিরের আমল করতেন বলে তিনি স্মরণ করেন। হুজুর মেহমানদের জিকির ও দোয়ায় শরীক হতে দাওয়াত দিতেন বলতেন, ‘এখানে থাকেন, শেষ রাতে জিকির হবে, দোয়া হবে।’

মুফতী যাকারিয়া আজহারী সাহেব তাঁর বক্তব্যের শেষাংশে বলেন, মুশাআরা, মুনাজারা ও সেমিনারের মতো অনুষ্ঠানগুলো আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত।

অনুষ্ঠান শেষে আল্লামা শাহ মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.)-এর রূহের মাগফিরাত, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাঁর ইলমি ও দ্বীনি খেদমতকে আল্লাহ তাআলা কবুল করুন—এই মর্মে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং. বাদ মাগরিব থেকে জামিয়ার দারুল হাদিসে মরছিয়া ও দোয়া অনুষ্ঠান আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংল...
23/09/2026

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং. বাদ মাগরিব থেকে জামিয়ার দারুল হাদিসে মরছিয়া ও দোয়া অনুষ্ঠান

আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশের সভাপতি, আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার সাবেক মুহতামিম, পীরে কামেল আল্লামা শাহ মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.)-এর রূহের মাগফিরাত ও স্মৃতি স্মরণে এক মরছিয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান নির্দেশিকা:

আয়োজনে: শো’বায়ে মুশাআরা (কবিতা ও সাহিত্য বিভাগ), আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম।

সভাপতিত্ব করবেন: হযরত মাওলানা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী (হাফিজাহুল্লাহ)

সভাপতি, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ ও মুহতামিম, আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া।

আহ্বানে:

আল্লামা আব্দুল জালিল কাওকাব (হাফিজাহুল্লাহ)

মহাসচিব, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ

সিনিয়র মুহাদ্দিস ও নাজেম, মুশাআরা বিভাগ, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া।

আগামীকাল ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং. বাদ মাগরিব থেকে জামিয়ার দারুল হাদিসে মরছিয়া ও দোয়া অনুষ্ঠান আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারি...
22/09/2026

আগামীকাল ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং. বাদ মাগরিব থেকে জামিয়ার দারুল হাদিসে মরছিয়া ও দোয়া অনুষ্ঠান

আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশের সভাপতি, আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার সাবেক মুহতামিম, পীরে কামেল আল্লামা শাহ মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.)-এর রূহের মাগফিরাত ও স্মৃতি স্মরণে এক মরছিয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান নির্দেশিকা:

আয়োজনে: শো’বায়ে মুশাআরা (কবিতা ও সাহিত্য বিভাগ), আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম।

সভাপতিত্ব করবেন: হযরত মাওলানা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী (হাফিজাহুল্লাহ)

সভাপতি, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ ও মুহতামিম, আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া।

আহ্বানে:

আল্লামা আব্দুল জালিল কাওকাব (হাফিজাহুল্লাহ)

মহাসচিব, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ

সিনিয়র মুহাদ্দিস ও নাজেম, মুশাআরা বিভাগ, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া।

সংসদে উত্থাপিত হেবা আইন শরীয়তসম্মত নয়আল্লামা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী                                        ইসলামী শরিয়...
21/09/2026

সংসদে উত্থাপিত হেবা আইন শরীয়তসম্মত নয়

আল্লামা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী

ইসলামী শরিয়তে মানুষের সম্পদ ও মালিকানার অধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন ব্যক্তি তাঁর জীবদ্দশায় নিজের বৈধ সম্পদ ইচ্ছানুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন এবং শরিয়ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে অন্যের মালিকানায়ও তা হস্তান্তর করতে পারেন। তবে সম্পদ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে শুধু বাহ্যিক দলিল বা আইনি আনুষ্ঠানিকতা যথেষ্ট নয়; বরং শরিয়তের নিজস্ব কিছু শর্ত ও বিধান রয়েছে।

বিশেষত হেবা বা দান ইসলামী ফিকহের একটি স্বতন্ত্র বিষয়। হেবা সম্পন্ন হওয়ার জন্য দাতার পক্ষ থেকে দান, গ্রহীতার পক্ষ থেকে গ্রহণ এবং শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে কবজ প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি যদি সম্পত্তির মালিকানা অন্যের কাছে হস্তান্তর করার দাবি করেন, অথচ সেই সম্পত্তির ভোগদখলের মৌলিক অধিকার নিজের কাছেই সংরক্ষণ করেন, তাহলে বিষয়টি নিছক একটি আইনি নিবন্ধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং এর সঙ্গে শরিয়তের হেবা-সংক্রান্ত মৌলিক বিধানের প্রশ্ন জড়িয়ে যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে “ভোগদখলের অধিকার (Right of usufruct) সংরক্ষণপূর্বক দান” নামে যে বিধান উত্থাপিত হয়েছে, তার সঙ্গে ইসলামী হেবা আইনের মৌলিক বিধানের সংঘাত রয়েছে। একজন মুসলিমের জন্য বিষয়টি তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে শরিয়তের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

প্রস্তাবিত বিধানের মূল বক্তব্য

উত্থাপিত বিধানের মূল বক্তব্য হলো, কেউ কোনো সম্পত্তি দান করে দেওয়ার পরও নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারবেন। এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট দান নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

একবার নিবন্ধিত হলে সাধারণভাবে দানটি ফেরত নেওয়া যাবে না। তবে দাতা ও গ্রহীতার পারস্পরিক সম্মতিতে প্রকৃত প্রয়োজনের কারণে তা পরিবর্তন বা প্রত্যাহার করা যেতে পারে। কোনো পক্ষের সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে জেলা জজের অনুমোদন নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।

বাহ্যিকভাবে এটি সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি আইনি ব্যবস্থা মনে হলেও ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে এখানে মৌলিক একটি প্রশ্ন রয়েছে: দান করার পর দাতা যদি সেই সম্পত্তির ভোগদখলের অধিকার নিজের জন্য সংরক্ষণ করেন, তাহলে শরিয়তের দৃষ্টিতে আদৌ কি হেবা সম্পন্ন হলো? এই প্রশ্নের উত্তর ইসলামী ফিকহের আলোকে স্পষ্ট।

ইসলামে হেবা কী?

ফিকহের পরিভাষায় হেবা হলো:
هِيَ تَمْلِيكُ الْعَيْنِ بِلَا عِوَضٍ
অর্থাৎ, কোনো বিনিময় ছাড়াই কোনো সম্পত্তির মূল মালিকানা অন্যের কাছে হস্তান্তর করাকে হেবা বলা হয়।

অতএব, হেবার মূল বিষয় হলো মালিকানা হস্তান্তর। দাতা যখন কোনো সম্পত্তি অন্যকে হেবা করেন, তখন শরিয়তসম্মতভাবে সেই সম্পত্তির মালিকানা গ্রহীতার কাছে চলে যায়। কিন্তু শুধু মুখে হেবা করা বা কাগজে-কলমে মালিকানা লিখে দেওয়াই যথেষ্ট নয়। হেবা পূর্ণ হওয়ার জন্য শরিয়তের নির্ধারিত কবজ গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

হেবা শুদ্ধ হওয়ার জন্য কবজ অপরিহার্য

হানাফি ফিকহ অনুযায়ী হেবা কার্যকর হওয়ার জন্য হেবাকৃত সম্পত্তির কবজ গ্রহণ করা অপরিহার্য। বাদায়েউস সানায়ে বলা হয়েছে;
لِأَنَّ الْقَبْضَ فِي الْهِبَةِ بِمَنْزِلَةِ الرُّكْنِ، فَيُشْتَرَطُ لَهُ الْمَجْلِسُ كَمَا يُشْتَرَطُ لِلْقَبُولِ অর্থাৎ, হেবার ক্ষেত্রে কবজ রুকনের পর্যায়ভুক্ত। তাই কবজের জন্যও একই মজলিসের শর্ত রয়েছে, যেমন কবুলের ক্ষেত্রে একই মজলিসের শর্ত রয়েছে।

এ থেকে বোঝা যায়, হেবা শুধু একটি কাগজে মালিকানা লিখে দেওয়ার নাম নয়। বরং হেবাকৃত সম্পত্তির ওপর গ্রহীতার কর্তৃত্ব ও কবজ প্রতিষ্ঠিত হওয়া হেবার পূর্ণতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সুতরাং, কেউ যদি কোনো সম্পত্তি হেবা করার পরও সেই সম্পত্তির ভোগদখলের অধিকার নিজের জন্য সংরক্ষণ করেন, তাহলে এখানে হেবার প্রকৃত স্বরূপ নিয়েই প্রশ্ন দেখা দেয়। কারণ হেবার মাধ্যমে যে মালিকানা ও কর্তৃত্ব অন্যের কাছে হস্তান্তর করার কথা, তার একটি মৌলিক অংশ দাতা নিজের কাছে রেখে দিচ্ছেন।

হেবা করে আবার দাতার নিজের ভোগদখল

প্রস্তাবিত “ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান” ব্যবস্থায় দাতা সম্পত্তির মালিকানা অন্যের কাছে হস্তান্তর করবেন, কিন্তু নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার নিজের কাছে রেখে দেবেন। শরিয়তের দৃষ্টিতে এখানেই মৌলিক আপত্তি।

হেবা যদি সত্যিকার অর্থে সম্পন্ন হয়, তাহলে হেবাকৃত সম্পত্তির ওপর গ্রহীতার মালিকানা ও কবজ প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। কিন্তু দাতা যদি বলেন, “আমি সম্পত্তিটি তোমাকে দিয়ে দিলাম, তবে আমার জীবদ্দশায় এর ভোগদখলের অধিকার আমার কাছেই থাকবে”, তাহলে হেবার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও শরিয়ত নির্ধারিত কবজের বিধানের সঙ্গে তা সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে।

অতএব, শুধু নিবন্ধিত দলিল সম্পাদন করলেই শরিয়তের দৃষ্টিতে হেবা সহিহ হয়ে যাবে না। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী হেবার শর্তও পূরণ হতে হবে।

হযরত আবু বকর (রা.)-এর দৃষ্টান্ত

এ বিষয়ে সাহাবায়ে কেরামের আমল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুআত্তা ইমাম মালেক-এ হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) ও তাঁর কন্যা হযরত আয়েশা (রা.)-এর একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

হযরত আবু বকর (রা.) তাঁর আল-আলিয়া (العالية) নামক সম্পত্তি থেকে বিশ ওয়াসাক পরিমাণ খেজুরের ফলন হযরত আয়েশা (রা.)-কে হেবা করেছিলেন। কিন্তু হযরত আয়েশা (রা.) তখন তা কবজ করেননি। অতঃপর হযরত আবু বকর (রা.) যখন সেই অসুস্থতায় আক্রান্ত হলেন, যে অসুস্থতায় তাঁর ইন্তেকাল হয়, তখন তিনি হযরত আয়েশা (রা.)-কে বললেন;
جَاءَ فِي الْمُوَطَّإِ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ وَهَبَ لِعَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا جَذَاذَ عِشْرِينَ وَسْقًا مِنْ مَالِهِ بِالْعَالِيَةِ، فَلَمَّا مَرِضَ مَرَضَهُ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ قَالَ لَهَا: كُنْتُ قَدْ نَحَلْتُكِ عِشْرِينَ وَسْقًا، وَلَوْ كُنْتِ قَبَضْتِيهِ، أَوْ حُزْتِيهِ كَانَ لَكِ، فَإِنَّمَا هُوَ الْيَوْمَ مَالُ وَارِثٍ، فَاقْتَسِمُوهُ عَلَى كِتَابِ اللهِ تَعَالَى.
অর্থাৎ, হযরত আবু বকর (রা.) হযরত আয়েশা (রা.)-কে তাঁর আল-আলিয়া সম্পত্তির বিশ ওয়াসাক খেজুরের ফলন হেবা করেছিলেন। এরপর যখন তিনি সেই অসুস্থতায় আক্রান্ত হলেন, যে অসুস্থতায় তাঁর ইন্তেকাল হয়, তখন তিনি হযরত আয়েশা (রা.)-কে বললেন: “আমি তোমাকে বিশ ওয়াসাক হেবা করেছিলাম। তুমি যদি তা কবজ করে নিতে বা দখলে নিয়ে নিতে, তাহলে তা তোমারই হতো। কিন্তু এখন তা উত্তরাধিকারীর সম্পদ। সুতরাং তোমরা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তা বণ্টন করে নাও।”

এই ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ হযরত আবু বকর (রা.)-এর মতো মহান সাহাবি তাঁর জীবদ্দশায় হেবা করার পরও যখন গ্রহীতার কবজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তখন মৃত্যুর পূর্বে সেটিকে নিজের সম্পদ হিসেবে গণ্য করেছেন এবং বলেছেন, এখন তা উত্তরাধিকারীদের সম্পদ।

ইবনু হাজার আসকালানি (রহ.) আত-তালখীসুল হাবীর-এ এ বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন;
قَالَ ابْنُ حَجَرٍ فِي التَّلْخِيصِ عِنْدَ الْكَلَامِ عَلَيْهِ: فَائِدَةٌ، اسْتَدَلَّ الرَّافِعِيُّ بِذَلِكَ عَلَى أَنَّ الْهِبَةَ لَا تُمَلَّكُ إِلَّا بِالْقَبْضِ.
অর্থাৎ, ইবনু হাজার (রহ.) বলেন: “ইমাম রাফেয়ী এই বর্ণনার মাধ্যমে দলিল গ্রহণ করেছেন যে, কবজ না করা পর্যন্ত হেবার মাধ্যমে মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয় না।”

নিবন্ধিত দলিল কি শরিয়তের কবজের বিকল্প?

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। আধুনিক রাষ্ট্রীয় আইনে কোনো সম্পত্তি নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হলে তা আইনগতভাবে কার্যকর হতে পারে। কিন্তু একজন মুসলমানের জন্য শরিয়তের বিধান একটি স্বতন্ত্র বিষয়।

রাষ্ট্রীয় নিবন্ধন হেবা-সংক্রান্ত শরিয়তের মৌলিক শর্তকে বাতিল করে দিতে পারে না। অর্থাৎ, দলিল নিবন্ধিত হলেই শরিয়তের দৃষ্টিতে হেবা সম্পন্ন হয়ে যাবে, এমন নয়।

বিশেষত যখন প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় দাতা নিজেই সম্পত্তির ভোগদখলের অধিকার নিজের কাছে সংরক্ষণ করছেন, তখন হেবার ক্ষেত্রে শরিয়ত নির্ধারিত কবজ ও মালিকানা হস্তান্তরের বিষয়টি স্পষ্টতই প্রশ্নের মুখে পড়ে।

মৃত্যুর পর সম্পত্তির কী হবে?

যদি কোনো ব্যক্তি জীবদ্দশায় কোনো সম্পত্তি হেবা করার দাবি করেন, কিন্তু শরিয়তসম্মতভাবে গ্রহীতার কবজ প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে দাতার মৃত্যুর পর সেই সম্পত্তি তাঁর মালিকানাধীন সম্পদ হিসেবেই গণ্য হবে। তখন সেটি তাঁর অন্যান্য সম্পদের মতো মিরাসের সম্পদ হবে এবং শরিয়তের নির্ধারিত নিয়মে সকল যোগ্য ওয়ারিশের মধ্যে বণ্টিত হবে।

সুতরাং, শুধু নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে কাউকে সম্পত্তির মালিক বানিয়ে দিয়ে দাতা যদি নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তির ভোগদখলের অধিকার রেখে দেন, তাহলে শরিয়তের দৃষ্টিতে সেটিকে বৈধ হেবা হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।

শরিয়তের বিধান ও রাষ্ট্রীয় আইনের সামঞ্জস্য

বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক নাগরিক মুসলমান এবং তাঁদের পারিবারিক সম্পদ, উত্তরাধিকার ও দান-হেবা সংক্রান্ত বিষয়গুলো বহু ক্ষেত্রে ইসলামী বিধানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এ কারণে মুসলমানদের ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আমরা মনে করি, সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এমন কোনো আইনি ব্যবস্থা থাকা উচিত নয়, যার কারণে একজন মুসলমান রাষ্ট্রীয় আইনের অধীনে এমন একটি কাজ করতে পারেন, যা তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাস ও শরিয়তের বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

উপসংহার:

উপরোক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, “ভোগদখলের অধিকার (Right of usufruct) সংরক্ষণপূর্বক দান” ব্যবস্থা ইসলামী হেবা-নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ ইসলামী হেবার মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো বিনিময় ছাড়া সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর এবং হেবাকৃত সম্পত্তির ওপর গ্রহীতার শরিয়তসম্মত কবজ প্রতিষ্ঠা। দাতা নিজের জন্য সেই সম্পত্তির ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করলে হেবার মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে তা সাংঘর্ষিক হয়ে যায়।

অতএব, সরকারের প্রতি আমাদের জোর দাবি হলো, জাতীয় সংসদে উত্থাপিত “ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান” সংক্রান্ত বিধানটি পুনর্বিবেচনা করে প্রত্যাহার করতে হবে এবং মুসলমানদের স্বীকৃত ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতি, শরিয়তের বিধান এবং পারিবারিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার বাস্তবতাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে।

আলেম-ওলামা, আইনজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী ও সচেতন নাগরিকদের উচিত তথ্য ও দলিলের ভিত্তিতে বিষয়টি জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা।

আমরা আশাবাদী, সরকার বাংলার আঠারো কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতি ও শরিয়তের বিধানের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে এবং এমন কোনো আইন বাস্তবায়ন করবে না, যা মুসলমানদের স্বীকৃত ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

নিবেদক- আল্লামা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী
সভাপতি: আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ (কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড)
মুহতামিম: আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম

📢 হিফজ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স – ২০২৬আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া পরিচালিত বাংলাদেশ তাহফীজুল কোরআন সংস্থার উদ্যোগে📚 ২০ ...
14/09/2026

📢 হিফজ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স – ২০২৬

আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া পরিচালিত বাংলাদেশ তাহফীজুল কোরআন সংস্থার উদ্যোগে

📚 ২০ দিনব্যাপী হিফজ প্রশিক্ষণ কোর্স

📅 সময়কাল: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ১২ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত
📍 স্থান: আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম

✨ প্রশিক্ষণে থাকছে:
🔹 হিফজ করানোর কার্যকর পদ্ধতি
🔹 সহিহ তিলাওয়াত, মাখরাজ ও তাজবিদ
🔹 হিফজের মান উন্নয়ন ও ভুল সংশোধন
🔹 শিক্ষার্থীর স্মরণশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধির কৌশল
🔹 শিশুদের হিফজ শিক্ষাদানের পদ্ধতি
🔹 অভিজ্ঞ হাফেজ ও কারীদের মাধ্যমে বিশেষ প্রশিক্ষণ

👤 অংশগ্রহণ করতে পারবেন:
হাফেজ, মুআল্লিম, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ হিফজ শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আগ্রহী ব্যক্তিবর্গ।

💰 কোর্স ফি: মাত্র ৫৫০০/- টাকা
🏠 থাকা-খাওয়া ফ্রি
📜 প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

📌 আসন সংখ্যা সীমিত।
তাই আগ্রহীদের দ্রুত যোগাযোগ করে ভর্তি নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

📞 যোগাযোগ:
০১৮১৮-৮৮৮০৮৮
০১৭২১-২১২১৩৬
০১৬১০-১৭০০১৮ | ০১৬১২-৩১৭৩২৭

🌿 আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ তাহফীজুল কোরআন সংস্থা

#হিফজ_শিক্ষক_প্রশিক্ষণ #হিফজ_প্রশিক্ষণ_কোর্স #বাংলাদেশ_তাহফীজুল_কোরআন_সংস্থা #আলজামিয়া_পটিয়া

09/09/2026

Address

Railway Station Patiya
Patiya
4370

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Jamia Al Islamia Patiya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share