Patuakhali Science And Technology University

Patuakhali Science And Technology University Patuakhali Science And Technology University, Dumki, Patuakhali We warmly welcome you to the Patuakhali Science and Technology University (PSTU).

It is one of the fast growing new public universities in Bangladesh. The university was inaugurated on 08 July 2000 by the then Hon’ble Prime Minister, Government of the People’s Republic of Bangladesh, Her Excellency Sheikh Hasina and started its academic activities on 26 February 2002. The main campus of the PSTU is located at about 20 km north from the district town of Patuakhali and about 38

km south from the divisional city of Barisal. The outer campus is situated at Babuganj under Barisal district. Being the lone university in the south-western region of the country, the PSTU was established primarily to facilitate easy access to quality higher education to a populace who had been deprived of this prime right for a very long time since the independence of our beloved country.The PSTU has been offering undergraduate and postgraduate programmes in Agriculture, Computer Science & Engineering, Business Administration & Management, Animal Science, Veterinary Medicine, Fisheries, Disaster Management and Nutrition & Food Science. In order to fulfill the mission of the university, we are including the brightest students through a highly competitive admission test. The up-to-date and well-conformed syllabi have been tailored to the market needs and are designed to equip the students with latest development in their fields of specialization.

30/04/2016
08/06/2015

হলে এসি ছাড়াই শীতল থাকুন, ঘুমান শান্তিতে…

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে সারাদেশ। ক্যাম্পাসে, ক্লাসে, রাস্তায় কোথাও শান্তি নেই। আর রাতে গরমে ঘুম আসেনা। হলে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। হলে এসি লাগানোরও কোন ব্যবস্থা নেই। তাই গরমেই ঘুমাতে হয়। চিন্তা নেই, কিছু টিপস জানা থাকলে আপনার হল কক্ষও এসি ছাড়া শীতল রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নেই কিছু টিপস…

১. একটি সুতি চাদর বা গামছা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে, পানি ঝরিয়ে গায়ের ওপর জড়িয়ে রাখতে পারেন। জেনে রাখা ভালো ভেজা চাদরের নিচে একটি শুকনো চাদর দিলে শরীর ভিজে যাবে না।

২. পাতলা সুতি চাদর দিয়ে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে। তাই আরামদায়ক ঘুমের জন্য অবশ্যই বিছানায় পাতলা সুতি চাদর ব্যবহার করুন। কোনমতেই সাটিন, সিল্ক বা পলিয়েস্টারের বেডশিট ব্যবহার করবেন না।

৩. সিলিং ফ্যানের পাশাপাশি টেবিল ফ্যান ব্যবহার করুন। টেবিল ফ্যানটিকে জানালার দিকে মুখ করে অন করে রাখুন। এতে ঘরের গরম বাতাস সহজে বাইরে বেরিয়ে যাবে। আর ঘরকে রাখবে ঠাণ্ডা।

৪. একটি পাত্রে ঠান্ডা পানি রেখে তা টেবিল ফ্যানের সামনে রাখুন। দেখুন মুহূর্তেই শীতলতায় ভরে যাবে আপনার চারপাশ।

৫. ঘুমের সময় নড়চড় আর ঘামের কারণে শরীর থেকে অনেক পানি বের হয়ে যায়। এজন্য এক গ্লাস পানি পান করে ঘুমোতে যান। এতে আপনার শরীর ঠাণ্ডা অনুভূত হবে। পানিশূন্যতা থেকেও রক্ষা পাবেন। তবে, এক গ্লাসের বেশি পানি না পান করাই ভালো।

৬. শরীর থেকে উত্তাপ আর ঘামের আঁঠালো অনুভূতি দূর করতে ঘুমানোর আগে গোসল করে নিন। এটি শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দিয়ে শান্তিতে ঘুমাতে সহায়তা করবে।

৭. গরম বাতাস সবসময় উপরের দিকে উঠে যায়। এজন্য অপেক্ষাকৃত নিচু বিছানা ব্যবহার করুন। নয়তো, ফ্লোরিংও করতে পারেন।

৮. যে কোনো ধরনের বাতি থেকে তাপ সৃষ্টি হয়। ঘরকে ঠাণ্ডা রাখতে বাতি বন্ধ করে রাখুন। এক্ষেত্রে এনার্জি সেইভিং বাতি ব্যবহহার করতে পারেন।

৯. খোলা জানালায় একটি ভেজা চাদর ঝুলিয়ে দিতে পারেন। এতে ঘরের তাপমাত্রা কমে যাবে।

১০. বিছানার কাছে বালতিতে পানি রাখতে পারেন। খুব বেশি গরম লাগলে, বালতির পানিতে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। পায়ের গোড়ালিতে ঠাণ্ডা অনুভূতি আপনার শরীরকেও ঠাণ্ডা করে দেবে।

>

06/06/2015

আত্মহত্যা করার আগে শাওন নামের ছেলেটা নিজের লেখা ডেথনোটে লিখেছে

" কোন বাবা-মা তার সন্তানকে পড়া লিখার খরচে খোটা দেয় না। কিন্তু আমার মা বাবা সব সময় আমাকে বলে তোর জন্য মাসে মাসে হাজার হাজার টাকা খরচ করছি। সব সময় বাবার থেকে শুধু খারাপ ভাষার গালি আর গালি শুনতে হয়।"

এখন ছেলেটাকে কাপুরুষ ভিরু ইত্যাদি গালি এক বস্তা জ্ঞ্যান দিয়ে একটা জ্ঞ্যানগর্ভ লেখা পয়দা করা যায়। কিন্তু চরম সত্যটা শাওন তার চিঠিতে লিখে গেছে। যাকগে যতই এই গ্রেডিং সিস্টেম নিয়ে লেখিনা কেন তাতে গ্রেডিং সিস্টেম পাল্টাবে না বাবা মায়েদের এ প্লাসের ক্ষিদাও মিটবে না। তার চেয়ে বরং এক মায়ের গল্প বলি

একাত্তরের যুদ্ধে স্বামীকে হারান। ছয় ছেলে মেয়ে নিয়ে মা পড়েন বিপদে। ঢাকা শহরে আসেন সন্তানদের নিয়ে। থাকার কোন জায়গা নাই। লেখক আহমেদ ছফা প্রতিবাদে কেরোসিন ঢেলে গায়ে আগুন ধরিয়ে দিতে যান। একজন শহীদের পরিবার রাস্তায় কেন। সরকার থেকে মায়ের পরিবারের জন্য বাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়

অনেক কষ্ট করে শ্রম দিয়ে সন্তানদের বড় করেছেন। এতোই বড় যে এক একজন পাহাড়ের সমান। আজ আমরা সেই মাকে বেগম আয়েশা ফয়েজ আর তার তিন ছেলেকে হুমায়ূন আহমেদ, ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল আর আহসান হাবীব নামে চিনি

কষ্ট করে আয়েশা ফয়েজ ছেলে মেয়েদের বড় করেছেন কিন্তু কোনদিন সন্তানদের গলায় ছুরি ধরে বলেননি বোর্ড স্ট্যান্ড করতেই হবে। আয়েশা ফয়েজ নিজে লিখেন

" একদিন আমার মেজ ছেলে এসে বলল শিল্পী প্রকাশনীতে মানিক রচনাবলী এসেছে। দাম তিনশ টাকা। পরিবারে তখন টানাটানি চলছে। কিন্তু মানিক বাবু একজন মহৎ সাহিত্যিক। তার লেখা ছেলেদের পড়া উচিত। আমি মাসের টাকা ভেঙ্গে তিনশ টাকা মেজ ছেলের হাতে দিলাম। সে টাকায় বাড়িতে বই আসল। সে বই পড়ার জন্য ছেলেদের মধ্যে কাড়াকাড়ি। আমি তৃপ্ত দৃষ্টিতে সেটা দেখতে লাগলাম। "

আজকালকার মা বাবারা অবশ্য গল্পের বই পড়াকে সময় নষ্ট মনে করেন। এই টাইমে কেমিস্ট্রী এক চ্যাপ্টার রিভাইজ দেয়া যায়।

সেদিন আয়েশা ফয়েজ নামক এই রত্নগর্ভা মা বাজারের টাকা দিয়ে বই কিনে দিয়েছিলেন বলেই হয়তো আজ আমরা একজন হুমায়ুন আহমেদ জাফর ইকবাল আহসান হাবীব কে পেয়েছি

আয়েশা ফয়েজ নিজে এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন " আমি আমার ছেলে মেয়েদের কোনদিন কিছুর জন্য চাপ দেইনি। ওরা ওদের ইচ্ছেমত পড়াশুনা করেছে জীবন যাপন করেছে। আমি শুধু ওদের বলেছি ভালো মানুষ হও আগে।"

ভাগ্যিস আয়েশা ফয়েজের জায়গায় আজকাল কার কোন বাবা মা থাকলে হয়ত বলতেন , এ প্লাস ধারী হও আগে। আয়েশা ফয়েজ একজন সাইলেন্ট হিরোর নাম।

ছেলে মেয়েদের যেমন আইডল থাকে বাবা মায়েদের তেমন আইডল থাকলে আয়েশা ফয়েজ সারা দেশের বাবা মায়েদের জন্য পারফেক্ট মডেল হতে পারতেন। কিভাবে মেন্টাল প্রেশার না দিয়ে সন্তানদের বন্ধু হয়ে তাদের কে গড়ে তোলা যায়।

ছেলে মেয়েদের গ্রেডিং সিস্টেমের মত বাবা মায়েদের ও গ্রেডিং সিস্টেম চালু করা হোক। কে কত বেশী সন্তানদের বন্ধু হতে পারছে তাদের কে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারছে তার ওপর বেস করে মার্ক দেয়া হোক। আয়েশা ফয়েজের মত হতে পারলে পাবে এ প্লাস। আর যদি শাওনের বাবা মায়ের মত খোটা আর গালি দেয় তাহলে পাবে এফ গ্রেড। তারাও বুঝুক গ্রেডের মজা কতটুকু।

শাওন আতহত্ম্যা করে প্রমাণ দিয়ে গেল তার মা বাবা বাবা মায়েদের গ্রেডিং সিস্টেমে এফ গ্রেড পেয়েছে।

প্রিয় আব্বু আম্মু,যদি বাচার স্বপ্ন না দেখাতে পারো তাহলে জন্ম দেয়া কেন!

06/06/2015

“বঙ্গদেশে এখন এমনি সৃষ্টিছাড়া শিক্ষাপ্রণালী প্রচলিত হইয়াছে যে তাহাতে শিক্ষিতেরা বিজ্ঞান দর্শনের কতকগুলি বুলি এবং ইতিহাসের সাল ঘটনা ও রাজাদিগের নামাবলী মুখস্থ করিতে পারিয়াছেন বটে, কিন্তু তাহাতে তাঁহাদের রুচিরও উন্নতি করিতে পারেন নাই বা স্বাধীনভাবে চিন্তা করিতেও শিখেন নাই।”
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

06/06/2015

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যোগ্যতা হিসেবে শুধু মেধা চায় ,
কিন্তু কেউ শিক্ষার্থী চায়না ।
সবাইকে শেখার সুযোগ দিতে চান না কিন্তু আবার মুখে তাহারাই বলে- "শিক্ষা সুযোগ নয় অধিকার ! "

06/06/2015

আমরা এমন এক জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়ে শিক্ষা অজর্ন করি পরের ভাষায়।

06/06/2015

কয়েকটি বই আর সিলেবাস গলাধঃকরন করে সমাজের চোখে ভালো ছাত্র হওয়া যায় কিন্তু বইয়ের বাহিরের জগত গলাধঃকরণের অনুপযুক্ত তাই সেখানে শুধু তারাই স্থান পায় যাদের জানার আগ্রহ আছে ।

30/05/2015

এস এস সির রেজাল্ট ! বিশাল একটা অনুপ্রেরণা মূলক লেখা লিখতে পারি। রবীন্দ্রনাথ থেকে মার্ক জাকারবার্গের উদাহরণ টানতে পারি।
কিন্তু সত্যিটা হল এ দেশে মার্ক জাকারবার্গরা উঠে আসবে না। এ দেশে মার্ক জাকারবার্গেরা পড়ালেখা ছাইড়া নিজের আইডিয়া বাস্তবায়নের জন্য দরজা জানালা বন্ধ কইরা থিসিস করলে বাপ মা ধরে রিহাবে পাঠায় দিবে
এসএসসি রেজাল্ট মানেই পাশের বাসার আন্টিদের ঈদ
কালকে বিকালে তারা স্টার জলসা বাদ দিয়া মানুষের বাসায় যাবে। বাইছা বাইছা যে ছেলে মেয়েগুলা এ প্লাস পায় নাই তাদের বাসায়ই যাবে। গালটারে বাকাইয়া এভাবে শুরু করবে
- কি বলেন আপনার ছেলে এ প্লাস পায় নাই!আল্লাহ! আমার ননদের ভাসুরের মেয়ে আইডিয়াল থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল। এ প্লাস ভাবী। আবার আমাদের বাসায় মাঝে মাঝে আসে যে সুফিয়া খালা উনার ছেলেও তো এ প্লাস পেয়েছে শুনলাম।
তার ফ্যামিলি হইল এ প্লাস ফ্যামিলি এটা সে প্রমাণ করেই ছাড়বে। আন্টির চাপা শুনে চাপা ক্ষোভ জমা হবে এ প্লাস না পাওয়া ছাত্রের বাবা মায়ের মনে। রাতে খাওয়ার সময় ব্লাস্ট হবে সেটা
- খাওয়াও আরো খাওয়াও। দামড়া বানাও
এসব শুনে অপদার্থটার মনে সুইসাইডাল চিন্তা আসবে
রাত পোহালেই এস এস সির রেজাল্ট। সুইসাইডাল চিন্তা ভাবনা করা ছেলে মেয়েগুলোর জন্য বিশাল একটা অনুপ্রেরণা মূলক লেখা লিখতে পারি। কিন্তু সত্যটা হচ্ছে
এ দেশে এ প্লাস টাই দিনের শেষে কাউন্ট করে

------------ ওয়ারিশ আজাদ নাফি

30/05/2015

পরীক্ষার যন্ত্রনায় কাতর কৃষি অনুষদের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীরা ।

সেশনজটমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা কে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক পদক্ষেপ গ্রহনের ফলে mid term পরীক্ষার পরপর ই final পরীক্ষার সময়সূচী নির্ধারণ করা হয় ।

এর ফলে ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের ৮ এপ্রিল থেকে প্রায় বিরতিহীন ভাবে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হবে ১৯ জুন ।

অন্যদিকে প্রচন্ড গরমে অনেক শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে ।

সবার এখন একটাই কামনা, কখন পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি যেতে পারবে তারা।

29/05/2015

আগামী ৭ জুন পবিপ্রবির সকল (পটুয়াখালী ক্যাম্পাস) হলে বার্ষিক প্রীতিভোজ এর আয়োজন করেছে কতৃপক্ষ। এ উপলক্ষে আগামী ৩১ মে ২0১৫ এর মধ্যে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের ৫0 টাকা জমা দিয়ে স্বস্ব প্রোভস্ট অফিস থেকে টোকেন সংগ্রহের জন্য বলা হয়েছে।

Address

Patuakhali
8602

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Patuakhali Science And Technology University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Patuakhali Science And Technology University:

Share