Gov. Janata College - সরকারী জনতা কলেজ

Gov. Janata College - সরকারী  জনতা কলেজ আধুনিক দুমকি গড়ার কারিগর ।

মহান রব তাকে জান্নতবাসী করবেন। আমীন।
14/11/2025

মহান রব তাকে জান্নতবাসী করবেন। আমীন।

আজ আমদের দুমকির তথা বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা আমাদের ওয়াসিমুল বারী রাজিব সাহেব এর প্রয়ান দিবস।আল্লাহ তাকে মাফ করে জান্নাতবাসী করবেন এই চাওয়া রইলো।

দুমকি উপজেলা পরিবার তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছে।।

ওয়াসিমুল বারী রাজিব সম্পর্কে কিছু সংগ্রহীত তথ্য।

জন্ম-জানুয়ারি ১, ১৯৫২, যিনি রাজিব নামেই বেশি পরিচিত।ছিলেন একজন বাংলাদেশি অভিনেতা। তিনি প্রায় চার শতাধিক বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। খলনায়ক হিসেবে সফল হলেও অনেক চলচ্চিত্রে ভিন্ন চরিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্য রয়েছে তিনি দাঙ্গা (১৯৯২), হাঙর নদী গ্রেনেড (১৯৯৭), ভাত দে (১৯৮৪) প্রভৃতি। ১৯৮২ সালে কাজী হায়াৎ-এর ‘খোকন সোনা’ নামের একটি সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় রাজীবের।

অত্যন্ত গুনি এক অভিনয় শিল্পী। বাংলাদেশে চলচ্চিত্র শিল্পের জৌলুস লগ্নে, যে কজন মানুষের অবদান উল্লেখ করতেই হয়, তাঁদের একজন রাজীব। অভিনেতা, প্রযোজক এবং পরিবেশক। সারা বাংলাদেশেই ছিলো তাঁর জনপ্রিয়তা। পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনয়ের চারবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এ ছাড়াও বাচসাস সহ পেয়েছেন আরও অনেক পুরস্কার, পদক ও সম্মাননা। তাঁর বলা অনেক সংলাপ মানুষের মুখে মুখে ফিরতো, এখন যেমন ভাইরাল হয়, তেমন "আমি মাইন্ড করলাম"

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে তার অবদানের জন্য তিনি চার বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পেয়েছেন

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার - হীরামতি (১৯৮৮)
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার - দাঙ্গা(১৯৯২)
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার - বিদ্রোহ চারিদিকে(২০০০)
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার - সাহসী মানুষ চাই(২০০৩)

এছাড়া তিনি রাজনীতিতেও সম্পৃক্ত ছিলেন।

রাজিব ২০০৪ সালের ১৪ নভেম্বর ক্যান্সারে আক্রান্ত্র হয়ে ৫২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকার উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরে সিটি করপোরেশনের কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

আজ ( ৪ঠা জুন) আমাদের মহানায়ক / দুমকী তথা পটুয়াখালীর উন্নয়নের  রুপকার শ্রদ্ধেয় এম কেরামত আলী স্যার এর মহা প্র‍য়াণ দিবস। ২...
03/06/2025

আজ ( ৪ঠা জুন) আমাদের মহানায়ক / দুমকী তথা পটুয়াখালীর উন্নয়নের রুপকার শ্রদ্ধেয় এম কেরামত আলী স্যার এর মহা প্র‍য়াণ দিবস। ২০০৪ সালের ৪ঠা জুন তিনি পরলোক গমন করেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতের উচ্চস্থান দান করবেন এই দোয়া রইলো মহান রব এর কাছে।

"দুমকি উপজেলা পরিবার" এর গ্রুপ / পেইজ এর সংগ্রহ করা তথ্য মূলক পোস্ট টি শেয়ার করছি।

------------

জনাব এম কেরামত আলী / একজন কিংবদন্তি / একজন মহানায়ক / একজন আদর্শ ও সাদামনের মানুষ।

তার সম্পর্কে অজানা কিছু মুল্যবান তথ্য।

মোহাম্মদ কেরামত আলী পটুয়াখালী জেলাধীন দুমকি উপজেলার দুমকি গ্রামে ০১ জানুয়ারী ১৯২৬ খ্রীস্টাব্দে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মরহুম আইজ উদ্দিন মৃধা, মাতার নাম মরহুমা আপতুন নেছা খাতুন। অত্যন্ত মেধাবী ও সৃজনর্ধমী মননশীলতার অধিকারী মোহাম্মদ কেরামত আলী ছাত্রজীবনে ক্লাশে প্রথম স্থান লাভ
করতেন। বরিশাল জিলা স্কুলে অধ্যায়নকালে তিনি শিষ্টাচারের জন্য "রানীগুপ্ত র্স্বনপদক" এবং ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় বাংলায় পথম স্থান অধিকারের জন্য "যোগেশচন্দ্র" পদক লাভ করেন। তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় কলিকাতা
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সমগ্র বাংলা ও আসামের মুসলমান ছাত্রদের মধ্যে ৫টি লেটারসহ প্রথম স্থান অধীকার করেন।
কলিকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। চাকুরী জীবনে তিনি অস্ট্রেলিয়া ও লাহরে
উচ্চতর প্রশাসনিক প্রশিক্ষন লাভ করেন। তিনি ওয়াশিংটন, মস্কো, টোকিও ও টগোতে বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ আয়োজিত সেমিনার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন কোর্সে
অংশ গ্রহন করেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট থেকে ফেলোশীপ লাভ করেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় প্রশিক্ষন কোর্সে তিনি প্রথম পুরম্নস্কার লাভ করেন।

চাকুরী জীবন :

১৯৪৮ সালে তিনি পাকিস্থানের প্রথম ব্যাচের সি এস পি অফিসার হিসাবে চাকুরীতে যোগদান করেন।
চাকুরী জীবনে তিনি জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার, মন্ত্রনালয়ের সচিব, রাষ্ট্রপতির মূখ্য সচিবসহ গুরম্নত্বপূর্ন
প্রশাসনিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি সিভিল সার্ভিসের সবোর্চ্চপদ মন্ত্রীপরিষদ সচিব হিসাবে নিযুক্ত হন। চাকুরী থেকে অবসর গ্রহনের পর তিনি বার্মা ও
ভিয়েতনামে বাংলাদেশের রাষ্টদূত হিসাবে

দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক জীবন :

ছাত্র জীবনেসক্রিয়ভাবে রাজনীতি না করলেও প্রগতিশীল রাজনৈতিক মতবাদ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। কলকাতায় অধ্যায়নকালে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের মুসলিম ছাত্রবাস "জিন্নাহ হল" এর নির্বাচিত জি এস ছিলেন। ১৯৯১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি যথাক্রমে বানিজ্য মন্ত্রনালয়,
নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়, ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

সমাজসেবা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড:

তিনি ১৯৬৯ সালে ১ জানুয়ারী পটুয়াখালী মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করন, বরিশাল শের- ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল ক্যাডেট কলেজ স্থাপন, বরিশাল
বিমান বন্দর, ফরিদপুর-বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক, খেপুপাড়া রাডার স্টেশন, পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ টেলিভিশন রিলে স্টেশন, পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল, লঞ্চঘাট, পুলিশ লাইন ,পটুয়াখালী সার্কিট হাউজ, সোনালী ব্যাংক ভবন ও পটুয়াখালী কালেক্টরেট ভবন স্থাপন করেন। দুমকীতে কৃষি কলেজ (বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞানও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) , জনতা কলেজ ,দুমকি নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুমকী আপতুননেছা খাতুন বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ,দুমকী আপতুননেছা খাতুন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুমকী রেজিস্ট্রার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুমকী ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, টি এন্ড টি, সাব-পোস্ট অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, মডেল পাঠাগার এবং দুমকি থানা কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠায় তার অবদান রয়েছে ।

জনাব মোহাম্মদ এম কেরামত আলী আল কোরানের উপর "The Message" গ্রন্থের প্রনেতা। তিনি শিক্ষানূরাগী, প্রশাসক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে সকলের প্রিয় পাত্র ছিলেন।জনাব মোহাম্মদ এম কেরামত আলী ৪ জুন ২০০৪ খ্রীস্টাব্দে পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে ২ ছেলে, ২ মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আমরা সকলে এই মহান ব্যাক্তির জন্য আল্লহর দরবারে দোয়া করি,আল্লাহ তাকে যেন জানাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।

আমিন

🥰
29/04/2025

🥰

02/04/2025

Dumki A K Model High School -দুমকি এ কে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় 😍

Address

Shadar Road Dumki
Patukhali
8602

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gov. Janata College - সরকারী জনতা কলেজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share