Avoy Binodini High School

Avoy Binodini High School Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Avoy Binodini High School, College & University, rajarbag chou rastar mor, Rajarbag.

এস.এস.সি পরীক্ষা ২০২৪ এ উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি রইলো প্রাণঢালা অভিনন্দন ও আগামীর পথ চলায় অফুরন্ত দোয়া ও শুভকামন...
13/05/2024

এস.এস.সি পরীক্ষা ২০২৪ এ উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি রইলো প্রাণঢালা অভিনন্দন ও আগামীর পথ চলায় অফুরন্ত দোয়া ও শুভকামনা। 🎉🤲

একনজরে সবুজবাগ ও মুগদা থানার অন্তর্গত সুপরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের এসএসসি পরীক্ষা ২০২৪ এর ফলাফলঃ

09/11/2023

Thanks Jacob Bhaya ♥️

21/04/2016
28/01/2016

Sports day kemon katsey A.B'an ra ?????

07/02/2015

আবারো পিছালো এসএসসি পরীক্ষা।
ইংরেজি ১ম প্রত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৩ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় এবং ইংরেজি ২য় প্রত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৪ই ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায়।

Dear student , teacher, frnd's wishing u all i mean  .:
05/10/2014

Dear student , teacher, frnd's wishing u all

i mean .

:

স্কুলের পক্ষ থেকে সবাইকে শারদীয় দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা...... সবার পূজো আনন্দে কাটুক।
03/10/2014

স্কুলের পক্ষ থেকে সবাইকে শারদীয় দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা...... সবার পূজো আনন্দে কাটুক।

ফুটবল খেলার পর দশম শ্রেণীর ছাত্রদের একাংশ. :) :D
16/08/2014

ফুটবল খেলার পর দশম শ্রেণীর ছাত্রদের একাংশ. :) :D

ঢাকা: পশ্চিম আফ্রিকায়মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে ইবোলা ভাইরাস।ইতোমধ্যে বহু লোকমারা গেছেনইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তহয়ে। শুধু আফ...
11/08/2014

ঢাকা: পশ্চিম আফ্রিকায়
মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে ইবোলা ভাইরাস।
ইতোমধ্যে বহু লোক
মারা গেছেন
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত
হয়ে। শুধু আফ্রিকাবাসীই নন,
বিশ্বব্যাপী ইবোলা ভাইরাস
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ইবোলা ভাইরাসের
প্রাদুর্ভাব
ঠেকাতে বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। পশ্চিম
আফ্রিকায় বিভিন্ন
শান্তি মিশনে বাংলাদেশের
সেনাবাহিনীর সদস্যরাসহ
বিভিন্ন বাহিনীর
শান্তিরক্ষীরা কর্মরত
রয়েছেন। যাদের
মাধ্যমে বংলাদেশেও
চলে আসতে পারে এই
ভাইরাস।
প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাস
প্রতিরোধে বাংলাদেশেও
সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়
থেকে ইতোমধ্যেই ৯০ দিনের
বিশেষ
কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
দেশের সব আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর, স্থল ও
নৌবন্দরে চিকিৎসক দল
ভাইরাস আক্রান্ত মানুষদের
শনাক্তে কাজ করবে।
এছাড়াও চিকিৎসক দলের
কার্যক্রম সমন্বয় ও
তদারকি করবে স্বাস্থ্য
সচিবের নেতৃত্বে গঠিত
অ্যাকশন কমিটি। এ
দলে স্বাস্থ্য অধিদফতর,
আইইডিসিআর, ইমিগ্রেশনসহ
সংশ্লিষ্ট দফতরের
প্রতিনিধি থাকবেন বলেও
জানিয়েছেন
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ
নাসিম।
তবে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস
যেন
বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য
সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন
জনসচেতনতা। এ
কারণে বাংলানিউজের
পাঠকদের জন্য
ইবোলা ভাইরাস সংক্রান্ত
কিছু জরুরি তথ্য
তুলে দেওয়া হলো।
ইবোলা কী?
ইবোলা ভাইরাস
আগে রক্তপ্রদাহজনিত জ্বর
[Ebola hemorrhagic fever (EHF)]
হিসেবেই সমধিক পরিচিত
ছিল। ইবোলা মূলত
একটি আরএনএ ভাইরাস।
যেটির নামকরণ
করা হয়েছে কঙ্গোর
ইবোলা নদীর নাম থেকে।
ইবোলা ভাইরাস গোত্রের
৫টির
মধ্যে ৩টি প্রজাতি মানুষের
শরীরে সংক্রমিত হয়ে গুরুতর
অসুস্থ করার ক্ষমতা রাখে!
বাকি ২টি মানুষের জন্য
তেমন ক্ষতিকর নয়। এদের
মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক
হচ্ছে জাইরে (Zaire)
ইবোলা ভাইরাস
(জাইরে হলো একটি জায়গার
নাম যেখানে সর্বপ্রথম এই
ভাইরাসে কোনো মানুষ
আক্রান্ত হয়েছিলো)।
প্রথমবার এই
ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর
হার ছিল শতকরা ৯০ শতাংশ!
ভয়াবহ এই
ভাইরাসটি মানবদেহে রক্তপাত
ঘটায়। লিভার,
কিডনিকে অকেজো করে দেয়,
রক্তচাপ কমিয়ে দেয়,
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন কমিয়ে দেয়
এবং শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যাহত
করে।
ইবোলা ভাইরাস
মানবদেহে প্রবেশের পর
কয়েকদিন থেকে প্রায় ৩
সপ্তাহ কোনো লক্ষণ প্রকাশ
না করেই অবস্থান
করতে পারে। অর্থাৎ এর
লক্ষণসমূহ পরিলক্ষিত হওয়ার
জন্য সর্বোচ্চ ২১দিন
লাগতে পারে।
ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি এই রোগ
নিয়ে চলে যেতে পারেন
এক দেশ থেকে অন্য দেশে।
আর
সেখানে ছড়িয়ে দিতে পারেন
নিজের অজান্তেই।
ইবোলার লক্ষণ
ইবোলা আক্রান্ত
ব্যক্তি প্রথমে নিরীহ ফ্লু’র
মতো হালকা জ্বর,
মাথা ব্যথা, শরীর ব্যথা অনুভব
করে। কিছুদিন পর তীব্র
মাথা ব্যথা, জ্বর, শরীর ব্যথা,
ত্বকে দানা দানা উঠা,
মুখে ঘা,
ডায়রিয়া এবং মারাত্মক
বমি শুরু হতে পারে। চূড়ান্ত
পর্যায়ে শরীরের
ভিতরে বাইরে রক্তপাত শুরু
হতে পারে। এই
ভাইরাসটি আক্রান্ত ব্যক্তির
লিভার, কিডনি, হৃদপিন্ড
অকেজো করে দেয়, যার
ফলে রোগীর মৃত্যু ঘটে।
এই রোগের প্রাথমিক
লক্ষণগুলো সাধারণ ফ্লু’র
মতোই। সর্দি কাশি,
মাথা ব্যথা, বমি,
ডায়েরিয়া এবং জ্বর এই
রোগের প্রাথমিক উপসর্গ।
তাই কারো উপরোক্ত
কোনো উপসর্গ
দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব রক্ত
পরীক্ষা করাতে হবে! রক্ত
পরীক্ষা করে নিশ্চিত
হতে হবে যে এটা ম্যালেরিয়া,
হ্যাপাটাইটিস,
কলেরা বা অন্য
কোনো রোগের জীবাণুর
কারণে হচ্ছে কিনা!
কিভাবে ছড়ায়?
বলা হয়ে থাকে বাদুরের
খাওয়া ফল থেকেই
ইবোলা ভাইরাস মানুষের
দেহে প্রথম প্রবেশ
করে এবং পরবর্তীতে তা মানুষ
থেকে মানুষে ছড়াতে শুরু
করে। ইবোলা আক্রান্ত
মানুষের দেহরস অপর
কোনো মানুষের দেহের
স্পর্শে আসলে সেই ব্যক্তিও
আক্রান্ত হতে পারেন।
এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর
পরও ভাইরাসটি বেশ
কয়েকদিন টিকে থাকে।
আশার কথা হলো,
রোগটি ফ্লু ও অন্যান্য
বায়ুবাহিত রোগের
মতো ছড়ায় না, আক্রান্ত
ব্যক্তির
সরাসরি সংস্পর্শে না আসলে এই
রোগে সংক্রমিত হবার ভয়
নেই।
চিকিৎসা
রিহাইড্রেশন
এবং হালকা বেদনানাশক
দিয়ে করা হচ্ছে ইবোলা আক্রান্তের
চিকিৎসা। খুব
একটা কার্যকরী কোনো প্রতিষেধক
এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। নেই
কোনো প্রতিষেধক টিকাও।
তথ্য মতে এই রোগে মৃত্যুর হার
৫০%-৯০%।
সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এই
রোগের লক্ষণগুলো অন্য আরও
অনেকগুলো রোগের লক্ষণের
সাথে মিলে যায়! ফলে রোগ
শনাক্ত করতে সময় লেগে যায়!
তাই সঠিক রোগ শনাক্ত
করা এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়াটাও
অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ!
তবে যদি রোগ দ্রুত সময়ের
মধ্যে শনাক্ত করা যায়
এবং সঠিক
চিকিৎসাসেবা দেওয়া যায়
তাহলে রোগীর
বেঁচে থাকার
সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়!
** ইবোলা ভাইরাস
ঠেকাতে বন্দরে বন্দরে প্রতিরোধ
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৫ ঘণ্টা,
আগস্ট ১০, ২০১৪
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র
প্রকাশিত/প্রচারিত
কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি,
আলোকচিত্র, রেখাচিত্র,
ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট
কপিরাইট
আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার
করা যাবে না।

★★ইবোলা ভাইরাস★★ উৎপত্তি: আফ্রিকা থেকে উদগতইবোলা ভাইরাসসারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ারআশংকা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা। বাদুড়ের ব...
10/08/2014

★★ইবোলা ভাইরাস★★

উৎপত্তি: আফ্রিকা থেকে উদগত
ইবোলা ভাইরাস
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার
আশংকা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা। বাদুড়ের বেশ কিছু
প্রজাতি এই ভাইরাসের মুখ্য
পোষক। আক্রান্ত প্রাণীর
সংস্পর্শে এসে মানুষও আক্রান্ত
হতে পারে।
লক্ষণ:
১)তীব্র জ্বর, মাথা ব্যথা,
শরীরের গিঁটে ব্যথ্যা, দুর্বলতা,
অরুচি, গলাফোলা ইত্যাদি।
২)রোগের তীব্রতা বৃদ্ধির
সাথে সাথে রোগ হলে শরীরের
ভেতরে ও বাইরে রক্তপাত
হতে পারে। বিশেষ করে নাক,
কান এবং চোখ দিয়ে রক্ত
পড়তে পারে।
৩)বমি কিংবা কাশির
সাথে কিংবা মলত্যাগের সময়
রক্ত দেখা যেতে পারে।
৪) সেই সাথে চামড়ায়
গুটি দেখা যেতে পারে।
৫)ইবোলা ভাইরাস মানব
কোষে প্রবেশ করে খুব দ্রুত
সংখ্যায় বৃদ্ধি পেতে থাকে।
একসময় এদের চাপে কোষ
ফেটে যায়, নতুন
ভাইরাসগুলো নতুন নতুন
কোষকে আক্রান্ত করে এবং ৬
থেকে ১৬ দিনের মধ্যে আক্রান্ত
ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে।
সতর্কতা :
১) শরীরের যথাযথ
নিরাপত্তা আচ্ছাদন
থাকতে হবে (পোষাক, দস্তানা,
নিরাপদ চশমা, মাস্ক প্রভৃতি)।
২) যাবতীয় সরঞ্জাম যথাযথ
ভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত
করতে হবে।
৩) ইবোলা রোগের লক্ষণযুক্ত
আক্রান্ত ব্যাক্তিকে অন্যদের
কাছ থেকে পৃথক অবস্থায়
রাখতে হবে। এবং অন্যদের
সংস্পর্শে যেন
না আসতে পারে সেই
দিকে কড়া দৃষ্টি রাখতে হবে।
৪)রক্ত পরীক্ষার
মাধ্যমে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত
করা যায়।
৫)বিমানবন্দর এবং অন্যান্য
বন্দরে যথাযথ তদারকির
ব্যবস্থা রাখা জরুরি। :D

Address

Rajarbag Chou Rastar Mor
Rajarbag

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Avoy Binodini High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share