Islamic Studies Family - RU, Tremendous-23

Islamic Studies Family - RU, Tremendous-23 ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাচ : Tremendous-23
সেশন : 2017-18

18/12/2025
অভিনন্দন  বন্ধু  Ruhul Amin  41th Sub Inspector (SI) of Bangladesh Police. এখন যেভাবে সৎ আছিস আশা করি কর্মজীবনেও সৎ থাকব...
31/01/2025

অভিনন্দন বন্ধু Ruhul Amin 41th Sub Inspector (SI) of Bangladesh Police.

এখন যেভাবে সৎ আছিস আশা করি কর্মজীবনেও সৎ থাকবি।শুভ হোক তোর আগামী দিনগুলো।❣️❣️❣️

শোক সংবাদ—ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশন এর বন্ধু Mahdi Hasan এর বাবা গতকাল ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন...
24/12/2024

শোক সংবাদ—

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশন এর বন্ধু Mahdi Hasan এর বাবা গতকাল ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মাহদী এখন ইন্দোনেশিয়ায় আছে সবাই দোয়া করবেন।

শোক সংবাদ—ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের বন্ধু মো. রাজিদুল ইসলাম এর শ্রদ্ধেয় বাবা  আজ (২৪/১১/২০২৪) ইং তারিখ ইন্...
24/11/2024

শোক সংবাদ—

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের বন্ধু মো. রাজিদুল ইসলাম এর শ্রদ্ধেয় বাবা আজ (২৪/১১/২০২৪) ইং তারিখ ইন্তেকাল করেছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

দ্বিতীয় বর্ষে থাকাকালীন তার মা মারা যায়।

মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

সীরাত মাহফিল একটা ইসলামিক প্রোগ্রাম, তাই এটা বুয়েটে আয়োজন করা যাবে নাঃ DSW আল-আমিন সিদ্দিক।গত শনিবার ৫ অক্টোবর শিক্ষার্থ...
08/10/2024

সীরাত মাহফিল একটা ইসলামিক প্রোগ্রাম, তাই এটা বুয়েটে আয়োজন করা যাবে নাঃ DSW আল-আমিন সিদ্দিক।

গত শনিবার ৫ অক্টোবর শিক্ষার্থীরা বুয়েটে সীরাত মাহফিল আয়োজনের অনুমতির জন্য ছাত্রকল্যাণ পরিষদের (DSW) প্রধান প্রফেসর আল-আমিন সিদ্দিক এর নিকট যায়। সীরাত মাহফিলের প্রধান আলোচক হিসাবে শাইখ আহমাদুল্লাহর থাকার কথা। তিনি বলেন এ ধরণের প্রোগ্রামের অনুমতি তার হাতে নেই। ছাত্ররা অডিটোরিয়ামে আয়োজনের প্রস্তাব দিলে তিনি জানান, বুয়েটে এমন ধর্মীয় প্রোগ্রাম সাধারণত হয় না। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ দিলে, তিনি বলেন বুয়েটকে অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে তুলনা করা যাবে না। তার যুক্তি বাইরের কোনো মানুষ এনে প্রোগ্রাম করা যাবে না।

শিক্ষার্থীরা কনসার্টে বাইরে থেকে আসা ব্যান্ডের বিষয় তুলে ধরলে তিনি বলেন এটা আগে থেকেই চলে আসছে। তিনি যুক্তি দেন যে এসব শিল্পীরা সকলের দ্বারা স্বীকৃত, কিন্তু ইসলামিক বক্তারা তেমন স্বীকৃত নন। আর অনেকেই ধর্মীয় প্রোগ্রামের বিরোধিতা করতে পারে এবং ইস্যুতে পরিণত হতে পারে। সেদিন স্যারের কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছিলো তিনি নিজেই অনুমতি দিতে চাচ্ছেন না। সেদিন বলেন যে সোমবার মানে আজ সিদ্ধান্ত জানাবে।

আজ সোমবার পুনরায় সীরাত মাহফিলের আয়োজন করার অনুমতির জন্য যাওয়া হয়। তিনি বলেন অথোরিটি থেকে কোনো পজিটিভ রেজাল্ট আসে নি। তিনি প্রথমে যুক্তি দেন সীরাত মাহফিলে তো সব সবাই যুক্ত হতে পারবে না। ছাত্ররা যুক্তি খণ্ডন করে বলে সীরাত মাহফিল একটি মুক্ত অনুষ্ঠান, এখানে সব ধর্মের মতের মানুষ অংশ নিতে পারবে। তিনি আবার যুক্তি দেন এখানে তো কোনো এক্সট্রাকারিকুলার এক্টিভিটি হচ্ছে না। ছাত্ররা বলে যে কুইজ থাকবে অনুষ্ঠানে। এরপর ছাত্ররা কনসার্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলে যে এটা কি এক্সট্রাকারিকুলার এক্টিভিটির মধ্যে পড়ে। তিনি বলেন কনসার্ট যদি বুয়েটে না করতে চাও তাহলে অথোরিটির কাছে দরখাস্ত করো কনসার্টের বিষয়ে। কিন্তু ছাত্ররা স্পষ্ট জবাব দেয়, ‘বুয়েটে সব চিন্তাধারার বিভিন্ন ধর্মের মানুষ আছে। কারও কনসার্ট করতে ইচ্ছা করলে কনসার্ট করবে, আমরা কেন অন্যের বিষয়ে নাক গলাবো’ (যদিও কনসার্টে উচ্চশব্দে গান বাজানোর জন্য অনেকবার অথোরিটিকে কমপ্লেইন জানানো হয়েছে, কিন্তু উদাসীনতা দেখিয়েছে প্রতিবার)। এছাড়া ছাত্ররা মসজিদে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের বিষয়ে কথা তুললে তিনি বলেন আগের স্যার সেটা অনুমোদন করেছেন, তিনি আর ইসলামিক প্রোগ্রাম অনুমোদন করবেন না। শেষমেষ তিনি ছাত্রদের যুক্তির কাছে পরাজিত হয়ে বলেন যে তার পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। শেষে স্যারের কাছে ছাত্ররা অনুমতি না দেওয়ার মূল কারণ বা ভিত্তি জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমি কোনো কৈফিয়ত দিতে বাধ্য না তোমাদের কাছে"। আগের DSW বলেছিলেন ছাত্রদের নিরাপত্তার দায়িত্ব তার না!!!
এরপর শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেন। স্যার বলেন, তিনি অথোরিটির সাথে কথা বলে দেখবেন। অথচ ভিসি স্যার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ডিএসডব্লিউ কেই বলে দিয়েছেন।

এরপরও তিনি ভিসি, প্রো ভিসি বাদে আর কোন অথরিটির সাথে কথা বলবেন? উনাকে কি অন্য কোনো সংগঠন বা কেউ প্রভাবিত করছেন?

আল-আমিন সিদ্দিক একজন স্পষ্ট ইসলামবিদ্বেষী। বুয়েটে এখনও ৫ আগস্ট হয়তো আসেনি। সারা দেশে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে সীরাত মাহফিল হচ্ছে সেখানে বুয়েটে মাহফিল করতে না দেয়া মানে ইসলামবিদ্বেষ ছাড়া অন্য কিছু নির্দেশ করে না।
উল্লেখ্য আল-আমিন সিদ্দিক খুনি হাসিনার আমলের শেষের দিকে নিয়োগপ্রাপ্ত DSW, এর আগে তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্টের দায়িত্বে ছিলেন। ইসলামবিদ্বেষী আল-আমিন সিদ্দিকি কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ও পদত্যাগ করতে হবে।

#বিতর্কিত_আলো

আলহামদুলিল্লাহ। অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও উদ্ভোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত হ...
22/09/2024

আলহামদুলিল্লাহ। অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও উদ্ভোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নবীন শিক্ষার্থীদের Islamic Studies FamilyIslamic Studies Family - RU, Tremendous-23Islamic Studies Family - RU, Tremendous-23Islamic Studies Family - RU, Tremendous-23 Tremendous-23 -এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🌹

অভিনন্দন Islamic Studies Family - RU, Tremendous-23 ব্যাচের বন্ধু Md Abdul Mokim Bijoy  🌸জুনিয়র মৌলভীবিনোদপুর আলিম মাদরা...
02/09/2024

অভিনন্দন Islamic Studies Family - RU, Tremendous-23 ব্যাচের বন্ধু Md Abdul Mokim Bijoy 🌸
জুনিয়র মৌলভী
বিনোদপুর আলিম মাদরাসা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ

Batch- Tremendous-23 পরিবার। ❤️

বন্ধুর— বিশেষ উক্তি 'দেখা হবে বিজয়ে'

30/08/2024

ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতির আদৌ দরকার আছে কি ?

গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রলীগের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল | সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী কতৃক পরিচালিত কোটাবিরোধী আন্দোলনের এক পর্যায়ে সরকার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সভা করে একপ্রকার দায়িত্ব দেয়, এই আন্দোলনকে দমানোর জন্য, যেটা আমরা সবাই টিভিতে দেখি | কিন্তু ছাত্রলীগ কি এই আন্দোলন থামাতে পেরেছিলো, নাকি তাদের অপকর্মের কারণে আন্দোলন আরো বেগবান হয়েছিলো ?

আমরা যদি বিগত ১৫ বছরের লেজুড়বৃত্তিক এই ছাত্র রাজনীতি একটু পর্যালোচনা করি, কেউ কি আমাকে বলতে পারবেন, ছাত্রলীগ সাধারণ ছাত্রদের পক্ষে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান উন্নয়নের জন্য বা তাদের আবাসন, গবেষণা, শিক্ষা বাজেট বৃদ্ধি, এজাতীয় কোন বিষয়ে কখনো সরকারের কাছে কোন দাবি করেছে ? একই কথা প্রযোজ্য বিনপি আমলে রাজত্ব করা ছাত্রদলের জন্যও |

তাহলে লেজুড়বৃত্তিক এই ছাত্র সংগঠনগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে আসলে কি করে? একটু পর্যালোচনা করলেই দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক হেনো অপকর্ম নেই, যাতে এই ছাত্র সংগঠনগুলো জড়িত নয় | মাদক হতে শুরু করে, হলে সিট্ বাণিজ্য বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কনস্ট্রাকশন কাজ হতে চাঁদা তুলা এবং সেন্ট্রাল নেতাকর্মী পর্যন্ত এইসব চাঁদাবাজির ভাগ পৌঁছে দেয়া তাদের অপকর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম | বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ে কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য, এমনকি শিক্ষক নিয়োগেও তাদের অপকর্মের কথা শোনা যায় | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া শ্লীলতাহানি কান্ডের কাহিনী তো পুরো দেশবাশীরই জানা | তবে আশার কথা হলো, এতসব অপকর্মে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি করা গুটিকয়েক ছাত্রই জড়িত, অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যানারেই থাকে এবং আদৌ কোন অপকর্মের সাথে জড়িত নয়, যেটা আমরা এবারের ছাত্র আন্দোলন থেকে সহজেই অনুমান করতে পারি |

তাহলে লেজুড়বৃত্তিক এই ছাত্র রাজনীতির আদৌ কোন দরকার আছে কি? দেশের প্রয়োজনে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরাই তাদের বিবেকের তাড়নায় রাস্তায় নেমে আসবে এবং আন্দোলনে শরিক হবে | সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা কি করতে পারে, সেটা তাঁরা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, যা একেবারে অসম্ভবকে সম্ভব করা |

এবার আসা যাক লেজুড়বৃত্তিক শিক্ষক রাজনীতির কথায়, শিক্ষকরা খুব বেশি অপকর্মে জড়িত না থাকলেও, একাডেমিক মান উন্নয়ন, বা গবেষণার জন্য কখোনই তাদের সোচ্চার হতে দেখা যায় নি | যখন যে দল সরকারে থাকে, সেই দলের সমর্থক শিক্ষকরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সত্ত্বেও, তাদেরকে কখনই সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কোন দাবি দাওয়া করতে দেখা যায় না | বরং লেজুড়বৃত্তিক শিক্ষক রাজনীতিতে জড়িত অধিকাংশ শিক্ষকই বিভিন্ন পদ পদবীর পিছনেই দৌড়ান এবং সামান্য একটা পদ পদবি পেলেই খুশিতে গদগদ থাকেন |

৫৩ বছরতো লেজুড়বৃত্তিক এই শিক্ষক ও ছাত্র রাজনীতি দেখলাম, মৌলিক কোন পরিবর্তন তো হয়ইনি, বরং প্রকৃত শিক্ষা হতে যোজন যোজন দূরে চলে গিয়েছি | নতুন এই বাংলাদেশে সংস্কারের আশায় রইলাম |

অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম
বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

17/08/2024

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৭ সালের পর বাংলাদেশের কোনো কলেজে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালুর একটি আবেদনও বিবেচনা করেনি। সরকারি কলেজগুলোতে অনুসৃত হয়েছে ভিন্ন ধারা। বিভাগ ছিল কিন্তু শিক্ষক ছিল না। শিক্ষকের মৃত্যু বা বদলীর পর নতুনভাবে কাউকে পদায়ন করা হয়নি। ফলে অঘোষিতভাবে বিভাগটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগটি ছিল সেখানেও আসন কমেছে আশংকাজনকভাবে। যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮০টি আসনের বিপরীতে বর্তমান আসন ১০০টি।
স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়েও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ খোলা হয়নি। যেমন কুমিল্লা, বরিশাল ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। পাকিস্তানী শাসনের শেষ লগ্নে চালু হওয়া (১২/১/১৯৭১) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগটি নেই। ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ নাম দিয়ে চালু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কলা ও সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদের কিছু বিষয় থাকলেও একটিতেও নেই ইসলামিক স্টাডিজ। অনেকেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলতে পারেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবেই যাত্রা শুরু হয়েছিল, বর্তমানে বরং এর গতি-প্রকৃতি প্রতিষ্ঠাকালীন আকাঙ্ক্ষার বিপরীত দিকে। আর ২০০৫ সালে জগন্নাথ কলেজকে যখন বিশ্ববিদ্যালয় করা হয় তখন আগে থেকেই কলেজে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়টি ছিল বরং অন্য অনেক বিভাগের চেয়ে প্রবলভাবে ছিল (কলেজে ডে-শিফটের পাশাপাশি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নাইট শিফটও ছিল)। আর জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় তো আগে থেকেই চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে। নতুনভাবে কিছু চালু করেনি।
আমাদের প্রত্যাশা শীঘ্রই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে। সকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ চালু হবে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও বিভাগটি খোলা হবে। পাশাপাশি ইসলামিক স্টাডিজ ব্যতীত অবশিষ্ট সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আবশ্যিক একটি ‘ইন্ট্রোডাকশন টু ইসলাম’ কোর্স চালু হবে। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মধ্যে মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন একটি কোর্স চালু আছে।
আগে থেকে চালু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর সাথে নতুনভাবে যদি অবশিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইসলামিক স্টাডিজ চালু হয়, কলেজগুলোও যদি এই পথ অনুসরণ করে, তাহলে বাংলাদেশে এককভাবে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সংখ্যা হবে সবচেয়ে বেশি। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জগন্নাথ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ কলেজ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধীন কলেজগুলোর পাশাপাশি ইসলামি-আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সার্টিফিকেটধারী শিক্ষার্থীই বের হবে।
তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উত্থাপিত হবে, এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের উপায় কী?
উপায় আছে অসংখ্য।
প্রথমত, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ইসলাম শিক্ষাকে নানা গুচ্ছের বেড়াজালে ফেলে যেভাবে তুচ্ছ করা হয়েছে তা তুলে দিতে হবে। বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য একে নৈর্বাচনিক বিষয় হিসেবে (চতুর্থ বিষয় হিসেবে নয়) উন্মুক্ত রাখতে হবে। তাহলে সকল কলেজে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক প্রয়োজন হবে।
দ্বিতীয়ত, অনার্স ও মাস্টার্স স্তরে ইসলামিক স্টাডিজ ব্যতীত অবশিষ্ট সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলাম শিক্ষার একটি পূর্ণাঙ্গ আবশ্যিক কোর্স থাকবে। সেখানেও বিপুল সংখ্যক শিক্ষক প্রয়োজন হবে।
তৃতীয়ত, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সিলেবাসে ইসলামি ব্যাংকিং ও ইন্সুরেন্স বিষয়ক প্রয়োজনীয় সংখ্যক কোর্স রেখে সিলেবাস সংস্কার করতে হবে এবং সকল ইসলামিক ব্যাংকিং, ইন্সুরেন্স ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ তখন তারা একইসাথে ইসলাম ও ব্যাংকিং দু ধারাতেই দক্ষ থাকবেন। (কয়েক বছর আগে সেন্ট্রাল শরীআহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশ-এর সাথে এমন একটি মতবিনিময় সভায় আমি ছিলাম এবং সেন্ট্রাল শরীআহ বোর্ড খুবই আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে এসেছিল। কিন্তু আমরাই নানা কারণে সিলেবাস সংস্কারের কাজ করতে পারিনি।)
চতুর্থত, বিসিএস এবং এ জাতীয় সকল চাকরিতে ইসলামিক স্টাডিজের শিক্ষার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
পঞ্চমত, শিক্ষার্থীদেরকে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জবমার্কেটের জন্য যোগ্য করে তুলতে হবে। যেমন কর্মকর্তা, দাঈ, শিক্ষক, ইমাম ইত্যাদি পদের জন্য। কেবল শ্রমিক নয়।
ষষ্ঠত, শিক্ষার্থীদেরকে চাকরিমুখী মানসিকতার পরিবর্তে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার উপযোগী শিক্ষা দিতে হবে এবং সেভাবেই শিক্ষাক্রম বিন্যস্ত করতে হবে।
আপাতত আমার ভাবনা এতটুকুই। তবে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। সিদ্ধান্ত হওয়া দরকার। জাতীয় পর্যায়ে সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন।
বাংলাদেশ একটা বিরাট পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সবাই সবার কথা বলছে। হিসাব বুঝে নেয়ার চিন্তা করছে, চেষ্টাও করছে।
আমরা ইসলামিক স্টাডিজ পরিবার কি আগের মতোই শতধা বিভক্ত থেকে নিশ্চেষ্ট হয়ে বসে থাকবো??
ইব্রাহীম খলিল
সহযোগী অধ্যাপক
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

17/06/2024

• عيد مبــــــــــــــــــــارك
• تــــــــقـــــبـــــــل الله منا ومنكم
আপনাদের সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহা (عيد الاضحى) এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
• ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক আমাদের জীবন। 🌸
আল্লাহ তা’আলা আমাদের ও আপনাদের ভালো কাজগুলো কবুল করুন।
اللهُ أكبر اللهُ أكبر، لا إلهَ إلَّا الله، واللهُ أكبر اللهُ أكبر، ولله الحَمْد—

— TIslamic Studies Family - RU, Tremendous-23

Address

University Of RAjshahi
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Studies Family - RU, Tremendous-23 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share