Engineer's Diary, RUET

Directions Website Contact the university

Engineer's Diary, RUET ইঞ্জিনিয়ার্স ডায়েরি আপনার ডায়েরি, সকল রুয়েটিয়ানদের ডায়েরি।

সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রকৌশলীর নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিতকরণ, ৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুনির্...
23/10/2026

সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রকৌশলীর নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিতকরণ, ৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুনির্দিষ্ট স্যালারি স্ট্রাকচার নির্ধারণ ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং আইইবি-কে একটি পেশাবান্ধব, জবাবদিহিমূলক ও প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে -

প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন মনোনীত নিম্নোক্ত প্রার্থীকে আগামী ১২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে আইইবি নির্বাচনে ভোট দিন 🤝।

ENGR. M. WALI ULLAH
Ballot No. 207
Central Council Member from Dhaka Centre

'আইইবি নির্বাচন ২০২৬' এ 'প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন (ERM)' সমর্থিত প্রার্থীগণ -সকল প্রকৌশলীর অধিকার, নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্...
18/10/2026

'আইইবি নির্বাচন ২০২৬' এ 'প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন (ERM)' সমর্থিত প্রার্থীগণ -

সকল প্রকৌশলীর অধিকার, নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করা, তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং বৈষম্য ও অন্যায়ের অবসানের মাধ্যমে একটি মর্যাদাপূর্ণ, বৈষম্যহীন প্রকৌশলী সমাজ গড়ে তোলার পাশাপাশি পেশাবান্ধব, জবাবদিহিমূলক ও প্রকৌশলীদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্বকারী আইইবি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আসন্ন আইইবি নির্বাচন ২০২৬ (টার্ম ২০২৭–২০২৮) উপলক্ষে প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন (ERM) কর্তৃক মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় তুলে ধরা হলো।

দীর্ঘদিন ধরে ধরে প্রকৌশলীদের অধিকার, ন্যায্য দাবি ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় সোচ্চার ইআরএম এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন আইইবিতে দায়িত্বশীল, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব।

প্রকৌশলীদের অধিকারের লড়াই এই নির্বাচনে ব্যালটের লড়াই! এই নির্বাচন প্রকৌশলীদের অধিকার, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের নির্বাচন। তাই আসুন, প্রকৌশলীদের অধিকার ও পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় আপনার মূল্যবান সমর্থন জানান এবং ERM-এর মনোনীত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে একটি বৈষম্যহীন ও প্রকৌশলীবান্ধব আইইবি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিন।

#প্রকৌশলী_অধিকার_আন্দোলন



#তিন_দফা_দাবি
#প্রকৌশলীদের_অধিকার
#আইইবি
#মর্যাদাপূর্ণ_আইইবি

16/10/2026

ডিপ্লোমা করলেই কেউ আর উচ্চ শিক্ষা নিতে পারবেনা, এইটা হতে পারে না। কাজেই ডিপ্লোমার প্রথম ২ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেই অর্থাৎ HSC ব্যাচমেটদের সাথে তাদের একসাথে এক্সাম দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক৷
কিন্তু এই একসাথে এক্সামে বসার মতো অসময়ের দাবি কি ডিপ্লোমা গোষ্ঠী কি মেনে নিবে?
শিক্ষামন্ত্রী থেকে শুরু করে কারিগরি শিক্ষার প্রধানরা বারবার বলতেছেন ssc তে খারাপ করার কারনে কেউ যেনো ঝরে না যায়। ঐ শিক্ষার্থীকে কারিগরিতে ভর্তি করানো হোক, এই ক্যাম্পেইন তারা চালাচ্ছে।
কিন্তু এই ঝরে যাওয়া মালগুলোরেই ৪ বছর ডিপ্লোমা করার পরে ডিরেক্ট কম্পিটিশন ছাড়াই ইঞ্জিনিয়ার পোস্টে বসায় দিতেছেন। সারাজীবন ধরে ভালো রেজাল্ট করে আসা ইঞ্জিনিয়ারদের আপনি এই ডিপ্লোমা গোষ্ঠীর নিচে বসাচ্ছেন কারণ এই কোটা সিস্টেম তুলে দিতে ধরলেই গাজীপুর রেললাইনে গিয়ে হাজার হাজার ডিপ্লোমা ব্লকেড করতেছে। সরকারও নিরুপায়।

কথা হচ্ছে সরকার নিজেই বলতেছে, ঝরে যাওয়া শিক্ষার্থীরা যেনো পড়াশোনা ছেড়ে না দিয়ে কারিগরিতে পড়ে কিছু একটা করুক। কিন্তু দিনশেষে কি হচ্ছে? এই ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের কাদের আসনে বসানো হচ্ছে?
রাষ্ট্রকে তো ঠিক করা লাগবে যে কোন লেভেলের পড়াশোনার জন্য কোন লেভেলের চাকরির ব্যবস্থা। যে কম পড়বে, তাকে বাবু শোনা- তুমি পড়াশোনা ছেড়ো ন, তোমাকে আমি বুয়েটেরও উপরে চাকরি দিবো; এইসব করে রাখলে হবে? How on earth could this be fair?

এতদিন ধরে যে আন্দোলন হইছে তাতে ইঞ্জিনিয়াররা একবারো বলে নি SAE পোস্টে শুধু তারা পরীক্ষা দিবে। বলছে ইঞ্জিনিয়ার এবং ডিপ্লোমা দুইজনই পরীক্ষা দিবে। এতেই সারাদেশে তোলপাড় শুরু করে দিছে ঝরে পরা মালগুলো। ঝরে পড়া মালগুলো বলতেছে, আমরা সংখ্যায় লাখ লাখ, আমাদের দাবিই মানা লাগবে। এই লাখ লাখ ঝরে পরা মালগুলো মাত্র ৪ হাজার শিক্ষার্থীর সাথে একই এক্সামে বসে একসাথে কমপিট করতে চাচ্ছে না। এই হচ্ছে তাদের সংখ্যার জোর।

ছোটবেলায় গল্প শুনতাম, প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমান তার আমলে SSC তে যারা স্ট্যান্ড করতো তাদেরকে নিয়ে বোট রাইডে যেতো। তিনি তো ঝড়ে পরা শিক্ষার্থীর কাছে গিয়ে বলেননি, 'তোমাকে এমন এক সুযোগ দিবো যে টপাররা তোমার নিচে থাকবে, আর তোমাকে প্রমোশন দিতে দিতে এমন এক অবস্থা করবো যে দরকার হলে টপাররা বেকার বসে থাকবে'।

কোন লজিকে এইটা সম্ভব ইঞ্জিনিয়ারিং পোস্টে ইঞ্জিনিয়াররা আবেদন করতে পারবে না?

বিএনপি সরকার যেমন রাষ্ট্রীয় স্বার্থে হকার উচ্ছেদ করতেছে, আশা করি তারা এই ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নিবে। আমি কেনো আমার প্রাপ্য অধিকার পাবো না? আমি কেনো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে ব্যাংকে এপ্লাই করতে পারলেও ইঞ্জিনিয়ারিং পোস্টে এপ্লাই করতে পারবো না?

শিহাব হোসেন

11/10/2026

University-তে একই ডিপার্টমেন্টে যারা পড়ে, তাদের কারও মেধা নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে একটা বিষয় মনে রাখা উচিত একই জায়গায় পড়লেও সবার পথচলা, পরিস্থিতি আর অগ্রাধিকার এক নয়।

অনেকেই স্কুল-কলেজে টপার ছিল। কিন্তু ভার্সিটিতে এসে সবার জীবনের লক্ষ্য এক থাকে না। কেউ CGPA-কে প্রাধান্য দেয়, কেউ গবেষণা, ক্লাবিং, নেতৃত্ব কিংবা সহশিক্ষা কার্যক্রমে নিজেকে গড়ে তোলে। কেউ টিউশন বা পার্ট-টাইম জব করে নিজের খরচ চালায়, কেউ পরিবারের দায়িত্ব সামলায়। কারও কাছে সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ, কেউ নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে নীরবে সংগ্রাম করে।

তাই শুধু CGPA দিয়ে কারও মেধা, যোগ্যতা কিংবা জীবনের সফলতা বিচার করা বোকামি। ভালো CGPA অবশ্যই অর্জন, কিন্তু সেটাই কারও শ্রেষ্ঠত্বের একমাত্র মাপকাঠি নয়।

মনে রাখবেন, সবার জীবন এক নয়, সবার লড়াইও এক নয়। নিজের অর্জন নিয়ে গর্ব করুন, কিন্তু সেই অর্জন যেন অন্যকে ছোট করার কারণ না হয়।

So, a straight 4.00 CGPA doesn’t give you the right to look down on others. Academic excellence deserves respect, but so do hard work, responsibility, leadership, and personal growth. If your achievement makes you arrogant, perhaps you haven’t learned the most important lesson yet.

©️ ATIK vai

08/10/2026

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় রুয়েটের ১৫ শিক্ষক-গবেষক

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ১৫ জন শিক্ষক-গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা 'এলসেভিয়ার' এর প্রকাশিত ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি তালিকায় তাদের নাম উঠে এসেছে। জানা যায় এবছর বাংলাদেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক তালিকাটিতে জায়গা পেয়েছেন।

প্রকাশিত তালিকায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে রুয়েটের অবস্থান ৫ম। এলসেভিয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গবেষক তালিকায় রুয়েট সংশ্লিষ্টদের কয়েকজন বর্তমানে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। তালিকায় স্থান পাওয়া গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহ-লেখকদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তালিকাভুক্ত রুয়েটের ১৫জন হলেন: মোঃ ফাইসাল রহমান বাদল, সজল কুমার দাস, মো. আহসান হাবিব, ড. মো. আল মেহেদী হাসান, মো. রবিউল হাসান, মোহাম্মদ উজ্জল হোসেন জোয়ার্দ্দার, আবদুল্লাহ আল কাফি, আবদুল খালেক, মো. গোলাম কিবরিয়া, মো. আসলাম মোল্লা, মনজুর মোরশেদ, মো. নাহিদুজ্জামান, মো. মাসুদ রানা ও তুষার কান্তি রায়।

তাদের মধ্যে মো. নাহিদুজ্জামান অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়, আবদুল্লাহ আল কাফি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিন, মো. মাসুদ রানা ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, . মো. আল মেহেদী হাসান জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এবং তুষার কান্তি রায় অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বলে জানা যায়। অন্যদিকে বাকিদের অনেকেই রুয়েটে অবস্থান করছেন বলে জানা যায়।

গবেষণার ক্ষেত্রের দিক থেকে রুয়েটের এসব গবেষকদের কাজ বেশ বৈচিত্র্যময়। তারা নবায়নযোগ্য শক্তি, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, রোবোটিকস, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, যোগাযোগপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য বিশ্লেষণ, ন্যানোপ্রযুক্তি এবং সামাজিক বিজ্ঞানের পরিসংখ্যান ভিত্তিক বিষয়ে কাজ করছেন।

মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. সজল কুমার দাস কাজ করছেন রোবোটিকস, অরৈখিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং মেকাট্রনিকসের বিভিন্ন প্রয়োগ নিয়ে। এসব ক্ষেত্রে যন্ত্র ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়ানো এবং নিয়ন্ত্রণপ্রযুক্তির উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা কেন্দ্রিক গবেষণায় রয়েছেন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা।

রুয়েট কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আল মেহেদী হাসানের (বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন) গবেষণার ক্ষেত্রসমূহ মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, বায়োইনফরমেটিক্স, হেলথ ইনফরমেটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, মেডিকেল ইমেজ প্রসেসিং এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও নিরাপত্তা।

ড. মো. মাসুদ রানা গবেষণার ক্ষেত্রে সংকেত প্রক্রিয়াকরণ, স্মার্ট গ্রিড ও নবায়নযোগ্য শক্তির নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছেন। যোগাযোগ প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্সের ক্ষেত্রেও রুয়েটের গবেষকদের কাজ রয়েছে। ড. মো. নাহিদুজ্জামানের গবেষণার বিষয় বেতার যোগাযোগ, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ও সংকেত প্রক্রিয়াকরণ। ড. মো. রবিউল হাসান কাজ করেন অপটিক্যাল ফাইবার যোগাযোগ ও ফটোনিকস নিয়ে। তুষার কান্তি রায়ের গবেষণার ক্ষেত্র বেতার নেটওয়ার্ক এবং পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের (৫জি ও ৬জি) যোগাযোগ ব্যবস্থা।

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে ড. আবদুল্লাহ আল কাফির গবেষণার বিষয় কম্পিউটার বিজ্ঞান, তথ্য বিশ্লেষণ এবং যন্ত্রশিক্ষার প্রয়োগ। অন্যদিকে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানেও গবেষণা করছেন রুয়েটের শিক্ষকরা। ড. মো. আহসান হাবিবের গবেষণার ক্ষেত্র ফলিত অর্থনীতি এবং সামাজিক বিজ্ঞানের পরিসংখ্যানভিত্তিক গবেষণা।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার ভিত্তিতে বাংলাদেশ থেকে ৩৪৭ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ২৮৬। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তালিকায় বাংলাদেশের গবেষকের সংখ্যা বেড়েছে ৬১ জন বা ২১ দশমিক ৩ শতাংশ। গবেষকের সংখ্যার হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম, যা আগের বছরের তুলনায় এক ধাপ এগিয়েছে।

একই সময়ে তালিকায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়েছে। ২০২৫ সালে ৭৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে গবেষকেরা তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন। ২০২৬ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮টিতে অর্থাৎ এক বছরে বৃদ্ধি ১৪টি (১৮ দশমিক ৯ শতাংশ)।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তালিকায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক তালিকায় স্থান পেয়েছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশে (আইসিডিডিআর,বি) রয়েছেন ২০ জন গবেষক। তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চতুর্থ অবস্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়—উভয় প্রতিষ্ঠানের ১৬ জন করে গবেষক তালিকায় রয়েছেন। পঞ্চম অবস্থানে যৌথভাবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এবং রুয়েটের ১৫ জন করে গবেষক স্থান পেয়েছেন।

এছাড়াও ষষ্ঠ অবস্থানে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন গবেষক রয়েছেন। শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন করে এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েরও ১০ জন গবেষক তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

বিশ্বসেরা গবেষকদের এ তালিকায় রুয়েটের বিজ্ঞানীদের অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক পরিচিতি তুলে ধরছে। জ্বালানি, প্রকৌশল, যোগাযোগপ্রযুক্তি, কম্পিউটারবিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের গবেষণা দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।

BAETE অ্যাক্রিডিটেশন তালিকায় রুয়েটের যন্ত্রকৌশল, এমটিই ও ইটিই বিভাগ~RUET Reporters Unity
06/10/2026

BAETE অ্যাক্রিডিটেশন তালিকায় রুয়েটের যন্ত্রকৌশল, এমটিই ও ইটিই বিভাগ

~RUET Reporters Unity

🏆 A proud moment for RAPL!Congratulations to Adnan Zawad Toky Vai, our proud alumnus, for securing 11th place globally a...
04/10/2026

🏆 A proud moment for RAPL!
Congratulations to Adnan Zawad Toky Vai, our proud alumnus, for securing 11th place globally and winning the Second Prize (€3,000) at the ICPC 2026 Online Challenge 1, powered by Huawei! 🎉

Wishing him many more achievements ahead! 🚀

এদেশে যুক্তি দিয়ে কোনো লাভ নেই। মুখে মেরে কাজ হবেনা। মারতে হবে হাতে, মারতে হবে ভাতে, মারতে হবে পানিতে,রিটের পর রিট চালা...
04/10/2026

এদেশে যুক্তি দিয়ে কোনো লাভ নেই। মুখে মেরে কাজ হবেনা। মারতে হবে হাতে, মারতে হবে ভাতে, মারতে হবে পানিতে,রিটের পর রিট চালাতে হবে। ওদের মতোই ওদেরকে মারতে হবে,অল আউট অ্যাকশনে যেতে হবে,সকলে এগিয়ে আসুন। আপনার সামান্য ডোনেশনও হতে পারে ওদের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার মোক্ষম হাতিয়ার।

নবম গ্রেড সহকারী প্রকৌশলী পদের সার্কুলারটা ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যাবে, এই পদটি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে সাথে ডিপ্লোম...
30/09/2026

নবম গ্রেড সহকারী প্রকৌশলী পদের সার্কুলারটা ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যাবে, এই পদটি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে সাথে ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের জন্যও ওপেন রাখা হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে যে, ডিপ্লোমা সনদের সাথে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে, সহকারী প্রকৌশলী পদে এক্সামে বসতে পারবে। এরকম নজিরবিহীন ঘটনা দুনিয়াতে আরো আছে কিনা জানা নেই।

একজন ডিপ্লোমা লেবার-টেকনিশিয়ান, যার কিনা অনার্স সার্টিফিকেট পর্যন্ত নেই, সে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশের স্বনামধন্য ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি ও ইনস্টিটিউটগুলোর বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের সমমান মর্যাদা পেয়ে যাচ্ছে, এর থেকে হাস্যকর বিষয় আর হতে পারে না! জিনিসটা এমন যে, একটা মেট্রিক পাশ ফার্মেসির দোকানদার পাঁচ বছর দোকানদারি করলে, তাকে ডিরেক্ট মেডিকেল সার্জনের সমমান হিসেবে কাউন্ট করা হচ্ছে! এরকম মূর্খ অশিক্ষিত ডিপ্লোমা লেবাররা কিভাবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় ইঞ্জিনিয়ারের সমমান মর্যাদা পায়?

আবার পেট্রোবাংলার প্রশাসনের সেই কর্তা-ব্যক্তিরা ১০ম গ্রেড ইঞ্জিনিয়ার পোস্ট ❝উপ-সহকারী প্রকৌশলী❞-এর ১৫০টি পদে ১০০% ডিপ্লোমা কোটা দিয়ে রেখেছে। মানে কি? একটা ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ান যদি অভিজ্ঞতা দিয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারের সমমান মর্যাদা পায়, তাহলে একজন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার ১০ম গ্রেডে কেনো এপ্লাই করতে পারবে না? দেশটা কি মগের মুল্লুক নাকি?

আবার সেই ডিপ্লোমা লেবাররা ৫ বছর উপসহকারী প্রকৌশলী পদে জব করলে, অটোমেটিক সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি পাবে। মানে দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরটা এক প্রকার অলিখিতভাবে তাদের কাছে বর্গা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তাহলে দিনশেষে যেটা দাঁড়ালো -
১. ডিপ্লোমারা অভিজ্ঞতা দিয়ে সহকারী প্রকৌশলী পদে আবেদন করতে পারবে।
২. ১০০% কোটা দিয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী পদেও আবেদন করতে পারবে।
৩. আবার উপসহকারী প্রকৌশলী পদে ঢুকে ৪ বছর পর বিনা পরীক্ষায় অটোমেটিক সহকারী প্রকৌশলী হয়ে যাবে।

আর বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা শুধু সহকারী প্রকৌশলী পদের কিছু অংশে আবেদন করতে পারবে। ম্যাক্সিমাম অংশ ঐ লুটেরা ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের দখলে। তাহলে এই ইঞ্জিনিয়াররা কোথায় যাবে? ব্যাংক, বিসিএস? আরে এগুলোর জন্য রাষ্ট্র তাদের পিছনে এত এত টাকা খরচ করছে? ফাজলামো নাকি?

Md. Sakibul Haque Lipu

27/09/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন

CSE -21 সিরিজের শিক্ষার্থী রাফিদ ভাই আজ সকাল ১১ টায় মহান আল্লাহর আদেশে পরকালের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে।

ভাইয়ের প্রাথমিক জানাজা খিলাগাও, চৌরাস্তার মোড় , জনতা ফার্মেস্যার গলি তে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হবে।

জানাজার সময় আলোচনা সাপেক্ষে জানানো হবে, ইনশাআল্লাহ

Address

Rajshahi

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engineer's Diary, RUET posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Engineer's Diary, RUET:

Shortcuts

Share