06/06/2026
নেসকোতে স্নাতক প্রকৌশলীদের নিয়ে ডিপ্লোমাদের মিথ্যাচার বনাম স্বয়ং ডিপ্লোমাধারীদের নেতার বাস্তবতাঃ
১। গত ২৫/০৮/২০২৫ খ্রি. তারিখে নেসকো এর সহকারী প্রকৌশলী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি এর নেতা এম. এস. সরোয়ার জাহান সাঈদী প্রায় ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে সহকারী প্রকৌশলী বুয়েটিয়ান রোকনুজ্জামানকে হত্যার হুমকি প্রদান করেন এবং ৩০-৪০ মিনিট যাবত অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে সমস্ত বিএসসি প্রকৌশলীগণকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেন। এর প্রেক্ষিতে নেসকো কর্তৃপক্ষ তদন্তপূর্বক বিভাগীয় মামলা রুজু করে। বর্তমানে, উক্ত সাঈদী তার নামে রুজু হওয়া বিভাগীয় মামলা অপসারণে চাপ প্রয়োগ করছেন এবং বিভিন্নভাবে দেশব্যাপী জনমত সৃষ্টিতে উস্কানি প্রদান করছেন। উল্লেখ্য যে, এম. এস. সরোয়ার জাহান সাঈদীর নামে আদালতে এন.জি.আর ক্রিমিনাল মামলা (মামলা নংঃ ১২৪/২৫) চলমান আছে।
২। অভিযোগ রয়েছে যে, সাঈদী তার চাকরির শুরু থেকেই অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের সাথে জড়িত।
৩। তার অনেক কর্মস্থলে লাখ লাখ টাকা ধার নিয়ে তা পরিশোধ না করার অভিযোগ রয়েছে।
৪। তার কর্মস্থল উপজেলা/জেলার অনেক দোকানে হাজার হাজার টাকার বাকি খেয়ে তা পরিশোধ না করার অনেক অভিযোগ রয়েছে।
৫। নেসকো এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), নির্বাহী পরিচালক (ইডি), চীফ প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সেন), উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সহ অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে গালাগালি, অপমান, হুমকি, আটকিয়ে রাখা, ব্ল্যাকমেইল সহ বিভিন্ন অভিযোগ তার নামে রয়েছে,এমনকি সেগুলোর ভিডিও ফুটেজও আছে।
৬। শত শত গ্রাহকের কাছ থেকে নতুন সংযোগ প্রদান এবং ইউনিট চুরির বাবদ লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে তার নামে।
৭। ২০২০ সালে বিভাগীয় মামলা চলমান ও শাস্তি প্রাপ্ত অবস্থায় জোর করে ক্ষমতা প্রদর্শন করে পদোন্নতি আদায় এর অভিযোগ রয়েছে।
৮। বিনা অনুমতিতে নেসকো এর কর্মস্থলে ৩২ দিন অনুপস্থিতি থাকার প্রমাণ মিলেছে এই এম.এস. সরোয়ার জাহান সাঈদীর বিরুদ্ধে।
৯। ২০১৯ সালের ২৫শে আগস্ট তারিখে নেসকো কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি অফিস আদেশ (স্মারক নং- ২৭.২৯.০০০০.০১১.৩৬.৩৫১.১৯) মোতাবেক, ডোমার এলাকার গ্রাহকদের হয়রানি, অতিরিক্ত বিল দাবি ও ভৌতিক বিল সংক্রান্ত ১৩৪টি অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এম. এস. সরোয়ার জাহান সাঈদীর একটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি এক বছরের জন্য স্থায়ীভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা সত্ত্বেও তার অসদাচরণ অব্যাহত রয়েছে।
১০। তৎকালীন আওয়ামীলীগের হয়ে নির্বাচনী কাজের জন্য ১৮ দিনের ছুটির আবেদন করেছিল এম. এস. সরোয়ার জাহান সাঈদী।আবেদনের চিঠি এখনও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আছে।
১১। বর্তমানে ডিপ্লোমারা রুয়েটিয়ানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে,তাদের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ঘাড় ধরে বের করে দিতে চাচ্ছে,এবং সব নিয়োগ পরীক্ষা আটকে নিজেদের প্রমোশন আদায়ের চেষ্টা করছে।
বর্তমানে পদোন্নতির জন্য তাদের এসব অসদাচরণজনিত ইস্যু ধামাচাপা দিতে ডিপ্লোমাধারীরা অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত রুয়েট ও বুয়েটে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুনামকে খর্ব করাসহ মিথ্যা মামলা,মিথ্যা অভিযোগ সামনে নিয়ে আসছেন। রুয়েট প্রশাসন,জনপ্রশাসন ও দুদককে বৃহৎ ও দেশের স্বার্থে উপর্যুক্ত বিষয়গুলো নিয়ে অধিকতর তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।