রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী

রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী বাংলাদেশের সেরা কলেজ......

আন্তর্জাতিক চিত্রকলা প্রদর্শনীতে - রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থীর স্থান লাভ করায় অভিনন্দন ও শুভকামনা...
19/05/2026

আন্তর্জাতিক চিত্রকলা প্রদর্শনীতে - রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থীর স্থান লাভ করায় অভিনন্দন ও শুভকামনা...

15/05/2026

“জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বুয়েট”

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পড়ে বুয়েটে যে রেগুলার মাস্টার্স করার সুযোগ আছে এ বিষয়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী অবগত নয় । আমিও জানতাম না কিন্তু অনার্স ২য় বর্ষে পড়াকালীন একটা ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারি, আশুতোষ নাথ নামের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে অনার্স শেষ করা এক ভাই যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ম্যাসাচুসেটস এ ফুল্ড ফান্ড পিএইচডি অফার পেয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে তখন জাতীয় দৈনিক, মিডিয়া, স্যোশাল মিডিয়ায় সাড়া পড়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে অনার্স পড়েছেন সত্য, কিন্তু তিনি বুয়েট থেকে রসায়নে মাস্টার্স করেছেন !!

বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, কেবল রসায়ন নয়, অন্যান্য ইন্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোর সাথে বুয়েটে গণিত, রসায়ন, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে রেগুলার মাস্টার্স করার সুযোগ রয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যন্ত হতাশ ও বিধ্বস্ত মানুষিক অবস্থার মধ্যে যেন একটু আশার আলো দেখতে পেলাম। এর পর একটু একটু করে তথ্য সংগ্রহ করে এবং প্রস্তুতি নিয়ে মহান রবের অশেষ মেহেরবানীতে বুয়েটে রেগুলার মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি।

অনেকদিন থেকেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া অনুজদের জন্য দিকনির্দেশনা মূলক কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু নানা ব্যস্ততায় সে সময় হয়ে উঠেনি। এখন সেমিস্টার শেষে লিখতে বসলাম। যাদের ভবিষ্যতে বিদেশে উচ্চশিক্ষার ইচ্ছা ও স্বপ্ন আছে তাদের জন্য ভালো মানের রিসার্চ অভিজ্ঞতা অর্জন করে বিদেশে স্কলারশিপ ম্যানেজ করার মতো প্রোফাইল রেডি করার জন্য বাংলাদেশে এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর নেই।

বুয়েটের মাস্টার্স প্রোগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, মাস্টার্স থিসিস। এখানে থিসিস ম্যান্ডেটরি।
বুয়েটে মাস্টার্স প্রোগ্রাম টোটাল ৩৬ ক্রেডিট । এর ১৮ ক্রেডিট কোর্সওয়ার্ক , বাকি ১৮ ক্রেডিট থিসিস। এখানে থিসিসে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। থিসিস সম্পর্কে যাদের খুব বেশি ধারনা নেই তাদের বোঝার সুবিধার্থে এটাকে আমরা রিসার্চ হিসেবে ধরে নিতে পারি। খুবই ভালো মানের থিসিস এখানে হয়, এবং পরিশ্রমী, ডেডিকেটেড সকলেরই একাধিক রিসার্চ পেপার আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়। ভবিষ্যতে বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এই রিসার্চ পেপারগুলো, এডমিশন এবং ফান্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বুয়েটে মাস্টার্স রিলেটেড বেসিক কিছু তথ্য আমি এখানে দিচ্ছি
১. উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাস্টার্স প্রোগ্রাম রেগুলার প্রোগ্রাম কিনা?
=> জ্বি। উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাস্টার্স সম্পূর্ণ রেগুলার মাস্টার্স প্রোগ্রাম।

২.ভর্তির প্রক্রিয়া কী?
=> বুয়েট পোস্ট গ্রাজুয়েশন এডমিশনে গণিত বিভাগে ১০০ মার্কস এর ভর্তি পরীক্ষা নেয়। অনার্সের রেজাল্টের উপর ৫০ মার্কস এবং রিটের পরীক্ষার ১০০, মোট ১৫০ মার্কস এর উপর মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হয়।

৩. প্রতি সেমিস্টারে সাধারণত কতজন নিয়ে থাকে?
=> তুলনামূলক কম সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়। এজন্য এটি খুবই কম্পিটিটিভ । এমএসসি তে প্রতি সেশনে সাধারণত ২২-২৫ জন, এমফিলে ১০ - ১২ জন, পিএইচডিতে ৮ - ১০ জন নেওয়া হয়।

৪.বুয়েটে পোস্ট গ্রাজুয়েশনে কি শুধু এমএসসি করা যায়?
=> বুয়েট পোস্ট গ্রাজুয়েশনে এমএসসি /এমফিল/পিএইচডি/পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিপ্লোমা সহ বেশ কিছু ডিগ্রি অফার করে। একই প্রশ্নে ভর্তি পরীক্ষা হয়।

৫.পরবর্তী সার্কুলার কবে হবে?
=> এ বছরের অক্টোবর কিংবা আগামী এপ্রিলে সার্কুলার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৬.ভর্তির জন্য নুন্যতম সিজিপিএ কতো থাকতে হবে?
=> ২.৫০/৪ থাকলেই আবেদন করতে পারবেন তবে ডিপার্টমেন্ট থেকে সর্ট লিস্ট করে রিটেন পরীক্ষার জন্য তালিকা প্রকাশ করে। সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেই রিটেন পরীক্ষার জন্য শর্টলিস্টেড হওয়া যায়।

৭.এমএসসি করতে কত বছর লাগে?
=> এমএসসি ১.৫ বছরের কোর্স। যত তাড়াতাড়ি থিসিস শেষ হবে তত তাড়াতাড়ি ডিগ্রি পাওয়া যাবে। বেশিরভাগই ২ বছর লেগে যায়, তবে সিরিয়াস থাকলে এর আগেও সম্ভব, থিসিসের কাজে অবহেলা করলে এর চেয়ে বেশিও লাগতে পারে।

১০.এমএসসির খরচ, হল সুবিধা,বিদেশে উচ্চ শিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ সম্পর্কেঃ
প্রথমে আসি খরচঃ
১ম সেমিস্টারে, ভর্তি ফি কোর্স রেজিষ্ট্রেশন ফি সহ সব খরচ মিলিয়ে দিতে হবে ৩২৩৭ টাকা
২য় সেমিস্টারে, কোর্স রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ মোট দিতে হবে ১৭৩৭টাকা
৩য় সেমেস্টারে ,কোর্স রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ ১৭৩৭ টাকা
মোট খরচঃ ৬৭১১টাকা
যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর কোন সরকারি কলেজ বা দেশের যে কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কম।
হল সুবিধা:
বুয়েটে "ফুলটাইম স্টুডেন্ট" হলে রেজাল্টের ভিত্তিতে আপনি হলে থাকার সুযোগ পাবেন। রেজাল্ট কিছুটা কম হলেও ২য় সেমিস্টার পর্যন্ত প্রায় সকলেই হল পেয়ে যায়। আমি প্রথম সেমিস্টার থেকেই আল্লাহ রহমতে হল পেয়েছি।

বুয়েটে পড়াকালীন বিভিন্ন আর্থিক সুবিধাসমূহ:
১. রিসার্চ ফেলোশিপঃ-
এমএসসি, এমফিল, পিএইচডি তে বুয়েটে প্রথম সেমিস্টারের রেজাল্টের ভিত্তিতে ফেলোশিপ দেয়া হয়।
ফেলোশিপ কি সহজ কথায় বলি,আপনি বুয়েটে গবেষণা করবেন যার জন্য বুয়েট প্রতি মাসে আপনাকে এমএসসির এমফিলের জন্য ৩০,০০০/- এবং পিএইচডি এর জন্য ৪৫০০০/ করে ভাতা প্রদান করা হবে।

২.টিচিং এসিস্ট্যান্টঃ
বুয়েটের প্রথম সেমিস্টারের ফলাফলের ভিত্তিতে ১৩-১৫ জনকে টিচিং এসিস্ট্যান্টশিপ দেওয়া হয়। যা একজন ৯ম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তার ব্যাসিকের সমপরিমান, ২২০০০ টাকা।
টিচিং এসিস্ট্যান্ট সহজ কথায় বললে আন্ডারগ্যাডের এক্সাম ডিউটি, খাতা দেখা, রেজাল্ট শিট তেরি এবং ডিপার্টমেন্টের রিলেটেড আরো কিছু কাজ করতে হয় সাধারণত। টিএশিপের সার্টিফিকেট খুবই ভ্যালু এড করে ওভারওল প্রোফাইল। বিদেশের মাস্টার্স, পিএইচডিতে ফান্ডিংগুলো বেশিরভাগ টিএশিপের মাধ্যমে হয়।

৩.রিসার্স এসিস্ট্যান্টঃ-
কোনো প্রফেসরের রিসার্চ প্রজেক্ট রিসার্স এসিস্ট্যান্টশিপ হিসেবে কাজ করলে রিসার্স ফান্ড থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট হারে স্যালারি দেওয়া হয়।

আরো কিছু জানার থাকলে পেইজের প্রিভিয়াস পোস্টগুলো দেখতে পারেন, সেখানে সিলেবাস সহ প্রয়োজনীয় গাইডলাইন দেওয়া আছে‌ ।

মহিন উদ্দিন
বি.এস.সি , গণিত ( জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় )
এমএসসি স্টুডেন্ট, এপ্রিল-২৪ সেশন
টিচিং এসিস্ট্যান্ট (TA)
গণিত বিভাগ (বুয়েট)...

২.৪৪ জিপিএ থেকেও থামেনি যাত্রা—ফুল ফান্ডেড পিএইচডি শেষে আজ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর! সবাই ভেবেছিল এসএসসিতে এ প্লাস পাবেন।...
14/05/2026

২.৪৪ জিপিএ থেকেও থামেনি যাত্রা—ফুল ফান্ডেড পিএইচডি শেষে আজ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর!

সবাই ভেবেছিল এসএসসিতে এ প্লাস পাবেন। কিন্তু ফলাফল এলো ৪.৬৩। এক মুহূর্তেই আনন্দের পরিবেশ নীরব হয়ে যায়। পরিবার হতাশ হয়ে পড়ে। আত্ম বিশ্বাসেও যেন ধাক্কা লাগে। কিন্তু সেই ব্যর্থতাকেই পরবর্তীতে নিজের সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত করেছেন।

এইচএসসি জীবনে শুরু হয় অমানুষিক পরিশ্রম। এমন রুটিন তৈরি করেছিলেন যে দুপুরে ঘুমালেও ঠিক ৩টা ১৫ মিনিটে ঘুম ভেঙে যেত অ্যালার্ম ছাড়াই। মেসে থাকার পুরো সময়ে এমন কোনো দিন ছিল না যেদিন পড়াশোনা করেননি। ছুটির দিনে গ্রামে চলে যেতেন পরিবার থেকে মানসিক শক্তি নিয়ে আবার ফিরে আসতেন পড়াশোনার যুদ্ধে।

এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের দিন তিনি জীবনের প্রথম জিপিএ ফাইভ পান। এরপর শুরু হয় বুয়েটে ভর্তি হওয়ার স্বপ্নের লড়াই। সাধারণ মেসের খাবার, সীমিত জীবনযাপন কিন্তু লক্ষ্য একটাই, যেভাবেই হোক বুয়েটে চান্স পেতে হবে। ফলাফল প্রকাশের পর কাউকে কিছু না বলে বগুড়া শহরে গিয়ে নিজের রেজাল্ট দেখেন। স্ক্রিনে ভেসে ওঠে মেরিট পজিশন ২২৮।

৪.৬৩ পাওয়া সেই ছেলেটিই বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেলেন। কিন্তু বুয়েটে গিয়ে জীবন সহজ হয়নি। প্রথম টার্ম শেষ হওয়ার আগেই জিপিএ নেমে আসে ২.৯৪ এ। দ্বিতীয় টার্মে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যায় বেশিরভাগ বিষয়ে সি আর ডি গ্রেড।

ফলাফল হাতে নিয়ে সুপারভাইজারের সামনে দাঁড়ালে তিনি শুধু বলেছিলেন জিপিএ ২.৪৪? পরের টার্মে যেন মাথা উঁচু দেখি। এই একটি বাক্যই যেন নতুন করে বদলে দেয় তাকে। পরের টার্মেই জিপিএ উঠে আসে ৩.৪২ এ। একবারে ২.৪৪ থেকে ৩.৪২।

ক্লাসের ব্যাকবেঞ্চার। সিজিপিএ ৩।এর নিচে। তারপরও চতুর্থ বর্ষে এসে সিদ্ধান্ত নিলেন দেশের বাইরে মাস্টার্স বা পিএইচডি করবেন। ইন্টারনেটে খুঁজে দেখলেন বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যূনতম ৩.০০ সিজিপিএ প্রয়োজন। তাই শেষ বর্ষে মরিয়া হয়ে চেষ্টা শুরু করলেন। শেষ টার্মে ৩.৩৮ জিপিএ পেয়ে শেষ পর্যন্ত ৩.০২ সিজিপিএ নিয়ে বুয়েট থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন।

এরপর জিআরই ও আইইএলটিএসের প্রস্তুতির জন্য চাকরিতে যোগ দেননি। কিন্তু প্রথমবারের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। জিআরইতে স্কোর আসে ১০৬০/১৬০০ এবং আইইএলটিএসে ৫.৫। তবুও থেমে যাননি।

চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর অফিসে যাওয়া আসার সময় রিকশায় বসেই জিআরই শব্দ মুখস্থ করতেন। এক বছর দুই মাস পর আবার পরীক্ষা দিলেন। এবার জিআরই স্কোরএলো ১৩৬০/১৬০০ আরআইএলটিএস এ পেলেন ৬.৫। সিজিপিএ ৩.০২, জিআরই ১৩৬০, আইইএলটিএস ৬.৫, কোনো পাবলিকেশন নেই এই প্রোফাইল নিয়ে ফুল ফান্ডিং পাওয়া কঠিন ছিল, কিন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন অসম্ভব নয়। তাই চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকলেন।

বিভিন্ন দেশের প্রায় ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ৫টি থেকে সরাসরি রিজেকশন আসে। পরবর্তীতে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা অ্যাট বার্মিংহাম থেকে ফান্ডিং মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।

মাস্টার্স শেষ করার পর তিনি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, রিভারসাইড থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি সান মার্কোসএ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন।

ড. লুতফর রহমানের বাবা-মা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ পাননি। কিন্তু সন্তানদের জন্য সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাই তিনি নিজের পিএইচডি থিসিস উৎসর্গ করেছেন তার বাবা-মাকে।

এই গল্পটা শুধু একজন মানুষের সাফল্যের গল্প নয়। এটি প্রমাণ করে একটি খারাপ ফলাফল, কম সিজিপিএ কিংবা বারবার রিজেকশন কখনও একজন মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না।

03/05/2026
 -2026 Exam Routine has been published. The exam will be started on 2 July, 2026.
22/04/2026

-2026 Exam Routine has been published. The exam will be started on 2 July, 2026.

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (IIT), মুম্বাই এর প্রফেসর অভিজিৎ মজুমদার তাঁর সাবজেক্ট এর পরীক্ষায় ছাত্রদের একটা সুযোগ...
22/04/2026

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (IIT), মুম্বাই এর প্রফেসর অভিজিৎ মজুমদার তাঁর সাবজেক্ট এর পরীক্ষায় ছাত্রদের একটা সুযোগ দিয়েছিলেন-

ছাত্ররা A4 সাইজের কাগজের এক পৃষ্ঠায় বিভিন্ন সূত্র লিখে নিয়ে আসতে পারবে।

বাকিটা ইতিহাস 😀

প্রিয় রাজশাহীবাসী..📣শিক্ষানগরী রাজশাহীতে ৫ দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে ৬ষ্ঠ "রাজশাহী বইমেলা ২০২৬"◾তারিখ: ১৪ এপ্রিল হতে ১৮ ...
05/04/2026

প্রিয় রাজশাহীবাসী..📣

শিক্ষানগরী রাজশাহীতে ৫ দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে ৬ষ্ঠ "রাজশাহী বইমেলা ২০২৬"

◾তারিখ: ১৪ এপ্রিল হতে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ইং
◾স্থান: রাজশাহী কলেজ গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণ, রাজশাহী

◾আয়োজনে:
★ সূর্যকিরণ সমাজকল্যাণ সংস্থা
★ রাজশাহী কলেজ ★ বঙ্গ বচন

#রাজশাহী_বইমেলা

যাদের IBA থেকে MBA করার ইচ্ছে আছে তাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ।MBA(Evening) Program from IBA-RUBatch: 25th Application Deadli...
04/04/2026

যাদের IBA থেকে MBA করার ইচ্ছে আছে তাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ।
MBA(Evening) Program from IBA-RU
Batch: 25th
Application Deadline: April 08, 2026
For more details:

# Better Performance এর জন্য Google Chrome ব্রাউজার ব্যবহার করুন। Mozilla Firefox ব্রাউজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে Print Option এ গিয়ে Margins None করে দিন, এরপর Print ক.....

রাজশাহী কলেজ আবারও দেশসেরা:-------------------------গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক রাজশাহী কলে...
20/01/2026

রাজশাহী কলেজ আবারও দেশসেরা:
-------------------------
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক রাজশাহী কলেজকে আবারও জাতীয়ভাবে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
অভিনন্দন! সংশ্লিষ্ট সকল সম্মানিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।

রাজশাহী কলেজ কেন সেরা? অন্যতম কয়েকটি বৈশিষ্ট্য :

১. পাক-ভারত উপমহাদেশের অন্যতম সেরা প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধারনকৃত ঐতিহ্য;
২. ১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই কলেজে যাঁরা অধ্যক্ষ ও শিক্ষক ছিলেন তাঁদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ অবদানের ধারাবাহিকতা;
৩. অতীত ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে বর্তমান প্রশাসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, অ্যালামনাস ও সুধীজনের ইতিবাচক মনোভাব;
৪. জাতীয়ভাবে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষক এখানে কর্মরত যার মধ্যে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি ;
৫. উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো রাজশাহী কলেজ extra-curricular activities কে অপরিহার্যভাবে বাস্তবায়ন করে;
৬. বিশ্বের ২% scientists দের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞানী শিক্ষকও এখানে কর্মরত আছেন এবং এখানে সেই মানের সেমিনারও আয়োজিত হয়ে থাকে;
৭. বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে রাজশাহী কলেজের অবকাঠামো ও একাডেমিক সুবিধা বেশি।
৮. উন্নত বিশ্বে যেমন বিশ্বিবদ্যালয় ও শিল্পসেক্টরের সাথে collaboration থাকে রাজশাহী কলেজও তেমনি collaboration এর আওতায় নিয়মিত জবফেয়ারের আয়োজন করে থাকে।
---------------
রাজশাহী কলেজ এগিয়ে যাক তার ঐতিহ্য ধারণ করে।

Copied From: DMSIRAJ SIR FB POST

08/10/2025

পাখির চোখে স্বপ্নের রাজশাহী কলেজ

Address

Shaheb Bazar
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share