সকল চাকরির প্রশ্ন পত্রের সমাধান

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • সকল চাকরির প্রশ্ন পত্রের সমাধান

সকল চাকরির প্রশ্ন পত্রের সমাধান সকল চাকরির পরিক্ষার প্রশ্ন প্রত্রের ? সকল চাকরি প্রশ্ন প্রত্রের সমাধান

02/01/2025
21/04/2023

Hi

23/12/2022

📒 "সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)"

📒 প্রশ্নঃ সাহাবী কাকে বলে?

🔲 উত্তরঃ যাঁরা ঈমানের সাথে নবী (সাঃ) এর সাথে সাক্ষাত লাভ করেছেন এবং ঈমানের উপর অটল থেকে মৃত্যু বরণ করেছেন তাঁদেরকে বলা হয় সাহাবী।

📒 প্রশ্নঃ জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবী কে কে?

🔲 উত্তরঃ

(১) আবু বকর (রাঃ)

(২) ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

(৩) ঊছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)

(৪) আলী বিন আবী তালেব (রাঃ)

(৫) আবদুর রহমান বিন আউফ (রাঃ)

(৬) সাঈদ বিন যায়েদ (রাঃ)

(৭) সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)

(৮) আবু উবাইদা ইবনুল জার্‌রাহ (রাঃ)

(৯) ত্বলহা বিন উবাইদুল্লাহ (রাঃ)

(১০) যুবাইর বিন আওয়াম (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ ইসলামের চার খলীফার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ

১) আবু বকর (রাঃ)

২) ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

৩) উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)

৪) আলী বিন আবী তালেব (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাঃ) বলেন, আমার পরে নবী এলে তিনি হতেন? কিন্তু আমার পর কোন নবী নেই।

🔲 উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হয় যুন্‌নূরাইন?

🔲 উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কেন উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)কে যুন্‌নূরাইন বলা হত।

🔲 উত্তরঃ এজন্যে যে তিনি নবী (সাঃ)এর দুকন্যাকে বিবাহ করেছিলেন। (প্রথমে যায়নাব, তাঁর মৃত্যুর পর উম্মে কুলছুম রাঃকে বিবাহ করেছিলেন)

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধী ছিল আবু তুরাব।

🔲 উত্তরঃ আলী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন্‌ সাহাবীকে দেখলে ফেরেশতারা লজ্জিত হতেন?

🔲 উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)। তিনি ছিলেন খুবই লাজুক।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর ঈমানের সাথে সমস্ত মানুষের ঈমান ওযন করলে তাঁর ঈমানের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে?

🔲 উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ আবু বকর (রাঃ) এর প্রকৃত নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন উছমান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর দশ বছর খিদমত করেন?

🔲 উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত জীবন্ত শহীদ?

🔲 উত্তরঃ ত্বলহা বিন উবাইদুল্লাহ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত উড়ন্ত শহীদ?

🔲 উত্তরঃ জাফার বিন আবী তালেব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ ফেরেশ্‌তাগণ কোন সাহাবীর গোসল দিয়েছিলেন?

🔲 উত্তরঃ হানযালা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর তরবারী?

🔲 উত্তরঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ কোন্‌ যুদ্ধে নয়টি তরবারী ভেঙ্গেছিলেন?

🔲 উত্তরঃ মূতার যুদ্ধে।

📒 প্রশ্নঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ কোন যুদ্ধে সাইফুল্লাহ উপাধী লাভ করেছিলেন?

🔲 উত্তরঃ মূতার যুদ্ধে।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) গোপন বিষয় জানাতেন?

🔲 উত্তরঃ হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর সময় ফতোয়া দিতেন?

🔲 উত্তরঃ মুআয বিন জাবাল (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল?

🔲 উত্তরঃ সাদ বিন মুআয (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে জান্নাতের আটটি দরজা থেকেই আহবান করা হবে?

🔲 উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে সাইয়্যেদুশ্‌ শোহাদা বলা হয়?

🔲 উত্তরঃ হামযা বিন আবদুল মুত্তালেব (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ হামযা (রাঃ) কোন যুদ্ধে শহীদ হন?

🔲 উত্তরঃ উহুদ যুদ্ধে।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাঃ) ইসলামের প্রথম দূত (শিক্ষক) হিসেবে মদীনায় প্রেরণ করেন?

🔲 উত্তরঃ মুসআব বিন উমাইর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর চাচা এবং দুধ ভাই ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ হামযা বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাঃ) মেরাজে গিয়ে কোন সাহাবীর পায়ের আওয়ায শুনতে পান?

🔲 উত্তরঃ বেলাল বিন রাবাহ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী ইসলামের প্রথম মুআয্‌যিন ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ বেলাল বিন রাবাহ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাঃ) এর কতজন মুআয্‌যিন ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ তিনজন। বেলাল বিন রাবাহ, আবদুল্লাহ বিন উম্মে মাকতূম ও আবু মাহযূরা (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সাহাবীর নিকট থেকে কুরআন তেলাওয়াত শুনেছেন?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সূরা বাকারা তেলাওয়াত করার সময় আসমান থেকে ফেরেশতা নাযিল হয়েছিল?

🔲 উত্তরঃ উসাইদ বিন হুযাইর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে তরজুমানুল কুরআন (কুরআনের অনুবাদক) ও সাইয়্যেদুল মুফাস্‌সিরীন (শ্রে তাফসীরকারক) বলা হত?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুআ করেছিলেন, “হে আল্লাহ তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান কর এবং কুরআনের তাফসীর শিক্ষা দান কর”?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন তিনজন সাহাবী তাবুক যুদ্ধে অংশ নেয়া থেকে বিরত ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ (১) মুরারা বিন রাবীআ (২) কাব বিন মালেক (৩) হিলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী দুআ করলেই আল্লাহ কবূল করতেন?

🔲 উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন সাহাবীর মধ্যে সবশেষে কার মৃত্যু হয়?

🔲 উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর মামা ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাঃ)এর কবি বলা হত?

🔲 উত্তরঃ হাস্‌সান বিন ছাবেত (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (ছাঃ) বলেন, আমার উম্মতের মধ্যে হালাল-হারাম সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞানী।?

🔲 উত্তরঃ মুআয বিন জাবাল (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ বদর যুদ্ধে জনৈক সাহাবীর তরবারী ভেঙ্গে গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাতে একটি ডাল তুলে দেন। ডালটি তরবারির কাজ করে। সাহাবীর নাম কি?

🔲 উত্তরঃ উক্কাশা বিন মেহসান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার ভাই?

🔲 উত্তরঃ আলী বিন আবু তালেব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের পূর্বে ওমরা করার অনুমতি দেন? তিনি প্রকাশ্যে তালবিয়া পড়ে মক্কা প্রবেশ করেন কিন্তু মুশরেকরা বাধা দেয়ার সাহস পায়নি।

🔲 উত্তরঃ ছুমামা বিন আছাল (আঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সেই সৌভাগ্যবান সাহাবী যার ইমামতিতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নামায আদায় করেছেন?

🔲 উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ আবু বকর ব্যতীত আরেকজন সৌভাগ্যবান সাহাবী আছেন যার ইমামতিতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নামায আদায় করেছেন। কে তিনি?

🔲 উত্তরঃ আবদুর রহমান বিন আউফ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী বদর যুদ্ধে নিজ পিতা মুশরিক হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করেন?

🔲 উত্তরঃ আবু উবাইদা ইবনুল জার্‌রাহ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে দুই শহীদের মাতা বলা হয়? তিনি মৃত্যু বরণ করলে রাসূল (সাঃ) নিজের জামা দ্বারা কাফন পরান এবং নিজে তাকে কবরে রাখেন।

🔲 উত্তরঃ ফাতেমা বিনতে আসাদ (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ রাসূল (সাঃ)এর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে কে সর্বপ্রথম মৃত্যু বরণ করেন?

🔲 উত্তরঃ যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর দশ বছর খেদমত করেন?

🔲 উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জন্য নবী (সাঃ) দুআ করেছিলেন, “হে আল্লাহ তার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দাও এবং তাতে বরকত প্রদান কর।”

🔲 উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর ওহী লিখক ছিলেন এবং আত্মীয়তার দিক থেকে তাঁর শ্যালক ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ মুআবিয়া বিন আবু সুফিয়ান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জান্নাতী স্ত্রীকে নবী (সাঃ) জান্নাতে দেখে এসেছেন?

🔲 উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ৬৩ বয়সে মৃত্যু বরণ করেন। সাহাবীদের মধ্যে কে কে এই বয়সে মৃত্যু বরণ করেছিলেন?

🔲 উত্তরঃ আবু বকর, ওমর ও আলী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ একজন মহিলা সাহাবী- দুবার হিজরত করেন, দুই ক্বিবলার দিকে নামায পড়েন, ¯^vgx মারা গেলে নিজে তার গোসল দেন, নবীজীর সাথে বিদায় হজ্জে বের হয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব করেন। তাঁর নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আসমা বিনতে উমাইস (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ উহুদ যুদ্ধে কোন সাহাবীকে তীরন্দাজ বাহীনীর নেতৃত্ব দেয়া হয়?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন জুবাইর আনছারী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী কাদেসিয়ার যুদ্ধে সেনাপতি ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কন্যা যায়নাবের (রাঃ) স্বামী কে ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ আবুল আস বিন রাবী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সেই সাহাবী যিনি রাসূল (সাল্লাল্ল­াহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর দুকন্যা প্রথমে রুকাইয়্যা ও পরে উম্মে কুলছুমের (রাঃ) ¯^vgx ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ মক্কা বিজয়ের দিন নবী (সাল্লাল্ল­াহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কারে হাতে কাবা ঘরের চাবি দিয়েছিলেন?

🔲 উত্তরঃ উছমান বিন ত্বলহা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্ল­াহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তার পদযুগল ক্বিয়ামতের দিবসে উহুদ পাহাড়ের চাইতে অধিক ভারী হবে?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ যে সাহাবী আযান দেয়ার পদ্ধতি শিখেছিলেন তাঁর নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যায়দ ইবনে আব্দে রাব্বেহী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ উম্মতে মুহাম্মাদীর মধ্যে সব চাইতে করুণাশীল ব্যক্তি কে ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন নারী জান্নাত বাসীদের রমনীদের সর্দার?

🔲 উত্তরঃ ফাতিমা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্ল­াহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর চাচা হামযা (রাঃ)কে উহুদ যুদ্ধে শহীদ করেন। পরবর্তিতে তিনি মুসলমান হয়ে যান। কিন্তু তিনি যখনই নবী (সাঃ)এর সম্মুখে আসতেন তিনি বলতেন: তোমাকে দেখলেই চাচা হামযার কথা আমার মনে এসে যায়, তাই তুমি আমার সামনে এসো না। সেই ব্যক্তির নাম কি?

🔲 উত্তরঃ ওয়াহশি (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ জনৈক সাহাবী যাতু সালাসেল যুদ্ধে কারণে নাপাক হয়ে যান। কিন্তু পানি ভীষণ ঠান্ডা হওয়ার কারণে তিনি গোসল না করে তায়াম্মুম করেন এবং দলীল পেশ করেন যে, আল্লাহ বলেনঃ “তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না।” (সূরা নিসাঃ ২৯)। নবী (সাল্লাল্ল­াহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এই ঘটনা শুনে হেঁসেছেন কিন্তু কোন মন্তব্য করেন নি। (আবু দাউদ) উক্ত সাহাবীর নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আমর বিন আস (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে কুরআনের প্রহরী হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে?

🔲 উত্তরঃ হাফসা বিনতে ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন খলীফাকে পঞ্চম খোলাফায়ে রাশেদা বলা হয়?

🔲 উত্তরঃ উমাইয়া খলীফা ওমর বিন আবুদল আযীয (রহঃ)কে।

📒 প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে ইসলামী অভিভাদন সালাম প্রদান করেন?

🔲 উত্তরঃ আবু যর গিফারী (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “প্রত্যেক নবীর একজন বিশেষ সাহায্যকারী থাকে, আমার সাহায্যকারী হচ্ছে..?

🔲 উত্তরঃ যুবাইর বিন আওয়াম (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে খোঁড়া শহীদ বলা হয়?

🔲 উত্তরঃ আমর বিন জামূহ (রাঃ)। কেননা তিনি খোঁড়া অবস্থায় উহুদ যুদ্ধে অংশ নিয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে রাস্তা দিয়ে চলতে দেখলে শয়তান অন্য রাস্তা দিয়ে চলত?

🔲 উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ ওমর (রাঃ)কে ফারূক্ব নামে অভিহিত করার কারণ কি ছিল?

🔲 উত্তরঃ কেননা তাঁর ইসলাম গ্রহণের কারণে প্রকাশ্যে ইসলাম ও কুফরের মাঝে পার্থক্য সুস্পষ্ট হয়ে পড়ে।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, “হারূন যেমন মূসার স্থলাভিষিক্ত ছিলেন, তুমি আমার নিকট সেই রকম মর্যাদা সম্পন্ন, তবে আমার পরে কোন নবী নেই।”

🔲 উত্তরঃ আলী (রাঃ) কে।

📒 প্রশ্নঃ ২০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই কোন সাহাবীকে একটি যুদ্ধের সেনাপতি নিয়োগ করা হয়?

🔲 উত্তরঃ উসামা বিন যায়েদ (রাঃ) কে।

📒 প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী কাবা ঘরে আযান প্রদান করেন?

🔲 উত্তরঃ বেলাল (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সবচেয়ে বেশী হাদীছ বর্ণনা করেন?

🔲 উত্তরঃ আবু হুরায়রা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ আবু হুরায়রা (রাঃ) এর আসল নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আবদুর রহমান বিন সাখার আদ্‌ দাওসী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে জিনে হত্যা করেছিল?

🔲 উত্তরঃ সাদ বিন উবাদা (রাঃ) কে।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে সর্বশ্রে কুরআন পাঠক বলা হত?

🔲 উত্তরঃ উবাই বিন কাব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে আবু বকর (রাঃ) কুরআন একত্রিত করার দায়িত্ব প্রদান করেন?

🔲 উত্তরঃ যায়েদ বিন ছাবেত (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর পরামর্শে নবী (সাঃ) মদীনায় খন্দক খনন করেন?

🔲 উত্তরঃ সালমান ফারেসী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবী সবচেয়ে বেশী হাদীছ বর্ণনা করেন?

🔲 উত্তরঃ উম্মুল মুমেনীন আয়েশা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ জনৈক সাহাবী উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন। কিন্তু আল্লাহর জন্যে তিনি একটি সিজদাও করার সুযোগ পাননি। তিনি কে?

🔲 উত্তরঃ আমর বিন ছাবেত বিন ক্বায়স (রাঃ)। কেননা তিনি ইসলাম গ্রহণ করেই যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বশেষ মৃত্যু বরণ করেন?

🔲 উত্তরঃ আবু তুফাইল আমের বিন ওয়াছেলা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন্‌ সাহাবীকে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ মক্কায় হত্যা করেছিল?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী দাজ্জালকে দেখেছেন যে, সে একটি দ্বীপে বন্দী অবস্থায় রয়েছে?

🔲 উত্তরঃ তামীম বিন আওস আদ্‌দারী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর আকৃতী ধারণ করে নবী (ছাঃ)এর নিকট জিবরীল ফেরেশতা নাযিল হতেন।

🔲 উত্তরঃ দেহইয়া আল কালবী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী কিসরার হাতের বাদশাহী চুরি পরিধান করেন?

🔲 উত্তরঃ সুরাকা বিন মালেক (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী মানত করেছিলেন যে, তিনি যেন কোন মুশরিককে স্পর্শ না করেন এবং কোন মুশরিকও যেন তাকে স্পর্শ করতে না পারে?

🔲 উত্তরঃ আছেম বিন ছাবেত (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী গোপনে নয় বরং প্রকাশ্যে হিজরত করেছিলেন?

🔲 উত্তরঃ ওমার বিন খাত্তাব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর উন্মুক্ত তরবারী।

🔲 উত্তরঃ খালেদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বপ্রথম আল্লাহর পথে তীর নিক্ষেপ করেন?

🔲 উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবীকে বায়তুল মালের দায়িত্ব প্রদান করা হয়?

🔲 উত্তরঃ আবু উবাইদা বিন জার্‌রাহ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল এ উম্মতের আমানতদার।

🔲 উত্তরঃ আবু ঊবাইদা বিন জার্‌রাহ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন খলীফা সর্বপ্রথম আমীরুল মুমেনীন উপাধিতে ভূষিত হন?

🔲 উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মদীনায় হিজরত করার পর সর্বপ্রথম যে শিশু জন্ম গ্রহণ করে তার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ আবু বকর ও আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)এর মাঝে আত্মীয়তার সম্পর্ক কিরূপ?

🔲 উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ) আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)এর নানা।

📒 প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী হিজরী সন গণনার প্রবর্তন করেন?

🔲 উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বপ্রথম নিহত হওয়ার পূর্বে দুরাকাত নামাযের প্রচলন করেন?

🔲 উত্তরঃ খুবাইব বিন আদী (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ আনসারী সাহাবীদের মধ্যে সর্বপ্রথম কোন সাহাবী ইসলাম গ্রহণ করেন?

🔲 উত্তরঃ মুআয বিন আফরা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী হাবশায় (আবিসিনিয়া) হিজরত করেন?

🔲 উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল আসাদুল্লাহ।

🔲 উত্তরঃ আলী বিন আবী তালিব (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাঃ) বলেন, আমার এ ছেলে নেতা, সম্ভবতঃ আল্লাহ তার মাধ্যমে মুসলমানদের বিবাদমান বড় দুটি দলের মধ্যে বিরোধ মিমাংসা করে দিবেন?

🔲 উত্তরঃ হাসান বিন আলী (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কোন দুজন সাহাবীকে জান্নাতের যুবকদের সরদার বলা হয়েছে?

🔲 উত্তরঃ হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে।

📒 প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর কবর খনন করেছিলেন?

🔲 উত্তরঃ আবু তালহা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে আল্লাহ তাআলা জিবরীল মারফত সালাম পাঠিয়েছেন?

🔲 উত্তরঃ খাদীজা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কাকে সবচেয়ে বেশী ভালবাসতেন?

🔲 উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ) কে?

📒 প্রশ্নঃ পুরুষদের মধ্যে কাকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সবচেয়ে বেশী ভালবাসতেন?

🔲 উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ) কে?

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর কোন্‌ স্ত্রী ছিলেন অধিক সিয়াম পালন কারীনী ও অধিক নফল নামায আদায় কারীনী?

🔲 উত্তরঃ হাফছা বিনতে ওমর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ উহুদ যুদ্ধে জনৈক মহিলা সাহাবীর পিতা, ভাই, চাচা ও চাচাতো ভাই শহীদ হন। যখন তিনি শুনলেন নবী (সাঃ) বেঁচে আছেন, তখন বলেন তার সকল দুঃখ তুচ্ছ। সেই মহিলার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আসমা বিনতে ইয়াযীদ ইবনু সাকান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ স্বপ্নের মাধ্যমে নির্দেশ প্রাপ্ত হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) একটি বিবাহ করেন। কে ছিলেন সেই স্ত্রী?

🔲 উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন স্ত্রীর পবিত্রতায় পবিত্র কুরআনে ১০ টি আয়াত নাযিল হয়।

🔲 উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন স্ত্রীকে আল্লাহ তাআলা জিবরীল (আঃ) মারফত সালাম দিয়েছেন?

🔲 উত্তরঃ খাদীজা (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা তাঁর জনৈক স্ত্রীকে তালাক প্রদান করেন। তখন জিবরীল (আঃ) এসে তাঁকে বলেন, আপনি তাকে ফিরিয়ে নিন। কেননা তিনি অধিক ছিয়াম পালনকারীনী এবং অধিক নফল নামায আদায় কারীনী। আর তিনি জান্নাতে আপনার স্ত্রী। তাঁর নাম কি?

🔲 উত্তরঃ হাফছা বিনতে ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাঃ) এর কন্যা যায়নাব মৃত্যু বরণ করলে জনৈক মহিলা সাহাবী তাকে গোসল দেন। সেই মহিলার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ উম্মে আত্বিয়্যা আনসারী (রাঃ)।

23/12/2022

📒 "ইসলামে (যুদ্ধ)"

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?

🔲 উত্তরঃ ২৭টি।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী সর্ব প্রথম কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?

🔲 উত্তরঃ আল্‌ আব্‌ওয়া।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী সর্বশেষ কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?

🔲 উত্তরঃ তাবুক যুদ্ধ। ৯ম হিজরী।

📒 প্রশ্নঃ বদর যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?

🔲 উত্তরঃ ১৭ই রামাযান, শুক্রবার। ২য় হিজরী।

📒 প্রশ্নঃ বদর যুদ্ধে মুসলমান ও কাফেরদের সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?

🔲 উত্তরঃ মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফের ১০০০ জন।

📒 প্রশ্নঃ এ যুদ্ধের ফলাফল কি ছিল?

🔲 উত্তরঃ মুসলমানগণ ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করেন।

📒 প্রশ্নঃ কত জন কাফের নিহত হয় ও বন্দী হয় এবং কতজন মুসলমান শহীদ হয়?

🔲 উত্তরঃ ৭০ জন নিহত হয় ও ৭০ জন বন্দী হয়। ১৪ জন মুসলমান শহীদ হন।

📒 প্রশ্নঃ এ যুদ্ধে কাফেরদের একজন বড় নেতা নিহত হয়। তার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আবু জাহেল।

📒 প্রশ্নঃ আবু জাহেলকে কে হত্যা করে?

🔲 উত্তরঃ মুআয বিন আমর ও মুআব্বেয বিন আফরা নামে দুজন কিশোর।

📒 প্রশ্নঃ কে আবু জাহেলের শিরোচ্ছেদ করে?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ কোন যুদ্ধের দিনকে কুরআনে ইয়াউমুল ফুরকান বা সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী দিন বলে উল্লেখ করা হয়েছে?

🔲 উত্তরঃ বদর যুদ্ধের দিনকে।

📒 প্রশ্নঃ তৃতীয় হিজরীতে কোন যুদ্ধটি সংঘটিত হয়?

🔲 উত্তরঃ উহুদ যুদ্ধ।

📒 প্রশ্নঃ কোন যুদ্ধে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর দাঁত শহীদ হয়?

🔲 উত্তরঃ উহুদ যুদ্ধে।

📒 প্রশ্নঃ উহুদ যুদ্ধে মুসলমান ও কাফেরদের সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?

🔲 উত্তরঃ মুসলমান ৭০০ জন। কাফের ৩০০০ জন।

📒 প্রশ্নঃ এ যুদ্ধে কতজন মুসলমান শহীদ হন?

🔲 উত্তরঃ ৭০ জন।

📒 প্রশ্নঃ চতুর্থ হিজরীতে ইহুদীদের সাথে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ইহুদীদেরকে মদীনা থেকে বের করে দেয়া হয়। ইতিহাসে এ যুদ্ধের নাম কি?

🔲 উত্তরঃ বানু নাযীরের যুদ্ধ।

📒 প্রশ্নঃ খন্দকের যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?

🔲 উত্তরঃ পঞ্চম হিজরীতে।

📒 প্রশ্নঃ কখন খায়বার বিজয় হয়?

🔲 উত্তরঃ ৭ম হিজরীতে।

📒 প্রশ্নঃ খায়বার যুদ্ধটি কাদের সাথে ছিল?

🔲 উত্তরঃ ইহুদীদের সাথে।

📒 প্রশ্নঃ খায়বার যুদ্ধে কত জন মুসলমান অংশ নিয়েছিলেন?

🔲 উত্তরঃ হুদায়বিয়ার সন্ধি থেকে প্রত্যাবর্তনকারী ১৪শত মুসলমান।

📒 প্রশ্নঃ খায়বার যুদ্ধে হতাহতের পরিমাণ কি ছিল?

🔲 উত্তরঃ ৯৩জন ইহুদী নিহত হয়। মুসলমানদের মধ্যে শহীদ হন ১৬ জন।

📒 প্রশ্নঃ খায়বার থেকে ফেরার পথে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ বন্দি এক ইহুদী সরদারের কন্যাকে মুক্ত করে দেন অতঃপর তাকে বিবাহ করেন। তাঁর নাম কি?

🔲 উত্তরঃ উম্মুল মুমেনীন সফিয়্যা বিনতে হুওয়াই (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ ৮ম হিজরীতে রোমান সৈন্যদের সাথে মুসলমানদের একটি বিশাল যুদ্ধ হয়। তার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ মূতার যুদ্ধ।

📒 প্রশ্নঃ মূতার যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরপর তিনজন সেনাপতি নিয়োগ করেন। তারা সকলেই যুদ্ধে শহীদ হন। তারা কে কে ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ যায়দ বিন হারেছা, জাফার বিন আবী তালেব, আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ মূতার যুদ্ধে উভয় পক্ষে সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?

🔲 উত্তরঃ মুসলমান ৩ হাজার। রোমান সৈন্য ২ লক্ষ।

📒 প্রশ্নঃ মূতার যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা কত ছিল?

🔲 উত্তরঃ ১২ জন মুসলমান শহীদ হন। নিহত রোমানদের সংখ্যা কত ছিল তা প্রকৃতভাবে জানা যায় না। তবে তা সংখ্যায় অনেক ছিল।

📒 প্রশ্নঃ কোন্‌ সেনাপতির হাতে এ যুদ্ধে মুসলমানগণ জয়লাভ করেন?

🔲 উত্তরঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খালিদকে কি খেতাবে ভূষিত করেন?

🔲 উত্তরঃ সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর কোষমুক্ত তরবারী।

📒 প্রশ্নঃ ৮ম হিজরীতে আরেকটি বড় বিজয় মুসলমানগণ লাভ করেন। তা কি?

🔲 উত্তরঃ মক্কা বিজয়।

📒 প্রশ্নঃ মক্কা বিজয় কোন্‌ মাসে হয়েছিল?

🔲 উত্তরঃ ১৭ রামাযান।

📒 প্রশ্নঃ মক্কা বিজয়ে কত জন মুসলমান অংশ নিয়েছিলেন?

🔲 উত্তরঃ ১০ হাজার।

📒 প্রশ্নঃ মক্কা বিজয়ের সময় কাফেরদের একজন বড় নেতা ইসলাম গ্রহণ করেন। তার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আবু সুফিয়ান (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ মক্কা বিজয়ের সময় জনৈক কাফের কাবা ঘরের গিলাফ ধরেছিল। তবুও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হত্যা করার নির্দেশ প্রদান করেন। কারণ কি ছিল? কাফেরটির নাম কি ছিল?

🔲 উত্তরঃ কেননা সে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে গালি দিত। তার নাম ছিল আবদুল্লাহ বিন খাত্বাল।

📒 প্রশ্নঃ হুনায়ন যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?

🔲 উত্তরঃ ৮ম হিজরীতে। শাওয়াল মাস।

📒 প্রশ্নঃ কোন সেই যুদ্ধ যেখানে কাফেরদের তুলনায় মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা বেশী ছিল?

🔲 উত্তরঃ হুনায়ন যুদ্ধ।

📒 প্রশ্নঃ কোন্‌ সেই যুদ্ধ যেখানে কাফেরদের তুলনায় মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা বেশী থাকা সত্বেও প্রথমে মুসলমানগণ পরাজিত হয়, অতঃপর বিজয় লাভ করে?

🔲 উত্তরঃ হুনায়ন যুদ্ধ।

📒 প্রশ্নঃ হুনায়ন যুদ্ধের কথা পবিত্র কুরআনের কোন্‌ সূরায় উল্লেখ আছে?

🔲 উত্তরঃ সূরা তওবা, ২৫-২৬ নং আয়াত।

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর জীবনের শেষ যুদ্ধ কোনটি ছিল?

🔲 উত্তরঃ তাবুক যুদ্ধ।

📒 প্রশ্নঃ তাবুক যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?

🔲 উত্তরঃ ৯ম হিজরী। রজব মাস।

📒 প্রশ্নঃ কাদের বিরুদ্ধে তাবুক যুদ্ধ হয়?

🔲 উত্তরঃ রোমানদের বিরুদ্ধে।

📒 প্রশ্নঃ তাবুক যুদ্ধে মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?

🔲 উত্তরঃ ৩০ হাজার।

📒 প্রশ্নঃ তাবুক যুদ্ধের ফলাফল কি ছিল?

🔲 উত্তরঃ এ যুদ্ধে শত্রুর সাথে সম্মুখ কোন লড়াই হয়নি। শত্রু বাহিনী মুসলমানদের আগমনে ভীত হয়ে আগ্রসর না হয়েই ফেরত যায়। এটা প্রকৃত পক্ষে মুসলমানদেরই বিজয়।

📒 প্রশ্নঃ ইসলামের ইতিহাসে কোন যুদ্ধের বাহিনীকে جيش العسرة জাইশুল উশরা বা কঠিন অভাবী বাহিনী বলা হয়?

🔲 উত্তরঃ তাবুক যুদ্ধের মুসলিম বাহিনীকে।

📒 প্রশ্নঃ কোন্‌ সূরায় তাবুক যুদ্ধের ঘটনা উল্লেখ আছে?

🔲 উত্তরঃ সূরা তওবা ৩৮-১২৯।

📒 প্রশ্নঃ তাবুক যুদ্ধের প্রস্তুতির সময় মুসলমানদের ধোকা দেয়ার জন্য মুনাফিকরা একটি মসজিদ নির্মাণ করে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদটি ধ্বংস করে দেন। কুরআনে মসজিদটিকে কি নামে উল্লেখ করা হয়েছে?

🔲 উত্তরঃ মসজিদে যেরার।

📒 প্রশ্নঃ এ যুদ্ধকে খন্দকের যুদ্ধ বলে নামকরণের কারণ কি?

🔲 উত্তরঃ এ জন্যে যে, মদীনার চারপাশে খন্দক বা পরিখা খনন করে শত্রুদের মোকাবেলা করা হয়েছে।

📒 প্রশ্নঃ এ যুদ্ধের আরেকটি নাম আছে। তা কি?

🔲 উত্তরঃ আহযাবের যুদ্ধ।

📒 প্রশ্নঃ এ যুদ্ধকে আহযাবের যুদ্ধ হিসেবে নামকরণের কারণ কি?

🔲 উত্তরঃ এজন্য যে, তখন আরবের অধিকাংশ গোত্র মুসলমানদের বিরূদ্ধে লড়াই করতে ঐক্যবদ্ধ হয়।

📒 প্রশ্নঃ খন্দকের যুদ্ধ কত দিন স্থায়ী ছিল?

🔲 উত্তরঃ ৪০ দিন।

📒 প্রশ্নঃ এ যুদ্ধে কারা বিজয় লাভ করে?

🔲 উত্তরঃ মুসলমানগণ।

📒 প্রশ্নঃ এ যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পবিত্র কুরআনে একটি সূরা নাযিল হয়। সূরাটির নাম কি?

🔲 উত্তরঃ সূরা আহযাব।

📒 প্রশ্নঃ ৫ম হিজরীতে মদীনার আর এক ইহুদী গোত্রের সাথে যুদ্ধ হয়। গোত্রটির নাম কি?

🔲 উত্তরঃ বানু কুরায়যা।

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাঃ)এর হিজরতের ৬ বছরে কাফেরদের সাথে মুসলমানদের একটি সন্ধি-চুক্তি হয়। ইতিহাসে এটাকে কি নামে আখ্যা দেয়া হয়েছে?

🔲 উত্তরঃ হুদায়বিয়ার সন্ধি।

📒 প্রশ্নঃ হুদায়বিয়ার সন্ধির আরেকটি নাম আছে। তা কি?

🔲 উত্তরঃ বাইয়াতুর্‌ রিয্‌ওয়ান।

📒 প্রশ্নঃ হুদায়বিয়ার সন্ধিতে কতজন মুসলমান উপস্থিত ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ ১৪ শত।

📒 প্রশ্নঃ হুদায়বিয়ার সন্ধির ধারা সমূহ কি কি ছিল?

🔲 উত্তরঃ

(ক) এ বছর রাসূল (সাঃ) সাহাবীদেরকে নিয়ে মক্কা প্রবেশ করতে পারবেন না। আগামী বছর তিন দিনের জন্য মক্কা আসতে পারবেন।

(খ) দশ বছরের জন্য মুসলমান ও মক্কার কাফেরদের সাথে যুদ্ধ বিরতী।

(গ) আরবের যে কোন গোত্র চুক্তিবদ্ধ যে কোন দলের (মুসলমান অথবা কাফেরদের) সাথে শামিল হতে পারে।

(ঘ) কোন লোক যদি ইসলাম গ্রহণ করে মদীনা চলে যায়, তবে তাকে ফেরত দিতে হবে। কিন্তু কোন লোক মুহাম্মাদের নিকট থেকে মক্কা পালিয়ে আসে, তবে তাকে ফেরত দেয়া হবে না।

📒 প্রশ্নঃ হুদায়বিয়ার সন্ধি ছিল মূলতঃ মুসলমানদের জন্যে একটি সুস্পষ্ট বিজয় এ সুসংবাদ দিয়ে আল্লাহ একটি সূরা নাযিল করেন। সূরাটির নাম কি?

🔲 উত্তরঃ সূরা আল্‌ ফাতাহ।

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)যে সকল বাদশার নিকট পত্র প্রেরণ করেন তাদের তিন জনের নাম বল?

🔲 উত্তরঃ হাবশার বাদশা নাজ্জাশী, পারস্যের বাদশা কিসরা, রোমের বাদশা কায়সার।

📒 প্রশ্নঃ কোন্‌ বাদশা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর পত্র ছিঁড়ে ফেলে। ফলে আল্লাহ তার রাজত্ব ধ্বংস করে দেন?

🔲 উত্তরঃ পারস্যের বাদশা কিসরা।

📒 প্রশ্নঃ কোন্‌ বাদশা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর পত্র পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন?

🔲 উত্তরঃ বাদশা নাজ্জাশী।

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর জীবদ্দশাতেই দুজন লোক নবুওতের দাবী করে তাদের নাম কি? তারা কোথাকার অধিবাসী?

🔲 উত্তরঃ

(১) বনু হানীফা গোত্রের মুসায়লামা। সে ইয়ামামার অধিবাসী। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কায্‌যাব বা মিথ্যুক নামে আখ্যায়িত করেন।

(২) আসওয়াদ আনাসী। সে ইয়ামানের অধিবাসী ছিল। নবীজীর মৃত্যুর একদিন এক রাত আগেই তাকে হত্যা করা হয়।

📒 প্রশ্নঃ বর্তমান যুগে জনৈক ভন্ড নবুওত দাবী করে। তার নাম কি এবং সে কোথাকার অধিবাসী?

🔲 উত্তরঃ ভারতের কাদিয়ান নামক এলাকার গোলাম আহমাদ কাদীয়ানী, তার পিতার নামঃ গোলাম মোর্তজা ও মায়ের নাম চেরাগ বিবি।

📒 প্রশ্নঃ বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক আলোড়ন সৃষ্টিকারী রাবেতা আলমের পক্ষ থেকে প্রথম পুরস্কার প্রাপ্ত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর জীবনী গ্রন্থের নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আর্‌ রাহীকুল মাখতূম। (বইটি বাংলায় পাওয়া যায়)

📒 প্রশ্নঃ আর্‌ রাহীকুল মাখতূম গ্রন্থের লেখক কে?

🔲 উত্তরঃ শায়খ সফিউর রহমান মোবারকপুরী (রহঃ) মৃত্যুঃ ১৪২৭হিঃ।

23/12/2022

📒 "বিশ্বনবী মুহাম্মাদ (সাঃ)"

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনই হয়েছিল বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবে। তিনি সর্বদা উম্মতের কল্যাণ চিন্তায় থাকতেন। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবনী প্রশ্ন-উত্তর আকারে দেওয়া হল।

বিষয়ঃ প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর জীবনী

📒 প্রশ্নঃ আমাদের প্রিয় নবীজীর নাম কি?

🔲 উত্তরঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।

📒 প্রশ্নঃ তাঁর পিতা- মাতা ও দাদার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ পিতাঃ আবদুল্লাহ, মাতাঃ আমেনা, দাদাঃ আবদুল মুত্তালিব।

📒 প্রশ্নঃ তাঁর দুধমাতার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ প্রথম দুধমাতা ছুওয়াইবা (আবু লাহাবের কৃতদাসী) তারপর হালিমা সাদিয়া (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ আমাদের প্রিয় নবীজীর নাম কয়টি ও কি কি?

🔲 উত্তরঃ পাঁচটি। মুহাম্মাদ, আহমাদ, মাহী, হাশের, আক্বেব (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। (বুখারী)

📒 প্রশ্নঃ তিনি কখন জন্মলাভ করেন?

🔲 উত্তরঃ ৯ই রবিউল আওয়াল। মতান্তরে ১২ই রবিউল আওয়াল সোমবার দিন। ৫৭০ মতান্তরে ৫৭১খৃঃ। হস্তি বছর।

📒 প্রশ্নঃ জন্মলাভের পর কে তাঁর লালন-পালনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন?

🔲 উত্তরঃ দাদা আবদুল মুত্তালিব।

📒 প্রশ্নঃ কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নাম মুহাম্মাদ রাখেন?

🔲 উত্তরঃ দাদা আবদুল মুত্তালিব।

📒 প্রশ্নঃ নবীজীর কত বছর বয়সে তাঁর পিতা-মাতা ইন্তেকাল করেন?

🔲 উত্তরঃ তাঁর জন্মের পূর্বে পিতা এবং তাঁর বয়স ৬ বছর হলে মাতা ইন্তেকাল করেন।

📒 প্রশ্নঃ নবীজীর কত বছর বয়সে তাঁর দাদা আবদুল মুত্তালেব ইন্তেকাল করেন?

🔲 উত্তরঃ তখন তাঁর বয়স ৮ বছর।

📒 প্রশ্নঃ দাদা আবদুল মুত্তালেব ইন্তেকাল করার পর কে তাঁর লালন-পালনের দায়িত্ব নেন?

🔲 উত্তরঃ চাচা আবু তালেব।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কত বছর বয়সে চাচা আবু তালেবের সাথে শাম দেশ (সিরিয়া) সফর করেন?

🔲 উত্তরঃ ১২ বছর বয়সে।

📒 প্রশ্নঃ কৈশরে নবীজী কি কাজ করতেন?

🔲 উত্তরঃ অল্প বেতনে মক্কাবাসীদের ছাগল চরানোর কাজ করতেন।

📒 প্রশ্নঃ কৈশরে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিতৃব্যদের সাথে একটি যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধটির নাম কি?

🔲 উত্তরঃ হারবুল ফুজ্জার।

📒 প্রশ্নঃ হিলফুল ফযূল কি?

🔲 উত্তরঃ মক্কার সম্মানিত লোকেরা অত্যাচারিতের সাহায্য করার জন্য একটি চুক্তি সম্পাদন করে তাকে হিলফুল ফযূল বলা হয়। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিতৃব্যদের সাথে এই চুক্তিতে অংশ গ্রহণ করেন।

📒 প্রশ্নঃ নবূওতের পূর্বে নবীজীর একটি বিচক্ষণতা পূর্ণ ফায়সালার বিবরণ দাও?

🔲 উত্তরঃ তাঁর বয়স ৩৫ বছর। সে সময় কাবা সংস্করণ করা হয়। শেষে কে হজরে আসওয়াদ স্থাপন করে সম্মানিত হবে এনিয়ে মক্কার লোকেরা বিবাদে লিপ্ত হলে নবীজী তাদের মাঝে মিমাংসা করে দেন। একটি চাদরে পাথরটি রেখে সকল গোত্রের প্রধানদের তার কিনারা ধরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং তিনি নিজ হাতে পাথরটি স্থাপন করেন। এতে সবাই খুশি হয়।

📒 প্রশ্নঃ যুবক বয়সে নবীজী কি কাজ করতেন?

🔲 উত্তরঃ ব্যবসা।

📒 প্রশ্নঃ তিনি কখন কার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন?

🔲 উত্তরঃ তাঁর বয়স যখন ২৫ বছর তখন খাদিজা (রাঃ) এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। সে সময় খাদিজার বয়স ছিল ৪০।

📒 প্রশ্নঃ তাঁর কতজন স্ত্রী ছিলেন? তাঁদের নাম কি?

🔲 উত্তরঃ ১১ জন। তাঁরা হচ্ছেনঃ

➢ খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ

➢ সাওদা বিনতে যামআ

➢ আয়েশা বিনতে আবু বকর

➢ যায়নাব বিনতে খুযায়মা (উম্মুল মাসাকীন)

➢ হাফছা বিনতে ওমর বিন খাত্তাব

➢ যায়নাব বিনতে জাহাশ

➢ উম্মু সালামা হিন্দ বিনতে আবী উমাইয়া

➢ জুআইরিয়া বিনতে হারেছ

➢ ছাফিয়া বিনতে হুওয়াই বিন আখতাব

➢ মায়মূনা বিনতে হারেছ

➢ উম্মে হাবীবা রামলা বিনতে আবী সুফিয়ান। (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সর্বপ্রথম ও সর্বশেষ স্ত্রীর নাম কি?

🔲 উত্তরঃ সর্ব প্রথম স্ত্রী ছিলেন, খাদিজা (রাঃ) এবং সর্বশেষে যাকে বিবাহ করেছিলেন তিনি ছিলেন, মায়মূনা বিনতে হারেছ (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর একমাত্র কুমারী স্ত্রী কে ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর কতজন সন্তান ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ ৭ জন। কাসেম, আবদুল্লাহ, যায়নাব, উম্মু কুলছুম, রুকাইয়া, ফাতেমা ও ইবরাহীম (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ নবীজীর নাতী-নাতনীর সংখ্যা কত ছিল?

🔲 উত্তরঃ ৭ জন। যায়নাবের সন্তান দুজনঃ আলী ও উমামা। রুকাইয়্যার সন্তান একজনঃ আবদুল্লাহ (শিশুবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন) ফাতিমার সন্তান চার জনঃ হাসান, হুসাইন, উম্মে কুলছুম, যায়নাব।

📒 প্রশ্নঃ কতবার এবং কখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর বক্ষ বিদীর্ণ করা হয়?

🔲 উত্তরঃ দুবার। একবার শিশুকালে চার বছর বয়সে এবং দ্বিতীয়বার মেরাজে যাওয়ার সময়।

📒 প্রশ্নঃ নবুওতের পূর্বে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে ইবাদত করতেন?

🔲 উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ) এর দ্বীন অনুসারে ইবাদত করতেন।

📒 প্রশ্নঃ কোন পাহাড়ের কোন গুহায় নবীজী ধ্যানমগ্ন থাকতেন?

🔲 উত্তরঃ নূর পাহাড়ের হেরা গুহায়।

📒 প্রশ্নঃ কত বছর বয়সে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর উপর ওহী নাযিল হয়?

🔲 উত্তরঃ ৪০ বছর ৬ মাস ১২ দিন।

📒 প্রশ্নঃ কখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর উপর ওহী নাযিল হয়?

🔲 উত্তরঃ ২১ রামাযানের রাতে সোমবার। ১০ আগস্ট ৬১০ খৃষ্টাব্দ।

📒 প্রশ্নঃ গারে হেরা থেকে ফিরে এলে স্ত্রী খাদিজা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে নিয়ে কার কাছে গমণ করেন এবং তিনি কি বলেন?

🔲 উত্তরঃ ওরাকা বিন নওফলের নিকট। তিনি বলেন, ইনি এ উম্মতের নবী।

📒 প্রশ্নঃ নবুওত লাভের পর নবীজী কিভাবে মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিতেন?

🔲 উত্তরঃ গোপনে।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কখন মেরাজে গমণ করেন ?

🔲 উত্তরঃ নবুওতের ১০ম বছরে।

📒 প্রশ্নঃ আক্বাবার প্রথম বায়আত কখন অনুতি হয়?

🔲 উত্তরঃ নবুওতের ১১তম বছরে।

📒 প্রশ্নঃ আক্বাবার প্রথম বায়আতে কোন্‌ গোত্র থেকে কতজন লোক অংশ নিয়েছিলেন?

🔲 উত্তরঃ মদীনার আওস ও খাজরায গোত্রের ১২ জন লোক।

📒 প্রশ্নঃ আক্বাবার দ্বিতীয় বায়আত কখন অনুতি হয়?

🔲 উত্তরঃ নবুওতের ১২তম বছরে মিনায় আক্বাবার দ্বিতীয় বায়আত অনুতি হয়।

📒 প্রশ্নঃ এই বায়আতে কতজন লোক অংশ নিয়েছিলেন?

🔲 উত্তরঃ মদীনার আওস ও খাজরায গোত্রের ৭৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী এতে অংশ নিয়েছিলেন।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী নবুওতের কত বছর মক্কায় অতিবাহিত করেন?

🔲 উত্তরঃ ১৩ বছর।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কত বছর মদীনায় কাটান?

🔲 উত্তরঃ ১০ বছর।

📒 প্রশ্নঃ কখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে হিজরতের আদেশ করা হয়?

🔲 উত্তরঃ মক্কার কুরায়শগণ দারুন্নদওয়ায় বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে তারা একযোগে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে হত্যা করবে। তখন আল্লাহ তাকে মক্কা পরিত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কখন মক্কা ছেড়ে মদীনায় হিজরত করেন?

🔲 উত্তরঃ ছফর মাস ১ম হিঃ। ৬২২ খৃষ্টাব্দ।

📒 প্রশ্নঃ হিজরতের পূর্বে নবীজী কাকে তাঁর বিছানায় শায়িত রেখে গিয়েছিলেন?

🔲 উত্তরঃ আলী (রাঃ) কে।

📒 প্রশ্নঃ নবীজীর হিজরতের সময় সফর সঙ্গী কে ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

📒 প্রশ্নঃ সাহাবীদের সাথে গোপনে কোথায় মিলিত হতেন?

🔲 উত্তরঃ আরকাম বিন আবুল আরকামের গৃহে।

📒 প্রশ্নঃ গোপন দাওয়াতের সময় কাল কত বছর ছিল?

🔲 উত্তরঃ ৩ বছর।

📒 প্রশ্নঃ মক্কী জীবনের দাওয়াতী কাজ কয়টি পর্যায়ে বিভক্ত ছিল? প্রত্যেক পর্যায়ের সময়কাল কত ছিল?

🔲 উত্তরঃ ৩টি পর্যায়ে।

ক) গোপন দাওয়াত প্রথম তিন বছর।

খ) মক্কাবাসীদের মাঝে প্রকাশ্যে দাওয়াত। নবুওতের ৪র্থ বছর থেকে ১০ম বছর পর্যন্ত।

গ) মক্কার বাইরে দাওয়াত। নবুওতের ১০ম বছরের শেষ সময় থেকে হিজরতের পূর্ব পর্যন্ত।

📒 প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কারা ইসলাম গ্রহণ করেন?

🔲 উত্তরঃ নারীদের মধ্যে খাদীজা (রাঃ)

পুরুষদের মধ্যে আবু বকর (রাঃ)

বালকদের মধ্যে আলী (রাঃ)

ক্রীতদাসদের মধ্যে যায়দ বিন হারেছা (রাঃ)

📒 প্রশ্নঃ কাফের হওয়া সত্বেও দাওয়াতী কাজে কে নবীজীকে সহযোগিতা করেন?

🔲 উত্তরঃ চাচা আবু তালেব।

📒 প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম মুসলমানগণ কোথায় হিজরত করেন এবং কখন?

🔲 উত্তরঃ নবুওতের ৫ম বর্ষে সর্বপ্রথম মুসলমানগণ হাবশায় (বর্তমানে আফ্রিকার ইথিউপিয়া নামক দেশ) হিজরত করেন।

📒 প্রশ্নঃ আবিসিনয়া বা হাবশার দ্বিতীয় হিজরতে কতজন পুরুষ ও কতজন নারী ছিলেন?

🔲 উত্তরঃ ৮৩ জন পুরুষ ও ১৯ জন নারী ছিলেন।

📒 প্রশ্নঃ কেন সেই দেশে হিজরত করার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে পরামর্শ দেন?

🔲 উত্তরঃ কেননা সেখানকার বাদশা নাজ্জাশী ন্যায় পরায়ন ও দয়ালু লোক ছিলেন।

📒 প্রশ্নঃ কোথায় কতদিন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে বয়কট করে রাখা হয়েছিল?

🔲 উত্তরঃ নবুওতের ৭ম থেকে ১০ম বছর পর্যন্ত ৩ বছর শেবে আবী তালেবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বয়কট করে রাখা হয়েছিল।

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নবুওতী জীবনের কোন সময়কে আমুল হুযন বা দুশ্চিন্তার বছর বলা হয়?

🔲 উত্তরঃ ১০ম বছরকে। সে বছর তাঁর জীবন সঙ্গীনী খাদিজা (রাঃ) ও তাঁকে সহযোগিতাকারী আবু তালেব মৃত্যু বরণ করেন। আর তখন থেকেই নেমে আসে তাঁর প্রতি অবর্ণনীয় নির্যাতন।

📒 প্রশ্নঃ কোন কোন কাফের রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সবচেয়ে বেশী কষ্ট দিয়েছিল?

🔲 উত্তরঃ আবু লাহাব, আবু জাহেল, উক্ববা বিন আবী মুআইত্ব, ওতবা, শায়বা, উমাইয়া বিন খালাফ।

📒 প্রশ্নঃ একজন কাফের রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে খুবই কষ্ট দিত। তার ধ্বংসের জন্য তার নামে কুরআনে একটি সূরা নাযিল হয়। ঐ কাফেরের নাম কি এবং সূরাটির নাম কি?

🔲 উত্তরঃ কাফেরের নামঃ আবু লাহাব। সূরাটির নামঃ সূরা লাহাব।

📒প্রশ্নঃ হিজরতের সময় তিনি কোন গুহায় কত দিন আত্মগোপন করেন?

🔲 উত্তরঃ গারে ছাওরে। তিন দিন।

📒 প্রশ্নঃ হিজরতের সময় নবীজী রাস্তা দেখানোর জন্য একজন কাফেরকে পথপ্রদর্শক হিসেবে ভাড়া করে ছিলেন। তার নাম কি?

🔲 উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন উরাইকাত।

📒 প্রশ্নঃ নবীজীকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য কাফেরগণ কি পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিল?

🔲 উত্তরঃ ১০০ উট।

📒 প্রশ্নঃ নবীজীর উটনীর নাম কি ছিল?

🔲 উত্তরঃ কাছওয়া।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কখন মদীনায় পৌঁছেন?

🔲 উত্তরঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবু বকর (রাঃ) সোমবার দিন ৮ রবিউল আওয়াল প্রথম মদীনার কুবায় পৌঁছেন।

📒 প্রশ্নঃ নবীজি কখন মদীনায় প্রবেশ করেন?

🔲 উত্তরঃ ১২ই রবিউল আওয়াল। শুক্রবার দিন।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী মদীনায় গিয়ে কার বাড়িতে অবস্থান করেন?

🔲 উত্তরঃ আবু আইয়্যুব আনছারীর (রাঃ) বাড়িতে।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী সর্বপ্রথম কোন মসজিদটি নির্মাণ করেন?

🔲 উত্তরঃ মসজিদে কূবা।

📒 প্রশ্নঃ মদীনায় গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থানীয় ইহুদীদের সাথে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটাকে কি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে?

🔲 উত্তরঃ মদীনার সনদ।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কতবার ওমরা করেন?

🔲 উত্তরঃ চার বার।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কতবার হজ্জ করেন?

🔲 উত্তরঃ একবার। বিদায় হজ্জ ১০ম হিজরী।

📒 প্রশ্নঃ বিদায় হজ্জে কতজন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে হজ্জ করেছেন?

🔲 উত্তরঃ ১ লক্ষ লোক। অন্য বর্ণনায় ১ লক্ষ ৪৪ হাজার।

📒 প্রশ্নঃ নবীজী কতটি রামাযান রোযা রাখেন?

🔲 উত্তরঃ নয়টি রামাযান।

📒 প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখন মৃত্যু বরণ করেন?

🔲 উত্তরঃ ১২ই রবিউল আওয়াল। সোমবার। ১১ হিজরী।

📒 প্রশ্নঃ মৃত্যুর সময় নবীজীর বয়স কত ছিল?

🔲 উত্তরঃ ৬৩ বছর।

📒 প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে কোথায় দাফন করা হয়েছে?

🔲 উত্তরঃ তাঁর নিজ গৃহে তথা আয়েশা (রাঃ)এর গৃহে।

📒 প্রশ্নঃ নবীজীর নামাযে জানাযা কে পড়িয়েছে?

🔲 উত্তরঃ নির্দিষ্টভাবে কোন ইমাম ছিল না। এককভাবে লোকেরা আয়েশা (রাঃ)এর গৃহে প্রবেশ করেন এবং জানাযা পড়েন।

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সকল চাকরির প্রশ্ন পত্রের সমাধান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share