Biochemistry & Molecular Biology, University of Rajshahi

Biochemistry & Molecular Biology, University of Rajshahi Biochemistry & Molecular Biology.....science of living organism.... Qaisuddin. The B.Sc. programs subsequently.

The Department of Biochemistry and Molecular Biology of the Faculty of Science, Rajshahi University is located in the 3rd floor of the Second Science building of the University. The Department started its journey in 1976 initially with Masters Course of studies under the leadership of its Founder- Chairman, Professor Dr. M. (Honours) course of studies was introduced in 1981, and the M.Phil, and Ph

.D. Since its establishment, the department has been pursuing academic and research activities in the field of Biochemistry and Molecular Biology and producing graduates of very acceptable standard. While many of these graduates are pursuing doctoral and post-doctoral research abroad, some of them are also having jobs in different countries of the world. In view of the academic and research activities pursued, the department was renamed in 2001 as the “Department of Biochemistry and Molecular Biology” in keeping with the international level of nomenclature, and its activities were further expanded to launch most advanced research. At present, there are 31 members of the teaching staffs in the department with some 250 students in the undergraduate and post-graduate levels.

05/03/2023

All-in-one visual design platform containing AI photo and video editing tools. Automatic process for background remove, image restoration, graphic design, and content generation. With Cutout.Pro, it is one click away to optimize your content and transform your design ideas into special asset effecti...

04/07/2020

এতদিন তো বিসিএস ক্যাডার নিয়ে অনেক পোষ্ট দেখলেন,,, আজকে আমি আমার ডিপার্টমেন্ট এর Biochemistry & Molecular Biology, University of Rajshahi, কিছু স্কলার এর গল্প বলবো😍 যারা এবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফুলফান্ড স্কলারশিপ নিয়ে Ph.D করতে যাচ্ছে😍 তারা হচ্ছেনঃ-
১.Ahsanul Kabir Hridoy(University Of New South Wales, Australia)
২.Plabon Kumar Das (Griffith University, Australia)
৩.Victor Mondal( RMIT University, School of Health and Biomedical Science, Australia)
৪.Jenika Nasrin Sathi(Shiga university of medical science,Japan)
৫.আয়েশা সিদ্দিকা ঋতু(University of Toyama,Japan)
৬.Md Mizanur Rahman(Graduate school of science and engineering,Saitama University, Japan)
৭.Sabbir Hasan(Muroran Institute of Technology,Japan)
৮.জুলকার নাঈম(Toyama Prefectural University, Imizu, Japan)
৯.Nischup Choyon(University Of Yamanashi,Japan)
১০. Aktar Suraiya Pakhi( Shizuoka University, Japan)

আরো অনেক গুলা ভাই আপুর রেসাল্ট এখনো হয়নি,এ মাসের মধ্যেই পাব্লিশড হয়ে যাবে😍 তাহলে এ লিস্টটা ১২+ হবে ইনশাআল্লাহ 😍 সবকিছু ঠিক থাকলে এবছরের সেপ্টেম্বর এর মধ্যেই তাদের উচ্চতর গবেষনার পথে পা বাড়াবেন😍 অনেকে ব্রেইন ড্রেইনেজ বলে চিল্লাবেন তাদেরকে বলি দেশে উচ্চতর গবেষনার সুযোগ নেই তাই পরিবার পরিজন ছেড়ে মানুষের সেবায় তাদের সুখ বিসর্জন দিচ্ছেন😥 হইতো এরাই একদিন নতুন রোগ নিয়ে গবেষনা করে প্রতিষেধক আবিষ্কার করবে,হইতো নতুন ড্রাগ ডিজাইন করবে😍কংগ্রাচুলেশনস টু অল😍


Zahidul Islam Akash এর টাইমলাইন থেকে

20/04/2020

আসন্ন করোনাভাইরাস এর প্রাদুর্ভাবের জন্য কেউ মৃত্যুর দোয়ারে,কেউ আইসিইউতে, কেউ বা নিজ বাসায় গৃহ বন্দী অবস্থায় আছে, আর তখন কিছু পরিবারের নিত্য দিনের খাবারের খোজে বাহির হতে হয় জীবন হাতে নিয়ে সামান্য কিছু আয় বা ত্রাণ নেয়ার জন্য, অসহায় পিতা বা মাতা বা পরিবারের কেউ পেটের দায়ে অনিশ্চিত গন্তব্যে ছুটে চলে সন্তানের মুখে দু-মুঠো আহার তুলে দিবে বলে কিন্তু কই সেই সুযোগও খুব আসে না, অনেকেই আবার চাকরি হারিয়ে পথে বসার মতো অবস্থা হয়ে গেছে, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য যেনো এক অভিশাপ স্বরুপ এসেছে এই মহামারী COVID-19 । তাই যারা এমতাবস্থায় জীবনযাপন করছে তাদের জন্য স্বল্প পরিসরে হলেও কিছু করা উচিৎ বলে মনে করি, জানি আমাদের পক্ষে সবাইকে সাহায্য করা সম্ভব নয় তবুও নিজ নিজ জায়গা থেকে যে যা পারি কিছু আর্থিক ভাবে সহায়তা করার চেষ্টা করি যেন প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের কেউ এমন অবস্থায় না থাকে। ইতিমধ্যেই বিভাগের সভাপতি ড. তানজিমা ইয়াসমিন ম্যাম এর কাছে যাদের পরিবারের সমস্যা আছে তাদের একটা লিস্ট দেয়া হ'য়েছে এবং বিভাগ থেকে কিছু সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন কিন্তু আমরা বিভাগের প্রাক্তন দের সহায়তায় এইসব পরিবারের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে কিছু দিতে চাই, ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ভাগ করে নিতে।
তাই প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন বড় ভাইয়া, আপুদের অনুরোধ করবো দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বিভাগের ছোট ভাই বোনদের পরিবারের জন্য কিছু করা।
আর্থিক অনুদান পাঠানোর ঠিকানা :-
বিকাশ:- 01761-296669(Personal)
রকেট:- 01761-296669-8
DBBL Account number :-
1351510239056

শুভেচ্ছান্তে,
মোঃ আকরাম হোসেন
ভিপি,
প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান সমিতি।
মোবাইল: 01761296669
তানভীর আঞ্জুম
সাধারণ সম্পাদক
প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান সমিতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
মোবাইল : 01781-261365

16/11/2017

RUBAA PICNIC 2017-18
Venue : Hasnahena Shotting Spot, Pubail.
Date : 15 December, 2017.
Registration deadline : 8 December, 2017.
Registration Fee's
Single : 1000 Tk
Couple : 2000 Tk
Child(>3 yrs) : 600 Tk
Guest : 1000 Tk
Student/unemployed : 600 Tk
Driver: 600 Tk.
For Registration :
Murad 01923853284,
Saiful 01726615050,
Mintu 01721379447,
Tariqul 01717330615,
Robi 01916157079,
Sony 01717799940

25/10/2017
26/09/2017

সর্ব প্রথম ১৯৫৭ সালে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়ো-কেমিস্ট্রিতে
পাঠদান শুরু হয়। বর্তমানে আমাদের
দেশে একাধিক সরকারি ও গুটিকয়েক
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়ো-
কেমিস্ট্রি বিষয়ে পড়াশোনা করানো
হয়। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে
ঢাকা, রাজশাহী, চট্রগ্রাম ও
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম
এ ছাড়া বিভিন্ন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এ বিষয়টি
রয়েছে। আর বেসরকারি
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নর্থ-সাউথ ও
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়টি
পড়ানো হয়। বর্তমানে বিশ্বের অনেক
খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়টি
বায়ো-লজিক্যাল ফ্যাকালটির প্রধান
বিষয় হিসেবে পড়ানো হয়।
ভর্তির যোগ্যতা
বায়ো-কেমিস্ট্রিতে পড়াশোনা করতে
চাইলে আপনাকে মাধ্যমিক ও উচ্চ
মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায়
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উর্ত্তীণ হতে
হবে। ক ইউনিটের অধীনে এ ভর্তি
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সরকারি
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইলে
আপনাকে অবশ্যই মাধ্যমিক ও উচ্চ
মাধ্যমিক পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ-৮
পেতে হবে। আর কোর্সের মেয়াদ চার
বছর।
পড়াশোনার খরচ
সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়াশোনার খরচ অনেক আলাদা।
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার
খরচ একেবারেই কম। এ ব্যাপারে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ো-কেমিস্ট্রি
বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপিকা ড.
হাসিনা খান জানান সরকারি
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চার বছরে
পড়াশোনার মোট খরচ পড়বে মাত্র ৫০
থেকে ৬০ হাজার টাকার মতো। আর
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়াশোনার খরচ একটু বেশি। এখানে
প্রতিষ্ঠান ভেদে আপনার খরচ হবে ৬
থেকে ৭ লাখ টাকার মতো। এ ছাড়া
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়াশোনার খরচ সরকারি
বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই।
ক্যারিয়ার সম্ভাবনা
বায়ো-কেমিস্ট্রিতে পড়াশোনা শেষ
করার পর আপনার রয়েছে বহুবিদ
ক্যারিয়ার গড়ার অনবরত সুযোগ ও
আকর্ষণীয় সম্মানীর অপার সম্ভাবনা।
যেমন পেশাগত জীবনে আপনি সরকারি
জব করতে চাইলে মেডিকেল
কলেজগুলোতে, বিসিএসআইআর, পরমাণু
শক্তি কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয়ে
শিক্ষকতা, বিসিএস,
আইসিডিডিআরবি, বাংলাদেশ ধান
গবেষণা ইন্সটিটিউট, পাট গবেষণা
ইন্সটিটিউটসহ অনেক সরকারি
গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানে আপনার জন্য
চাকরির দরজা খোলা রয়েছে। আর
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে
অন্যতম হল ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি
সেন্টার, ফার্মাসিউটিক্যাল
ইন্ডাস্ট্রি, খাদ্য উৎপাদন ও
সংরক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠন, ফরেনসিক ল্যাব,
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন,
বেসরকারি হাসপাতাল, রিচার্স
ল্যাবরেটরি, এইডস ও পশুপাখির
ভ্যাকসিন জাতীয় রোগ নির্নয়
প্রতিষ্ঠানসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে
রয়েছে আপনার সেরা ক্যারিয়ার গড়ার
সুবর্ণ সুযোগ ও সফলতার হাতছানি।
আয়-রোজগার
এখানে পড়াশোনা করে বেকার থাকা
বা চাকরি না পাওয়ার সম্ভাবনা খুব
কম। বায়ো-কেমিস্টদের জন্য রয়েছে
দেশে-বিদেশে সর্ব্বোচ সেরা
চাকরির উজ্জ্বল সম্ভাবনা। বিশেষ
করে বিদেশে বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে
গবেষণার প্রচুর সুযোগ ও চাকরির
ব্যাবস্থা আছে। এ পেশায় মোটা
অংকের বেতনসহ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার
ওপর ভিত্তি করে প্রমোশন ও অন্যান্য
সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। এখানে
শুরুতেই আপনি মাসে ৬০ থেকে ৭০
হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।
এমনকি মাসে চার থেকে ছয় লাখ টাকা
পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। মোটকথা এখানে
আপনার চাকরি যেমন উন্নত সাম্মানীও
তেমন মানসম্পন্ন।
উচ্চ শিক্ষা
এ বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য আপনি
বিদেশের খ্যাতনামা
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বেছে নিতে
পারেন। আর এ ক্ষেত্রে জাপান,
আমেরিকা, ফিনল্যান্ড ও কানাডাসহ
বিভিন্ন দেশে নামকরা
বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য
রয়েছে অপূর্ব সুযোগ।
বিশেষজ্ঞের অভিমত
বায়ো-কেমিস্টদের রয়েছে ব্যাপক
চাহিদা
প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ো-কেমিস্ট্রি
বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারপারসন
অধ্যাপিকা ড. হাসিনা খান বায়ো-
কেমিস্ট্রিতে ক্যারিয়ার সম্ভাবনা
সম্পর্কে জানান বায়ো-কেমিস্ট্রি
মানে জীবনের কেমিস্ট্রি। মানুষ, পশু-
পাখি ও অন্যান্য জীবদেহে রোগ
জীবাণু ঘটে এবং তা কোনো জিনের
মাধ্যমে ঘটে ও কোনো কোনো অনুজীব
ঘটায়। এছাড়া মানুষের শরীরের
পরিবর্তনের কারণ অনুসন্ধান, কৃষি
বিজ্ঞান, লবণাক্ততার মধ্যে ধানসহ
অন্যান্য শস্যকে অধিক উৎপাদন,
জীবদেহে একাধিক রোগ নির্ণয়সহ
সবকিছুই বায়ো-কেমিস্ট্রির অন্তর্ভুক্ত।
মোটকথা এর আয়তন ব্যাপক ও এটি একটি
বেসিক বিষয়। এছাড়া এটি গবেষণামূলক
বিষয়ও বটে। আর বায়ো-কেমিস্ট্রিতে
ক্যারিয়ার সম্ভাবনার মধ্যে অন্যতম হল
ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি,
ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং কৃষি ও
খাদ্য গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান,
চিকিৎসা বিজ্ঞান, ফরেনসিক ল্যাব
এবং মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
যেখানে বায়ো-কেমিস্টদের রয়েছে
ব্যাপক চাহিদা ও পর্যাপ্ত সম্মানী।
(Collected)

04/09/2017

পিএইচডি—সরল, গরল কথা.....
বাংলাদেশে পিএইচডি-কে যেভাবে দেখা হয়, আসলে সেটা তেমন কিছুই না। পিএইচডি হলো গবেষণার হাতেখড়ি। একজন শিক্ষার্থী সে সময়ে, গবেষণা কী করে করতে হয় সেটা শেখে। ডক্টরেট ডিগ্রীকে দেশের লোকজন (সিংহভাগ) যেভাবে তাবিজের মতো গলায় ঝুলিয়ে রাখার চেষ্টা করে, এটা আসলে সেটা তেমন কিছুই না। আমি যখন স্টকহোম ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করি, তখন সকাল-বিকলা ষাট-সত্তর জন সহকর্মীর সাথে দেখা হতো। তারা সবাই পিএইচডি-পোস্টডক করতো। সে ডিপার্টমেন্ট চলতো শুধু গবেষক দিয়ে। তাদের নব্বই শতাংশের বয়স ২৪-২৮ বছর।

গবেষণা একটা পেশা। এই ধারণাটাই আমাদের দেশে গড়ে উঠেনি। গবেষণা যারা করে তারাই গবেষক, উদ্ভাবক, বিজ্ঞানী। যেহেতু এটা একটা পেশা, তাই এর প্রস শুরু করতে হয় কাঁচা যৌবন থেকেই। সারা দুনিয়ায় গবেষণার শিক্ষাটা শুরুটা হয় ব‍্যাচেলর থেকে। তারপর পিএইচডির সময় (৩-৬ বছর) গবেষণা শিখতে হয় পাকাপোক্তভাবে। (আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ‍্যালয়গুলোতে চার বছরের স্নাতক আছে। অথচ, সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানে স্নাতক পর্যায়ে কোন গবেষণার সুযোগ নেই। বিষয়টা খুবই দুঃখজনক।)

পিএইচডির সময় একজন শিক্ষার্থীকে যে কয়েকটি বিষয় অবশ‍্যই ভালোভাবে শিখতে হয়: ০১. একটা প্রজেক্ট কী করে ডিজাইন করতে হয়। ০২. সে প্রজেক্ট থেকে পর্যাপ্ত/সন্তুষ্টজনক ফলাফল দাঁড় করানো। ০৩. প্রজেক্ট শেষে সেটাকে আর্টিকেল আকারে লেখা ও জার্নালে প্রকাশ করা। ০৪. নিজের কাজকে উপস্থাপন করতে শেখা এবং ফান্ড/গ্রেন্টের জন‍্য রিসার্চ প্রপোজাল লিখতে শেখা। এই কয়েকটি বিষয় যতো স্মার্টভাবে এবং গভীরভাবে শেখা যায়, ততোই ভবিষ‍্যতের পথ সুগম হয়।

পিএইচডির সময় ভালো জার্নালে পাবলিকেশনের চেয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হলো, ভালোভাবে কাজ শেখা। নতুন নতুন আইডিয়া উদ্ভাবন করতে শেখা। যে কোন বিষয়কে বিভিন্নভাবে চিন্তা করতে পারা। অসমাধানকৃত (Unsolved) বিষয়ের সমাধান খুঁজার চেষ্টা করা। কোন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে শেখা। মানুষ যখন একটা যৌক্তিক প্রশ্ন করতে যায়, তাকে সে বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে জানতে হয়। প্রশ্ন করার ক্ষমতা মানুষকে স্মার্ট করে। নানান দৃষ্টিকোন থেকে একটি বিষয়বস্তুকে ভাবতে শেখায়।

পিএইচডির সময় সে কাজগুলো বেশি বেশি করতে হয়: ০১. প্রচুর আর্টিকেল পড়া। ০২. বড়ো বড়ো গবেষকদের কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে জানা ও বুঝা। ০৩. সুযোগ মতো বিজ্ঞানী ও খ‍্যাতনামা গবেষকদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা এবং তাদের লেকচার শুনা। ০৪. ছোট হোক বড়ো হোক, বিভিন্ন আইডিয়া জন্ম দেয়ার চেষ্টা করা। ০৫. সহকর্মীদের সাথে প্রচুর আলোচনা করা। মানুষ যখন অন‍্যের সাথে আলোচনা করে, তখনই তার দুর্বলতা সহজে উপলব্ধি করতে পারে। গবেষণা করতে গেলে ইগো নিয়ে আত্মকেন্দ্রিক হওয়া যায় না। এটা বিনাশী ও আত্মঘাতী।
……….
নিউইর্য়ক। (Collected).

05/06/2017

কী হতে পারতাম....কী হচ্ছি এত কিছু জানি না....সবসময় জানি এর থেকে ভাল কিছু হত না
আপনার গবেষণা ভালো লাগে? জীবনের রহস্য উদঘাটনের স্বপ্ন কি আপনাকে শিহরিত করে? অথবা জটিল কোন রোগের প্রতিষেধক আবিস্কার করে হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচাতে চান? তাহলে আপনি পড়াশুনার জন্য বায়োকেমিস্ট্রি (Biochemistry) বা প্রাণরসায়ন বেঁছে নিতে পারেন।
প্রাণরসায়ন হলো বিজ্ঞানের এমন শাখা যেখানে জীব দেহে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন প্রাণ-রাসায়নিক বিক্রিয়া (Biochemical Reaction) এবং বিভিন্ন প্রাণঅণু (Biomolecules) নিয়ে আলোচনা করা হয়। ভাইরাস, ব্যকটেরিয়া থেকে শুরু করে উদ্ভিদ, প্রাণী- মানে সকল জীবন্ত বস্তুই প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, লিপিড, নিউক্লিয়িক এসিড, এমাইনো এসিড ইত্যাদি প্রাণঅণু নিয়ে গঠিত। প্রাণরসায়ন অত্যন্ত ক্ষুদ্র পর্যায়ে (Molecular Level) এসব প্রাণঅনুর মধ্যে ঘটা বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া (Chemical Reaction), শক্তির রুপান্তর (Transformation of Energy), প্রাণঅনুসমূহের রুপান্তর (Conversion of Biomolecules), বিভিন্ন কোষ বা অনুসমূহের মধ্যে সঙ্কেত আদান-প্রদান (Signal Transduction or Cell signaling) ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।
জীবনের রহস্য উদঘাটন থেকে শুরু করে রোগের প্রক্রিয়া, রোগের প্রতিষেধক আবিস্কার, বিবর্তন প্রক্রিয়া অনুসন্ধান, নতুন নতুন এন্টিবায়োটিক আবিস্কার, মস্তিস্কের গঠন এবং কাজ, বিভিন্ন রোগ নির্ণয় (Diseases Diagnosis), ফরেনসিক সায়েন্সে (Forensic Science) অপরাধী সনাক্ত করণ এবং কৃষিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে প্রাণরসায়ন বিস্তৃত হয়ে অনেকগুলো নতুন শাখা যেমন বায়োটেকনোলজি (Biotechnology), মলিকুলার বায়োলজি (Molecular Biology), জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering), সেল বায়োলজি (Cell Biology), বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics) ইত্যাদির জন্ম দিয়েছে এবং এসব ক্ষেত্রে তথ্য-প্রযুক্তিসহ অন্যান্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয় ।
বায়োকেমিস্ট্রির আন্ডারগ্রাজুয়েট বা গ্রাজুয়েট পর্যায়ে সাধারণত যে বিষয়গুলো পড়ানো হয়- ফিজিক্যাল কেমিস্ট্রি (Physical Chemistry), অরগানিক কেমিস্ট্রি (Organic Chemistry), সেল বায়োলজি (Cell Biology), জেনেটিকস এন্ড ডিএনএ (Genetics & DNA), মলিকুলসমূহের (Molecules) গঠন এবং কাজ, বিভিন্ন বায়োকেমিক্যাল প্রক্রিয়া (Biochemical Reaction), নিউরোবায়োলজি (Neurobiology), প্রোটিন এন্ড মেমব্রেন (Protein & Membrane), এনজাইমোলজি (Enzymology), প্ল্যান্ট বায়োকেমিস্ট্রি (Plant Biochemistry), মাইক্রোবায়োলজি (Microbiology), ডিজিজ মেকানিজম (Diseases Mechanism), মেটাবলিজম (Metabolism), নিউট্রিশন (Nutrition), ফিজিওলজি (Physiology) ইত্যাদি।
বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক বা এ-লেভেল এর পর বিভিন্ন পাবলিক এবং কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োকেমিস্ট্রিতে অনার্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রি গ্রহনের সুযোগ রয়েছে। বায়োকেমিস্ট্রি পড়ার জন্য বায়োলজি এবং কেমিস্ট্রিতে ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। এছাড়া কিছু গাণিতিক জ্ঞানেরও প্রয়োজন রয়েছে।
বাংলাদেশে বায়োকেমিস্ট্রিতে ক্যারিয়ার গড়ার চমৎকার সব সুযোগ রয়েছে। এই ক্ষেত্রে ভালো রেজাল্টধারীগণ বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা এবং গবেষণার সুযোগ লাভ করেন। দেশে-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বায়োকেমিস্টগণ বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে শিক্ষকতা, বিভিন্ন ঔষুধ কোম্পানি, বায়োটেকনোলজি কোম্পানি, ক্যামিক্যাল ইন্ড্রাস্টি, ফুড ইন্ড্রাস্টি, ফরেনসিক ল্যাব, হসপিটাল, ডায়াগনোস্টিক ল্যাব, কসমেটিক ইন্ড্রাস্টি ইত্যাদিতে কাজ করতে পারেন। এসবের বাহিরেও বায়োকেমিস্ট্রতে ডিগ্রিধারীগেণর জন্য বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বহুজাতিক কোম্পানি, ব্যবসা ইত্যাদিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে

05/06/2017

Proud to be as a student of Dept. of Biochemistry and Molecular Biology, Rajshahi University, Bangladesh. This year about 13 students of this department have achieved most honorable and prestigious MEXT (Monbukagakusho) scholarship from Japan.

বর্ষ বরন ১৪২৪......
14/04/2017

বর্ষ বরন ১৪২৪......

13/04/2017

বর্ষবরণ ১৪২৪
কালকের অনুষ্ঠানসূচি
সকালের নাস্তা> সকাল ৮.৩০ মিনিট(ডিপার্টমেন্টে)।
এরপর
বর্ণিল শোভাযাত্রা।
পান্তা ইলিশ এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।।
সবাইকে সকাল ৮.৩০ এর মধ্যে ডিপার্টমেন্ট এ উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হল।

09/01/2017

Mourn News:
Our beloved member of Biochemistry family Prof. Nurul Islam Siddik (Ex-Professor, Dept. of Genetic Engineering & Biotechnology, Khulna University)has died yesterday due to heart failure in abroad(Innalillahi wa inna ilahe rajeun). We became heartily sorrow for his untimely death and pray for the salvation of his departed soul.

Address

3rd Floor, Second Science Building, University Of Rajshahi
Rajshahi
6200

Opening Hours

Monday 08:00 - 14:00
Tuesday 08:00 - 14:00
Wednesday 08:00 - 14:00
Thursday 08:00 - 14:00
Saturday 08:00 - 14:00
Sunday 08:00 - 14:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Biochemistry & Molecular Biology, University of Rajshahi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Biochemistry & Molecular Biology, University of Rajshahi:

Share