Tales of Thracian

Tales of Thracian Department of Finance, Thracian 24th batch. University of Rajshahi.

নাম: সৌরভ বন্ধনসেশন: ২০১৮-১৯ডিপার্টমেন্ট: ফাইন্যান্সউল্লেখিত সন্ত্রাসী বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগ...
18/07/2024

নাম: সৌরভ বন্ধন
সেশন: ২০১৮-১৯
ডিপার্টমেন্ট: ফাইন্যান্স

উল্লেখিত সন্ত্রাসী বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের ১৯-২০ সেশনের সাথে অধ্যয়নরত অবস্থায় আছে। আমরা ফাইন্যান্স বিভাগের ১৯-২০ সেশনের সকল শিক্ষার্থী আজ হতে আমাদের সকল প্রকার শ্রেণী কার্যক্রম থেকে তাকে বয়কট করলাম। তার সাথে সকল প্রকার সহপাঠী স্বরুপ এবং সকল প্রকার সামাজিক সম্পর্ক আমরা ফাইন্যান্স ১৯-২০ সেশন রাখবো না।

সাধারণ শিক্ষার্থী
ফাইন্যান্স বিভাগ
২০১৯-২০ সেশন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

18/07/2024

বিজ্ঞপ্তি:

এখন থেকে, আমরা আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে আমাদের ফাইন্যান্স 24 তম ব্যাচের মধ্যে কোন ছাত্র রাজনীতি থাকবে না। ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত কাউকে আমাদের ব্যাচ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।
ফাইন্যান্স 24 ব্যাচ
2019-2020
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

“মন শুধু মন ছুঁয়েছে ও সেতো মুখ খোলেনি” থেকে শুরু করে, কখনো “পুতুলের মতো করে সাজিয়ে” হৃদয়ের আনন্দের ভাষা হয়ে,আবার কখনো ““...
30/01/2023

“মন শুধু মন ছুঁয়েছে ও সেতো মুখ খোলেনি” থেকে শুরু করে, কখনো “পুতুলের মতো করে সাজিয়ে” হৃদয়ের আনন্দের ভাষা হয়ে,
আবার কখনো ““বৃষ্টি দেখে অনেক কেদেছি” এর মতো বিষন্নতা ছুয়ে!
এক প্রজন্মের “কলেজের কোরিডোরে......” দেখা “মুখরিত জীবন......”, অন্য প্রজন্মের "এ এমন পরিচয়........." এর অন্য ভুবন, আর দু প্রজন্মের মেলবন্ধন আর স্মৃতির সাথে জড়িয়ে থাকা সোলস বারবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে নানা সুর হয়ে।

তাই তো আগামী ৪ঠা ফেব্রুয়ারি “দেখা হবে বন্ধু, কারনে অকারনে” আরেকবার পার্থ দার সোলস এর সাথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রঙ্গনে।
তবে “ কেন এই মৌনতা......?”
“Finance Reunion 2023” তে ৪ঠা ফেব্রুয়ারি শেখ কামাল স্টেডিয়ামে সবার “দিন কাটুক গানে...”
নতুন পুরাতন সকল বন্ধুদের মিলন্ মেলায় সোলসের সাথে গলা ছেড়ে গাইতে আসুন – “ও বন্ধু তোকে মিস করছি ভীষণ...।“



What a journey it was!Incredible.We were just awesome throughout the tournament.We stopped almost every team with our ro...
04/07/2022

What a journey it was!
Incredible.We were just awesome throughout the tournament.We stopped almost every team with our roar.
Thank you so much for those wonderful match gifted by our boys.
And also good luck for the finalist 22nd & 25th batch.

04/07/2021

"কি খুঁজিস অমন ব্যাকুল হয়ে??
বলি শোন, হারিয়েছে যা হারাতে দে না!"

"কিন্তু আমার যে শ্বাস নিতে বড্ড কষ্ট হয়?!!
বাঁচবো কি করে বলে দে না!!"

"মেয়ে, বাঁচার জন্য এক টুকরো খোলা আকাশ,বৃষ্টি, আর কৃষ্ণচূড়াই যথেষ্ট।"

"জানিস আমরা আকাশ দেখতাম,বৃষ্টিতে মাততাম,
কৃষ্ণচূড়া খোঁপায় দিতো!!"

"তোর মনের অসুখ সারবে না রে!! তুই কি একটু কাঁদবি!! প্লীজ??"

"উঁহু কাঁদলে বড় চোখ জ্বালা করে যে!! তার চেয়ে বুক ভারী হোক।আমি ভার সইতে না পড়ে ধসে যাই!!"

-আত্মকথন

Ara Akhi🌻

আমি আকাশ পাঠাবো 🌦️তোমার মনের আকাশে 💖📸 Imran Najir
19/06/2021

আমি আকাশ পাঠাবো 🌦️

তোমার মনের আকাশে 💖

📸 Imran Najir

জীবন নাটকের চেয়ে নাটকীয়। সেই জীবন নিয়ে যদি লেখা হয় গল্প তাহলে তা বিচার করার ক্ষমতা কারো নেই। কেননা আল্লাহ তা লিখে দিয়েছে...
01/09/2020

জীবন নাটকের চেয়ে নাটকীয়। সেই জীবন নিয়ে যদি লেখা হয় গল্প তাহলে তা বিচার করার ক্ষমতা কারো নেই। কেননা আল্লাহ তা লিখে দিয়েছেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার দোহাই আমাদের বাধ্য করেছে। সুতরাং সময় এসেছে ফলাফলের। প্রথম ফলাফল সবাই বিজয়ী। দ্বিতীয় ফলাফল তৈরি ছিলো আমাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ। তবুও ফলাফল দিতে হচ্ছে৷
সবার জন্য রইলো শুভকামনা, সবার আগ্রহ আমাদের সাহস দিয়েছে। পরবর্তীতে আরো ভালো কিছু করার চেষ্টা করবো।
পরিশেষে একটাই কথা বলবো, ব্যার্থতা এবং কোনো কিছু হারানোর অনুভূতি জয়ের আনন্দকে শতগুণ বাড়িয়ে দেয়।

24/08/2020

.0
গল্পের নাম:জীবনের যুদ্ধ
লেখক : জীবন তো লিখেন স্রস্টা
উপস্থাপনায় আমি মুমু

জীবন এমন একটি শব্দ যাকে বর্ণনা করতে গিয়ে কখনো হাসি কখনো কান্না কখনো বা নিঃশব্দ মনের আর্তনাদ বেরিয়ে আসে।
কেউ বলে জীবন ক্ষণস্থায়ী, একে যত উপভোগ করা যায় ততই ভাল।আসলেই কি জীবন এতটা
উপভোগ্য? না,জীবন এতটাও সহজ নয়।
আমরা সকলেই প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে চলেছি জীবনে। যুদ্ধ করে চলেছি নিজের সুখের জন্য নিজের মানুষের সুখের খাতিরে।
আমি জান্নাতুন নাহার মুমু।
আমার যুদ্ধজয়ের একমাত্র কারণ আমার মা।
আর বাবা ছিল একমাত্র ভয়।বাঘের ভয় যাকে বলে।
আম্মু ছিল শহুরে মেয়ে আর আব্বু গ্রাম্য শিক্ষিত ভিলেন। দুইজনই পেশায় শিক্ষকতা করেন। গ্রাম্য কুসংস্কার ও মানসিকতার তারতম্য থাকায় দুজনের মাঝে অনেক ঝামেলা চলতো।ছোটবেলা থেকে এসব দেখে বড় হয়েছি।যত বড় হচ্ছি ততই যেন আব্বু নামক ভয়াবহতা বেড়ে চলেছে মনে। সবসময় ভয় কাজ করতো যদি পরিবার ভেঙে যায়! কারন ব্রোকেন ফ্যামিলির ট্যাগটা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। কিন্তু আম্মু সব সহ্য করে আমাদের জন্য।
তবুও অনেক খারাপ প্রভাব পড়ে আমাদের উপর বিশেষত আমার উপর। কারণ আমি আম্মুর উপর চলিত অত্যাচার সহ্য করতে পারতাম না। পরিবারের এসবের চাপে ক্লাসের ১ম স্থানের ছাত্রী চলে গেল ১০ এর বাইরে।
আম্মু অনেক বুঝালো যে আমাদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই কষ্ট সহ্য করে আসছে ।তারপর ভাগ্যক্রমে সরকারি কলেজে সিট পেলাম।পাঠিয়ে দিল মায়ের থেকে পরিবার থেকে দূরে শহরে।খুব কষ্ট হয়েছিল একা থাকতে। তারপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে আম্মুর উপর অত্যাচারের জবাব দেওয়ার সংকল্প করলাম।
আব্বুর জন্য ছিল শুধুই অভিমান।আব্বু কলেজে আমাকে দেখতে আসতো না। এমনকি পরিক্ষার সময় ও আমি আম্মুকেই পাশে পেয়েছি আব্বু একটা কল দিয়ে শুভকামনাও জানালো না। 4.92 পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েও আব্বুর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারিনি কিন্তু আম্মু অনেক খুশি ছিল। ভর্তিপরীক্ষার সময় আব্বু আম্মুর ঝামেলা অনেক বড় আকার ধারণ করায় আম্মুকে আমি আমার সাথে শহরে নিয়ে আসি যদিও আব্বুর সাথে অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছিল আমাকে।
আব্বুর প্রত্যহ জালাতন সহ্য করতে হয়েছিল মোবাইলের আলাপে যা আমার পড়ালেখায় অনেক আঘাত হানে। তাও আম্মুর রাতজাগা আর আল্লাহর কাছে বিনীত নিবেদনের ফল আমার আজকের অবস্থান।আজ আমি সফল হইনি সফল হয়েছে আমার মা।

23/08/2020

.0

মুহূর্তে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প
নামরা আজম শিফা

আমি নামরা আজম শিফা।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের একজন ছাত্রী ।আজ আমার জীবন নিয়ে কথা বলব। ছোট থেকে বরাবরই আমার নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য কিংবা স্বপ্ন ছিল না। মধ্যমানের একজন ছাত্রী ছিলাম কখনো মেধাতালিকায় প্রথম থেকে দশম এর মধ্যে অবস্থান করতে পারিনি ।আমার মায়ের কথা অনুসারে পড়ালেখা কি তা অষ্টম শ্রেণি থেকে বুঝেছি, এভাবে পার হলো জেএসসি ও এসএসসি। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ 5 পেয়ে উত্তীর্ণ হলাম। মা-বাবার ইচ্ছাতেই বিজ্ঞান বিভাগ নেওয়া।এইচএসসিতে নিজের পছন্দের ব্যবসায় বিভাগ নিলাম এর জন্য অনেক মানুষের কাছে অনেক কথা শুনতে হয়েছে কিন্তু শেষে ভালো কিছু অর্জন করতে পেরেছি ।কলেজে ওঠার পরেই আমার জীবনটা বদলে যায় ,যখন আমি প্রথম বর্ষে আমার প্রিয় মানুষ আমার বাবা একটি বাস দুর্ঘটনায় হয়।তার ডান হাতের কুনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়,বাংলাদেশের ডাক্তারের কাছে কোন চিকিৎসায় পাওয়া যায়নি তারা বলেছিল হাত কেটে ফেলতে হবে কিন্তু আল্লাহর রহমতে ভারতে তার সুচিকিৎসা হয়। প্রায় সাতটি অপারেশন হয়, গাছের চারা কলম করার মতো তার পেট থেকে মাংস কেটে হাতে লাগানো হয়। শারীরিক-মানসিক অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছিল কিন্তু আল্লাহর রহমতে বর্তমানে সে কষ্ট থেকে পরিত্রাণ মেলেছে। যখন বাবা-মা দুজনই দেশের বাইরে তখন সংসার ও ছোট ভাই বোনদের দেখাশোনার দায়িত্বটা বড় সন্তান হিসেবে আমার কাঁধে আসে। বাবা ঠিকমতো সুস্থ হয়ে উঠতে না উঠতেই তার চাকরি হারান। আসলেই যখন জীবনে বিপদ আসে সকল দিক থেকেই আসে কিন্তু আল্লাহ বিপদ দিয়েছেন এবং তিনি তার সমাধান দেয়ার একমাত্র মালিক। আল্লাহর কাছ থেকে আমার বাবার প্রাণ ফিরে পাওয়াটাই অনেক বড় উপহার ছিল আমাদের সকলের জন্য। এসকল কঠিন সময় পার করতে না করতেই চলে আসে এইচএসসি পরীক্ষা, 4.67 জিপিএ পেয়ে ভেবেছিলাম বাবা-মা রাগ করবেন কিন্তু আমার এই সাফল্যে ই খুব খুশি ছিলেন তারা। এবার এলো ভর্তি পরীক্ষা স্বপ্নের নগরী ঢাকায় যাওয়ার ইচ্ছা কিন্তু আমার বাবা তাতে রাজি হননি, এসবের জন্য আমি অনেক কান্নাকাটিও করেছিলাম কিন্তু পরবর্তীতে তিনি আমাকে বুঝিয়ান ও সাহস যোগান এবং বলেন তুমিও অনেক ভালো জায়গায় ভর্তি হতে পারবা তোমার পুরো পরিশ্রমটা দিয়ে যাও সাফল্য আসবে ই ।আজ তাদের দোয়ায় আমি মতিহার চত্বরে জায়গা করে নিতে পেরেছি। আসলে জীবনে মা বাবার দোয়াটাই খুবই মূল্যবান জিনিস ।আমার কখনই আমার নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই শুধু এটাই চাই যেন বাবার যোগ্য সন্তান হতে পারি ।আমার বাবার জীবনে ভাগ্য পরিবর্তন রাজশাহী শহর থেকেই আমার জীবনও আমাকে এই শহরে নিয়ে এলো ,এবার নিজের ভাগ্য গড়ে তোলার পালা আমার ।সবশেষে সকলের কাছে একটা অনুরোধ রইল বাসে জানলার দিকে বসার সময় হাতটা একটু সাবধানে রাখিয়েন কারন, একটি দুর্ঘটনায় কেউ শুধু আহতই হয়না বরং তার সাথে জড়িত প্রতিটি মানুষের মুহূর্তে জীবন বদলে যায়।😊

22/08/2020

.0

গল্পের নাম:বিশৃঙ্খল জীবন
লেখক:ইনজামামুল হক

তোরা যে ভাবে লেখা-লেখি শুরু করছিচ এটা দেখে নিজেকে আর সামলাতে পারলাম না ,
তাহলে শুরু করা যাক-
আসলে আমি খুব ভাগ্যবান কারন আল্লাহ্ আমাকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মা-বাবা দিয়েছে,
ছোট বেলা থেকেই আমি অন্য দের থেকে ব্যতিক্রম ছিলাম,পড়া শুনা ও করতে চাইতাম না!
কিন্তু আমাকে পড়তে হতো , ক্লাস 1এ ভর্তির আগেই বিভিন্ন ধরনের বই আমার মাথার উপর
চাপিয়ে দেওয়া হতো , , আমার মা এখন বলে ,আমার নাকি চোখ দিয়ে পানি করতো আর মুখ দিয়ে পড়া লাগত, না পড়লেই মার!যাই হোক এই চাপে চাপে প্রাইমারি টা পর করলাম ,তার পর
মাধ্যমিকের যাত্রা শুরু ,, স্কুলে যেতেই একটা মেয়েকে ভালো লাগতে শুরু করলো এর আগে যে
মেয়ে টাকে ভালো লাগতো তাকে আর মনে পড়তো না!! ঐ মেয়ের সাথে খুব ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে ,অন্য দিকে মা -বাবা এর দেওয়া চাপের পরিমান কম ছিল ,তাই পড়া শুনা
ও তার মতো ছিলো , 6-7 যখন উঠলাম তখন প্রথম সারিতে ছিলাম তবে রেজাল্ট আমার ও আমার পরিবারের কাছে খুব কষ্টের ছিল , কিছু দিন মন খারাপ ছিলো , নতুন যে জুনিয়ার
আসলে তাদের মধ্য একটা মেয়েকে ভালো লাগায় মন খারাপ আর আগের মেয়ে টাকে ও ভুলে গেলাম।। চলছিলো ভালোই!! ক্লাস 7 এর ফলাফল খুব খারাপ হলো ,,মা অনেক মারছিলো !!
ঐ মার এর কথা এখনো মনে পড়লে এখনো ভয় লাগে । কিছু দিন পর সব ঠিক হলো , আমি চলছিলাম আমার গতিতে , আবার নতুন মেয়ে সেই আড্ডা!!!চলে এলো jsc,3-4 টা স্কুলের পরীক্ষা একটা স্কুলে হতো !!পরীক্ষা দিতে গিয়ে ও এক মেয়ের চক্করে পড়লাম , এমন ও হয়েছে পরীক্ষার হলে বসে ভাবতাম কী করে পাটানো যাই।। এই করতে গিয়ে পরীক্ষা চরম খারাপ হলো, , যাই পরীক্ষা শেষে মামা বাড়ি বেড়াতে গেলাম , ঐ খানে একটা মেয়ের সাথে
সম্পর্কে জড়িয়ে যাই!!আচ্ছা শুধু স্কুল-কলেজ এর বিষয় গুলো তুলে ধরি বাইরের টা বাদ ই থাক!!! Jsc এর রেজাল্ট দিলো , আমি পেলাম 3.39!!!খুব কন্না করেছিলাম , সব থেকে বেশি খারাপ লাগছিলো আমার জন্য আমার মায়ের চোখে পানি দেখে , তখন নিজেকে অপরাধী লাগছিলো, আমার বাবা আমার সাথে 1 মাস কথা বলেছিলো না , আমি নিজের সাথে কথা বলতে খুব ভালো বাসি , নিজেকে সেদিন বলেছিলাম বাবা মার চাওয়া টা পূরণ করতে হবে ,তাই যে ভাবে হোক ,নিজেকে অনেক ভারি ভারি কথা ও বলেছিলাম, ।।। স্কুল পরিবর্তনকরলাম, নতুন বন্ধু নতুন মেয়ে,সব কিছু মিলিয়ে jsc এর কষ্ট টা ভুলে গেলাম , সব কিছু আবার শুরু হলো , এল মধ্যে 9 এ আমি সব গুলো বিষয়ে কখনো পস করিনি ,যাই হোক ফেল করে 10 উঠলাম!!আড্ডাবাজি, মেয়েবাজি সব ঠিক ই ছিলো,, ক্লাস 10 এর 3 মাস পার হবার পর পরীক্ষা হলো ,এখানে ও এক বিষয়ে ফেল । স্কুল থেকে বললো স্যার-ম্যামরা বাসায়
গিয়ে অভিভাবকের কাছে ফলাফল দিবে , এবার তো মহা বিপদ,আমার বাসায় স্যারেরা গেলে আমার মায়ের অবস্থায় দেখে সেই jscএর কথা মনেপড়ে গেল, নিজের সাথে বলা কথা গুলো মনে পড়ে গেলো , নিজেকে পরিবর্তন করতে শুরু করলাম,স্কুল আর ব্যাচ বাদে বাসা থেকে বের হতাম না , রিলেশন আড্ডা সব বাদ দিলাম, শুধু স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা টা ছিলো, 9-10 পড়া কালিন এমন কোন অপরাধ /ফাজলামি নাই যেটা আমি করিনি , সব করছি ।সব বাদ দেওয়া পর শুধু স্কুলে গিয়ে একটু ফাজলামি করতাম ,পড়া শোনা শুরু করলাম। খুব কষ্ট হচ্ছিল, কারন ক্লাস 6-9 পর্যন্ত বড়ো একটা গ্যাপ রয়েছে , তাপ পর ও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম , এর মাঝে ষ্টাইল করে চুল কাটার জন্য আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়, আমিও
রাগ করে ঢাকা চলে যেতে চেয়েছিলাম,টিকিট করা ও শেষ 30মিনিট পর বাস।এর মধ্যে সংবাদ পেয়ে আমাকে নিয়ে আসে , আবার পড়া শুনা শুরু করলাম, , আমার মাথায় শুধু একটা কথাই ঘুরতো ,সেটা হলো রেজাল্ট যা ই হোন না কেমন ঐ রেজাল্ট যেন আমার মা বাবা কে খুশি করতে পারে ,পরীক্ষা দিলাম , ভালোই হলো পরীক্ষা। একটা বিষয় কী , আমি যেটা করতে চাই সেটা আমি করবোই , হয় এখন না হয় কিছু দিন পর তবে আমি করবো, ঐ যে ঢাকা যেতে চেয়েছিলাম, ঢাকা আমার যেতে হবে , আর পরীক্ষা শেষ ফ্রি সময়, যেতে আমাকে হবেই,ঐ ইচ্ছা টা পূরণ করার যথার্থ সময়, বাবা মা অনেক বারন করলো , তার পর ও গেলাম , আমার সম বয়সি এলাকার একটা চাচা একটা ব্যাটারি ফ্যাক্টরি তে চাকুরি করতো, ওকে বলে সেখানে গেলাম, 7000টাকা বেতনে চাকুরি নিলাম,অনেক কষ্ট হতো,করানো আমি কখনো কোন কাজ করিনি ,অভাব জিনিস টা কী কখনো আমি বুঝতে পারিনি,আর সেই আমাকে সকল 9টা থেকে সন্ধ্যা 7টা পর্যন্ত কজ করতে হয়। ভাবছিলাম চলে আসবো , তবে আসিনি কারন , কোন কিছু করতে গিয়ে পিছু হেঁটে চলে আসা এটা আমি মেনে নিতে পারিনি , বাড়িতে ফোন দিলে সবাই কন্না করে বলে তোর কী লাগবে বল ,চাকরি কেন করতে হবে, তবুও শুধু নিজের কাছে হেরে যাব না বলেই 1 মাস 17 দিন চাকুরি করলাম। এর মধ্যে ssc এর রেজাল্ট বের হলো , রেজাল্ট এ আমার মা-বাবা খুশি ছিলো তো আমি ও খুশি । খুলনার প্রথম সারির একটা কলেজে (খুলনা পাবলিক কলেজ)ভর্তি হলাম, আবার শুরু হলো সেই আডাবাজি আর মেয়ে বাজি ,, তবে পড়াশুনা করতাম যে টুকু না করলে নয়!!!আমার কলেজ লাইফের যতো গুলো মেয়ের সাথে যোগাযোগ করার মাধ্যম পেয়েছি তাদের সাথে রিলেশন করছি , বাড়িওয়ালার মেয়ে থেকে শুরু করে বাদ পড়েনি কেউ!!! এর মধ্যে হালকা পাতলা মাসতানি ও শুরু করেছি, বন্ধুর সংখ্যা খুব বেশিছিল , আডাবাজির কোন লিমিট ছিলো না , এই করতে করতে HSC এর নির্বাচনী পরীক্ষা চলে আসলো, ফলাফল যা হল কোন ভাবে চলে, তখন আবার নিজের সাথে একটু কথা বললাম, নিজেকে বললাম প্রথমত গ্রাম থেকে আসা , সবাই ভাবছে আমি ভালো কিছু করবো , এদিকে আমার বাবা মা আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখছে , আর আমার যে অবস্থা তা দিয়ে তাদের খুশি করতে পারবো না , ঐ দিন ই আবার ও সব বাদ দিলাম !!ঐ সময়ে hsc পরীক্ষার দিন পর্যন্ত পড়ার রুটিন করলাম , আড্ডা রিলেশন সব বাদ দিলাম, সিম পরিবর্তন করলাম , আগে 3 টা ব্যাচ ছিলো , সাথে আরো 3 টা নিলাম ।6 টা ব্যাচ +বাসায় একজন স্যার । নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করছিলাম ,পরীক্ষা খুব ভালোই দিয়েছিলাম।
পরে কোচিং এ ভর্তি হলাম , রোজার মধ্যে কোচিং এ ক্লাস চলছিলো , আর আমি ভাবলাম একটু আডাবাজি করি ঈদের পর পড়বো,ঈদের পর কোচিং এ গিয়ে দেখলাম সবার 70% শেষ ,,, আমার মাথার আকাশ ভেঙ্গে পড়ল , কোচিং এর সাথে নিজেকে আর মেলাতে পারছিলাম না , কোচিং এ ওদের অবস্থা দেখে বাসায় এসে 2 ঘন্টা আমার মুড অফ থাকতো , অনেক বেশি চাপ নেওয়ার কারনে পড়তে পারতাম না ,এই করতে করতে কোচিং এ যাওয়া বন্ধ করে দিলাম , ইংরেজি বাদে অন্য কোন কিছুতে আমার সমস্যা ছিলো না , তাই ইংরেজি এর জন্য একটা স্যার নিলাম,।। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা চলে আসে আমি ঢাকার সিলেবাস আর আমার প্রস্তুতির সাথে মেলালে বুঝলাম হবে না , জগন্নাথ এর সিলেবাস অনুযায়ী পড়তে থাকলাম , ঢাকার পরীক্ষা প্রস্তুতি হিসাবে ভালোই হলো , জগন্নাথ এর পরীক্ষা শেষ করে ভাবলাম জগন্নাথে হয়ে যাবে ,যখন প্রশ্ন মেলালাম, তখন সব শেষ হয়ে গেল , এমন এমন ভুল করছি যা মেনে নেওয়া যাই না, আমি রাগে নিজের হাতে কামড় দিয়ে রক্ত বের করে ফেলেছিলাম।। ভর্তি পরীক্ষার সময় আমি পড়ে মনে শান্তি আনতে পারছিলাম না , পড়তে ই পারছিলাম না , হয়তো খুব বেশি চাপ নিয়েছিলাম এই জন্য, ঐ সময়ে দিন গুলো খুব কষ্টে কেটেছে , আল্লাহ্ যেন ঐ রকম কষ্টের দিন আমার জীবনে আর না আনে , চাপের পরিমান এতো ছিলো প্রাই মনে হতো এখন মনে হয় ষ্টোক করবো।এই ভাবে জাহাঙ্গীরনগরের পরীক্ষা ও শেষ হলো, , অনেক দিন পর গ্রামে গেলাম , ও ভালো কথা hsc রেজাল্ট এর ব্যপারে তো কিছু বলা হলো না। আমার বিশ্বাস ছিলো A+ আসবে তবে ভাগ্য সহায় ছিলো না , তাই একটু জন্য মিচ হলো , ভাগ্যের কথা এই জন্য ই বলছি কারন আমি বাংলায়া 30টি টিকে 30 টি ই হয়েছিল তবে রিটেনে পেলাম মাত্র 38 যেটা আমার আছে একটু অন্য রকম লাগছে ,যাই হোক মা-বাবা খুশি ছিলো না তবে কষ্ট পাইনি , তাই আমি ও কষ্ট পাইনি , । ঐ যে গ্রামে গেলাম , এক জন আমার ভর্তি পরীক্ষার খোঁজ নিচ্ছিল , আমার পরীক্ষা গুলো কথা শুনে সে একটা কথা বলে ছিলো যেটা শুনে 1 মিনিট আমার শরীর ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিলো,আমি ঐ সময়ে খুলনা চলে আসি , আসার পথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যতো গুলো বই বের হয় সব গুলো কিনি , মোট 5 টা বই কিনি , বাসায় গিয়ে ঐ অবস্থায় আবার রুটিন করি , আবার নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করি ,
ভালোই পরীক্ষা দেই,(অনেক বড় করে ফেলছি ছোচ করি )মেধা তালিকায় নাম আসে ,যেদিন রাতে রেজাল্ট দিয়েছিল ঐ দিন রাত 8 টায় আমি কুষ্টিয়া থেকে খুলনা পৌছায়,খুব ক্লান্ত তাই খাবার অর্ডার করে খেয়ে 9 টার ভেতরে ঘুমিয়ে পড়ি,মনে হয় 5 বছর পর ঐ দিন এতো সকলে ঘুমিয়েছি , তাড়াতাড়ি ঘামানোর জন্য ফজরের অগে ঘুম ভেঙ্গে যায়, রীতিমত ফোন হতে নিতেই দেখি অনেক গুলো বন্ধু ফোন করেছে , ভাবলাম কিছু একটা হয়েছে , সবার ফোন দেখে খুব টেনশন হচ্ছিল তবে ঐ টাইমে তো আর কাউকে কল ব্যাক করা যাই না তাই ভাবলাম ডাঁটা টা অনেক করি দেখি কিছু জানতে পারি কী না , ডাঁটা অনেক করতে ই দেখি একটা বন্ধু রাবি এর লোগ দিয়ে পোস্ট করছে শ্বপ্নে ছোয়া হলো না , তখন বুঝলাম কী হয়েছে আমার শরীর কাঁপছে বেড থেকে নেমে টেবিলে ফাইল আনতে গিয়ে 3 বার পড়ে গিয়েছি ,এতো ই নারভাচ ছিলাম কিছুই করতে পারছিলাম না , খুব কষ্ট করে রোল টা টাইপ করে সাবমিট করলাম ,ঐ সময়ে সার্ভারে লোড কম থাকায় সাথে সাথে চলে আসে , আমি নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না , জুম করে করে বার বার দেখছিলাম এটা আমার রোল তো ? ঐ সময়ের অনুভূতি টা আসলে কোন ভাবে প্রকাশ করা যাই না ,, আবার ও বাবা মা কে খুশি করতে পারলাম , এটাই শান্তি। আসলে আমার মা-বাবার জন্য ই আমি আজ এখানে ।।। এখনো আমার কোন কাজে যদি আমার বাবা মা খুশি তো আমি খুশি সে কাজ টা যত কম মূল্যাবান হোক না কেন , আর কোন কাজে আমার মা বাবা খুশি না হলে আমি খুশি না ঐ টা যতো বড় হোক না কেন ,,,। সবাই তার জীবনের লক্ষ্য নিজে ঠিক করে , আর আমার জীবনের লক্ষ্য আমার বাবা ঠিক করে , আমার পথ আমার বাবা দেখায় , আমি শুধু বাবার স্বপ্নকেই পূরণ করে চলতে চাই , আর নিজে শ্বপ্ন দেখতে চাই না কারন আমার বাবার থেকে ভালো শ্বপ্ন আমি দেখতে পারবো পারবো না!!!!

22/08/2020

.0
পিছুটান
জাহিদুল ইসলাম


জীবন নাটকের চেয়েও বেশি নাটকীয়।সবার পরিস্থিতি সবার যায়গা থেকে কখনোই বুঝা সম্ভব নয়।প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে পড়াশুনার জন্য উঠে আসা,মাঝির ন্যায় নৌকার মতো হালা নিতান্তই অনেক বেগময়।প্রাইমারি স্কুলে মোটামুটি ভালো ছাত্রই ছিলাম।পরিবারের অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো।পড়াশোনার খরচ মিটাবার সামর্থ ছিলো না।স্যার দের অনুনয়, মিনতি করে কিছুটা ছাড় পাওয়া যেতো।চার ভাই বোন পড়াশোনা করতাম,খরছ নেহাত কম হয় না।আব্বায় কাচামালের ব্যবসা করতো।পরিবারের হাল চলছিলো না,ভাই এই পরিস্থিতি দেখে বিদেশে যাবার বায়না ধরলো। এখানে অনেক টাকা। যাই হোক টাকা মামাদের কাছে থেকে হাওলাত নিয়ে ভাইয়ের ব্যবস্থা করা যায় কি না সেটা মা দেখতেছিলো।আব্বার কাচামালের ব্যবসায় ভাই অনেক সাহায্য করতো।সমাপনী পাস করার পর ভালো স্কুলে ভর্তি হবার ইচ্ছে ছিলো,টাকা নাই সুতরাং উপায়ও নাই।মাদ্রাসায় যাওয়ার ইচ্ছে ছিলো তাও টাকার জন্য হলো না।বাড়ির পাশের স্কুলে ভর্তি হলাম।আর পাশাপাশি আব্বারে ব্যবসায়ের সাহায্য করতাম।মাঝে মাঝে স্কুলে মজা কিনার সামর্থ ছিলো না।কলম ও খাতা কিনার জন্য ও টাকা পেতাম না।কাজিন দের পুরাতন কাপড় দিয়ে ঈদ কাটাতাম বেশির ভাগ সময়।উপায় ছিলো না।
আমার এর স্যার ছিলো,স্যারের একটা নার্সারি ছিলো সেখানে কলম, খাতা আর,মজা কিনার জন্য কাজ করতাম।প্যাকেট ভরতাম,গাছা লাগাতাম। আমার এখনো মনে আছে ১০০প্যাকেট ভরলে ৫টাকা পেতাম।আর স্কুলে গিয়ে আকাশি গাছে বিচি কুরাইয়া স্যারের কাছে বিক্রি করতাম।স্কুলে সাথে বন্ধু মজা খাইতো,টাকা নাই দেখে টিফিনের সময় একটু দূরে চলে যেতাম। টিফিন শেষ হলে আবার আসতাম।বাড়ি থেকে কখনো মজা কিনার জন্য টাকা দিতো না।এই ভাবে চলতে গিয়ে ৬থেকে ৮ ক্লাস পর্যন্ত পড়াশোনায় খারাপ হয়ে যায়।অনেক স্কুল ফাকি দিতাম।স্কুল ফাকি দিয়ে আব্বার সাথে মাঝে মাঝে কাজ করতাম।আমার স্কুলের বন্ধুদের বেশিরভাগ বাড়ি আমার চেনা,কারণ কাচামাল সংগ্রহ করতে যেতাম,যেমন আম,কাঠাল,লিচু,আমলকি ইত্যাদি।মাঝে মাঝে সংকোচ বোধ করতাম কিন্তু অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছি।আমার জীবনের সবচেয়ে সোনালী সময় ছিলো জে,এস,সি পরীক্ষার আগের ২মাস।এই সময় পড়াশোনার আগ্রহ তৈরি হয়।
আমার ফুফাতো ভাইয়ের কাছে যেয়ে পড়াতাম।ওরা আমাকে অনেক হেল্প করেছে। এখনো করে।২মাস পড়াশোনা করে সবার শেষে থাকা রোল নিয়ে জে,এস,সি পরীক্ষায় সেকেন্ড হয়।ভাই ও বিদেশ চলে যায় টাকার ধার নিয়ে,বোনের বিয়ে দেন ভাই।কিছুটা আলোর মুখ হয়তো দেখা যাচ্ছিলো।কখনো গরিব বলে পড়াশোনা করতে পারবো না এমন পিছুটান আমার মধ্যে ছিলো না।জে,এস,সি পরীক্ষার পর থেকে ভালো ভাবে পড়াশোনা করি।এস এস,সি এর পর ভালো একটা কলেজে ভাইয়ের মাধ্যমে ভর্তি হয়।ঢাবি তে না হওয়ায় মন অনেক খারাপ হয়েছিলো।তারপর আলাদা কোন প্রিপারেশন ছাড়া বাকি গুলোতে পরীক্ষা দেয়।জবিতে হয়,গোপালগঞ্জে হয়,রাবিতে হয়,তারপর আর পরীক্ষা দেয় নি।যাই হোক আমার চলার পিছনে আমার ভাইয়ের ক্রেডিট সবচেয়ে বেশি।এখনো আর্থিক অনটন কষাঘাত করে,এখন আর ভয় পাই না।পিছুটান নেই।সাহস নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়।আসলে এতো অল্প লেখা দিয়ে তো জীবনের সব তুলে ধরা সম্ভব নয়।
হাজোরো পিছুটান আর প্রতিকূলতা থাকবেই তার মধ্যেই এগিয়ে যাওয়ার নাম ই মনে হয় দৃঢ় প্রত্যয়।সবার জন্য ই দোয়া রইলো।আমার জন্যও দোয়া চাই।

22/08/2020

.0
জীবনের অজানা গল্প
মো:সজীব সরদার

#আসসালামুআলাইকুম।

#প্রথমেই সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি এবং যারা আমাকে এরকম একটি প্লাটফর্মে জীবনের কথাগুলো সবার সাথে শেয়ার করার সুযোগ দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।যদিও ঘটনাটা ছোট করে লিখতে পারিনি তারপরও বিচারকদের ভালো লাগলে পড়বেন।না পড়লেও দুঃখ নেই।সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মানোটা আমার ভাগ্যে ছিল না।তাই জন্মেছিলাম প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের এক নিম্নবিত্ত পরিবারের বাবামায়ের কোলে।আর এটাই বোধয় আমার জীবনের সবথেকে বড়ভুল ছিল।কারণ,প্রতিটা গরীব ঘরে জন্ম নেয়া শিশুই বেড়ে ওঠে অভাব,অনটন আর কষ্ট,দুঃখ,দারিদ্রতার মাঝে।আমি সেই হতভাগা পরিবারের ছোট সন্তান।অনেক আশার আলো নিয়ে জন্মেছিলাম।বাবা ছিল আমার খেলার সাথী।খেলতে গিয়ে হোচট খেয়ে পড়ে গেলে বাবা তার বুকে জরিয়েধরে দুগালে চুমু দিয়ে চোখের জল মুছে দিত।এই সুখ বেশীদিন আমার ভাগ্যে ছিল না।""" #লোকে বলে ভালো মানুষ বেশীদিন বেঁচে থাকে না""""।তিনি ছিলেন সরলসোজা ও ভালো মানুষ(সবাই বলে)।লোকের কথাই সেদিন সত্যি হয়,যেদিন ঠিক আমার জন্মের 3 বছরের মাথায় বাবার এক অসহ্য যন্রণাদায়ক মৃত্যু হয়(Rice Mill Accident)।বাবার লাশের পাশে দাড়িয়ে আমি খেলছিলাম।তখনও বুঝিনি বাবা আর নেই।তিনিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র যোগানদাতা।সেই অর্থে 2বোন,1ভাইয়ের লেখাপড়ার খরচ ও সংসার চলতো।সেই মুহুর্ত থেকে সবার পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যায়।

#এরপর কয়েকবছর কাটার পর মা লোকের বাসায় কাজ করে ও ভাই অন্যের দোকানে কাজ করে সংসারের হাল ধরে।তবুও অনেক কষ্ট ছিল পরিবারে।সবকিছুই নিজের চোখে দেখতাম কিন্তু কিছুই করতে পারতাম না।কারণ,তখনও যে আমি অনেক ছোট ছিলাম।আরও কয়েকবছর কেটে যায়।ততদিনে বোনেরা নিজেদের দক্ষতা ও প্রচেষ্টায় SSC ও HSC শেষ করে এবং তাদের বিয়ে হয়।

#এভাবেই বেশ কয়েকবছর কেটে যায়।ততদিনে অনেক কিছুই বুঝতে শিখেছি।কারণ তখন সবে সবে 8ম শ্রেণীতে উঠেছি।সবঠিকঠাকই চলছিল,কিন্তু যতই উপরের ক্লাসে উঠছিলাম ততই পড়াশুনার খরচ দিতে হিমসিম খাচ্ছিলাম।তারপরও মা ও ভাই কষ্ট করে আমাকে পড়াচ্ছিল।কারণ,ভাই সবসময় একটা কথাই বলতো:: #আমি পড়তে পারিনিতো কি হয়েছে তোকে যতদূর সম্ভব পড়াশুনা করাব""""""।তাই বোধয় একবুক আশা নিয়ে পড়াচ্ছিল।এরই মধ্যে 8ম ও 9বম শ্রেণী পাস করে 10ম শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রণ করব।কিন্তু অত টাকা যে আমাদের কাছে ছিল না।তাই অনেক বিত্তবান লোকের কাছে দারস্থ হই।কিন্তু কারও কাছ থেকে কোনো সাহায্য না পাওয়ায় মা ও ভাই দিনরাত পরিশ্রম করে কোনোভাবে অর্ধেক টাকা যোগাড় করে। এবং স্যারদের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশগ্রহন করি।মা-ভাই ও সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় সন্তোষজনক ফলাফলে উত্তীর্ণ হই।গ্রামে বড় হবার ফলে ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা ঢাকার বিষয়ে কোনো ধারণা ছিলনা।তাই নিজের অজান্তেই বোধয় আরওএকটু ভালো পড়াশনার জন্য ঢাকার অকটি স্বনামধন্য বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার আবেদন করি।পরবর্তীতে মাসিক ফি খরচ বেশী হবার কারণে পড়তে দ্বিদাবোধ করি।কিন্তু একটাই বাধা #ভাই!!!।তিনি বলনেন°°° #দরকার হলে গায়ের রক্ত বেঁচে তোকে পড়াশুনা,যেখানে পড়তে চাস সেখানেই পড়াব।তবুও তুই পড়াশুনা ছাড়বি না°°°। #আর তাই হলো প্রতি মাসে 15,000--20,000 টাকা মাসিক ফি দিতে কষ্ট হলেও কলেজের গন্ডি পেরিয়ে আজ আমি বাংলাদেশের 1ম সারির বৃহত্তম একটি সরিকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পেরেছি।এটা শুনে মা এ ভাই বলে উঠে°°°° #বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পেরেছিস আমাদের আশা পূর্ণ হয়েছে,আর কোনো কষ্ট নেই°°°।তাই এই সাফল্যের একমাত্র অংশীদার হলো আমার মা ও ভাই।যারা সবসময় আমার পাশে থেকে কোনো কষ্ট বুঝতে দেয়নি।অনেক চরাই-উৎরাই পেরিয়ে আজ আমি এই যায়গায় এসেছি।আর ধন্যবাদ জানাই আমার শিক্ষক,সহপাঠী ও বন্ধুদের যারা এই পর্যন্ত আমার সজ্ঞে ছিলেন কেউ প্রতিযোগী আবার কেউবা উৎসাহদাতা হিসেবে।আজ বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো সবচাইতে বেশী খুশি হতেন।আল্লাহ্ তাকে জান্নাত দান করুক।
#সবাই আমার ভাই,মা ও বাবার জন্য দোয়া করবেন।

#ধন্যবাদ মাননীয় বিচারকমন্ডলী,ধন্যবাদ সবাইকে।এতক্ষণ ধরে আমার ঘটনাগুলো পড়ার জন্য।

Address

Rajshahi

Telephone

+8801639791043

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tales of Thracian posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Tales of Thracian:

Share