Jamia Usmaniya Husainabad Rajshahi-JUHR

Jamia Usmaniya Husainabad Rajshahi-JUHR Establishment period: 1994. Founder and Chief Sponsor: Maulana Muhammad Idris Sandwipi, Ummah Ummah Ummah in the greatest Oli Muslim.

Usmania University Location at a Glance: The madrassa is located in a beautiful and pleasant environment adjacent to the Eidgah / Gorasthan, on the west side of Katakhali Bazar, just two kilometers east of Rajshahi University, on the outskirts of Rajshahi University. Chief Sponsor: Khalifa Madani Shaykhul Islam Allama Shah Ahmad Shafi Rah. Current Chief Sponsor: Janeshin Madani Allama Sayyid Arsha

d Madani President: Hazrat Hafez Maulana Muhammad Faizullah Teacher Number: 77 Student Number: 1500 Employees Number: 10 lakhs and Purpose; 1-Deen Islam Promotion 2- Implementation of the pure aqeedah and belief of the Sunnah Wall Jamaat 3-Islamic Tahzib-Tamadun's custody 4- Conservation of Islamic knowledge science 5-Arabic language is a wide practice of knowledge and knowledge of the country. Departments: 1-Maktab Division 2-Tahfizul Quran Division 3-Book Division (from Urdu to Dawarai Hadith-Masters) 3-Banat Division 3-Fatwa Division 3-Nurrani Muallim Training Division. Text Subjects: 1-Tarjamatul Qur'an 2-Tafsirul Qur'an 3-Ulumul Qur'an 4-Usul Tafsir 5-Hadith 6-Usul Hadith 7-Fiqh 9-Akayed 10-Arabic Ornamental Shastras 11-Arabic Grammar 12-Arabic and Bengali Literature-Urdu-Urbi. Language Education: 1-Arabic 2-Bangla 3-Urdu 4-English 5-Persian. Characteristics of Osmania: 1 - Creating a spirit of Ikhlas and integrity and reward in all activities and activities 2-Students who obeyed the Islamic ideals as a good follower of the Prophet (peace be upon him) in accordance with the Deoband of Akbir.Future plans:
1-Build a state-of-the-art student auditorium.
2-To establish a central library rich in valuable and scarce books from home and abroad.
3-Phase construction of multi-storey residential dormitory buildings around Osmania.
4-Construction of Ottoman Staff Quarters.
5-Purchasing land for various projects in Ottoman.
6-Creating a huge physical training ground for students.
7-Large scale guest house construction.
8-Establishment of science laboratory in the light of Quran and Sunnah.
9-To establish a prosperous and modern hospital to ensure the well-being of all.

আজ মাসিক ইসলাহী জোড়৷জামিয়া উসমানিয়া হোসাইনাবাদ রাজশাহী - কাটাখালি মাদরাসা-য় আজকে ইংরেজী মাসের প্রথম শনিবার মাসিক ইসলাহী...
04/04/2026

আজ মাসিক ইসলাহী জোড়৷

জামিয়া উসমানিয়া হোসাইনাবাদ রাজশাহী - কাটাখালি মাদরাসা-য় আজকে ইংরেজী মাসের প্রথম শনিবার মাসিক ইসলাহী জোড় (আত্মসংশোধনমূলক দ্বীনি মাহফিল) অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ৷

বাদ মাগরিব হতে এশা পর্যন্ত
(এশার জামাত- ৮:৩০pm)৷

সকলের প্রতি দ্বীনি দাওয়াত রইল৷

১৫ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরী
০৪/০৪/২০২৬ইং৷

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন৷জামিয়া পটিয়ার মুহতামিম হযরতুল উস্তাদ আবু তাহের নদভী রাহ. জোহরের নামাযের পর কিছুক্ষ...
30/03/2026

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন৷

জামিয়া পটিয়ার মুহতামিম হযরতুল উস্তাদ আবু তাহের নদভী রাহ. জোহরের নামাযের পর কিছুক্ষণ পূর্বে ইন্তিকাল করেছেন৷

জামিয়া উসমানিয়া হোসাইনাবাদ রাজশাহীতে ভর্তি হতে আসা নতুন ছাত্র ও অভিভাবকদের মেহমানদারী। প্রতিবারের ন্যায় এবারও ভর্তিচ্...
28/03/2026

জামিয়া উসমানিয়া হোসাইনাবাদ রাজশাহীতে ভর্তি হতে আসা নতুন ছাত্র ও অভিভাবকদের মেহমানদারী। প্রতিবারের ন্যায় এবারও ভর্তিচ্ছু ছাত্রদের জন্য এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

আগামী কাল থেকে Jamia Usmaniya Husainabad এ ভর্তি শুরু হচ্ছে।সকলের জন্য শুভ কামনা রইল।
26/03/2026

আগামী কাল থেকে Jamia Usmaniya Husainabad এ ভর্তি শুরু হচ্ছে।
সকলের জন্য শুভ কামনা রইল।

24/03/2026

কেউ কি খেয়াল করেছেন?
মুফতি আব্দুল মালেক সাহেবের কথা বলার ধরণ আর হাতিয়ার হুজুরের কথা বলার ধরণ সেম সেম!

১৪৪৭/৪৮ হিজরী মোতাবেক ২০২৬/২৭ ঈসায়ী শিক্ষাবর্ষের ইফতা, কেরাত ও কিতাব বিভাগের ভর্তি ফি এবং মাসিক খরচের বিস্তারিত বিবরণ।
22/03/2026

১৪৪৭/৪৮ হিজরী মোতাবেক ২০২৬/২৭ ঈসায়ী শিক্ষাবর্ষের ইফতা, কেরাত ও কিতাব বিভাগের ভর্তি ফি এবং মাসিক খরচের বিস্তারিত বিবরণ।

সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা।ঈদ মোবারক তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম" (تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ)
21/03/2026

সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম" (تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ)

 েকাফএ'তেকাফ আরবি শব্দ৷ এ'তেকাফ শব্দের অর্থ হলো- বসে থাকা, অবস্থান করা, বিশ্রাম করা, সাধনা করা ইত্যাদি। শরয়ী পরিভাষায় এ'...
10/03/2026

েকাফ
এ'তেকাফ আরবি শব্দ৷ এ'তেকাফ শব্দের অর্থ হলো- বসে থাকা, অবস্থান করা, বিশ্রাম করা, সাধনা করা ইত্যাদি।
শরয়ী পরিভাষায় এ'তেকাফ অর্থ রমযানের শেষ দশকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রক্ষা করে পুরুষরা আল্লাহর ঘর মসজিদে আর মহিলারা বাসা বাড়ির নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করা।
রমযানের রোযার যত হক নষ্ট হয়েছে, যত ত্রুটি-বিচ্যুতি ও গাফলত হয়েছে তা সংশোধন করার জন্য এবং রমযানের কল্যাণ ও বরকত পরিপূর্ণ হাসিল করার জন্য এ'তেকাফ হচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
এ'তেকাফ যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য একটি শেষ সুযোগ যাতে সে রমযানের সমস্ত ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে।
এ'তেকাফ যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য সরকারি দাওয়াত, যেন বান্দা দশদিন তার বাড়িতে সরকারি (জান্নাতি) মেহমান রূপে বেড়িয়ে যায়।
েকাফের_মর্যাদা_ও_শান :
এ'তেকাফ যেহেতু একটি মসজিদভিত্তিক এবাদত। তাই ধরে নেওয়া যায় যেদিন থেকে আল্লাহর ঘর নির্মিত হয়েছে, সেদিন থেকেই অদ্যবধি তার মাহবুব বান্দারা তারই ঘরের মেহমান হয়ে তার তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করে চলেছেন। রব্বে কারিম মসজিদ নির্মাণের উদ্দেশ্য আদর্শ বর্ণনা করে সুরা বাকারার
১২৫ নং আয়াতে জাতির পিতা ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াত তাসলিমকে বললেন,
وَعَهِدْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ أَنْ طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ.
আর আমি ইবরাহীম ও ইসমাঈলকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম যে, ‘তোমরা আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, এ'তেকাফকারী ও রুকূকারী-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র করো।
এ'তেকাফের মাধ্যমে লাইলাতুল ক্বদর নসিব হওয়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আর লাইলাতুল কদরের আশায় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথমে রমযানের প্রথম দশদিন এ'তেকাফ করেছেন৷ আত:পর দ্বিতীয় দশদিন এ'তেকাফ করেছেন৷ অত:পর স্বপ্নে তাকে জানানো হলো যে, লাইলাতুল কদর শেষ দশকে রয়েছে৷
হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
إِنِّي اعْتَكَفْتُ الْعَشْرَ الأَوَّلَ أَلْتَمِسُ هَذِهِ اللَّيْلَةَ ، ثُمَّ اعْتَكَفْتُ الْعَشْرَ الأَوْسَطَ ، ثُمَّ أُتِيتُ فَقِيلَ لِي : إِنَّهَا فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ ، فَمَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يَعْتَكِفَ فَلْيَعْتَكِفْ ، فَاعْتَكَفَ النَّاسُ مَعَهُ
আমি প্রথম দশদিন এ'তেকাফ করেছি- এই রাতের (লাইলাতুল ক্দরের) খোঁজে, এরপর মাঝের দশ দিন এ'তেকাফ করেছি। এরপর আমাকে বলা হল, লাইলাতুল কদর শেষ দশকে। সুতরাং আপনাদের মধ্যে যার ইচ্ছা হয় তিনি এ'তেকাফ করুন। তখন লোকেরা তাঁর সাথে এ'তেকাফ চালিয়ে গেল।
এ'তেকাফের মর্যাদা বোঝানোর জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে,
আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজে শেষ দশকে এ'তেকাফ করার ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। শুধু তাই নয়! তাঁর পবিত্র স্ত্রীগণও এ'তেকাফ করতেন এবং তাঁর সাহাবীরাও এ'তেকাফ করতেন৷ আর উম্মতকে তিনি এ'তেকাফ করার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতেন।
যেমন হাদীস শরীফে বর্নিত হয়েছে,
عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ فَسَافَرَ عَامًا فَلَمَّا كَانَ مِنْ الْعَامِ الْمُقْبِلِ اعْتَكَفَ عِشْرِينَ يَوْمًا.
হযরত উবাই বিন কা’ব রা. থেকে বর্ণিত৷ হযরত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি বছর রমাযানের শেষ দশ দিন এ'তেকাফ করতেন। তবে তিনি কোন এক বছর রমযানে সফরে অতিবাহিত করেন। এরপর পরবর্তী বছর তিনি বিশ দিন এ'তেকাফ করেন।
(সুনানে ইবনে মাজাহ-১৭৭০)
হাদীস শরীফে আরও বর্নিত হয়েছে-
وَعَنْ عَائِشَةَ: أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ كَانَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ حَتّٰى تَوَفَّاهُ اللّٰهُ ثُمَّ اعْتَكَفَ أَزْوَاجُه مِنْ بَعْدِه. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত৷ তিনি বলেন, হযরত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সবসময়ই রমযান মাসের শেষ দশদিন এ'তেকাফ করেছেন৷ তাঁর ওফাতের পর তাঁর স্ত্রীগণও এ'তেকাফ করেছেন।
(সহিহ বুখারী-২০২৬)
আর ওয়াফাতপূর্ব বছরে তো তিনি বিশদিন এ'তেকাফ করেছেন।
হাদীস শরীফে বর্নিত হয়েছে,
وَكَانَ يَعْتَكِفُ كُلّ عَامٍ عَشْرًا، فَاعْتَكَفَ عِشْرِينَ فِي العَامِ الّذِي قُبِضَ فِيهِ.
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি বছর দশ দিন এ'তেকাফ করতেন। কিন্তু ইন্তেকালের বছর তিনি বিশ দিন এ'তেকাফ করেছেন৷ (সহিহ বুখারী- ৪৯৯৮)
এই সময় তিনি ইবাদতের তরে এত বেশি মেহনত করতেন যে, যা অন্য কখনো করতেন না।
আয়েশা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَجْتَهِدُ فِى الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مَا لاَ يَجْتَهِدُ فِى غَيْرِهِ.
রাসূল স.রমযানের শেষ দশকে (ইবাদত-বন্দেগীতে) যে পরিমাণ পরিশ্রম করতেন অন্যসময়ে তা করতেন না।
(সহিহ মুসলিম -১/৩৭২)
সারারাত জেগে থাকতেন আপন পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন।
হাদীস শরিফে ইরশাদ হয়েছে,
عن عائشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخل العشر أحيا الليل وأيقظ أهله وجد وشد المئزر.
আম্মাজান আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমযানের শেষ দশক আরম্ভ হওয়ার সাথে সাথে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সারারাত জেগে থাকতেন ও নিজ পরিবারের লোকদেরকে ঘুম থেকে জাগাতে এবং তিনি নিজেও এবাদতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন। (সহিহ মুসলিম -২৬৫৪)
#এতেকাফের_ফজিলত :
হাদিস শরিফে এসেছে,
ইবনে আব্বাস রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ স.এ'তেকাফকাফকারীর ব্যাপারে বলেছেন,
هُوَ يَعْكِفُ الذُّنُوبَ ، وَيُجْرَى لَهُ مِنْ الْحَسَنَاتِ كَعَامِلِ الْحَسَنَاتِ كُلِّهَا.
এ'তেকাফকারী গুনাহকে প্রতিরোধ করেন। এ'তেকাফকারীকে সকল নেক আমলকারীর ন্যায় নেকি দেয়া হবে। (ইবনে মাজাহ- ১৭৮১)
অন্য আরেকটি হাদীসে এসেছে,
ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ স. বলেছেন,
مَنِ اعْتَكَفَ يَوْمًا ابْتِغَاءَ وَجْهِ اللَّهِ جَعَلَ اللَّهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّارِ ثَلاثَ خَنَادِقَ ، كُلُّ خَنْدَقٍ أَبَعْدُ مِمَّا بَيْنَ الْخافِقَيْنِ.
যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একদিন এ'তেকাফ করে আল্লাহ্‌ তার মাঝে ও জাহান্নামের আগুনের মাঝে তিনটি পরিখার দূরত্ব সৃষ্টি করে দেন; যা (পৃথিবীর) পূর্ব-পশ্চিমের চেয়েও বেশি দূরত্ব।
(তাবারানী -৭৪২০)
আরেকটি বড় ফজিলত হলো শবে ক্বদর ভাগে পেয়ে যাওয়া। এ বিষয়ে আগামী সংখ্যায় আলোচনা হবে ইনশাআল্লাহ।

মুফতী আ: রউফ মাদানী হাফি.
মুহাদ্দিস
জামিয়া উসমানিয়া হোসাইনাবাদ রাজশাহী।

In Ramadan Our Beautiful Usmaniya Campus.
06/03/2026

In Ramadan Our Beautiful Usmaniya Campus.

শুক্রবারেই সাদাকায় শরিক হই।
06/03/2026

শুক্রবারেই সাদাকায় শরিক হই।

একটি দ্বীনি আবেদন,

আপনার যাকাতের কিংবা সাধারণ অনুদানের একটি অংশ জামিয়া উসমানিয়া হোসাইনাবাদ, কাটাখালী, রাজশাহী (বাখরাবাজ মাদরাসা)-র অসহায় ও অসামর্থ্যবান ছাত্রদের জন্য (লিল্লাহ ফান্ডে) দান করুন ৷ সাদাকায়ে জারিয়ায় অংশগ্রহণ করুন৷
---------------------------------------------------------------------
শাইখুল ইসলাম সায়্যিদ হোসাইন আহমাদ মাদানী রহঃ এর বিশিষ্ট খলিফা মুসলিহে উম্মাহ শাইখ মুহাম্মদ ইদ্রীস সন্দ্বীপি রহঃ প্রতিষ্ঠিত এই মাদরাসা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল বিশেষত রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার দ্বীনি চাহিদা পূরণ করে আসছে আজ প্রায় দুই যুগ যাবত৷ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিরক, বিদআত দুর করে বিশুদ্ধ তাওহীদ ও সুন্নাহর প্রচার-প্রসারে একনিষ্ঠ মেহনত করে চলেছে৷

বর্তমানে ২০০০ এর বেশি তালিবুল ইলমকে ৭০এর অধিক শিক্ষক দ্বীনি তালিম প্রদান ছাড়াও তাদের আবাসন, বইপত্র, খাবার, পোশাক ও চিকিৎসা সেবাদানের লক্ষ্যে 'অর্থনৈতিক ফান্ড' সংগ্রহে পরিশ্রম করে চলেছেন অবিরত।

প্রায় ৭০০ জন অসহায়, গরীব, অসামর্থবান তালিবুল ইলমের খাবারসহ প্রায় ১০০০ ছাত্রের খাবারের জন্য প্রতিদিন খরচ হয় ১ লক্ষ টাকার বেশি৷ একজন অসহায় তালিবুল ইলমের জন্য প্রতিমাসে খরচ হয় ২৫০০-৩২০০ টাকা৷ শিক্ষক, স্টাফদের বেতন, বোর্ডিং ও আনুষাঙ্গিক খরচ প্রতিমাসে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা৷ এছাড়াও ছাত্রদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় বিশাল ছাত্রাবাস নির্মাণের অত্যধিক ব্যয়ভার তো রয়েছেই৷

কওমি মাদরাসা যেহেতু সাধারণ দ্বীনদার মুসলমান ভাই-বোনদের দুআ ও আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হয়, তাই সর্বাগ্রে আপনার দুআ আমরা একান্তভাবে কামনা করছি৷
এর পাশাপাশি একজন অসহায় তালিবুল ইলমের জন্য মাসিক খরচের সম্পূর্ণ বা আংশিক ব্যয়ভার গ্রহণসহ যেকোন মাসিক, বার্ষিক কিংবা এককালীন দান করে সাদাকায়ে জারিয়ায় অংশগ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি৷

বিশেষত, এই রমযানে আপনার প্রদানকৃত যাকাতের একটি অংশ আমাদের মাদরাসার গরীব, অসচ্ছল, মেধাবী তালিবুল ইলমদের শিক্ষা-দীক্ষার জন্য দান করে ইলমে দ্বীনের প্রচার কার্যে শরীক হওয়ার বিনীত আবেদন রইল৷

নিবেদক
ওয়ালিউল ইসলাম
উসতাযুল হাদীস ওয়াল ফিকহ,
জামিয়া উসমানিয়া হোসাইনাবাদ,
কাটাখালি, রাজশাহী ৷

প্রয়োজনেঃ 01715439842 (বিকাশ,নগদ)

(ব্যাংক একাউন্টে দেয়ারও সুযোগ রয়েছে)

বিঃদ্রঃ পোস্টটি শেয়ার করে আপনিও সাদাকায়ে জারিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।

কয়েকদিন ধরেই তালাইমারি হুজুরকে খুঁজছিলাম। এবছর একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করেছি—কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে একটি উপহার দিব বলে মন...
01/03/2026

কয়েকদিন ধরেই তালাইমারি হুজুরকে খুঁজছিলাম। এবছর একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করেছি—কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে একটি উপহার দিব বলে মনস্থির করেছিলাম।

হুজুরের সঙ্গে আমার আলাদা সম্পর্ক। সেই ছোট্ট থেকেই চিনেন। ‘তুই’ করে ডাকতেন। সেই ডাকের মধ্যে ছিল ভালোবাসা, ছিলো মায়া,ছিলো চাচার মত স্নেহভরা অধিকার!

আজ নয় রমজান।
আসরের পর অবশেষে হুজুরের সান্নিধ্য পেলাম। উপহার খানা হাতে দিতেই তিনি হাসিমুখে গ্রহণ করলেন। সেই চিরচেনা স্নেহমাখা হাসি!

আমি তখনো জানতাম না—
এই হাসি, এই দেখা,
সবই হবে জীবনের শেষ স্মৃতি!

মাগরিবের পর গেলাম সন্দ্বীপ হুজুরের কাছে— পানি পড়া নিতে। আমার অনাগত সন্তানের জন্য। এইতো আর ক'টা দিন। আমার ভূবন আলোকিত করে আগমন ঘটবে আমার হ্রদয় মানিকের। বুকভরা স্বপ্ন, দোয়া আর আশায় দিন গুনছিলাম!

এদিকে সময় গড়িয়ে যাচ্ছিলো। সামনে তারাবি। ওজু করে বাইক স্টার্ট দিলাম। যদিও আজকে বাইকে যেতে ইচ্ছে করছিলো না। কিন্তু নিরুপায়! পথ দীর্ঘ। সময় অল্প।

মৃদু কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত করতে করতে এগোচ্ছিলাম। বিহাশ রোডে পৌঁছে উত্তরের বাইপাসে মোড় নিলাম। শর্টকাট রাস্তা। অল্পসময়ে যাওয়া যাবে।

এই রাস্তায় বালু বাহী ট্রাকের আনাগোনা বেশি। বামপাশ জুড়ে বালুর স্তর জমে গেছে।

এরপর?
এরপর আর কয়েক মিটার। একটি মিনি ট্রাক! কুরআনের সুরে ডুবে থাকা এক যুবক! বালুর ফাঁদ!

মুহুর্তেই বদলে গেলো সবকিছু!

হঠাৎই চিরচেনা জামিয়ার মিনারায় ভেসে উঠলো গম্ভীর ঘোষণা—মোল্লাপাড়া নিবাসী হাফেজ মাওলানা সলেহ আহমাদ আজ এশার আগে…! মরহুমের জানাজার নামাজ…!

ওহে আমার শ্রদ্ধাভাজন!
ওগো আমার প্রিয়বন্ধু!!
ওগো তেতাল্লিশের কাফেলা!!!

তোমরা আমাকে কি একটু হাদিয়া দিবে? ফাতিহা আর তিন কুলের হাদিয়া!
তোমাদের অশ্রুসিক্ত মুনাজাতে আমায় স্মরণ করার হাদিয়া!
ইফতারের আগমুহূর্তে আমার দারাজাত বুলন্দি প্রার্থনার হাদিয়া!

তোমাদের হাদিয়ার প্রতীক্ষায় —
তোমাদের সলেহ!

স্মৃতিলিখন: মাও. সলেহ রহ. এর সহপাঠী মুহাম্মাদ আল আমিন।
বিকাল ৪টা ৫
৮রমজান, ১৪৪৬হিজরি।
কলাবাগান, ঢাকা।

Address

Https://maps. App. Goo. Gl/MBKV2kvYpNb4K8RB 6
Rajshahi
6212

Telephone

+880721750707

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamia Usmaniya Husainabad Rajshahi-JUHR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Jamia Usmaniya Husainabad Rajshahi-JUHR:

Share