বিজ্ঞানের তত্ত্ব ভান্ডার

Directions Website

বিজ্ঞানের তত্ত্ব ভান্ডার বিজ্ঞানের মজার মজার কিছু তত্ত্ব যা জে?

"থোরিয়াম"- ভবিষ্যতের জ্বালানিথোরিয়াম একটি শক্তিশালী ও নিরাপদ পারমাণবিক জ্বালানি, যা ভবিষ্যতের শক্তির বড় সমাধান হতে পার...
26/05/2025

"থোরিয়াম"- ভবিষ্যতের জ্বালানি

থোরিয়াম একটি শক্তিশালী ও নিরাপদ পারমাণবিক জ্বালানি, যা ভবিষ্যতের শক্তির বড় সমাধান হতে পারে। মাত্র একটি গলফ বলের আকারের থোরিয়ামের টুকরো একজন মানুষের সারাজীবনের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। এটি প্রচলিত ইউরেনিয়ামের তুলনায় ৩-৪ গুণ বেশি পাওয়া যায় এবং অনেক বেশি কার্যকরও।

থোরিয়াম থেকে উৎপন্ন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ইউরেনিয়ামের তুলনায় অনেক কম এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর। আরও ভালো দিক হলো, থোরিয়াম ব্যবহার করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা যায় না, তাই এটি নিরাপত্তার দিক থেকেও সুবিধাজনক।

বিশ্বব্যাপী গবেষকরা থোরিয়াম-ভিত্তিক রিঅ্যাক্টর নিয়ে কাজ করছেন, যা প্রচলিত চুল্লির তুলনায় আরও সাশ্রয়ী, নিরাপদ এবং টেকসই। উন্নত প্রযুক্তি ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে থোরিয়াম হতে পারে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ শক্তির মূল উৎস।

এই জ্বালানির মাধ্যমে আমরা পেতে পারি কম খরচে, দীর্ঘস্থায়ী ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ , যা আমাদের জীবনকে আরও সহজ ও সবুজ করে তুলবে। #

ইন্টেরিম যে করিডর দিছে এইটা নিয়া খুব একটা পড়াশোনা করার টাইম পাইনাই। আজকে করলাম।আর এখন বুঝতেছি, Bangladesh just committ...
05/05/2025

ইন্টেরিম যে করিডর দিছে এইটা নিয়া খুব একটা পড়াশোনা করার টাইম পাইনাই। আজকে করলাম।
আর এখন বুঝতেছি, Bangladesh just committed one of the most dangerous geopolitical moves in its recent history under the illusion of “humanitarian aid”।
দেশবাসীর অনুমতি ছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলার সাথে আলোচনা না কইরা, ইন্টেরিম UN হিউম্যানিটারিয়ান করিডর খুইলা দিছে চট্টগ্রাম-আরাকান রুটে।
আসেন আগে বুঝি “Humanitarian Corridor” আসলে কী। UN এইটারে বলে সাহায্য পাঠানোর রাস্তাঘাট। কিন্তু বাস্তবে ওরা যেইটা বানায়:
➤ এনজিও টাইপ তাঁবু বসে
➤ ইনটেলিজেন্স অফিসার ঢুকে
➤ “মানবিক সহায়তা”র নামে মিলিটারি ম্যাপিং হয়
➤ বিদেশি অস্ত্র, ড্রোন, ডেটা আস্তে আস্তে ঢুকে
➤ কিছুদিন পর সেই অঞ্চল আর নিজের থাকে না
Corridor = Invasion
আসেন কিছু বাস্তব উদাহরণ দেখি — করিডর কেমনে দেশ ধ্বংস করে:
✓ সিরিয়া:
→ "মানবিক সাহায্য"র নামে তাবু বসানো হইছিল।
→ এরপর সেই রাস্তাতেই অস্ত্র ঢুকছে, বিদ্রোহী ট্রেনিং ক্যাম্প বসছে।
→ ISIS আর আল-নুসরা এই করিডরের মাধ্যমেই তৈরি হইছে।
✓ ইরাক:
→ "No-fly zone" ছিল কাগজে।
→ বাস্তবে সেই অঞ্চলে US মিলিটারি বেস দিছিল।
→ সাদ্দামের পতনের রাস্তাটা এই ভাবেই বানাইছিল।
✓ লিবিয়া:
→ "Protection corridor" দেয়া হইছিল Qaddafi’র বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের জন্য।
→ এক মাসের মধ্যে NATO ওই করিডর দিয়া ঢুইকা পুরা দেশ বোমায় উড়ায়া দিল।
✓ গাজা:
→ "মানবিক সাহায্য" পাঠানোর জন্য Rafah গেটে করিডর খুলছিল।
→ এখন জানেন কী? সেই রাস্তাই মোসাদ-এর লোকজন ঢুকতে ব্যবহার করে।
→ গোপন ইন্টেল, হামাস সদস্যদের লোকেশন, সব কিছু ওই গেট দিয়া বের হয়।
✓ আফগানিস্তান:
→ "সাহায্য দিতে CIA করিডর বানায়" — এই ছুতা দিয়া বেস তৈরি করে।
→ সেখান থেকেই চালানো হইছে ড্রোন হামলা, খুন, আর গোয়েন্দা অপারেশন।
এইগুলা ফ্যান্টাসি না। এইগুলা প্রমাণিত সত্য।
প্রশ্ন হইল —
বাংলাদেশ আজকে করিডর খুলে দিয়া বললো "এইটা মানবতা", তারপর ৬ মাস পরে যদি
→ সেখানে NGO দিয়া মিলিটারি ম্যাপিং হয়,
→ কোন এক রাতে surveillance drone নামে,
→ কোন এক সকালে UN interfaith cleric গিয়ে মুসলিম ক্যাম্পে বক্তৃতা দেয়,
→ আর ২ বছর পরে সেই এলাকাই “safe zone” ঘোষণার নামে দখল হয়,
তখন আপনি আমি কী করতে পারবো?
একই স্ক্রিপ্ট বারবার। শুধু রং আর ভাষা বদলায়।
এই করিডরের পেছনে খেলোয়াড় কারা? আসেন পরিচিত হই:
১। আমেরিকা:
→ চীনের ইন্ডিয়ান ওশান অ্যাক্সেস ব্লক করতে চায়
→ সাহায্যের নামে মিলিটারি লজিস্টিক ঢুকাবে
→ “মানবাধিকার” দিয়া স্পাই হাইওয়ে বানাবে
২। ইসরায়েল:
→ আরাকানকে ভাবে সাউথ ইস্ট এশিয়ার স্পিরিচুয়াল গেট
→ মুসলিম জাগরণ শুরু হওয়ার আগেই এখান দিয়ে থামাইতে চায়
→ থার্ড টেম্পলের প্রফেসাইজড জায়গাগুলার একটার ভিতরে চট্টগ্রাম–আরাকান করিডর পড়ে
৩। ভারত:
→ কালাদান মাল্টি-মোডাল প্রজেক্টের ফাইনাল সিল এইখানে
→ উত্তর-পূর্ব বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশের জমি ব্যবহার করতে চায়
→ গাজওয়াতুল হিন্দ আসার আগেই পূর্বদিক সীল করে দিতে চায়
প্রশ্ন হচ্ছে, চীন আর রাশিয়া কি চুপ থাকবে?
৪। চীন:
→ ওদের আরাকানে বিলিয়ন ডলারের করিডর আছে (Kyaukphyu Port)
→ UN করিডর মানে ওদের চোখে NATO presence
→ পাল্টা জবাব দিতে পারে স্পাই অপস বা বিরোধী গোষ্ঠী গুলারে ফান্ডিং দিয়া
রাশিয়া:
→ মিয়ানমারকে নিয়মিত অস্ত্র দেয়
→ পশ্চিমাদের ঢুকতে দেখলে স্বাভাবিকভাবে খুশি হবে না
→ ডিপ্লোম্যাটিক চাপে ফেলবে, সরাসরি সংঘর্ষে যাবে না, কিন্তু চুপও থাকবে না
একটা নতুন কোল্ড ওয়ারের রেখা এখন আঁকা হইতেছে আরাকানে।
আরাকান কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ এই জায়গাটা:
→ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোডের গেইটওয়ে
→ বঙোপসাগরের প্রবেশপথ
→ বৌদ্ধ-হিন্দু-মুসলিম জোনের প্রাকৃতিক বাফার
→ সাউথ ইস্ট এশিয়ার মুসলিম পরিচয়ের স্পিরিচুয়াল ফ্ল্যাঙ্ক
→ ভবিষ্যতের গাজওয়াতুল হিন্দের মজবুত র‍্যালি-পয়েন্ট
আরাকান হারানো মানে উম্মাহর পূর্বদিকের ফটক বন্ধ কইরা ফেলা।
আসেন জানি UN এর “মানবিক সাহায্য”র লোগোর আন্ডারে আসলে কারা আছে? এই যে এরা:
→ WFP, WHO, UNHCR = পশ্চিমা গোয়েন্দাদের লেজার স্ক্যানার
→ MSF, Save the Children = ফিল্ড ম্যাপিং + লোকাল মনিটরিং
→ UN Troops = NATO ছায়া বাহিনী, ব্লু হেলমেট পরা দখলদার
তাইলে এই করিডর দিয়া বাংলাদেশ কী পাবে?
→ কিছু ডলার
→ নিজের মাটির ভেতরে surveillance বেস
→ Teknaf আর Naf নদীর পাশে ড্রোন রুট
→ যুদ্ধ হইলে পূর্ব ফ্রন্ট কাদের হাতে থাকবে, আপনিই বলেন
→ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে একটা UN ম্যানেজড মুসলিম “থিম পার্ক”
একজন মেহমানের জন্য কেউ বাসা বিক্রি করে না। কিন্তু বাংলাদেশ এখন মিলিটারি এলাকা ভাড়া দিছে প্যাকেজ সুদ্ধা।
হাসিনার পতন কি বিজয় ছিল? হ্যাঁ। সে ছিল ভারতের চরম দালাল। কিন্তু ইউনুস? এই মাল খুশি মুখে পশ্চিমাদের লিস্টে সাইন কইরা দিতেছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, গেটস ফাউন্ডেশন, DAVOS এদের প্রিয় মুখ
হইলো ড. ইউনূস। এই করিডরের মাধ্যমে ওদের লিস্টের প্রধান কাজটা সে কমপ্লিট করলো।
তাইলে খেলা বুঝতেছেন?
পুতুল বদল হইছে। নাটের গুরু আগেরই আছে।
কিন্তু এখন কী করা দরকার?
→ এই মানবিক সাহায্যের ফালতু ন্যারেটিভ বাতিল করার জন্য লেখতে হবে
→ জাতীয় সম্মতি ছাড়া কোনো ফরেন এনট্রি মানি না, করিডর মানি না, এই দাবী করতে হবে
→ আলেম, অ্যাক্টিভিস্ট, স্টুডেন্ট সবাইকে ডিপ স্টাডি কইরা সত্য জানতে হবে
→ “ফরেন এইড” রোমান্টিসাইজ বন্ধ করতে হবে
→ মুসলিমদের গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে পড়তে হবে
লেখা শেষ করতে পারতেছি না এখনই।
করিডর দেয়ার আগেই এই ইন্টেরিম সরকার কী কী করছে বা চুপচাপ ঠেলতেছে?
১. সংবিধানে “Pluralism” সংযোজন করতে প্রস্তাব দিছে। এইটার মানে অনেক আলেমও বুঝেন না। একটু পড়াশুনা করতে হবে ভাই। Secularism এর বাপ হইলো Pluralism। এইটার মাধ্যমে ইসলামী শিকড় কেটে ফেলা হবে। LGBTQ পুশ দিবে। ধর্মীয় রীতিনীতি পুরাই প্রাচীন শো পিস বানায় ফেলবে।
২. ১১টা রিফর্ম কমিশন বসাইছে। বিচার বিভাগ, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন সব বিদেশী ফ্রেমওয়ার্কে যাচাই করতেছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন পরিস্থিতি সামাল দেয়ার কোনো ইচ্ছা নাই। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ, দেশের সচিব পর্যায়ে পরিবর্তন, ফ্যাসিবাদ নির্মূল, এগুলা নিয়া কোনো প্ল্যান নাই। উল্টা বিএনপির পুরান মাস্তানদের জেল থেকে ছাইড়া দিতেছে।
৩. Starlink স্যাটেলাইট এর লাইসেন্স আনছে। Full-spectrum digital mesh under Elon Musk, a Zionist-sympathetic capitalist। দেশের মাথার উপরেই এখন থেকে থাকবে নজরদারির জাল। ডেটা আর কমিউনিকেশন হবে আমেরিকান কন্ট্রোলড।
৪. U.S. Trade Concessions Behind Closed Doors। যুক্তরাষ্ট্র ট্যারিফ ডিলে করবে বলছে। এর বদলে দেশে আমেরিকান খাদ্য, ওষুধ, ফার্মা, ডিজিটাল লেভারেজ ঢুকতে দিতেছে। (আমার আরেকটু পড়াশোনা করতে হবে এই বিষয়ে)।
৫. UNICEF এর “চিলড্রেনস কোর্ট” ঢুকাইছে। Your child can be taken, judged, or labeled extremist via UN standards। বুঝতেছেন?
৬. Gates Foundation দিয়া হেলথ সেক্টরে ওষুধ, জন্মনিয়ন্ত্রণ, নিউট্রিশনের নামে নীরব ইউজেনিক্স চালাইতেছে। কিন্তু বিষয়টা একটু ঘোলাটে। আরো পড়াশোনা করবো।
৭. Marital R**e Law, LGBTQ normalisation, রেইনবো ফ্ল্যাগ, ইনক্লুসিভ এডুকেশন, আইডেন্টিটি রাইটস, সংসদ ভবনের উপর এঞ্জেল সিম্বল,, Prostitution rebranding under “Sex workers' rights”..... and so on।
এখন বলেন.. ইউনূস যে আসলেই পাঁকা খেলোয়াড় সেটা তো সবাই বলতেছিলাম। কিন্তু সে আসলে কি নিয়া খেলতেছে বা কার হয়ে খেলতেছে সেইটা কি ভাবছেন?
(Collected)

মাঠের উন্নয়নের তথ্য ক্লাস্টার ভিত্তিকনিচের লিংকে (সবার জন্য)
04/05/2025

মাঠের উন্নয়নের তথ্য ক্লাস্টার ভিত্তিক
নিচের লিংকে (সবার জন্য)

_______________________সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়(___) খেলার মাঠ উন্নয়নের লক্ষে তথ্য প্রদান প্রসঙ্গে উপজেলা/ থানার নাম বিদ্যালয়ের .....

11/04/2025

ব্যাপন (Diffusion)
সংজ্ঞা:
ব্যাপন হলো একটি পদার্থের কণার উচ্চ ঘনত্ব থেকে নিম্ন ঘনত্বের দিকে স্বাভাবিকভাবে ছড়িয়ে পড়া।
উদাহরণ:
• আতর বা সুগন্ধি খুললে তার গন্ধ ধীরে ধীরে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
• চায়ের পানিতে চিনি নাড়ানো ছাড়া মিশে যাওয়া।
এটি হয়:
• গ্যাসে, তরলে বা কঠিন পদার্থেও।
• স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও চাপেই ঘটে।
নিয়ন্ত্রিত নয়:
• এটি একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া, বাহ্যিক শক্তি লাগে না।
নিসরণ (Osmosis)
সংজ্ঞা:
নিসরণ হলো একটি আধাপারগম্য পর্দা দিয়ে জলীয় দ্রবণের একদিক থেকে অন্যদিকে জলীয় অণুর প্রবাহ, যেখানে দ্রবণের ঘনত্ব কম দিক থেকে বেশি দিকের দিকে জল চলে যায়।
উদাহরণ:
• আলু বা কিশমিশকে পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা ফুলে ওঠে।
• উদ্ভিদের মূলের মাধ্যমে জল শোষণ।
এটি হয়:
• শুধুমাত্র তরলে (বিশেষ করে পানিতে)।
• একটি সেমি-পারমিয়েবল মেমব্রেন থাকতে হয়।
ঘনত্বের ভারসাম্য তৈরি করে:
• দ্রবণের ঘনত্ব সমান করতে কাজ করে।
তুলনামূলক পার্থক্য:
বিষয় ব্যাপন (Diffusion) নিসরণ (Osmosis)
ঘটে কোথায় গ্যাস, তরল বা কঠিন শুধুমাত্র তরলে (পানি ভিত্তিক)
মাধ্যম কোনো নির্দিষ্ট পর্দা দরকার নেই সেমি-পারমিয়েবল মেমব্রেন প্রয়োজন
পদার্থের গতি কণা ছড়ায় (solute or solvent) শুধু জলীয় অণু (solvent) সরে যায়
উদাহরণ আতরের গন্ধ ছড়ানো আলু বা কিশমিশ ভিজিয়ে রাখলে ফুলে যাওয়া
শক্তির প্রয়োজন বাহ্যিক শক্তি লাগে না বাহ্যিক শক্তি লাগে না

হাতে সময় থাকলে একটু পড়তে পারেন,,,,,,,,, (ইতিহাস),,,,,,,,,,,,ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই...
08/04/2025

হাতে সময় থাকলে একটু পড়তে পারেন,,,,,,,,, (ইতিহাস),,,,,,,,,,,,ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।
হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।
হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।
ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!
৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্‌'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।
এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।
মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।
তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।
তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্‌'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্‌ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।
তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।
কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।
তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্‌'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।
বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!
ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।
বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্‌(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।
১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।
যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।
তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।
তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!
জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।
ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!
আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!
আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!
ইবরাহীম (আঃ) ও তার বংশ: ইসলাম, ইহুদী ধর্ম এবং খ্রিস্টান ধর্মের জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম (আঃ) এবং তার দুই পুত্র, ইসহাক (আঃ) এবং ইসমাইল (আঃ) এর মাধ্যমে বনি-ইসরাইলের বংশের উৎপত্তি।

ইয়াকুব (আঃ) এবং ইয়াহুদার বংশ: ইয়াকুব (আঃ) এর সন্তানদের মধ্যে ইয়াহুদার বংশই সবচেয়ে বিস্তৃত হয়, এবং এই বংশের মানুষদের ইহুদী বলা হয়।

মিশরে বসবাস এবং ফারাও শাসন: বনি-ইসরাইল মিশরে বসবাস শুরু করে, যেখানে ফারাও শাসনকালে তাদের উপর অত্যাচার শুরু হয় এবং আল্লাহ মূসা (আঃ) কে তাদের মুক্তির জন্য পাঠান।

বনি-ইসরাইলের ইতিহাসের একাধিক পুনঃচিন্তা ও পুনর্গঠন: পরবর্তীতে বনি-ইসরাইলদের অনেকবার আল্লাহর শাস্তির মুখোমুখি হতে হয় এবং তাদের সমাজের মাঝে বহু সংস্কারের প্রয়াস হয়।

জিওনিস্ট আন্দোলন এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: ১৮৯৭ সালে থিওডোর হার্জেল দ্বারা জিওনিস্ট আন্দোলনের মাধ্যমে ইহুদীরা ফিলিস্তিনে তাদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেয়, যা পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে সফল হয় এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়।
(সংগৃহীত লেখা, কিঞ্চিৎ পরিমার্জিত

৬ বছরে ৫ বারের চেষ্টায় এই ছবিটি তুলেছেন ফটোগ্রাফার। ফিচার করেছে নাসা!এই ধরণের ছবি তুলতে প্রচুর পরিমাণে প্লানিং এর প্রয়োজ...
08/04/2025

৬ বছরে ৫ বারের চেষ্টায় এই ছবিটি তুলেছেন ফটোগ্রাফার। ফিচার করেছে নাসা!

এই ধরণের ছবি তুলতে প্রচুর পরিমাণে প্লানিং এর প্রয়োজন৷ সবার প্রথমে দরকার এমন ৩টি বস্তুর পরস্পর একই স্থানে মিলনের। দ্বিতীয় কাজ হচ্ছে এমন একটি জায়গা খুজে বের করা যেখান থেকে এই ঘটনার সবচেয়ে সুন্দর ছবি তোলা যাবে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে ওই স্থানে একদম নিদিষ্ট সময়ে পৌঁছানো এবং আকাশ পরিষ্কার থাকা। কিন্তু এই পরিষ্কার আকাশ পাওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। যার কারণে ৬ বছরে ৫ বার চেষ্টা করার পরও ফটোগ্রাফার ছবি তুলতে পারছিলেন না। শেষে ১৫ দিন আগে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকে ছবি তোলার জন্য এবং অবশেষে এমন চমৎকার ছবি পাওয়া যায়৷

ছবিটি তোলা হয়েছে ইতালির পাইমোন্টেতে৷ সবার সামনে যে ক্যাথেড্রালটা দেখা যাচ্ছে তা হচ্ছে ব্যাসিলিলা অব সুপারগা৷ মাঝের পর্বতটির নাম হচ্ছে মোনভিসো। আর পিছনে থাকা চন্দ্রটি অস্ত যাওয়ার সময় ক্রিসেন্ট ফেজে তোলা৷ আর ছবিটি তুলেছেন ভ্যালেরিও মিনাটো

প্যালেস্টাইন অঞ্চলে হামলার পেছনে সরাসরি কোনো “প্রাকৃতিক বিজ্ঞান” ভিত্তিক কারণ নেই, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষমতা, জলবা...
06/04/2025

প্যালেস্টাইন অঞ্চলে হামলার পেছনে সরাসরি কোনো “প্রাকৃতিক বিজ্ঞান” ভিত্তিক কারণ নেই, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষমতা, জলবায়ু, ভূ-রাজনীতি ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতিযোগিতা এই সংঘাতকে বাড়িয়ে তুলছে।
ভূ-রাজনৈতিক ভূগোল (Geopolitical Geography):
ইসরায়েল ও প্যালেস্টাইন দুইটি ছোট অঞ্চল যা পূর্ব ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।

এই অঞ্চলটি জলবায়ুভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ:

ভূমধ্যসাগরের কাছাকাছি হওয়ায় এটি একটি উপযুক্ত কৃষি ও বসবাসযোগ্য অঞ্চল।

এটি তেল-গ্যাস সম্পদপূর্ণ অঞ্চলের পাশে (যেমন আরব দেশগুলো)।

এ অঞ্চলের ভূ-অবস্থান (Strategic Location) এটিকে ভূ-রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

📌 টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ:
"ভূ-রাজনৈতিক হটস্পট" হিসেবে বিবেচিত এই অঞ্চলে শক্তিধর দেশগুলো তাদের সামরিক এবং অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চায়।
জলবায়ু পরিবর্তন ও সম্পদের ঘাটতি:
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জল, কৃষি, জমি এই তিনটি বিষয়ই এখানে সংকটে পড়ছে।

ইসরায়েল বেশ কিছু উন্নত প্রযুক্তি (যেমন ড্রিপ ইরিগেশন, জল পরিশোধন) ব্যবহার করে নিজের জলসংকট কিছুটা সামাল দিতে পারলেও, প্যালেস্টাইন তা পারেনি।

📌 বিজ্ঞান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার পার্থক্য এই দুই জাতির মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি করেছে।
ইসরায়েল একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ দেশ। এর মধ্যে রয়েছে:

উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি

মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম (Iron Dome)

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার ইন্টেলিজেন্স

প্যালেস্টাইনের পক্ষে এ ধরনের প্রতিরোধ গড়ে তোলা কঠিন, কারণ তাদের বৈজ্ঞানিক/প্রযুক্তিগত সামর্থ্য তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

📌 এখানে বৈজ্ঞানিক প্রয়োগ ইসরায়েলকে সামরিক ও নজরদারি দিক থেকে আধিপত্যবাদী করে তুলেছে।
মানবতাবাদ বনাম রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Ethics vs Power Politics):
বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে মানবাধিকার, শান্তি ও সহযোগিতার গুরুত্ব থাকা উচিত।

কিন্তু রাষ্ট্র বিজ্ঞান (Political Science) অনুসারে শক্তিশালী দেশগুলো ক্ষমতা ধরে রাখতে বা সম্প্রসারণে আগ্রহী থাকে, যা মাঝে মাঝে মানবিক দিককে উপেক্ষা করে।

📌 বিজ্ঞান নীতিগতভাবে সহিংসতা সমর্থন করে না, তবে প্রযুক্তি অনেক সময় রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য ব্যবহৃত হয়।

A continuous time sinusoid xa(t) with fundamental period Tp=1/F0 is sampled at rate Fs=1/T to produce a discrete time si...
28/03/2025

A continuous time sinusoid xa(t) with fundamental period Tp=1/F0 is sampled at rate Fs=1/T to produce a discrete time sinusoid x(n)=xa(nT), where,
i) What is the frequency of the discrete time signals?
ii) Show that x(n) is periodic only its frequency is a rational number.
iii) Explain the statement : x(n) is periodic if its fundamental period Tp , in seconds, is equal to an integer number of periods of xa(t);
Solution:

Which factor determines whether a microprocessor is in 8bit, 16bit and 32bit machine?( একটি মাইক্রোপ্রসেসর ৮-বিট, ১৬-বিট...
28/03/2025

Which factor determines whether a microprocessor is in 8bit, 16bit and 32bit machine?( একটি মাইক্রোপ্রসেসর ৮-বিট, ১৬-বিট বা ৩২-বিট কিনা তা নির্ধারণের প্রধান কারণগুলো কি কি?)
একটি মাইক্রোপ্রসেসর ৮-বিট, ১৬-বিট বা ৩২-বিট কিনা তা নির্ধারণের মূল উপাদান হলো এর অভ্যন্তরীণ রেজিস্টার, ডাটা বাস এবং ALU-এর প্রস্থ (width)।
Key Factors:
1. ডাটা বাসের প্রস্থ (Data Bus Width):
o এটি নির্দেশ করে প্রসেসর কতগুলো বিটের ডাটা মেমরি বা ইনপুট/আউটপুট (I/O)-এর সাথে একবারে আদান-প্রদান করতে পারে।
o উদাহরণস্বরূপ, একটি ৮-বিট প্রসেসর একবারে ৮-বিট ডাটা স্থানান্তর করতে পারে, ১৬-বিট প্রসেসর ১৬-বিট, এবং এভাবে চলতে থাকে।
2. রেজিস্টার সাইজ (Register Size):
o প্রসেসরের সাধারণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত রেজিস্টারগুলোর আকারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
o রেজিস্টারগুলো হলো প্রসেসরের অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ, যা ডাটা সাময়িকভাবে ধরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
o যদি প্রসেসরের রেজিস্টারগুলো ৮-বিট প্রস্থের হয়, তাহলে সেটি একটি ৮-বিট প্রসেসর হিসেবে বিবেচিত হবে। একইভাবে, ১৬-বিট বা ৩২-বিট প্রসেসরের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য।
3. ALU-এর প্রস্থ (Arithmetic Logic Unit Width):
o ALU হল সেই অংশ যা গাণিতিক এবং লজিকাল অপারেশনগুলো সম্পাদন করে।
o ALU-এর বিট প্রস্থ প্রসেসরের বিট (bit) প্রতিফলিত করে। অর্থাৎ, একটি ৮-বিট ALU একবারে শুধুমাত্র ৮-বিট সংখ্যাগুলোর উপর অপারেশন সম্পাদন করতে পারে।
অ্যাড্রেস বাস (Address Bus) — গৌণ নির্ধারক (secondary factor):
• অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ নির্ধারণ করে প্রসেসর সরাসরি কতটুকু মেমরি অ্যাক্সেস করতে পারে।
• উদাহরণস্বরূপ, একটি ৮-বিট প্রসেসরের যদি ১৬-বিট অ্যাড্রেস বাস থাকে, তবে এটি সরাসরি ২¹⁶ = ৬৪ কিলোবাইট (KB) মেমরি অ্যাক্সেস করতে পারে, যদিও এটি একবারে কেবল ৮-বিট ডাটা প্রক্রিয়া করতে সক্ষম।

Address

Mokhlasur11@gmail. Com
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিজ্ঞানের তত্ত্ব ভান্ডার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share