14/09/2026
ভাঙ্গামোড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও নৈশ প্রহরীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
দৈনিক
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অবিচল
মাধুকর
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জনবাণী পত্রিকায় "জালিয়াতি ও যৌন হয়রানিতে বেপরোয়া প্রধান শিক্ষক" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমার সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার হীন উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করেছে। আমি এই মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত নিয়োগ বাণিজ্য ও জাল দলিলে জমি দখলের অভিযোগটি সত্য নয়। বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং আমি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। নৈশ প্রহরী অসুস্থতায় ছুটিতে থাকাকালীন তার পিতা নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব পালন করেছে। পরিবর্তে পুনরায় সে কাজে যোগদান করেছেন। আমার ব্যক্তিগত সম্পদ ও আয়ের উৎস সম্পর্কে যে কাল্পনিক তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা ভিত্তিহীন। আমার সকল আয়ের উৎস স্বচ্ছ এবং আইনানুগ। প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সালে পাঠদান ও ২০০৪ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করার পর ২০২২ সালে এমপিওভূক্ত হয় এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে আমি বেতন-ভাতা পেতে শুরু করি। পরে এরিয়ার বকেয়া, সোনালী ব্যাংক, আনসার ভিডিবি উন্নয়ন ব্যাংক লোনসহ নিজস্ব জমি বন্ধক-এর উৎস থেকে জেলা শহরে বাড়ি নিমার্ণ করা হয়। শিক্ষিকা তহুরা বেগম স্কুলের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতিত থাকে, প্রধান শিক্ষকের কথা অমান্য করা ও মারামারিসহ নানা ঘটনার কারণে তাকে সাময়ীক বরখাস্ত করা হয়। বিষয় জেলা শিক্ষা অফিসার অবগত রয়েছে। অতএব, শিক্ষিকা তহুরা বেগমের অভিযোগটি সম্পূর্ণ বানোয়াট, যা পূর্বেও তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। এই ভিত্তিহীন সংবাদের ফলে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং আমি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। আমি এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
মোঃ শাহ আলম সরকার
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক, ভাঙ্গামোড় উচ্চ বিদ্যালয়, সাঘাটা, গাইবান্ধা।