বিশ্ববিদ্যালয়-নার্সিং ভর্তি & জব কোচিং Bcsআইকন&রেটিনা প্লাস, সখীপুর শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Sakhipur
  • বিশ্ববিদ্যালয়-নার্সিং ভর্তি & জব কোচিং Bcsআইকন&রেটিনা প্লাস, সখীপুর শাখা

বিশ্ববিদ্যালয়-নার্সিং ভর্তি & জব কোচিং Bcsআইকন&রেটিনা প্লাস, সখীপুর শাখা শিক্ষা সেবা দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।সখিপুর সহ সারা বাংলাদেশ কে বদলে দিতে চাই।সবাইকে সবসময় পাশে চাই।

কিছু কিছু ইতিহাস অনেক গর্বের হয়তাইতো কপি করে রেখে দিলাম। মৌলভীবাজার জেলার এক কৃতি সন্তান ছিলেন বিপ্লবী লীলা নাগ।ঢাকা বিশ...
15/01/2026

কিছু কিছু ইতিহাস অনেক গর্বের হয়
তাইতো কপি করে রেখে দিলাম।

মৌলভীবাজার জেলার এক কৃতি সন্তান ছিলেন বিপ্লবী লীলা নাগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব‍্যাচের প্রথম মহিলা শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।
সমাজের উন্নয়ন ও শিক্ষাবিস্তার ছিল তাঁর জীবনের লক্ষ‍্য।
ঢাকা শহরে দুটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি।আর ও দুটি স্কুল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি।
তাঁর বাড়ি ছিল মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায়।
১৯৪৭সনে দেশ ভাগ হলে তিনি নিজেকে নিয়ে দুষ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে ভারত চলে যান।
যতদিন এদেশে ছিলেন ততদিন সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।
তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ছিল মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায়।
তাঁর পৈতৃক বাড়িটি বেদখল হয়ে যায়।

সেই বাড়িটি উদ্ধার করার জন‍্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির উদ্যোগে বাড়িটি উদ্ধার করা হয়। কমিটির নাম লীলা নাগ স্মৃতি পরিষদ।
সেই কমিটির সবাই মিলে বাড়িটি উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করেন। মৌলভীবাজারের অনেক জ্ঞানী গুণী মানুষ ও সেই উদ্যোগে সহযোগিতা করেন।
আদালতের রায়ে বাড়িটি উদ্ধার হয়।
এখন বাড়িটিতে কি করা যায় তা নিয়ে মৌলভীবাজারের সুধিজন একটি কমিটি গঠন করেছেন।
আমরা মৌলভীবাজারের সবাই চেষ্টা করছি যাতে এই জেলার কৃতিসন্তানের বাড়িটি জনকল্যাণের জন্য কি করা যেতে পারে সে বিষয়ে জেলার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সবাই মিলে একটি সিদ্ধান্ত নেয়া॥
সংগৃহীত পোস্টে লীলা নাগের বেশ কিছু তথ্য আছে।
যারা এই পোস্টটি করেছেন নীলা নাগ স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে তাদেরকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

আলোর দিশারী...... ‌🔥🔥

বিদ্যাসাগর মহাশয়ের হাত ধরে বাংলায় নারী শিক্ষার প্রচলন হয়, এটা তো সবাই জানেন। কিন্তু এটা কি জানেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা ছাত্রী কে ? তিনি ছিলেন এই উপমহাদেশে নারী জাগরণের পথিকৃৎ !

বাবা ছিলেন বিচারপতি গিরীশ চন্দ্র নাগ। বেশি বয়সের সন্তান বলে আদর করে ডাকতেন 'বুড়ি'। জন্ম ১৯০০ সালে আসামের গোয়ালপাড়ায়। প্রাথমিক শিক্ষা আসামেই, তারপর কলকাতায় এসে ভর্তি হন ব্রাহ্ম বালিকা বিদ্যালয়ে। ইতিমধ্যে বাবা অবসর নেওয়ায় পুরো পরিবার চলে আসে ঢাকায়। ১৯১১ সালে তিনি এসে ভর্তি হন ঢাকার ইডেন হাইস্কুলে। ম্যাট্রিক পরীক্ষায় রেকর্ড নম্বর পেয়ে কলকাতায় এসে ভর্তি হলেন বেথুন কলেজে।

পড়াশোনায় মেধাবী ছাত্রী তো ছিলেন ই, সাথে নিয়মিত কবাডি ও ব্যাডমিন্টন খেলতেন। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মেয়েটি ছিল শিক্ষিকা দের প্রিয় ছাত্রী। সাথে ছিল এক প্রতিবাদী চরিত্র, কলেজে পড়ার সময়ে বড়লাটের পত্নীকে নতজানু হয়ে অভিবাদন জানানোর প্রথা বাতিলের আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯২১ সালে বেথুন কলেজ থেকে মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে বি.এ পাশ করেন তিনি। লাভ করেন ‘পদ্মাবতী’ স্বর্ণপদক। ওই বছরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে এম.এ করার জন্যে দরখাস্ত করেন।

সেসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা মেয়েদের জন্য ছিল বন্ধ। কিন্তু এই মেয়ে ছেড়ে দেবার পাত্রী নন। দরখাস্ত নিয়ে সটান দেখা করলেন আচার্য তথা বাংলার বড়লাটের সাথে। তার আগের পরীক্ষার ফলাফল এবং জেদ দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার বিশেষ অনুমতি দিতে বাধ্য হলেন তিনি। সেই প্রথম মেয়েদের জন্য খুলে গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থাকাবস্থাতেই তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় ও ঋষি রামানন্দের সাহচর্য লাভ করেন। ১৯২৩ সালে তিনি ইংরেজিতে প্রথম বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনিই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম এমএ ডিগ্রিধারী, লীলাবতী নাগ। শিক্ষাজীবন শেষ করে লীলা নারীশিক্ষার প্রসার ও স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলনে ব্রতী হন। নারীদের অশিক্ষার অন্ধকার থেকে মুক্ত করার জন্যে কয়েক জন সংগ্রামী সাথী নিয়ে গড়ে তোলেন ‘দীপালি সংঘ’। এই সংঘের মাধ্যমে তিনি দীপালি স্কুল ও আরও বারোটি অবৈতনিক প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। নারীশিক্ষা মন্দির ও শিক্ষাভবন নামেও দু’টি স্কুল তিনি প্রতিষ্ঠা করেন।

দীপালি সংঘ তৈরির আগে থেকেই লীলা বিপ্লবীদের সাথে জড়িয়ে গেছিলেন। ১৯২৮ সালে কলকাতা কংগ্রেস ও বাংলার অন্যান্য বিপ্লবী দলগুলো সুভাষচন্দ্র বসুর চারপাশে সমবেত হতে থাকে, লীলাও উপস্থিত হন সেখানে। নিখিল ভারত মহিলা সম্মেলনে বাংলার নারী আন্দোলনের ইতিহাস বলার সময় লীলা মঞ্চে ওঠেন। তার বিপ্লবী জীবনের পথ এর মাধ্যমে প্রশস্ত হয়। নেতাজির অনুরোধে তার প্রকাশিত ইংরেজি সাপ্তাহিক ফরওয়ার্ড ব্লকের সম্পাদনার ভার নেন লীলা।

পরবর্তী কয়েক বছরের মধ্যে দীপালি সংঘের বৈপ্লবিক পরিবর্তন হতে থাকে। দলে দলে মেয়েরা এর পতাকাতলে সমবেত হতে থাকে। আসাম ও বাংলার বিভিন্ন স্থানে এর শাখা বিস্তৃত হতে থাকে। নারী সমাজের মুখপাত্র হিসেবে ‘জয়শ্রী’ নামে একটি পত্রিকাও বের করেন তিনি। ছাত্রীদের সুবিধার জন্যে কলকাতায় একটি মহিলা হোস্টেল তৈরি করান তিনি। বিপ্লবী নেত্রী লীলা নাগের কাছে দলের ছেলেরাও আসতেন নানা আলোচনার উন্মুখতা নিয়ে। প্রীতিলতার মতো সুপরিচিত নারী বিপ্লবীরাও এই দীপালি সংঘের মাধ্যমেই বিপ্লবের পাঠ নিয়েছিলেন লীলা নাগের কাছ থেকে। দীপালি সংঘ ছাড়াও অনিল রায়ের শ্রীসংঘের সাথেও যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৩০ সালে সব বিপ্লবী দলের নেতাদের ইংরেজ সরকার একযোগে প্রেপ্তার করা শুরু করলে অনিল রায়ও প্রেপ্তার হন। ফলে শ্রীসংঘের দায়িত্ব পুরোটাই এসে পড়ে লীলার উপর।

শ্রীসংঘের সদস্যরা সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনার জন্যে অস্ত্র সংগ্রহ ও বোমা তৈরির কাজ করতেন। বোমার ফর্মুলা নিয়ে কাজ করতেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ছাত্র অনিল দাস ও শৈলেশ রায়। ১৯৩১ সালে বিপ্লবীদের কার্যকলাপ আরও জোরদার হয়। পরপর বেশ কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বিপ্লবীদের হাতে নিহত হন। এর মধ্যে কুমিল্লার জেলা জজ স্টিভেন্সের হত্যায় শান্তি সুনীতি ধরা পড়ায়
পুলিশের সন্দেহ এসে পড়ে তার ওপরে।

১৯৩১ সালের বিশে ডিসেম্বর দীপালি সংঘের কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে লীলা নাগকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন থেকে ১৯৩৭ সালের শেষ পর্যন্ত লীলা ঢাকা, রাজশাহী, সিউড়ী, মেদিনীপুর জেল ও হিজলী বন্দিশালায় আটক ছিলেন। ভারতবর্ষে বিনা বিচারে আটক হওয়া প্রথম নারী রাজবন্দী লীলা নাগ। পরবর্তীতে আরও অনেকবার কারাভোগ করতে হয় তাকে।

১৯৩৯ সালে বিপ্লবী অনিল রায়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর লীলা কলকাতায় চলে আসেন এবং এখানেও বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এছাড়াও তিনি দীপালি ছাত্রী সংঘ ও মহিলা আত্মরক্ষা কেন্দ্রও গড়ে তোলেন। বিপ্লবী পুলিন দাসের নেতৃত্বে মেয়েরা এখানে অস্ত্র চালনা ও লাঠিখেলা শিখতেন।

দেশভাগের পর অনিল-লীলা দম্পতি পূর্ববঙ্গে বসবাসের উদ্যোগ নেন। পূর্ব বাংলার সংখ্যালঘু রক্ষা ও শরণার্থীদের পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন তারা। ১৯৫১ সালে পাকিস্তান সরকার প্রণীত উদ্বাস্তু উচ্ছেদের বিলের বিরোধীতা করে আবারও গ্রেপ্তার হন লীলা।

১৯৬৪ সালে পূর্ববাংলা বাঁচাও কমিটির আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার কারণে পুলিশ লীলা নাগকে গ্রেফতার করে। ১৯৬৬ সালে ছাড়া পাবার পর তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। ১৯৬৮ সালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে কলকাতার পিজি হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। সংজ্ঞা ফিরে এলেও বন্ধ হয়ে যায় তার বাকশক্তি। শরীরের ডান অংশ সম্পূর্ণরুপে অচল হয়ে যায়। এভাবেই আড়াই বছর চলার পর ১৯৭০ সালের ১১ই জুন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের এক মহানায়িকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী, উপমহাদেশের নারী সমাজের জাগরণের প্রথম অগ্রদূত, অগ্নিকন্যা লীলা নাগ পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।

ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গতকাল বলেছেন, ইরানে যেকোনো ধরণের মার্কিন হামলার জন্য ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত...
14/01/2026

ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গতকাল বলেছেন, ইরানে যেকোনো ধরণের মার্কিন হামলার জন্য ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত আছে। এমন কিছু হলে ইরান এই অঞ্চলের (মধ্যপ্রাচ্য) সবকিছু পুড়িয়ে ছারখার করে ফেলবে।

তিনি আরও বলেন যে, (ইরানের ওপর হামলা হলে) মার্কিন জাহাজ ও বিভিন্ন দেশে তাদের ঘাঁটি এবং ইসরায়েলি অঞ্চলগুলো ইরানের 'নৈতিক লক্ষ্যবস্তু' বা টার্গেটে পরিণত হবে।

সূত্র: Al-Jazeera

নতুন অধ‍্যায়!নতুন জার্নি!একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির একাডেমিক কোচিংএ ছাত্রছাত্রী ভর্তি চলছে।দ্বাদশ শ্রেণির EXAM ব‍্যাচ ও   A+...
14/01/2026

নতুন অধ‍্যায়!নতুন জার্নি!একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির একাডেমিক কোচিংএ ছাত্রছাত্রী ভর্তি চলছে।দ্বাদশ শ্রেণির EXAM ব‍্যাচ ও A+ গ‍্যারান্টি ব‍্যাচে ছাত্রছাত্রী ভর্তি চলছে।

আহারে জীবন!জীবন খুবই ক্ষনস্থায়ী।
14/01/2026

আহারে জীবন!জীবন খুবই ক্ষনস্থায়ী।

মাইগ্রেনের সমস্যায় মারা গেলেন ইউএনও
14/01/2026

মাইগ্রেনের সমস্যায় মারা গেলেন ইউএনও

চাকরি প্রত‍্যাশি ভাই ও বোনেরা একটু শুনুন।যারা মানবিক শাখার বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ করে বাংলা ও ইংরেজি বাদে অনার্স করেছেন এবং...
14/01/2026

চাকরি প্রত‍্যাশি ভাই ও বোনেরা একটু শুনুন।
যারা মানবিক শাখার বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ করে বাংলা ও ইংরেজি বাদে অনার্স করেছেন এবং পাস কোর্সে ডিগ্রী কমপ্লিট করেছেন তাদের জন‍্য হাইস্কুল গুলোতে শিক্ষক হওয়ার সুযোগ খুবই কম।কারন শূন্য পদ নাই। চারুকলা বিষয়ে বেশিরভাগ হাইস্কুলেই শূন‍্যপদ।কারিগরি বোর্ডের অধীনে এক বছরের চারুকলা কোর্স কমপ্লিট করলে শিক্ষক নিবন্ধন পাশ করার সাথে সাথে চাইলে আপনি নিজের গ্রামের স্কুলেও শিক্ষক হতে পারবেন।কারন ওখানে শূন্য পদ রয়েছে।সখিপুর আইকন প্রিমিয়ার চারুকলা ইনস্টিটিউটে এক বছর মেয়াদী চারুকলা কোর্সে ভর্তি চলছে।সীমিত অল্প কয়েকটি আসনে আমরা ভর্তি করবো।ভর্তির যোগ‍্যতা নূন্যতম স্নাতক এবং বয়স ৩২।বিশেষ অফার!আমাদের এখানে চারুকলা কোর্সে ভর্তি হলে শিক্ষক নিবন্ধন কোচিং সম্পূর্ণ ফ্রি।
যোগাযোগ :BCSআইকন,মহিলা কলেজ রোড,সখিপুর,টাংগাইল।মোবাঃ01710-761194

ব্রেকিং 🚨🩺নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা 📝📅 ২৭ ফেব্রুয়ারি🗓️ আবেদন শুরু ▶️ ১২ জানুয়ারি📢🎓💉
08/01/2026

ব্রেকিং 🚨🩺
নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা 📝
📅 ২৭ ফেব্রুয়ারি
🗓️ আবেদন শুরু ▶️ ১২ জানুয়ারি
📢🎓💉

08/01/2026
08/01/2026

ব্রেকিং 🚨🩺
নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা 📝
📅 ২৭ ফেব্রুয়ারি
🗓️ আবেদন শুরু ▶️ ১২ জানুয়ারি
📢🎓💉

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আসনসংখ্যা। তালিকার মধ্য থেকে তোমার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় কোনটা?
01/01/2026

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আসনসংখ্যা।
তালিকার মধ্য থেকে তোমার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় কোনটা?

শুভ নববর্ষ।হাই স্কুলের শিক্ষক হবার অপূর্ব সুযোগ।যাদের ডিগ্রী,অনার্স কিংবা ফাজিল কমপ্লিট তারা এক বচর মেয়াদী চারুকলা কোর্স...
01/01/2026

শুভ নববর্ষ।হাই স্কুলের শিক্ষক হবার অপূর্ব সুযোগ।যাদের ডিগ্রী,অনার্স কিংবা ফাজিল কমপ্লিট তারা এক বচর মেয়াদী চারুকলা কোর্স কমপ্লিট করে হয়ে যেতে পারেন গর্বিত শিক্ষক।সখিপুর আইকন প্রিমিয়ার চারুকলা ইনস্টিটিউটে এক বছর মেয়াদী চারুকলা কোর্স সীমিত আসনে ভর্তি চলছে।আমাদের সখিপুরে চারুকলা কোর্সে ভর্তি হলে শিক্ষক নিবন্ধন কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রি।ক্লাস শুরু 10 জানুয়ারি।
যোগাযোগ :BCSআইকন,মহিলা কলেজ রোড,সখিপুর,টাঙ্গাইল।মোবাঃ01710-761194

31/12/2025

🚭 প্রকাশ্যে ধূমপান করলে জরিমানা ২ হাজার টাকা 💸
📜 — অধ্যাদেশ জারি ⚖️

Address

Sakhipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিশ্ববিদ্যালয়-নার্সিং ভর্তি & জব কোচিং Bcsআইকন&রেটিনা প্লাস, সখীপুর শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share