05/12/2025
গবি ছাত্রজনতার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি৷
৪ ডিসেম্বর উপাচার্যের সভাকক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের স্থায়ী বহিষ্কার এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক দের অব্যাহতি প্রদান বিষয়ে শিক্ষার্থীরা দাবি জানালে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জড়িত শিক্ষার্থীদের বিচার করলেও শেল্টারদাতা শিক্ষকদের বিষয়ে নিশ্চুপ থেকেছে, যা তাদের অবস্থানের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেন।
অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন,
১। প্রভাষক লিমন হোসেন
২। সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল আলম
অভিযুক্ত প্রভাষক লিমন হোসেন এর অন্যান্য আমলনামা -
১। ধর্ষক দের পুলিশ গ্রেফতার করলে, প্রভাষক লিমন হোসেন, আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রলীগ কর্মি আসিফ কামড়ান চৌধুরি কে সঙ্গে নিয়ে ধর্ষক দের ছাড়ানোর চেষ্টা করেন।
এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিজে এই বিষয়টি কে আদালতে স্বাক্ষি দেন।
২। শিক্ষার্থীদের ব্যাক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করে, তাদের গোপোনীয় ও ব্যাক্তিগত ঘটনা গুলোকে সকলের সামনে নিয়ে আসেন ও সেই শিক্ষার্থীকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই থাকেন, এবং পরবর্তী ফায়দা নেবার উদ্দেশ্যে সেগুলোর রেকর্ডিং ও রাখেন।
৩। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিত্বের সাথে তার সম্পর্ক কে পুজি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে তিনি ভয় দেখিয়ে অত্যাচার করেন। তার অত্যাচার হতে শিক্ষক রাও ছাড় পান না। এই বিষয় টি সভাকক্ষে তার বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকগণ স্পষ্ট করেছেন৷
৪। নতুন শিক্ষার্থীদের ব্যাক্তিগত জীবনে গোয়েন্দাগিরি করে সে সব গল্প ক্লাশরুমে রটায়। এবং পড়ানো বাদ দিয়ে প্রেমের আলাপ ও র্যাব এর গুলিতে পা হারানোর গল্প শুনিয়ে অহেতুক সময় নষ্ট করেন।
৫। তিনি একজন অযোগ্য শিক্ষক এ বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছেন, তৎকালিন শিক্ষক শিক্ষার্থীগন। আমরাও দেখেছি, তিনি ঠিক ভাবে বাংলা ও ইংরেজি পড়তে পারেন না। তার কোর্স নিয়ে কোন প্রশ্ন করলে গোজামিল দেয়।
৬। তার নিয়োগ নিয়ে এখনো প্রশাসনের কারচুপির গল্প শোনা যায়।
প্রোক্টরিয়াল কমিটির সভাপতি, যৌন নিপিড়ন সেল এর সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সচিব, আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সহযোগী অধ্যাপক জনাব রফিকুল আলম এর আমলনামা -
১। বিভাগীয় তদন্ত কমিটি, ধর্ষন এর বিষয় টি যৌন নিপিড়ন সেল এর প্রধান ও প্রক্টোরিয়াল কমিটির প্রধান এবং আইন বিভাগের প্রধান- রফিকুল আলম কে জানালেও তিনি অবহেলা করেন। বিষয় টি সভাকক্ষে বিভাগীয় শিক্ষকরা নিজে পরিষ্কার করেন। যা ভুক্তভোগীর পরিবার ও নিশ্চিত করেছেন ।
২। বিগত সময়ে যত মারামারি, যৌন নিপিড়ন ও বিশঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে, সেখানে তার অবদান ছিলো অত্যন্ত সন্দেহজনক ও ধীর গতির।
৩। গতবছরের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে আইনবিভাগের শিক্ষার্থী ও অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থী দের মাঝে যে মারামারির সৃষ্টি হয়েছিলো সেই ঘটনায় প্রক্টোরিয়াল বডির সকল সদস্যের সক্রিয় ভুমিকা থাকলেও তার ভুমিকা ছিলো নিষ্ক্রিয়।
তাই এদের মতো অযোগ্য ব্যাক্তিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম এর জন্য হুমকি স্বরূপ। অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় সুনাম রক্ষার্থে, এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তিদের অপসারণ চাই।
আইন বিভাগ এর ভুক্তভোগী সাধারণ শিক্ষার্থীরা
(বার্তা প্রেরক: গবি শিক্ষার্থী)