Chalk Kalikapur Technical Institute & BM College

Chalk Kalikapur Technical Institute & BM College Post Office: BILDOHAR
Thana: SINGRA
District: NATORE
School Code:24055
EIIN:132847

18/01/2016

কম্পিউটার সম্পর্কে আমরা সবাই কম-
বেশি জানি। কম্পিউটার ব্যবহার
করলেও কম্পিউটারের ইতিহাস
সম্পর্কে অনেকেই জানি না। কিন্তু
চিন্তা করে দেখুন আমরা যারা
কম্পিউটার ব্যবহারকারি তারা
কম্পিউটার ইতিহাস সম্পর্কে কতটুকু
জানি!!! আসুন কম্পিউটারের ইতিহাস
কিছুটা হলেও জানতে চেষ্টা করি।
কম্পিউটার কি??
কম্পিউটারের ইতিহাস জানার
আগে একটু ধারণা নিন কম্পিউটার
সম্পর্কে। Computer শব্দটি গ্রিক শব্দ
Compute শব্দ থেকে এসেছে। Compute
শব্দের অর্থ গণনা করা। Computer শব্দের
অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। মূলতঃ এটি
তৈরি করা হয়েছিল গণনার জন্য।
কিন্তু বর্তমান আবস্থায় এটি জটিল ও
কঠিন হিসাব-নিকাশ ছাড়াও আরো
অনেক কাজে ব্যবহার হচ্ছে
কম্পিউটার। কম্পিউটারের কাজের
গতি হিসেব করা হয় ন্যানো
সেকেন্ডে। ন্যানো সেকেন্ড হল এক
সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের
একভাগ। ইলেকট্রনিক প্রবাহের
মাধ্যমে এটি তার যাবতীয় কার্য
সম্পাদন করে।
কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন??
মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষ সৃষ্টি
করেছেন, দিয়েছেন তাদের বুদ্ধি।
মানুষ সাধনা করে তার বুদ্ধির
মাধ্যমে বিভিন্ন জিনিস আবিষ্কার
করছে। বর্তমান যুগ কম্পিউটারের যুগ।
এখ আপনাকে কেউ যদি জিজ্ঞেস
করে কম্পিউটার আবিষ্কার কে
করেছেন? তাহলে আপনি এর উত্তর কি
দিবেন? কারণ আজকের এই কম্পিউটার
একজনের হাত ধরে আসেনি। এটি
এসেছে অনেক অনেক মানুষ ও
প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে। এর জন্যই
আপনাকের জানতে হবে এর প্রথম দিক
থেকে ইতিহাস।
Image
ইতিহাস থেকে যা জানা গেছে
তা হল, প্রায় ৪ হাজার বছর আগে
চীনারা গণনা করার জন্য একটি যন্ত্র
তৈরি করে। যার নাম ছিল
অ্যাবাকাস। এটিই হল পৃথিবীর প্রথম
গণনাকারি যন্ত্র। আর এটিই হল বর্তমান
কম্পিউটারের পূর্বপূরুষ।
মুলতঃ বর্তমান কম্পিউটারের
রূপরেখা তৈরি করেন ব্রিটিশ
গণিতবিদ ‘চার্লস ব্যাবেজ’। ১৮২২
সালে তিনি লগারিদমসহ
গাণিতিক হিসাব নিকাশ অধিক সহজ
করার লক্ষ্যে একটি যন্ত্র তৈরি করার
পরিকল্পনা হাতে নেন। যন্ত্রটির নাম
ছিল “ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference
Engine). তার এই যন্ত্রটি কিছু সমস্যার
কারণে তৈরি করা সম্ভব হয় নি। এরও
অনেক পরে ১৮৩৩ সালে তিনি আগের
সব গণনাকারি যন্ত্রের
স্মৃতিভান্ডারের প্রয়োজনীতা
অনুভব করেন। এইজন্য তিনি একটি যন্ত্র
তৈরির চিন্তা করেন, যার নাম দেন
“অ্যানালটিক্যাল মেশিন”। এটির
কাজ তিনি শেষ করতে পারেন নি।
তার এই মেশিনের ডিজাইনের উপর
ভিত্তি করেই আজকের এই কম্পিউটার
তৈরি করা হয়েছে। এই জন্যই তাকে
কম্পিউটারের আদি পিতা বা জনক
বলা হয়। তার পরে লেডি আড্যা
আগাষ্টা, ফ্রাঙ্ক বন্ডইউনসহ আরো
এগিয়ে নিয়ে যান চার্লস
ব্যাবেজের উক্ত কাজকে।
১৮৮৭ সালে ডঃ হরম্যান হলেরিথ
যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারির কাজে
ব্যবহারের জন্য ইলেকট্রো
মেকানিক্যাল ব্যবস্থায়
পাঞ্চকার্ডের সমন্বয়ে একটি যন্ত্র
আবিষ্কার করেন। এর দ্বারা দ্রুত
আদমশুমারির কাজ করা যেতো। ১৮৯৬
সালে তিনি এ যন্ত্র তৈরির জন্য
“হলেরিথ টেবুলেটিং মেশিন
কোম্পানী” নামে একটি কোম্পানী
প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে আরো
কয়েকটি কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত হয়।
আর এই কোম্পানীগুলো একত্রে
তৈরি হল বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান
“ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন
কর্পোরেশন (IBM).”
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভাড
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক
হাওয়ার্ড এইচ. আইকেন IBM এর চারজন
প্রকোশলীর সহযোগিতা তৈরি করা
হয় প্রথম স্বয়ংক্রিয় সাধারণ
ইলেকট্রোমেকানিক্যাল
ডিজিটাল কম্পিউটার Mark-1, ১৯৪৪
সালে। এটি ছিল প্রায় লম্বায় ৫১ ফুট,
উচ্চতায় ৮ ফুট। এতে ৭ লক্ষাধিক
যন্ত্রপাতির জন্য প্রায় ৫০০ মাইল
লম্বা তার ব্যবহার করা হয়েছিল। এর
ওজন ছিল ৫ টন, এটি চালু ছিল ১৫ বছর।
বর্তমানে এটি হার্ভাড
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান
জাদুঘরে আছে।কম্পিউটার সম্পর্কে
আমরা সবাই কম-বেশি জানি।
কম্পিউটার ব্যবহার করলেও
কম্পিউটারের ইতিহাস সম্পর্কে
অনেকেই জানি না। কিন্তু চিন্তা
করে দেখুন আমরা যারা কম্পিউটার
ব্যবহারকারি তারা কম্পিউটার
ইতিহাস সম্পর্কে কতটুকু জানি!!! আসুন
কম্পিউটারের ইতিহাস কিছুটা
হলেও জানতে চেষ্টা করি।
কম্পিউটার কি??
কম্পিউটারের ইতিহাস জানার
আগে একটু ধারণা নিন কম্পিউটার
সম্পর্কে। Computer শব্দটি গ্রিক শব্দ
Compute শব্দ থেকে এসেছে। Compute
শব্দের অর্থ গণনা করা। Computer শব্দের
অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। মূলতঃ এটি
তৈরি করা হয়েছিল গণনার জন্য।
কিন্তু বর্তমান আবস্থায় এটি জটিল ও
কঠিন হিসাব-নিকাশ ছাড়াও আরো
অনেক কাজে ব্যবহার হচ্ছে
কম্পিউটার। কম্পিউটারের কাজের
গতি হিসেব করা হয় ন্যানো
সেকেন্ডে। ন্যানো সেকেন্ড হল এক
সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের
একভাগ। ইলেকট্রনিক প্রবাহের
মাধ্যমে এটি তার যাবতীয় কার্য
সম্পাদন করে।
কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন??
মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষ সৃষ্টি
করেছেন, দিয়েছেন তাদের বুদ্ধি।
মানুষ সাধনা করে তার বুদ্ধির
মাধ্যমে বিভিন্ন জিনিস আবিষ্কার
করছে। বর্তমান যুগ কম্পিউটারের যুগ।
এখ আপনাকে কেউ যদি জিজ্ঞেস
করে কম্পিউটার আবিষ্কার কে
করেছেন? তাহলে আপনি এর উত্তর কি
দিবেন? কারণ আজকের এই কম্পিউটার
একজনের হাত ধরে আসেনি। এটি
এসেছে অনেক অনেক মানুষ ও
প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে। এর জন্যই
আপনাকের জানতে হবে এর প্রথম দিক
থেকে ইতিহাস।
ইতিহাস থেকে যা জানা গেছে
তা হল, প্রায় ৪ হাজার বছর আগে
চীনারা গণনা করার জন্য একটি যন্ত্র
তৈরি করে। যার নাম ছিল
অ্যাবাকাস। এটিই হল পৃথিবীর প্রথম
গণনাকারি যন্ত্র। আর এটিই হল বর্তমান
কম্পিউটারের পূর্বপূরুষ।
মুলতঃ বর্তমান কম্পিউটারের
রূপরেখা তৈরি করেন ব্রিটিশ
গণিতবিদ ‘চার্লস ব্যাবেজ’। ১৮২২
সালে তিনি লগারিদমসহ
গাণিতিক হিসাব নিকাশ অধিক সহজ
করার লক্ষ্যে একটি যন্ত্র তৈরি করার
পরিকল্পনা হাতে নেন। যন্ত্রটির নাম
ছিল “ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference
Engine). তার এই যন্ত্রটি কিছু সমস্যার
কারণে তৈরি করা সম্ভব হয় নি। এরও
অনেক পরে ১৮৩৩ সালে তিনি আগের
সব গণনাকারি যন্ত্রের
স্মৃতিভান্ডারের প্রয়োজনীতা
অনুভব করেন। এইজন্য তিনি একটি যন্ত্র
তৈরির চিন্তা করেন, যার নাম দেন
“অ্যানালটিক্যাল মেশিন”। এটির
কাজ তিনি শেষ করতে পারেন নি।
তার এই মেশিনের ডিজাইনের উপর
ভিত্তি করেই আজকের এই কম্পিউটার
তৈরি করা হয়েছে। এই জন্যই তাকে
কম্পিউটারের আদি পিতা বা জনক
বলা হয়। তার পরে লেডি আড্যা
আগাষ্টা, ফ্রাঙ্ক বন্ডইউনসহ আরো
এগিয়ে নিয়ে যান চার্লস
ব্যাবেজের উক্ত কাজকে।
১৮৮৭ সালে ডঃ হরম্যান হলেরিথ
যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারির কাজে
ব্যবহারের জন্য ইলেকট্রো
মেকানিক্যাল ব্যবস্থায়
পাঞ্চকার্ডের সমন্বয়ে একটি যন্ত্র
আবিষ্কার করেন। এর দ্বারা দ্রুত
আদমশুমারির কাজ করা যেতো। ১৮৯৬
সালে তিনি এ যন্ত্র তৈরির জন্য
“হলেরিথ টেবুলেটিং মেশিন
কোম্পানী” নামে একটি কোম্পানী
প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে আরো
কয়েকটি কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত হয়।
আর এই কোম্পানীগুলো একত্রে
তৈরি হল বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান
“ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন
কর্পোরেশন (IBM).”
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভাড
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক
হাওয়ার্ড এইচ. আইকেন IBM এর চারজন
প্রকোশলীর সহযোগিতা তৈরি করা
হয় প্রথম স্বয়ংক্রিয় সাধারণ
ইলেকট্রোমেকানিক্যাল
ডিজিটাল কম্পিউটার Mark-1, ১৯৪৪
সালে। এটি ছিল প্রায় লম্বায় ৫১ ফুট,
উচ্চতায় ৮ ফুট। এতে ৭ লক্ষাধিক
যন্ত্রপাতির জন্য প্রায় ৫০০ মাইল
লম্বা তার ব্যবহার করা হয়েছিল। এর
ওজন ছিল ৫ টন, এটি চালু ছিল ১৫ বছর।
বর্তমানে এটি হার্ভাড
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান
জাদুঘরে আছে।

ডিপ্লোমা প্রকৌশলী দের জন্যচাকরির খবর,প্রতিষ্ঠানের নামঃ- ওয়ালটন গ্রুপ,খালি পদের সংখ্যা- ২০ জন ,Share করে সবাইকে জানিয়ে দি...
03/11/2015

ডিপ্লোমা প্রকৌশলী দের জন্য
চাকরির খবর,
প্রতিষ্ঠানের নামঃ- ওয়ালটন গ্রুপ,
খালি পদের সংখ্যা- ২০ জন ,
Share করে সবাইকে জানিয়ে দিন,
ডিপ্লোমা প্রকৌশলী দের
জন্য চাকরির খবর,
bddiplomaengineers.wordpress.com

Yes we can

20/09/2015

আপনার কম্পিউটার এবং
ডিভাইসকে ত্রুটি মুক্ত রাখার
বিষয়ে সাহায্য করতে কাজ
করছে
কিছু অপরাধী আপনার ব্যাঙ্ক
অ্যাকাউন্টের বিশদ বিবরণ, ইমেল
ইনবক্স অথবা অনলাইন
পাসওয়ার্ডগুলির মত তথ্যগুলির
পিছনে পড়ে থাকতে পারে,
অন্যরা হয়ত আপনার ডিভাইসে -
আপনার কম্পিউটার, ট্যাবলেট
অথবা ফোনে নিয়ন্ত্রণ পেতে ওত
পেতে থাকতে পারে৷
তখন, অপরাধীরা নিয়ন্ত্রণ করতে
পারে এমন অন্য ডিভাইসগুলি
খুঁজতে আপনার ডিভাইসটি ব্যবহার
করতে পারে৷ ওয়েবসাইটগুলিকে
আঘাত করতে এবং তাদের সুরক্ষা
ব্যবস্থাগুলি ভক্ষ করতে তারা
প্রায়ই অনেক কম্পিউটার ব্যবহার
করে৷
অপরাধীরা আপনার কম্পিউটারের
নিয়ন্ত্রণ নিতে পারার, শীর্ষ
উপায়গুলির মধ্যে একটি হল
ক্ষতিকারক সফ্টওয়্যার, অথবা
ম্যালওয়ার ইনস্টল করা৷ আপনার
কম্পিউটার ম্যালওয়ার থেকে
সুরক্ষা করতে সাহায্য করতে
পারেন, কিন্তু Google ও কঠোরভাবে
পরিশ্রম করে আপনাকে সুরক্ষা
করতে সহায়তা করে, আপনার ডাটা
এবং ডিভাইসগুলির নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে শত শত নিরাপত্তা
বিশেষজ্ঞরা দিবারাত্রি কাজ
করছে৷
আপনাকে ম্যালওয়ার এড়াতে
সাহায্য করছে
Google যেমন আপনার প্রশ্নগুলির
সেরা উত্তর দিতে ওয়েবে
সাইটগুলি অনুসন্ধান করে, আমরাও
সেইরকম ব্যবহারকারীদের পক্ষে
ক্ষতিকারক অথবা ম্যালওয়ার যুক্ত
সাইটগুলি খুঁজি৷ প্রতিদিন আমরা
অনিরাপদ সাইটগুলির মধ্যে থেকে
১০০০০ এর বেশি সাইট সনাক্ত এবং
পতাকাঙ্কিত করি, এবং আমরা
কমপক্ষে ১৪ মিলিয়ন অনুসন্ধান এবং
৩০০,০০০ ডাউনলোডগুলিকে
সর্তকবার্তা দেখায়, আমরা
আমাদের ব্যবহারকারীদের
জানায় যে এগুলির মধ্যে বিশেষ
ওয়েবসাইট অথবা লিঙ্কে কিছু
সন্দেহজনক হতে পারে৷
যদি কেউ আপনাকে Gmail এ বার্তা
পাঠাচ্ছে যা ক্ষতিকারক অথবা
ম্যালওয়ার যুক্ত, তাহলে আমরা এই
একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেগুলি
সনাক্ত করতে এবং যদি আপনি
একটি রিংটন বা PDF এর মত দেখতে,
কিন্তু গোপনে কোড বহনকারী এমন
যা আপনার কম্পিউটারের ক্ষতি
করতে পারে এইরকম কিছু ডাউনলোড
করতে চেষ্টা করেন তাহলে আমরা
তা থেকে আপনাকে সর্তক করতে
সাহায্য করি৷
এমনকি যদি আপনি একটি
ম্যালওয়ার যুক্ত পৃষ্ঠাতে যান,
তাহলে Google এর ইঞ্জিনীয়াররা
Chrome ব্রাউজারে অতিরিক্ত
সুরক্ষার এমন ব্যবস্থা নির্মিত
করেছে যা আপনার কম্পিউটারে
নিজে থেকে ইনস্টল হওয়া
ম্যালওয়ার আটকায়, এবং আপনার
কম্পিউটারে ম্যালওয়ারের প্রভাব
হ্রাস করে৷
আপনাকে আপ-টু-ডেট থাকতে
সাহায্য করছে
আরেকটি উপায় হল এই যে,
অপরাধীরা কখনো কখনো আপনার
কম্পিউটারে ব্যবহৃত পুরোনো
সফ্টওয়্যারে পরিচিত নিরাপত্তা
সমস্যা খুঁজে অ্যাক্সেস লাভ করে৷
তারা জানে যে অনেক লোকই
তাদের কম্পিউটার সফ্টওয়্যার এবং
প্রোগ্রামগুলি সেরা নিরাপত্তা
সুরক্ষাগুলি যুক্ত সাম্প্রতিক
সংস্করণে আপডেট করে না৷ Google ও
এটি জানে, যার কারণে আমরা
Chrome ব্রাউজারটি এমনভাবে
নির্মিত করেছি যাতে এটি আরম্ভ
করার প্রত্যেক সময়ে সাম্প্রতিক
সংস্করণে স্বয়ংক্রিয়-আপডেট হয়ে
যায়, তাই কোন অতিরিক্ত কাজ না
করে আপনি আপডেট নিরাপত্তা
সুরক্ষা পেতে পারেন৷
কখনো কখনো Chrome অন্য
সফ্টওয়্যারের সাথে কাজ করে,
তাদের প্লাগ-ইনস বলে, যেগুলি
ছবিগুলি এবং ভিডিও সঠিকভাবে
দেখায়৷ এছাড়াও এইসব প্লাগ-ইনস
অপরাধীদের জন্য, আপনার
কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ করার একটি
উপায় হতে পারে৷ যদি Chrome
নিরাপত্তা সমস্যা যুক্ত একটি
পুরাতন প্লাগ ইন সনাক্ত করে,
তাহলে এটি,যতক্ষণ আপনার কাছে
সর্বশেষ আপ-টু-ডেট এবং নিরাপদ
সংস্করণ না আছে ততক্ষণ ঐ প্লাগ-
ইনটিকে অবরুদ্ধ করে দেবে এবং
আপনাকে প্লাগ-ইনটি আপডেট করা
প্রয়োজন বলে একটি বার্তা
দেখাবে৷
আপনার মোবাইল ডিভাইস সুরক্ষিত
রাখতে সাহায্য করছে
ক্ষতির হওয়ার সম্ভবনা কমাতে
Google এর Android সফ্টওয়্যার চালিত
স্মার্টফোনগুলিতেও একই এরকম
সুরক্ষাগুলি আছে৷
Google Play স্টোর তালিকায় থাকা
অ্যাপ্লিকেশানগুলি আপনার
ডিভাইসে কি প্রকারের তথ্য
সংগ্রহ করে বা অ্যাক্সেস করে তা
জানা Android এরও প্রয়োজন হয়,
যাতে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে
পারেন অ্যাপ্লিকেশানটি
বিশ্বাসী কিনা৷ এছাড়াও আমরা
ক্ষতিকারক অ্যাপ্লিকেশানগুলি
অবরুদ্ধ এবং সরাতে
স্বয়ংক্রিয়ভাবে Google Play স্ক্যান
করি, এবং কিছু Android ফোনগুলির
জন্য, Google অ্যাপ্লিকেশান
যাচাইকরণ পরিষেবা সম্ভাব্য
ক্ষতিকারক অ্যাপ্লিকেশনগুলির
জন্য পরীক্ষা করবে, কোথায় থেকে
আপনি তাদের ইনস্টল করছেন সেটা
কোন ব্যাপার নয়৷ সুতরাং, যদি
আপনি অজানা উতসগুলি যেমন
ওয়েব বা তৃতীয়পক্ষের
অ্যাপ্লিকেশান স্টোর থেকে
ইনস্টল করেন, তাহলেও এই
বিনামূল্যের পরিষেবাটি
আপনাকে নিরাপত্তার আরেকটি
স্তর প্রদান করে৷

17/09/2015

সেরা ২২ টি কম্পিউটার টিপস
ট্রিক্স বাংলায়↓
১> GO = RUN æ – tree লিখে এন্টার
করুন।
২> GO =RUN æ – prefetch লিখে এন্টার
করুন।( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব
ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন।
৩> GO = RUN æ – temp লিখে এন্টার
করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো
ডিলিট করুন।
৪> GO = RUN æ – %temp% লিখে এন্টার
করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো
ডিলিট করুন।
৫/প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের
রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর
প্রপারট্রিজ এ ক্লিক করুন ডিস্ক
ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। আশা করি
আপনার কম্পিটার এ অনেক গতি
বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার
এর জন্য বেশী কার্যকরী।
৬/কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬ Computer
কেন এবং কিভাবে Hang হয়?
▬Computer tips & tricks bangla
→ কম্পিউটারের প্রসেসরের মান
বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে ।
→ কম্পিউটার র্যামের তুলনায়
বেশী পরিমাণ কাজ করলে।আপনার
কম্পিউটার র্যাম এর পরিমাণ কম
কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি
প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে
তো হবেই।
→ কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর
কানেকশন এবং প্রসেসরের
কানেকশন ঠিকমত না হলে, বার বার
একই সমস্যা হতে পারে
→ যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে
Cooling Fan টা check করেন এটা
স্পীডে গুরছে কিনা।
→ hard diskএ Bad sector থাকলে বা
অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি
থাকলে।
→ অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি
থাকলে মানে…কোনো সিস্টেম
ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে
বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে
সমস্যা হতে পারে।
→ কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা
আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে
পারে।
এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী
Hangহয়। আর এই ভাইরাস
অপারেটিং সিস্টেমের কিছু
ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে
দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই
হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ
মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন।
→ হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম
চালালে তখন র্যাম সম্পূর্ণ লোড
হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা
থকে।
→ কম্পিউটারের ফাইলগুলো
এলোমেলোভাবে সাজানো
থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা
থকে। refresh চাপেন এবং RUN এ
গিয়ে tree চাপেন।
৭/মনিটর এ ছবি দেখা না গেলে-
Confirm হন যে মনিটরটি on. এবং
brightness control চেক করুন , এবং এটি
ঠিক মত সেট হয়েছে কিনা
খেয়াল করুন। মনিটর এর সকল
কানেকশন চেক করুন এবং surge
protector ও surge protector টি চালু কি
না চেক করুন।
কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ
ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে
র্যমের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
৮/Ctrl + Alt + Delete চেপে বা
টাস্কবারে মাউস রেখে ডান
বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।
তারপর Processes-এ ক্লিক করুন।
অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর
তালিকা দেখতে পাবেন। এর
মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো
কাজে লাগছে না সেগুলো
নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক
করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে
কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন
এবং এতে যদি অপারেটিং
সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে
কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
৯/প্রতি সপ্তাহ একবার আপনার hard
drive Defragment এবং disk cleanup করুন।
(1. click start – all programs – accessori –
system utility – Defragment drive utility
2. click start – all programs – accessori –
disk cleanup)
১০/পিসি সেফ মোডে চালু হলে
কি করবেন?
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না
পারলে অনেক সময় সেফ মোডে
চালু হয়৷ সেফ মোড হলো
উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা
যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয়
ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে
লোড হয়৷ বলা যেতে পারে
‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ
দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই
গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু
হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট
করে দেখা যেতে পারে পুনরায়
স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয়
কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে
বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷
উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ
ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের
সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷
কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস
পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ
বার বার সেফ মোডে চলে যায়
তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি
রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ
মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক
মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু হওয়ার
সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে
সেখান থেকে সেফ মোড চালু
করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা
হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক
মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো
কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই
কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই
কাজ করবে না৷.
১১/আপনার hard disk এ দুইটি partition
করুন এবং সেকেন্ড পার্টিশনে
Install করুন সব large Softwares (like PSP,
Photoshop, 3DS Max etc). Windows এর জন্য
আপনার C Drive যথাসম্ভব খালি
রাখুন যাতে Windows RAM full হওয়ার
পর আপনার C Drive কে virtual memory
হিসেবে use করতে পারে।
১২/আপনার পিসি পুরো বুট না হওয়া
পযর্ন্ত কোন application open করবেননা।
যে কোন application close করার পর
আপনার desktop F5 চেপে refresh করে
নিন, যা আপনার পিসির RAM হতে
unused files remove করবে।ডেস্কটপ wallpaper হিসেবে very large
file size image ব্যবহার হতে বিরত
থাকুন।
ডেস্কটপে অতিরিক্ত shortcuts
রাখবেননা। আপনি জানেন কি
ডেস্কটপে ব্যবহৃত প্রতিটি shortcut up
to 500 bytes of RAM ব্যবহার করে।
১৩/প্রতিদিন আপনার ডেস্কটপের
recycle bin Empty করে রাখুন। (The files
are not really deleted from your hard drive
until you empty the recycle bin.)
১৪/অনেক সময় PC’র র্যাম কম থাকলে
PC slow হয়ে যায়। ভার্চুয়াল
মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি
বাড়ানো যায়। এর জন্য- My Computer
এ মাউস রেখে right button ক্লিক
করে properties-e যান। এখন advance এ
ক্লিক করে performance এর settings এ
ক্লিক করুন। আবার advance -এ ক্লিক
করুন। এখন change এ ক্লিক করে নতুন
উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও
Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size
লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে
বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size এ
আপনার PC’র র্যামের দ্বিগুণ এবং
Maximum size এ র্যামের চারগুন
দিলে ভাল হয়।
১৫/এ ছাড়াও কম্পিউটার ভাল
রাখার কিছু টিপ্স জেনে নিন

১. প্রতি ১ বা ২ মাস পর পর
কম্পিউটার খুলে সব parts মুছে নতুন
করে লাগিয়ে দিন।
২. Ram খুলে পাতলা তুলো দ্বারা
মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন।
৩. কম্পিউটারের উপর কোন ভারী
কিছু রাখবেন না।
৪. রাতে ঘুমাবার সময় কম্পিউটার
shut down করে দিন।
৫. বিদু্ৎ চলে গেলে যেন
কম্পিউটার বন্ধ না হয়ে যায় সে জন্য
UPS ব্যবহার করা উচিৎ।
৬. কম্পিউটার VIRUS দূর করার জন্য
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা
উচিৎ।
৭. কম্পিউটারকে আলো-বাতাসপূর্ণ
জায়গায় রাখুন।
৮. প্রতিদিন মনিটর, বিশেষ করে LCD
মনিটর একবার করে মুছে রাখবেন।
৯. অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও
CPU-র উপর আলাদা পর্দা দিয়ে
রাখেন, যাতে ময়লা প্রবেশ না
করে। এতে আরও ক্ষতিই হয়।
১০. ওয়ালপেপার হিসেবে এমন ছবি
সেট করুন, যা আপনার চোখকে আরাম
দেয়। ওয়ালপেপার সাইজে যত ছোট
হবে, আপনার কম্পিউটারের গতির
জন্য ততই ভাল।
১১. নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’ মুছে
পরিষ্কার করে রাখুন।
১৬/কম্পিউটারের র্যা ম কম থাকলে
কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়।
ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে
কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো
যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি
বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-
এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক
করে properties-এ যান। এখন Advance-এ
ক্লিক করে performance এর settings-এ
ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক
করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন
উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও
Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size
লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে
বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ
আপনার কম্পিউটারের র্যা মের
size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ
র্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল
হয়।
১৭/যে কোন Software uninstall করার
সময় ……কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add
or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove
windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন
যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ
থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর
পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন।
তারপর Accessories and Utilities
নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন।
নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি
থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার
কাজে লাগে না সেগুলোর টিক
চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ
ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে
Finish-এ ক্লিক করুন।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬16
১৮/প্রত্যেকবার কম্পিউটার অন
করার সময় বিভিন্ন ড্রাইভ চেকিং
অপশন আসে যেমনঃ- Checking Drive E:
১৯/Press any key to canceled এর
সমাধান…..
>স্টার্ট থেকে রানে লিখুন
সিএমডি (cmd) এবার এন্টার চাপুন।
>এরপর লিখুন সিএইচকেএনটিএফএস-
স্পেস-ড্রাইভ লেটার (E স্পেস
ব্যাকস্লাস(/)এক্স অর্থাতঃ (chkntfs
E: /X) লিখে এন্টার দিন ব্যাস এবার
কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
২০/তৈরি করুন একটি অদৃশ্য ফোল্ডার
একটি New Folder তৈরি করুন, যখন New
Folder লিখাটি নীল রং এ সিলেক্ট
করা থাকবে তখন keyboard এর ডান
পাশের Alt চেপে ধরে 0160 চাপুন,
এবার Alt key থেকে আঙুল সরিয়ে
নিন এবং Enter এ ক্লিক করুন। এবার
দেখুন একটি নাম ছাড়া ফোল্ডার
তৈরি হয়েছে । এখন এই নাম ছাড়া
Folder এ mouse এর right buttome ক্লিক
করে Properties এ যান, তারপর customize
> change icon এ ক্লিক করুন, তারপর icon
window থেকে একটি blank icon
সিলেক্ট করুন এবং ok তে ক্লিক করুন।
এবার দেখুন আপনি একটি অদৃশ্য Folder
তৈরি করেছেন।
২১/অনেক সময় START MENU SHOW
করতে দেরি হয় বা LOCAL DISK ‍এর যে
কোন পেজ ওপেন করতে দেরি হয়
যা খুব বিরক্তিকর। ‍এই সমস্যা থেকে
মুক্তি পেতে নিচের পথ অনুসরন করুন।
প্রথমে START MENU থেকে RUN এ
ক্লিক করুন। তাতে REGEDIT.EXE
লিখে OK করুন। REGISTRY EDITOR BOX
আসবে, সেখান থেকে
HKEY_CURRENT_USER ট্যাবে ক্লিক
করুন তারপর সেখান থেকে CONTROL
PANEL হয়ে DESKTOP ক্লিক করুন।
DESKTOP এ ক্লিক করার পর ডান
পাশের BINARY DATA হতে
MENUSHOWDELAY তে ডাবল ক্লিক
করুন। যে EDIT STRING BOX ‍আসবে তা
হতে VALUE DATA æ0” করে OK করুন।
তারপর কম্পিউটার RESTART করুন।
দেখবেন ‍আপনার কম্পিউটার ‍আগের
তুলোনায় দ্রুত গতি সম্পন্ন
হয়েছে ‍এবং LOCAL DISK পেজ OPEN
হতে সময় কম নিচ্ছে।
২২/কি বোর্ডের সাহায্যে চালু
করুন কম্পিউটার
আমরা সাধারণত CPU-এর পাওয়ার
বাটন চেপে কম্পিউটার চালু করি।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়,
পাওয়ার বাটনে কোনো সমস্যা
থাকলে কম্পিউটার চালু করতে
অনেক কষ্ট হয়। আমরা ইচ্ছা করলে
CPU-এর পাওয়ার বাটন না চেপে
কি-বোর্ডের সাহায্যে খুব সহজেই
কম্পিউটার চালু করতে পারি। এর
জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার
সময় কি-বোর্ড থেকে Del বাটন
চেপে Bios-এ প্রবেশ করুন। তারপর
Power Management Setup নির্বাচন করে
Enter চাপুন। এখন Power on my keyboard
নির্বাচন করে Enter দিন। Password
নির্বাচন করে Enter দিন। Enter
Password-এ কোনো একটি কি
পাসওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে সেভ
(F10) করে বেরিয়ে আসুন। এখন কি-
বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি
চেপে কম্পিউটার চালু করতে
পারেন। এই পদ্ধতিটি গিগাবাইট
মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে
প্রযোজ্য। অন্যান্য মাদারবোর্ডেও
এই পদ্ধতি পাওয়া যাবে।

কম্পিউটার প্রোগ্রাম হচ্ছে CPU কেদেয়া একটা নির্দিষ্ট Instructionsequence. কম্পিউটার নিজে থেকেকোন কাজ করতে পারে না। কোনকা...
17/09/2015

কম্পিউটার প্রোগ্রাম হচ্ছে CPU কে
দেয়া একটা নির্দিষ্ট Instruction
sequence. কম্পিউটার নিজে থেকে
কোন কাজ করতে পারে না। কোন
কাজের পর কোন কাজ করবে সেগুলো
একটার পর একটা প্রোগ্রামে বলে
দেয়া হয়। কম্পিউটার প্রোগ্রম কে
আমরা রান্নার সাথে তুলনা করতে
পারি। যেক্ষেত্রে অধ্যাপিকা
সিদ্দিকা করিরের “রান্না খাদ্য
পুষ্টি” বইটা হবে এ্কটা প্রোগ্রামিং
এর বই। আর CPU হচ্ছে রাঁধুনি। একজন
রাঁধুনি এই বইয়ের বিভিন্ন প্রোগ্রাম
দেখে বিভিন্ন জিনিস রান্না
করতে পারবেন। যেমন আমরা যদি
রাঁধুনিকে বলি কাচ্চি বিরিয়ানি
রান্না করতে তাহলে সে প্রথমে
কাচ্চি বিরিয়ানি প্রগ্রামটা রান
করবে। এই প্রগ্রামে বলে দেয়া আছে
কিভাবে কাচ্চি বিরিয়ানি
রান্না করতে হবে। প্রথমে মাংস
ধুয়ে লবন মেখে ৩০ মিনিট রাখতে
হবে। তারপর পেয়াজ ঘিয়ে বাদামি
করে ভেজে ঠান্ডা হখে গুড়ো করতে
হবে। এভাবে নয়টা ইন্সট্রাকশন পরপর
দেয়া আছে। যখন একজন রাঁধুনি একটার
পর একটা এই ইন্সট্রাকশন গুলো অনুযায়ী
কাজ করে যাবে শেষে দেখা
যাবে আউটপুট হিসাবে আমরা
কাচ্চি বিরিয়ানি পাব। যদি
ইন্সট্রাকশন গুলোতে কোন ভুল (আমরা
যেটাকে বলব bug) খাকে তাহলে
উল্টাপাল্টা রেজাল্ট পাব। ধরা
যাক আমাদের রাঁধুনি শুধু
ম্যান্ডারিন (চাইনিজ) ভাষা
জানে, তাহলে হয় তাকে
ম্যান্ডারিন ভাষায় ইন্সট্রাকশন
দিতে হবে, নাহয় একজন দোভাষী
অনুবাদক লাগবে (যেটাকে আমরা
Compiler বলি)।
কম্পিউটারকে দিয়ে আমরা
একইভাবে কোন একটা কাজ করাতে
পারি। তার জন্য একটার পর একটা
ইন্সট্রাকশন লিখে দিতে হবে। এই
ইন্সট্রাকশন লিখে দেয়ার
প্রক্রিয়াটা হচ্ছে কম্পিউটার
প্রোগ্রামিং।
কম্পিউটার প্রোগামিং এর জন্য
আমরা C ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করব।
কম্পাইলার হিসাবে আপনারা http://
ideone.com/ ঠিকানার IDE টা ব্যবহার
করতে পারেন প্রাথমিকভাবে।
কম্পিউটারের ডাটা টাইপ
কম্পিউটার এ আমরা সাধারণত ৩
ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করি।
প্রথমটা নাম্বার- বিভিন্ন ধরনের
সংখ্যা আমরা ব্যবহার করতে পারি।
15
23.8
-67
-13.78
এরপর আছে String (স্ট্রিং). এক বা
একাধিক বর্ণ বা সংখ্যা বা চিহ্ন
ব্যবহার করে কোন তথ্য উপস্থাপন করতে
হরে আমরা String ব্যবহার করি।
নিচে কিছু String এর উদাহরণ দেয়া
হলঃ
“Dhaka”
“বাংলাদেশ”
“সিরাজগঞ্জ-৭”
“১২৫৬”
“12387”
“আমার সোনার বাংলা আমি
তোমায় ভালবাসি”
String বোঝানোর জন্য আমরা
কোটেশন মার্ক (“) ব্যবহার করি। যেমন
12367 একটা নাম্বার কিন্তু “12367”
একটা String।
আর এক ধরণের ডাটা টাইপকে আমরা
বলি boolean (বুলিয়ান) বা সংক্ষেপে
bool। এটাতে শুধুমাত্র True বা False এই
দুইটা মান রাখা যায়।
০ থেকে ৯ ব্যবহার করে যেমন সব
সংখ্যা লেখা যায় তেমনি এই তিন
ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করে
আমরা যে কোন ধরণের ডাটা
কম্পিউটারে উপস্থাপন করতে পারি।
C ল্যাংগুয়েজে আমরা যেসব primitive
ডাটা টাইপ ব্যবহার করি সেগুলো
হলঃ
int, char, short, long, float, double
এই টাইপগুলো ব্যবহার করে সব ধরনের
তথ্য উপস্থাপন করা যায়।

Ideone is something more than a pastebin; it's an online compiler and debugging tool which allows to compile and run code online in more than 40 programming languages.

17/09/2015

"SIM ক্লোন"
সতর্ক থাকুন নিরাপদে থাকুন
সাবধান হন এখনি। আপনিও হতে
পারেন SIM ক্লোনের শিকার।
SIM ক্লোন কি ?
একটি SIM যে টি আপনি ব্যবহার
করছেন সেই SIMটি যদি অন্য কেউ
ব্যবহার করে কিংবা এক নাম্বার
যদি দেখেন এক সাথে দুইজন ব্যবহার
করছে কিংবা হঠাৎ করে যদি
দেখেন আপনার সেল ফোনের
কানেকশন নাম্বার থেকে ব্যালান্স
কোন কারন ছাড়া কমে যাচ্ছে তবে
আপনি SIM ক্লোনের শিকার।
কিভাবে শিকার হবেন SIM
ক্লোনের!!!?
আপনি যদি অপরিচিত কোন নাম্বার
থেকে মিসড কল পান এবং সেটাতে
যদি কল ব্যাক করেন তবে আপনি SIM
ক্লোনিং এর শিকারে পরিনত হতে
পারেন। দুষ্কৃতকারীরা বিশেষ একটি
সফট ওয়ার এর মাধ্যমে আপনার
নাম্বারটি ক্লোনিং করে। অর্থাৎ
আপনি যখন বিশেষ মিসড কল
নাম্বারে কল ব্যাক করবেন তখন একটি
সফটওয়ার এর মাধ্যমে আপনার নাম্বার
টি ক্লোন হয়ে যাবে। SIM ক্লোনিং
হলে আপনার সিমে রাখা ডাটা
ক্লোন নাম্বারে চলে যাবে। এবং
আপনার প্রাইভেসি ক্ষুণ্ণ হবে।
আবার বিঙ্গাপনের মাধ্যমেও SIM
হ্যাকিং হয়। পরিচিত/অপরিচিত
নাম্বার থেকে ফোন করে যদি বলে
যে "এটা জানতে চাইলে ১ চাপুন
ওটা জানতে চাইলে ২ চাপুন
ইত্যাদি" এবং আপনি কমান্ড অনুসরন
করেন তবে আপনার SIMটি হ্যাক হয়ে
যেতে পারে।
যে সমস্যায় আপনি পড়তে পারেন সিম
ক্লোনিং হয়ে গেলে!!!?
সাধারনত হ্যাকাররা আপনার
নাম্বার টি ব্যবহার করে আপনার
জীবন বিপন্ন করতে পারে। অর্থাৎ ওই
নাম্বার দিয়ে কেউ কাউকে মৃত্যুর
হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা জঙ্গি
কানেকশন করলে আপাত দায়ভার
আপনার উপর বর্তাবে। কাজেই আপনি
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধৃত
হবেন। পরবর্তীতে আরও নানাবিধ
সমস্যায় পড়তে পারেন।
লক্ষ্য করুন-----------
* ভারতে সম্প্রতি এক লাখ সিম ও রিম
কার্ড ক্লোনিং হয়েছে।
সেখানকার গোয়েন্দা বাহিনী
সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ভারতের
গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে ওই
ক্লোনিং সিম বা রিমের মাধ্যমে
অনেক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।
* বাংলাদেশে এখনও সিম
ক্লোনিং হয়েছে বলে ৬ টি
মোবাইল অপারেটরের হাতে এমন
কোন তথ্য নেই। তবে বাংলাদেশের
গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে
যে কোন সময় এমন অনাকাংখিত
ঘটনা ঘটতে পারে।
সতর্ক হবেন যেভাবে-
* অপরিচিত নাম্বার থেকে মিসড কল
এলে আপনি কল ব্যাক করার পূর্বে
ভালো করে চিহ্নিত করবার চেষ্টা
করুন যে এটি কার নাম্বার। অথবা কল
ব্যাক করা বন্ধ রাখুন।
* মনে রাখবেন সিম ক্লোনিং হতে
হলে মিসড কল আসবে। ডাইরেক্ট রিং
হলে সেটি রিসিভ করলে আপনি
সিম ক্লোনিং এর শিকার হবেন না।
মিসড কল এলেই সতর্ক হন।
* যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের
ব্যালান্স অকারণে কমে যাচ্ছে
সাথে সাথে কল সেন্টারে ফোন
করে জানান।
* আপনার সেল ফোন টি এখনি বন্ধ
করে অন্য একটি নাম্বার থেকে
আপনার নাম্বারে ফোন দিন। দেখুন
রিং হয় কিনা। রিং হলে আপনি
সিম ক্লোনিং এর শিকার

15/09/2015

বিশেষ ঘোষণা
বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের ফেসবুক
পেজ, বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের এর
প্রেসিডেন্ট নাহিদরেইন্সের ফেসবুক
একাউন্ট, অফিশিয়াল ভেরিফাইড
ফেসবুক পেজ হতে শুরু এবং
নাহিদরেইন্সের গ্রামীন ফোনের
মোবাইল নাম্বার হতে শুরু সবকিছু হ্যাক
করা হয়েছে। বাংলাদেশীজম
প্রজেক্টের প্রেসিডেন্ট নাহিদ
হেলাল (নাহিদরেইন্স) -এর নিজের
গ্রামীন ফোনের সিম ক্লোনিং করে
হ্যাক করা হয়।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল
প্রতিষ্ঠানের সিম কার্ড! এরপর সেই
ক্লোন করা সিম ব্যবহার করে ফেসবুকের
পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করা হয়। এরপর একে
কে সেই ফোনের সাথে যুক্ত সকল
অনলাইন একাউন্টগুলো হাত করে নেয়
হ্যাকাররা।
এই মুহুর্তে বাংলাদেশীজমের ফেসবুক
পেজ, নাহিদরেইন্সের ভেরিফাইড
ফেসবুক পেজ, নাহিদ হেলালের ফেসবুক
একাউন্ট হতে শুরু করে সবকিছুই হ্যাক করা
হয়েছে। আর এই মুহুর্তে বেশ কয়েকজনের
কাছে বাংলাদেশীজমের ফেসবুক
পেজ বিক্রি করার অফার চলে
গিয়েছে বলা হয়েছে। এর আগে
বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের
প্রেসিডেন্ট নাহিদ হেলালকে
পাবলিক পোস্টের মাধ্যমে হুমকিও
দেয়া হয়েছিল।
এই মুহুর্তে বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের
অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশীজম
প্রজেক্টের সকল সদস্য এই মুহুর্তে বদ্ধ
পরিকর এসব অপরাধীদের ধরার জন্য। এবং
এজন্য প্রশাসনের সকল শাখার সাথে
যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশীজমের এই দুর্দিনে আশা
করি আপনারা সাথে থাকবেন।
গ্রামীণ ফোনের সিম কার্ড চুরি করে
ক্লোন করা অর্থাৎ টাকার বিনিময়ে
একজনের সিম অন্য জায়গা থেকে বের
করা এখন অনেক সহজ। অর্থাৎ ধরুন আপনার
সিম কার্ডটি একটিভ এবং আপনি আসল
মালিক। কিন্তু কেউ যদি চায়, আপনার
সিম কার্ডটি লস্ট সিম ক্যাটাগরিতে
উদ্ধার করবে এবং কোন তথ্য ছাড়া, শুধু
মাত্র টাকার বিনিময়ে, তাহলে খুব
সহজেই করা যাবে।
ঠিক একই ভাবে বাংলাদেশীজম
প্রজেক্টের ফাউন্ডার NahidRains এর
নিজের ব্যবহারের গ্রামীণ ফোন
নাম্বার চুরি করে অন্য জায়গা থেকে
সেই সিম কালেক্ট করা হয়েছে। যদি
গ্রামীণ ফোনের ভেতরের কোন লোক
এটা না করে, তাহলে কোনভাবেই
সম্ভব না।
আর মোবাইলের সিম কার্ড এভাবে চুরি
করাকে তারা আবার "হ্যাকিং" বলে!
আর মোবাইল নাম্বার এভাবে কারো
হাতে চলে যাওয়া মানেই আপনার
ফেসবুক একাউন্ট এর পাসওয়ার্ড রিসেট
করতে পারবে যে কেউ সহজেই আর সেই
সাথে সমস্ত পেজের এডমিন।
এটা খুবই দুঃখজনক, গ্রামীণ ফোনের মত
এত বড় আইকনিক প্রতিষ্ঠানেও এসব কাজ
করা যায় অনায়াসেই। অত্যন্ত দুঃখজনক।
হয়তো অন্যান্য মোবাইল অপারেটরেরও
এমন কাজ করা যায়। এই মুহুর্তে আমরা
এমনই এক ভিক্টিম।

14/08/2015

ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং
কোর্স নিয়ে কিছু কথা :::
-ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং
পড়ুয়াদের সনদের মান কিসের
সমমান?
বেশির ভাগের উত্তর হয়: এইচএসসি
সমমান। অথচ তারা প্রমাণ হিসেবে
কিছু চাকরি বিজ্ঞপ্তি ছাড়া আর
কিছুই উপস্থাপন করতে পারে না।
অথচ বাংলাদেশ সরকারের
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক
শিক্ষাবোর্ডের সরকারি ওয়েব
সাইট ঘুরে দেখা যায় -
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং
কোর্সের মান গ্রেড-১৪।
যেখানে এইচএসসি'র মান গ্রেড-১২।
এবং অনার্সের মান গ্রেড - ১৬।
এছাড়া এইচএসসি কে দেখানো
হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরে আর
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কে
দেখানো হয়েছে মাধ্যমিক এবং
উচ্চ শিক্ষাস্তরের মাঝামাঝি
স্থানে।
এবার দেখা যাক চাকরি ক্ষেত্রে -
একজন এইচএসসি সনদ-ধারী তৃতীয়
শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে
চাকরিতে প্রবেশ করেন,
বেতন স্কেল -
মূল বেতন ৪৭০০/-
সর্বসাকুল্যে ৯৭৪৫/-
এবং তাকে সারাজীবন প্রায় একই
পদে চাকরি করে যেতে হয়।
আর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা
দ্বিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা
হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করেন।
বেতন স্কেল-
মূল বেতন ৮০০০/-সর্বসাকুল্যে ১৬৫৪০/-
তারা ক্রমে ক্রমে পদোন্নতি পেয়ে
প্রথমশ্রেনীর কর্মকর্তা
হতে পারেন। যা সাধারণ শিক্ষায়
শিক্ষিত কাউকে পেতে হলে
অন্ততপক্ষে মাস্টার্স অথবা
বিসিএসধারী হতে হয়।

10/06/2015

শুরু হচ্ছে পলিটেকনিক
ভর্তিফরম পূরন।কোন পেইজ বা
অপরিচিত লোক দ্বারা প্রতারিত
হবেন না।
অনেকেই ফরম পূরনের কথা বলে
প্রতারিত করছে সাধারন
ছাত্রদেরকে।
মনে রাখবেন ভর্তি ফরম
http://www.techedu.gov.bd/
তে পাওয়া যাবে ।আর ফি ১৫০
টাকা টেলিটকের মাধ্যমে
পরিশোধ করতে হবে।
ট্রেড নির্বাচনের বেলায় সতর্ক
থাকবেন ।
সবার জন্য শুভকামনা।

11/05/2015

আগামী ৩০ মে এসএসসি ও সমমানের
পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ
সোমবার সাংবাদিকদের এ তথ্য
জানিয়েছেন।

10/05/2015

একজন মানুষের সবচেয়ে
বড় আপনজন.
এই পৃথিবীতে অনেকেই
ভালোবাসে আমাদের কিন্তু
তার আড়ালে কোন না কোন স্বার্থ
থাকে,
কিন্তু একজন মানুষের ভালোবাসার
আড়ালে কখনও স্বার্থ থাকে না,
সেই মহান মানষটি মা,
"মা" যে তার সন্তানকে নিস্বার্থ
ভালোবাসা আর আদরে ভরিয়ে
দেয়.
এই পৃথিবীর প্রত্যেকটি মা'ই
মহিয়সী নাড়ী তাদের
সন্তান এর কাছে.!!
"মা" দিবসে অজস্র সালাম
এই পৃথিবীর প্রত্যেক মা'কে

Address

Village: Chalk Kalikapur, Post: Bildohor-6450, Chamari Union
Singra

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chalk Kalikapur Technical Institute & BM College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share