16/09/2026
জিন্নাহ কোনো ধর্মীয় নেতা ছিলেন না,
তিনি ব্রিটিশ ভারতের মুসলমানদের রাজনৈতিক অধিকার ও পৃথক
রাষ্ট্রের দাবির নেতৃত্ব দেন এবং শতভাগ সফল হন নেতা হিসেবে ♥️💯
আর সেই সূত্র ধরেই বাংলাদেশ হয়ে যায় পাকিস্তানের অঙ্গরাজ্য বা অংশ,
ভারত থেকে আলাদা করার কৃতিত্ব দিতে কোনো রকম,
বাধা বিপত্তি নাই মনের ভিতর।
কিন্তু সেও এই দেশকে হাতে পেয়ে ভারতের মতোই শোষণ করতে চেয়ে ছিলো
সেটা একদম ক্রিস্টাল ক্লিয়ার হিস্টোরি 🤭😅
এটা তার মুখ থেকেই প্রকাশ পায় ২১ মার্চ ১৯৪৮ সালে ঢাকার রেসকোর্স
ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) একটি বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন।
সেখানেই তিনি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা নিয়ে স্পষ্টভাবে বলেন যে একমাত্র উর্দুই
হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে।
এই আকাইম্মা ভাষণ দিয়ে সে তো পরপারে না ফেরার দেশে চলে যায় কিছু দিন
পর, কিন্তু লাগিয়ে যায় বিশাল ঝামেলা 😅
জিন্নার এই ভাষণের সূত্র ধরেই পরবর্তীতে চলতে থাকে একটার পর একটা কাহিনী,
যখন পাকিস্তানের অন্যসব নেতা আসে,
তারপর থেকেই যত দিন যায় ততোই বিপত্তির শুরু হয় ছাত্র জনতার সাথে 🤣🤣
এবং এক পর্যায়ে ভাষা আন্দোলন শুরু হলে অনেকেই সেই ঘটনায়,
জীবন দিয়ে সফল করে যান বাংলা এদেশের মাতৃভাষা ♥️🙂
এরকম বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে বাঙালি অনেক ঝামেলা পোহাতে থাকে,
নিজেদের অধিকার নিয়ে পরতে থাকে বিভিন্ন বিপত্তির মুখে,
যার জন্য দিনশেষে দেশ ভাগের সিদ্ধান্ত নিতে হয়,
এবং আমরা পাই স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে এই বাংলা মাতৃভূমিকে ♥️💯😇
জিন্নাহ যদি প্রথমেই ঝামেলার ভাষণ না দিতো,
হয়তো এখনো আমরা অবহেলিত ভাবেই জীবনযাপন করতাম,
তার ঐ ভুল থেকেই বাঙালিরা বলতে গেলে সাহস করেই রুখে দাঁড়ায় 🙂😅
বাংলাকে অঙ্গরাজ্য করার কুবুদ্ধিটাই আমাদের সৌভাগ্যের দুয়ার খুলে দেয় 🥰
আবার এই জিন্নার জন্য কিছু লোক হাহাকার করে লাফায় 🤣🤣
যে আমার দেশের মানুষকে তার অধিকার ঠিক মতো দেয়নি,
এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে কল্পনাও করেনি,
তাকে আমি কিভাবে নিরপেক্ষ নেতা ভাববো রে 🤫😅🥱
আর কিছু লোক বলে জিন্না মারা গেছে ১৯৪৮ সালে, সে কিভাবে ৭১ এর
ঝামেলা লাগাইলো 😂😂
আরে ভাই সব ঝামেলার তো একটা সূত্রপাত থাকে নাকি বোকাচন্দ্র গুলা 😅