03/10/2024
#মিজানুর_রহমান_আজহারী একজন আলোচিত বক্তা। বর্তমান সময়ের ট্রেডিশনাল ওয়াজে তিনি একজন উপযুক্ত আলোচক। হুজুগের মারপ্যাচে হোক আর যে কোন কারণেই হোক তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন অভাবনীয় আকারে। এটা ভালো বিষয়। সর্বমহলে তিনি জনপ্রিয়তা পাচ্ছিলেন এটা ছিলো আরও বড় বিষয়। কিন্তু অধিক জনপ্রিয়তা দেখে খেই হারিয়ে ফেলা বা ধর্মীয় ফিকহী বিষয়ে সঠিকভাবে জ্ঞানার্জন না করার কারণে তিনি ভালো কিছু ফেৎনা সৃষ্টি করে ফেলেছেন। এবং এটা খুবই ভয়াবহ ফেৎনা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। যে বিষয়ে কথা বলা জরুরী।
তিনি হায়ার স্ট্যাডি করেছেন মিশরের জামিয়া আল আজহারের মত বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে। আল আজহার থেকে হায়ার স্ট্যাডি কমপ্লিট করা হাজার হাজার ছাত্র বাংলাদেশে আছে। ইংলিশে অনর্গল কথা বলতে পারা বা ইংলিশে ধর্মীয় আলোচনা করতে পারা স্টুডেন্টসের অভাবও বাংলাদেশে নেই। কিন্তু আজহারী সাহেব সেখানে ফেম পেয়েছেন এটা তার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ অবশ্যই। কিন্তু এই অনুগ্রহকে তিনি যদি বিভক্তির কাজে ব্যবহার করেন তাহলে বিষয়টা খুবই দুঃখজনক।
আমি তার বর্ণনাকৃত ভুল মাসয়ালাগুলোর খন্ডন করা নিয়ে বিভিন্ন কারণে কথা বলবো না। প্রথমত আমি মুফতি নই। তাই এই খন্ডনের কাজ আমার নয় যদিও আমি করতে পারি। দ্বিতীয়ত এখানে পর্দার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে যা আমি মেইনটেন করতে পারি না। বিগত প্রায় পাঁচ বছর আমি সহশিক্ষার মধ্যে ছিলাম। তাও আবার সহশিক্ষার সর্বোচ্চ উদারতম স্থান পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে লেখপড়া করেছি। সেখানে হাত মুখ খোলা রাখা কেবল না এরচেয়ে বেশি কিছু খোলা রাখা মেয়েদেরও আমি নিয়মিত দেখেছি, দেখতে হয়েছে, এখনও হচ্ছে। তাই আমার পক্ষে আজহারীর বর্ণনাকৃত মাসয়ালা নিয়ে কথা বলা সম্ভব না। বলবোও না। কিন্তু তিনি যে পথে হাটছেন তা খুবই বিপদসঙ্কুল পথ এবং ইসলামের ও মুসলমানদের শরয়ী মাসয়ালাগত বিষয়ে চরম পর্যায়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা বলেই আমি মৌলিক বিষয়টা নিয়ে কথা বলছি। তার বিভিন্ন উদাহরণগত শব্দের স্খলনগুলো সাময়িকভাবে 'স্লিপ অব টাং' হিসেবে মেনে নিলেও মাসয়ালাগত বিষয় নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করার ধারাবাহিকতা কোনভাবেই মেনে নেওয়ার মত না। তবে সাহাবায়ে কেরাম রা. এবং উম্মাহাতুল মুমিনিনসহ আরও অনেককে নিয়ে তার ধারাবাহিক বেআদবীপূর্ণ শব্দের উচ্চারণ বারবার হওয়াটাও দুঃখজনক।
এখানেই শেষ নয় বরং তিনি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ জিহাদ এবং মুজাহিদীনে ইসলাম সম্পর্কে কথা বলতে গিয়েও বারবার ঝামেলা পাকিয়ে ফেলছেন। গতকাল তার এক বক্তৃতায় দেখলাম বেশ কনফিডেন্সের সাথেই তিনি বলছেন, আফগানিস্তানের মুজাহিদীনে ইসলাম তথা তালেবান হলো আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সৃষ্টি! কোথা থেকে তিনি এই আজগুবি তথ্য পেয়েছেন তা উনিই বলতে পারবেন। উনি ইসলাম বলতে মডারেট ইসলামিস্টদের আচরণকেই সম্ভবত বুঝেন।
হায়ার স্ট্যাডি বা উচ্চশিক্ষার জন্য আমরা অনেক কিছুই পড়ে থাকি এবং শিখে থাকি। যা সাধারণ মানুষকে বললে তারা বুঝবে না বরং প্যাচ লাগায়া বসে থাকবে। সেই প্যাচ লাগানোর কাজটাই তিনি সহজভাবে করতেছেন। আপনি যদি ইবনে খালদুনের মুকাদ্দিমা নিয়ে সাধারণ ওয়াজ শুনতে আসা মানুষদের মধ্যে আলোচনা করেন তারা খুব একটা কিছু বুঝবে না এটাই স্বাভাবিক। ইসলামকে সহজ করে দেওয়াটা অবশ্যই উপকারের কিন্তু সেই সহজ করার পন্থা যদি এমন হয় যে তার দ্বারা বড় পাপ এবং অন্যায় করার পথ উম্মুক্ত হয়ে যায় তাহলে সেই সহজ করার কাজটা ইসলামের জন্য বিশাল ক্ষতি বয়ে আনবে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম এই সহজ করার বিষয়টা গ্রহণ করছে কারণ এতে সুবিধা বেশি। একসাথে ইসলামও মানা যায় আবার নিজের প্রবৃত্তির চাহিদাও পুরণ করা যায়। আজহারী সাহেব অল্প সংখ্যক হলেও তরুণ প্রজন্মকে সেদিকে ধাবিত করছেন।
আমার কাছে মনে হচ্ছে আজহারী সাহেবের এই অবস্থানের কিছু নির্দিষ্ট কারণ আছে! উনার বেশ কিছু বয়ান শুনে আমি যা পেয়েছি তা পয়েন্ট আকারে বলছি;
১. আজহারী সাহেব মিডলইস্টের আরব শেখদের ব্যাক্তি জীবনের ইসলাম থেকে প্রভাবিত।
মিশরে দির্ঘদিন থাকার কারণে তার মধ্যে এই প্রভাব তৈরি হয়েছে। আর মিডলইস্টের আরব শায়খদের ব্যাক্তি জীবনের ইসলাম মানার অবস্থা আশা করি জানা আছে সকলের। তারা জুব্বা পড়ে এমন কোন আকাম নাই যা করে না। সৌদির প্রিন্স সালমানের জীবন তো প্রকাশ্য বিষয় সেখান থেকে অনুমান করতে পারবেন কিছুটা। মূলত এই প্রভাব থেকেই তিনি ইসলামের বিভিন্ন মৌলিক হুকুম আহকামকে স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তন করার জন্য কিছু হালকা যুক্তি বা মতামতের আশ্রয় নিচ্ছেন।
২. আজহারী সাহেব জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদূদী সাহেবের মতাদর্শেও কিছুটা প্রভাবিত।
মাওলানা মওদূদী সাহেবও এভাবেই ইসলামের বিভিন্ন মাসয়ালাগত বিষয় যেমন দাড়ি, টুপি, সাহাবায়ে কেরামদের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা এসবের ব্যাপারে বিভ্রান্তিকর মতামত দিয়েছেন যেগুলো মওদূদীবাদ আকারে অবশ্যই পরিত্যাজ্য। আজহারী সাহেব মিশরে থাকা অবস্থায় জামায়াতের কিছু আলোচক যেমন তারেক মুনাওয়ার সাহেব এবং জামায়াতের শিল্পী গোষ্টি সাইমুমের সাথে সম্পর্কের প্রভাবে মাসয়ালাগত অনেক বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে ফেলতে চাচ্ছেন। যা অবশ্যই প্রতিবাদযোগ্য। তাছাড়া তিনি জামায়াত সমর্থকদের কাছ থেকে প্রচার এবং প্রটেক্টের ক্ষেত্রে বেশ সাপোর্ট পাচ্ছেন যে কারণেও জামায়াতের প্রতি দায় ঠিক রাখতে জামায়াতবান্ধব অনেক কিছুই করছেন।
৩. মডারেট তরুণদের সমর্থনপুষ্ট হওয়ার নেশা।
বাংলাদেশের বর্তমানের আধুনিক প্রজন্ম ব্যাপক হারে ইসলামের দিকে ঝুকছে। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো হেফাজতে ইসলামের জাগরণ এবং কওমী লেভেলের অনেকের আধুনিক দুনিয়ায় পদচারণা। কিন্তু এই আধুনিক প্রজন্ম ইসলাম মানার ক্ষেত্রে কিছু ছাড় চায় বিশেষ করে পর্দা এবং বিয়ে! যে ছাড়টা আজহারী সাহেব দিতে চাচ্ছেন তরুণ প্রজন্মকে বাগে নেওয়ার জন্য কিন্তু এটা যে একটা আত্মঘাতি কাজ হচ্ছে এবং ইসলাম ধর্মকে খৃষ্টিয় ধর্মের মত আধুনিক করার নামে ধিরে ধিরে পরিবর্তন করে ফেলার প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপ হবে এটা তিনি হয়ত খেয়ালই করছেনই না।
৪. ফিকহী মাসয়ালা বিষয়ে গভীর জ্ঞান না থাকা।
আজহারী সাহেবের নামের শুরুতে ড. লাগানো হয়। তিনি ডক্টরেট নিয়েছেন কী না সেটা এখনও পরিস্কার নয় তবে তার খুব কাছের একজন আমাকে বলেছেন, মালয়েশিয়ার ইসলামী ইউনিভার্সিটিতে তিনি এমফিল এর থিসিস জমা দিয়েছেন। তার মানে থিসিস অ্যাপ্রুভ হলে তিনি ডক্টর হবেন কিন্তু ডক্টর হওয়া মানেই যে তিনি সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন বিষয়টি মোটেও এমন না বরং ফিকহী মাসয়ালার ক্ষেত্রে যে জনপদে ফতোয়া দেওয়া হচ্ছে ওই জনপদের তৃণমূল পর্যায় থেকে নিয়ে সেখানের মানুষের সাথে এবং ওইসব অঞ্চলের ফতোয়া বোর্ড এবং মুফতিয়ানে কেরামদের সাথে একটা সমন্বয় অবশ্যই দরকার আছে নয়ত অনেক বিষয়েই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে এবং যে বিভ্রান্তির কারণে আলেম ওলামাদের প্রতি মানুষের ভক্তি-শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস উঠে যাবে। আর যাদের কারণে আলেমদের সাথে মানুষের সম্পর্কের দুরত্বের সৃষ্টি হয় তারা অবশ্যই যুগের ফেৎনাবাজ হিসেবে পরিগণিত হন।
৫. বতর্মান সময়ের কিছু আধুনিক ইসলামী স্কলারদের থেকে প্রভাবিত হওয়া।
আজহারী সাহেব ইসলামের আকাবিরে আসলাফদের চেয়ে বর্তমান সময়ের আধুনিক ইসলামী স্কলারদের প্রতি বেশি দুর্বল কিন্তু বর্তমান সময়ের আধুনিক ইসলামী স্কলাররা কেহই বিতর্কের উর্ধে নয়। হোক সে জাকির নায়েক বা হোক সে নাসিরুদ্দীন আলবানী। কিন্তু আজহারী সাহেব বিভিন্ন মাসয়ালাগত বিষয়ের ক্ষেত্রে তাদের ওপর ভরসা করছেন যে কারণেই এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। যে বিভ্রান্তি এর আগে আহলে হাদিসরা ছড়িয়েছিলো।
এছাড়াও নিজেকে তথাকথিত স্মার্ট প্রমান, আধুনিক হওয়ার প্রচেষ্টা, খ্যাতি-ফেম-এর নেশা এবং আরও অনেক বিষয় আছে যেসব কারণে তিনি এভাবে অহংকারী হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করছেন যা উনার ভবিষ্যত সময়ের জন্য খুবই খারাপ হবে বলেই মনে হয়। অলরেডি তিনি তার সার্বজনীন জনপ্রিয়তাটা হারিয়ে ফেলেছেন। বিশেষ কওমী অঙ্গনের তরুণরা ধিরে ধিরে তার প্রতি বীতশ্রদ্ধ হচ্ছে কারণ তার ফতোয়া দেওয়ার বিষয়টি অনেক কারণেই দৃষ্টিকটু দেখাচ্ছে।
আজহারী সাহেবের প্রতি কিছু পরামর্শ :
১. ফিকহী মসায়ালার ক্ষেত্রে একদম সুকুত এখতিয়ার করা বা চুপ থাকা। কোন মাহফিলে ফিকহী মাসয়ালার জবাব না দিয়ে বরং সামাজিক বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা। বরং মানুষকে মাসয়ালা জানানোর ইচ্ছা হলে কোন ইন্সটিটিউট তৈরি করে সেখানে শরয়ী মাসয়ালা গবেষণা করে মানুষকে শেখানোর ব্যাবস্থা করা।
৩. বাংলাদেশের স্বীকৃত ফতোয়াকেন্দ্রগুলোতে কিছু সময় ব্যায় করা। হাটহাজারী, বসুন্ধরা, মারকাযুদ দাওয়াহ, ইকরা, ইসলামী ফাউন্ডেশনসহ এদেশের স্বীকৃত যে ফতোয়া কেন্দ্রগুলো আছে সেখানে যাতায়াত বৃদ্ধি করা এবং ইখতেলাফী মাসয়ালাগুলোর ক্ষেত্রে তাদের গবেষণা সহায়তা নেওয়া। বাংলাদেশের ধর্মীয় অঙ্গণের অবস্থা-অবস্থান জানার জন্য অবশ্যই কওমী শিক্ষাকেন্দ্রগুলো ঘুরতে হবে।
৪. মডারেট ইসলাম প্রচার না করে ইসলামের শেকড়ের সৌন্দর্য প্রকাশ করা। আধুনিকতার সাথে ইসলামকে নয় বরং ইসলামের সাথে আধুনিকতার সমন্বয় করা।
৫. জিহাদ, আধ্মাতিকতা, পীর-মুরিদীসহ ইসলামের কিছু অনুসঙ্গ আছে যা নিয়ে সমন্বিত আলোচনা করা মুশকিল। এগুলো সম্পর্কে কোন প্রশ্ন এলে হয়ত এড়িয়ে যাওয়া অথবা বেশ সতর্কতার সাথে আলোচনা করা।
৬. ব্যাক্তিজীবনে আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা কারণ মিজানুর রহমান আজহারী সাহেবের ব্যাক্তিজীবন খুব একটা পরিশুদ্ধ নয় বলেই ওনার সাথের অনেকের মতামত। ব্যাক্তিজীবনের অনেক কিছুর ব্যাপারেই মানুষকে পরিশুদ্ধ করার প্রচেষ্টায় যারা রত তাদের সতর্ক থাকতে হয়। অবশ্যই কোন শায়খ, মুরুব্বী বা পরামর্শক এর আওতায় থাকা উচিত ওনার।
শেষ কথা হলো, আমি ব্যক্তিগতভাবে মিজানুর রহমান আজহারী সাহেবের আলোচনার ভক্ত। আমি নিয়মিত তার আলোচনা শুনে থাকি। সময় পেলেই শুনি। ওনার ডেলিভারি স্কিল এবং কথা বলার ভাবভঙ্গী খুবই সুন্দর। যে কারণে উনি বিতর্কিত হয়ে যান এ বিষয়টা কোনভাবেই চাই না। আমার পরামর্শ বা সমালোচনা উনি দেখবেন কি না আমার জানা নেই কিন্তু আমি উনার শুভাকাঙ্খি হিসেবেই এই মতামতটুকু লিখেছি।
লেখার মূল বক্তব্য : পর্দা, বিয়ে, রসুল স., উম্মাহাতুল মুমিনিন এবং সাহাবায়ে কেরাম রা. এর প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধাসহ এমন কিছু বিষয় আছে যা ইসলামের প্রাইমারি লেভেলের বিষয়। যারাই ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করেন তারা ইসলামের প্রাইমারী লেভেল থেকেই এগুলোর জ্ঞান পেয়ে যান। এগুলো নিয়ে মতভেদপূর্ণ কথাবার্তা বা মতামতগুলো সাধারণ মানুষের জন্য না বরং কেবলমাত্র জানার জন্য। এবং এসব জ্ঞান সনদ বাই সনদ তথা অবিকৃত আকারে ধারাবাহিকভাবে ধরে রেখেছেন কেবল মাত্র কওমী মাদরাসাওয়ালারাই। আপনি মানেন আর না মানেন এটাই বাস্তবতা। কারণ কওমী মাদরাসাওয়ালাদের ইসলামী শিক্ষা কার্যক্রমে কোন ধরণের গ্যাপ তৈরি হয়নি। রাসুলুল্লাহ স. এর জমানা থেকেই ধারাবাহিকভাবে এই শিক্ষাচেইন চলে এসেছে। তাছাড়া প্রতিটি মতভেদপূর্ণ মাসয়ালা নিয়ে কওমী আলেমরা বিস্তর চিন্তা ভাবনা করেছেন এবং জনপদের চাহিদা এবং চিন্তা অনুসারে সেগুলোর সমাধান দিয়েছেন। তাই বাংলাদেশে ধর্মীয় বিষয়ে কোন মাসয়ালার ক্ষেত্রে এদেশের কওমী অঙ্গনের প্রতি নির্ভরতাই আপনার জন্য উপযুক্ত। তাদের মতামতই সর্বোপেক্ষা উত্তম।