Sylhet Agricultural University

Directions Website Contact the university

Sylhet Agricultural University This is the official page of Sylhet Agricultural University (SAU), Bangladesh.

একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি ---------সিকৃবি ভিসিসিলেট কৃষি বি...
20/09/2026

একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি ---------সিকৃবি ভিসি

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ যুগোপযোগীকরণের অংশ হিসেবে কৃষি অনুষদ ভবনে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত কনফারেন্স রুম উদ্বোধন করা হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে এবং ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে নবনির্মিত এই কনফারেন্স রুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপাস্থিত ছিলেন, সিকৃবি’র ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ, রেজিস্ট্রার (অ.দা) প্রফেসর ড. মোঃ আসাদ-উদ-দৌলা, প্রক্টর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, দপ্তর প্রধানসহ কৃষি অনুষদের সিনিয়র শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে আধুনিক অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। এই নতুন কনফারেন্স রুমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এবং গবেষণা সংক্রান্ত সভা আরো সহজে ও সাবলীলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে।

আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং আরামদায়ক আসন ব্যবস্থা সম্বলিত এই কনফারেন্স রুমটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের নিয়মিত একাডেমিক আলোচনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সিকৃবিতে' উদ্ভিদের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া' শীর্ষক সেমিনার  অনুষ্ঠিত সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) “আন্ডারস্টেন্ডিং প...
20/09/2026

সিকৃবিতে' উদ্ভিদের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া' শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত



সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) “আন্ডারস্টেন্ডিং প্লান্ট স্ট্রেস রেসপন্স: এ জার্নি ফ্রম ফেনোটাইপ টু সেল বায়োলজি” শীর্ষক সেমিনার ২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে । সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম।



সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের ইওয়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের প্ল্যান্ট বায়ো সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবিদুর রহমান।



অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম, বহিরাঙ্গন কার্যক্রমের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মাছুদুর রহমান।

সেমিনারে সেশন চেয়ারের দায়িত্ব পালন করেন কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রফেসর ড. ফখরুল ইসলাম মুন্সী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন একই বিভাগের প্রফেসর ড. দিলারা আক্তার।



অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, উদ্ভিদের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন বর্তমান কৃষি গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তন, খরা, লবণাক্ততা, অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও অন্যান্য পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের কারণে কৃষি উৎপাদন বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় ও কোষীয় প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, উদ্ভিদের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য বা ফেনোটাইপ থেকে শুরু করে কোষের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম পর্যন্ত প্রতিটি স্তরের গবেষণা আমাদের উদ্ভিদের অভিযোজন ক্ষমতা ও প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার প্রক্রিয়া বুঝতে সহায়তা করে। আধুনিক কৃষিকে আরও টেকসই ও উৎপাদনশীল করতে এ ধরনের মৌলিক ও প্রয়োগভিত্তিক গবেষণার সমন্বয় অপরিহার্য।



ভাইস-চ্যান্সেলর আরও বলেন, সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষণা, নতুন বৈজ্ঞানিক ধারণা এবং উদ্ভিদের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবেন। গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’২৬-এ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ ...
15/09/2026

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’২৬-এ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ অংশ নিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)। রাজধানীর বিজয় সরনির নভোথিয়েটারে ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি।

ইনোভেশন ফেয়ারে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে একটি স্টল স্থাপন করা হয়। সিকৃবির স্টলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের গবেষকদের ১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এতে কৃষিপণ্য, প্রাণীস্বাস্থ্য, মৎস্যসম্পদ ও কৃষি প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক পোস্টার প্রদর্শন করা হয়।
মেলায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম দর্শনার্থীদের মাঝে উপস্থাপন করেন । এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ সিকৃবি অংশগ্রহণ করতে পারায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিকৃবি সবসময় একাডেমিক গবেষণাকে বাস্তব প্রয়োগ ও বাণিজ্যিকীকরণের পথে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।তিনি আরো বলেন, শক্তিশালী ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ, এপ্রেনটিসশিপ ও ইন্টার্নশিপ সুবিধা এবং স্টার্ট-আপ চালুকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফলাফল কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ সিকৃবির ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার।
মেলায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, গবেষক ও বিজ্ঞানী, শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা সিকৃবির স্টল পরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

উল্লেখ্য, এবারের আয়োজনে এক হাজারের বেশি উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে। উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সংযোগ তৈরির পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে শিল্প ও বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আয়োজক সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ ও বাণিজ্যিকীকরণের ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি হয়েছে ।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’২৬-এ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ।।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদে...
14/09/2026

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’২৬-এ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ।।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ অংশ নিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)। ঢাকার নভোথিয়েটারে ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি।
ইনোভেশন ফেয়ারে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্টল স্থান পেয়েছে। সিকৃবির স্টলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের গবেষকদের ১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে কৃষিপণ্য, প্রাণীস্বাস্থ্য, মৎস্যসম্পদ ও কৃষি প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক পোস্টার প্রদর্শন করা হচ্ছে।
মেলার প্রথম দিনে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ সিকৃবি অংশগ্রহণ করতে পারায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিকৃবি সবসময় একাডেমিক গবেষণাকে বাস্তব প্রয়োগ ও বাণিজ্যিকীকরণের পথে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।”
বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ সিকৃবির অংশগ্রহণের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার।
মেলায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিজ্ঞানী, শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা সিকৃবির স্টল পরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

এবারের আয়োজনে এক হাজারের বেশি উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে। উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সংযোগ তৈরির পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে শিল্প ও বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ ও বাণিজ্যিকীকরণের সম্ভাবনা সৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।

ডি-নথির (ডিজিটাল নথি) সঙ্গে যুক্ত হলো সিকৃবি -----------------------------------------পেপারলেস অফিস প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেব...
05/09/2026

ডি-নথির (ডিজিটাল নথি) সঙ্গে যুক্ত হলো সিকৃবি
-----------------------------------------

পেপারলেস অফিস প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ডি-নথির (ডিজিটাল নথি) সঙ্গে যুক্ত হলো সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী ভবনের ই-রিসোর্স সেন্টারে সিকৃবি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুই দিন ব্যাপি “ডি-নথির ব্যবহার ও বাস্তবায়ন বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ” এর সমাপনী দিনে ৩৭ তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ডি-নথির কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সিকৃবি আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউজিসির আইসিটি বিভাগের পরিচালক জনাব মোঃ ওমর ফারুখ, সিকৃবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোঃ আসাদ-উদ-দৌলা, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ডা. মোঃ রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতায় ডি-নথি ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার আমাদের দাপ্তরিক কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।
ডি-নথির মাধ্যমে নথি ব্যবস্থাপনা সহজ, দ্রুত ও সুশৃঙ্খল হবে। একই সঙ্গে সময় ও কাগজের ব্যবহার কমবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে । তিনি বলেন,ডি–নথির মাধ্যমে যেকোন স্থান থেকে ফাইল নিষ্পত্তি করা যায়। ফলে কোনো ফাইল নিজের ইচ্ছেমাফিক আটকে রাখার সুযোগ থাকবে না, ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে। এতে দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি তৈরি হবে। ডি নথির ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা নিশ্চিত করবে। তিনি সবাইকে গতানুগতিক মানসিকতা পরিহার করে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সিকৃবিতে এম সাইফুর রহমানের ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত -----------------------------------------সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়...
05/09/2026

সিকৃবিতে এম সাইফুর রহমানের ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
-----------------------------------------

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর স্বপ্নদ্রষ্টা সাবেক সফল অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পালন করা হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর( শনিবার) দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম। এ সময় সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তিনি বলেন, এম সাইফুর রহমান হলেন বাংলাদেশের মুক্তবাজার অর্থনীতি ও আধুনিক অর্থনৈতিক সংস্কারের মূল প্রবর্তক। তিনি নব্বইয়ের দশকে দেশের তৎকালীন বদ্ধ অর্থনীতি বা ক্লোজড ইকোনমির ধারা ভেঙে মুক্তবাজার অর্থনীতির সূচনা করেন। দেশের গরিব ও দুস্থ মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর প্রাথমিক কাজ ও ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের বিপর্যস্ত অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনয়ন করেন তিনি । ভেঙে পড়া বেহাল অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে বাংলাদেশকে গড়ে তোলেন তৃতীয় বিশ্বের এক আধুনিক উদীয়মান ইমার্জিন টাইগারের দেশ হিসেবে। দেশের অর্থনীতির বুনিয়াদ গড়ে তোলার কারিগর এম. সাইফুর রহমানকে এ কারণেই জাতি শ্রদ্ধার সাথে সর্বদা স্মরণ করে । মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে এম সাইফুর রহমানসহ মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও গণতন্ত্রের মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের বরপুত্র তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী - শিক্ষক,কর্মকর্তা - কর্মচারী ও ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী এলাকার জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

05/09/2026
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের রূপকার এম সাইফুর রহমান।।-----------------------------------------প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইস...
04/09/2026

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের রূপকার এম সাইফুর রহমান।।
-----------------------------------------

প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম।।

এম সাইফুর রহমান বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সংস্কার ও মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবর্তক এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান রূপকার।দেশের দীর্ঘতম সময়ের ও সফলতম অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান ২০০৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তাঁর প্রিয় জন্মভূমি মৌলভীবাজারের বাহার মর্দন থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ এক মহান রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ, দূরদর্শী নেতা এবং দেশের উন্নয়নের একজন পথপ্রদর্শককে হারায়।তাঁর জীবনের কাজ এবং স্বপ্ন বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করেছে। দেশের আর্থিক নীতি, শিল্প ও বাণিজ্য, শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। সাইফুর রহমান তাঁর রাজনৈতিক জীবনে ১২ বার জাতীয় বাজেট পেশ করে এ উপমহাদেশ তথা গোটা বিশ্বে রেকর্ড সৃষ্টি করেন। তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভীত দাঁড় করিয়েছিলেন। দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক বিষয়গুলো ছিল তাঁর নখদর্পণে। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের একটি দরিদ্র দেশের অর্থনীতিকে শক্ত কাঠামোর উপর দাঁড় করানোর ব্যাপারে তাঁর ভূমিকা ছিল অসামান্য।

প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনীতিবিদ। সমাজের সব মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তিনি আমৃত্যু কাজ করছেন।
তিনি কৃষি ও কৃষকের প্রকৃত বন্ধু ছিলেন। কৃষকরা যাতে তাদের জীবনমান উন্নত করতে পারে, তা নিয়ে তিনি ভাবতেন। তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করতেন, কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। বস্তিবাসী মানুষের মানবাধিকারের কথাও তিনি বলতেন। শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের প্রতি তিনি ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। তিনি প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগ করে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য অনুপ্রাণিত করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রাখে। তিনি প্রবাসীদের বলতেন, বিনিয়োগ হলো দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এজন্য তিনি দেশের পর্যটন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প ইত্যাদি খাতে প্রবাসীদের বিনিয়োগ করার জন্য বলতেন। তিনি দাতাদের সাহায্যনির্ভরতা থেকে অর্থনীতিকে বের করতে বাণিজ্য উদারীকরণ করেছেন। বিদেশি সাহায্য ছাড়াও যে দেশ চলতে পারে দেশের উন্নতি হতে পারে, সেই ধারণাও দিয়েছিলেন সাইফুর রহমান। তিনি সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে চালু করেন ভ্যাট আইন।

এম সাইফুর রহমান ১৯৩২ সালে তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমার সদর উপজেলার বাহারমর্দন গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুল বাছিত এবং মা তালেবুননেসা। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন এম সাইফুর রহমান। মৌলভীবাজার সরকারি হাইস্কুল থেকে ১৯৪৯ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৫১ সালে সিলেট মুরারীচাঁদ কলেজ থেকে আইএ পাস করে ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিকম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত লন্ডনে পড়াশুনা করেন এবং দি ইনস্টিটিউট অভ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অভ ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস (আইসিএইডাব্লিউ) থেকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬২ সালে তিনি পেশাজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় বেতন কমিশনে প্রাইভেট সেক্টর হতে একমাত্র সদস্য মনোনীত হন। তিনি ১৯৭৩ ও ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয় বেতন কমিশনের সদস্যও ছিলেন।

এম সাইফুর রহমান ১৯৭৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সরকারের অর্থ, বাণিজ্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি ভ্যাট, তৈরি পোশাক খাতে ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র ও বন্ডেড ওয়‍্যারহাউস সুবিধা চালুসহ অর্থনীতিতে ব্যক্তি খাতের বিকাশ ও নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি দেশকে মুক্তবাজার অর্থনীতির দিকে নিয়ে গেছেন। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কারে পেইনফুল সিদ্ধান্তগুলো সাইফুর রহমানই নিয়েছেন। দেশের অর্থনীতিতে তিনি সবচেয়ে বেশি সংস্কার করেছেন। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে সাফল্য অর্জিত হয়েছে, তার অন্যতম রূপকার তিনি।

তিনি ১৯৯৪ সালে স্পেনের মাদ্রিদে বিশ্ব ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী সম্মেলনের গভর্নর নির্বাচিত হন। ১৯৮০ - ১৯৮২ মেয়াদে তিনি বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইডিবি, আইএফএডিতেও বাংলাদেশের গভর্নর ছিলেন। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত তিনি এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন।

তাঁর জাতীয় রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় বাণিজ্য উপদেষ্টা হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দলে যোগ দেন যা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে রূপান্তরিত হয়। তিনি ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন সিলেট-১৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৭৮ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি প্রথমে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার বাণিজ্যমন্ত্রী ও পরে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২৪ মার্চ ১৯৮২ সালে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে এরশাদ ক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসন জারি করলে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ের প্রায় সব নেতার সাথে তিনিও গ্রেফতার হন।

১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি অর্থ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে সিলেট-৪ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পুনরায় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে মৌলভীবাজার-৩ ও সিলেট-৪ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি সিলেট-১ ও মৌলভীবাজার-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন।
বিএনপির সাফল্যের সাথে সাইফুর রহমান নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

এম সাইফুর রহমান বাংলাদেশে মুক্ত বাজার সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রবর্তক হিসেবে সমধিক পরিচিত। তিনি স্বপ্ন দেখতেন- গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, বেকার সমস্যা দূর করন, দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, মানব সম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তোলার। তাঁর প্রবর্তিত অর্থনৈতিক সংস্কারের বিভিন্ন নীতিমালার কারণেই আজ কৃষি, পোল্ট্রি, হ্যাচারী, দুগ্ধ ও গরুর খামার এবং যুব প্রশিক্ষণ সহ অনেক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।

এম সাইফুর রহমান প্রবর্তিত ভ্যালু এডেড টেক্সেস (ভ্যাট), কর ব্যবস্থার সংস্কার, শিল্প ব্যবস্থায় প্রাইভেটাইজেশন এবং উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থা বাংলাদেশর অর্থনৈতিক অবস্থার আমুল পরিবর্তন সাধন করেছে। বলা যায় তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিনত করতে তিনি রেখেছেন অসামান্য অবদান।

এম. সাইফুর রহমানের জীবন আমাদের শেখায় যে, সংকল্প, নীতি ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার কর্ম, আদর্শ ও চিন্তাধারা চিরকাল আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। নিঃসন্দেহে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর কর্ম জীবন শুধু বাংলাদেশকে নয়, পুরো বিশ্বকে দেখিয়েছে যে একটি দেশের অর্থনীতি ও সমাজকে শক্তিশালী করা অসম্ভব কিছু নয় যদি নেতৃত্ব দৃঢ়, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং সমাজমুখী হয়। দেশপ্রেমিক বিশাল হৃদয়ের এই কৃতী মানুষটি আমাদের ছেড়ে এ পৃথিবী থেকে চলে গেলেও তাঁর কর্মই তাঁকে বাঁচিয়ে রাখবে।

সাইফুর রহমান যে ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন বৃহত্তর সিলেট তথা দেশের উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ ছিলেন, তা দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষই স্বীকার করে। দেশের জন্য, দেশবাসীর উন্নয়নের জন্য এমন এক রাজনৈতিক নেতার বর্তমান সময়ে খুবই প্রয়োজন ছিল। তাঁর মতো উদারপন্থী বাস্তবতায় বিশ্বাসী এমন নেতা দেশে প্রায় দুর্লভ। তিনি ছিলেন একজন কল্যাণমুখী রাজনীতিবিদ। তিনি স্বপ্ন দেখতেন আধুনিক, বৈষম্যহীন অর্থনীতির বাংলাদেশ।

মানুষের জীবনে জন্ম ও মৃত্যু শ্বাশত। এমন কেউ নেই যাকে মৃত্যু স্পর্শ করবে না। কিন্তু মানুষ ইচ্ছে করলে মৃত্যুকে জয় করতে পারে। মানুষ চাইলে বেঁচে থাকতে পারে শত শত বছর। আর শত শত বছর বেঁচে থাকতে হলে এমন কিছু কর্ম করে পৃথিবীতে রেখে যেতে হবে, যার ফলে মানুষ তাকে স্মরণ করবে। এমনই স্মরণীয় একজন মানুষ ছিলেন সাইফুর রহমান। তাঁর কর্মময় জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে নিঃসন্দেহে। মানুষেরা একটা ক্ষণস্থায়ী জীবন নিয়ে এই পৃথিবীতে আসে। এরপর চলে যায়। এই ক্ষণস্থায়ী জীবন অর্থবহ হয় তখনই, যখন তার কর্মে সন্তুষ্ট হয় স্বজন, প্রতিষ্ঠান ও দেশবাসী। মূলত মানুষ তার কর্মের মধ্যেই বেঁচে থাকে। সাইফুর রহমান তাঁর কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন চিরকাল। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা এম সাইফুর রহমানকে তাঁর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ।

লেখক: ভাইস- চ্যান্সেলর,
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট। মোবাইল : ০১৭৯৫-৭০১১৮২

নেপালে আকস্মিক ভূমিধস-বন্যার ঘটনায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক ও সংহতি নেপালি শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকব...
30/08/2026

নেপালে আকস্মিক ভূমিধস-বন্যার ঘটনায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক ও সংহতি নেপালি শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকবে সিকৃবি -----সিকৃবি ভিসি


২৬ আগস্ট নেপালে ঘটে যাওয়া আকস্মিক ভূমিধস ও বন্যায় মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে নেপালের জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) পরিবার। ৩০ আগস্ট (রোববার) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে “হার্টফ্যাল্ট কনডোলেন্স ফর দ্যা নেপালিজ ডেভাসটেটিং ট্র্যাজেডি” শীর্ষক শোক ও সংহতি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, নেপালে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তা আমাদের সবাইকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। মানুষের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। আমরা নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। ভিসি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ধ - শতাধিক নেপালি শিক্ষার্থী রয়েছে যারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অংশ। যেকোনো প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ সবসময় তাদের পাশে থাকবে।

ভিসি আরও বলেন, দুর্যোগ ও সংকটের কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। মানবিকতার জায়গা থেকে বিপদের সময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নেপালের এই কঠিন সময়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার নেপালের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে। আমরা আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রার্থনা করি। সংকটের এই সময়ে নেপালের জনগণ যেন সাহস ও শক্তি নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে, এ প্রত্যাশাও ব্যক্ত করি। গভীর শোকের এই সময়ে সিকৃবি পরিবার নেপালের সরকার ও বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের পাশে রয়েছে। বিশেষ করে আমাদের নেপালি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের প্রতি আমাদের সংহতি রয়েছে।

এছাড়া নেপালি শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ দেশের এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও সহায়তার জন্য ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার আহ্বান জানান। শোক সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিকৃবি‘র ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ, প্রক্টর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন, রেজিস্ট্রার (অ.দা.) প্রফেসর ড. মোঃ আসাদ-উদ-দৌলা, ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহবায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাওছার হোসেন, সাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যলয়ের বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, দপ্তর প্রধান, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

Address

Tilagor Alurtol Road
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sylhet Agricultural University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Sylhet Agricultural University:

Shortcuts

Share