SUST Spotlight

SUST Spotlight Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SUST Spotlight, Sylhet.

ক্যাম্পাস লাইফের বর্তমান বা হারিয়ে যাওয়া অতীতের গল্প, মিম, ট্রেন্ড, আর নানা মুহূর্ত তুলে ধরার জন্যই আমাদের যাত্রা। ক্যাম্পাসের হাসির কারণ হতে চাই, আবার কখনো গঠনমূলক আলোচনার জায়গাও।

17/05/2026

চলো বাচ্চারা

ডুয়েটে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’র মুখোশে শিবিরের গুপ্ত রাজনীতি আর কত? ডুয়েট ক্যাম্পাসকে অশান্ত করতে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’র লেবাস...
17/05/2026

ডুয়েটে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’র মুখোশে শিবিরের গুপ্ত রাজনীতি আর কত? ডুয়েট ক্যাম্পাসকে অশান্ত করতে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’র লেবাস পরে মাঠে নেমেছে একটি নির্দিষ্ট মহলের গুপ্ত রাজনীতির কারিগররা। নতুন ভিসি নিয়োগের মতো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সাধারণ ছাত্রদের আবেগ নিয়ে খেলা এবং ক্যাম্পাসকে রণক্ষেত্রে পরিণত করার এই নোংরা অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

ডুয়েটে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় ছাত্রদল-যুবদলের হামলায় এখন পর্যন্ত ১...
17/05/2026

ডুয়েটে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় ছাত্রদল-যুবদলের হামলায় এখন পর্যন্ত ১২জন শিক্ষার্থী হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে...

গণহত্যাকারী খুনি হাসিনার অবৈধ শাসনামলে গুম,খুন,নির্যাতন,অর্থ পাচার,বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেয়া সহ স...
16/05/2026

গণহত্যাকারী খুনি হাসিনার অবৈধ শাসনামলে গুম,খুন,নির্যাতন,অর্থ পাচার,বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেয়া সহ সর্বশেষ জুলাই আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ২ হাজার ছাত্র জনতাকে হত্যা করা সহ ক্ষমার অযোগ্য অসংখ্য অপরাধ করেও যাদের মাঝে সামান্যতম অনুশোচনা নেই, তাদের প্রতি আমাদেরও সামান্যতম সহানুভূতি নেই। যে অমানুষগুলো এখনও নগণ্য সংখ্যায় শেখ হাসিনা আসবে বলে স্লোগান দিচ্ছে, জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে উল্লাস করছে, তাদের প্রতি বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন হায়েনাদের বিরুদ্ধে আমরা বাংলাদেশপন্থীরা সদা জাগ্রত থাকব।

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

জীবন এতটাই ক্ষুদ্র যে ন্যানো, পিকো, ফেমটো কিংবা অটো স্কেল দিয়েও একে পুরোপুরি মাপা যায় না।”এটি একটি সম্ভাবনাময়, মার্জিত, ...
16/05/2026

জীবন এতটাই ক্ষুদ্র যে ন্যানো, পিকো, ফেমটো কিংবা অটো স্কেল দিয়েও একে পুরোপুরি মাপা যায় না।”

এটি একটি সম্ভাবনাময়, মার্জিত, বিনয়ী, প্রোডাক্টিভ ও সদা হাসোজ্জ্বল একটি ছেলের ছোট্ট জীবনের গল্প—আমাদের দুই ব্যাচ জুনিয়র পিএমই (২০২৩–২৪) সেশনের শান্ত বণিকের গল্প।

মা–বাবা ও পরিবারের স্বপ্নকে বুকে নিয়ে সে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূরের ঠাকুরগাঁও থেকে দেশের এক প্রান্ত ছেড়ে আরেক প্রান্তে আসে, সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএমই ডিপার্টমেন্টে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে।

তার সাথে দেখা হলেই মুখে থাকতো এক অদ্ভুত নির্মল হাসি, সালাম দিয়ে বলতো— “ভাই, কেমন আছেন?” আরো বলতো, “ভাই, আমিও একটা বাইক কিনবো… আমার জন্য একটা বাইক দেইখেন।”

শেষ পর্যন্ত সে বাইকও কিনেছিল। আজ তার বাইক আছে, কিন্তু বণিক নেই।

১৫.০৫.২৬, শুক্রবার

ঈদের আগে পরীক্ষা শেষ হওয়ায় আমরা বন্ধুরা মিলে একটি হাইকিং প্ল্যান করি, যা শেষ মুহূর্তে ক্যান্সেল হয়ে যায়। কিন্তু সকাল ১০:৩০টার দিকে অপূর্ব ভাই (ক্যাম্পাসের সবচেয়ে কাছের বড় ভাইদের একজন) ফোন দিয়ে বলেন— “রানা, রেডি হয়ে আয়, হাইকিং করবো বিছানাকান্দি টু উৎমাছড়া (১৫–১৭ কিমি)।”

আমি বলি, “আচ্ছা ভাই, ২০ মিনিটে আসতাছি।”

সবকিছু গুছিয়ে বের হই। মনে মনে ভাবি—আজ একটা ব্লগ হবে, সেই অনুযায়ী শুরু থেকেই ভিডিও ক্লিপ নেওয়া শুরু করি। সিনিয়র আর আমরা মিলে মোট ১১ জন রওনা দিই।

১১:৩০ টায় দুইটি সিএনজি নিয়ে যাত্রা শুরু করি। মাঝপথে একটি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করি। প্রায় ২টার দিকে হাদার বাজারে নেমে পড়ি, তারপর হাইকিং করে ২:৩০–৩:০০টার মধ্যে বিছানাকান্দি পৌঁছাই।

পথে অনেক গল্প, হাসি-ঠাট্টা, ফটোশুট আর ভিডিও ক্লিপিং চলতে থাকে। আবহাওয়া ছিল অপূর্ব, ভিউ ছিল আরও মনোমুগ্ধকর।

এরপর ৩:৩০টার দিকে শুরু হয় মূল হাইকিং—বিছানাকান্দি টু উৎমাছড়া রুটে।

পথে স্থানীয়রা প্রায় সবাই অবাক হয়ে বলছিল— “ভাই, ৯৯% মানুষ তো উৎমাছড়া টু বিছানাকান্দি যায়, আপনারা উল্টো যাচ্ছেন কেন?”

আমরা হাসি দিয়ে বললাম— “হ্যাঁ, আমরা উল্টাই যাচ্ছি। আসলে ভিড় এড়ানোর জন্যই এই রুট।”

সত্যি বলতে, সকালে বিছানাকান্দি ও বিকেলে উৎমাছড়ায় পর্যটক তুলনামূলকভাবে কম থাকে—এই কারণেই সিদ্ধান্তটা ছিল।

পথে হঠাৎ দেখি আমাদের ২৩–২৪ ব্যাচের জুনিয়ররা (ওরাও ১১ জন) উৎমাছড়া থেকে বিছানাকান্দির দিকে আসছে। আমাদের দেখে তারা ভীষণ খুশি হয়, আর তাদের মধ্যে শান্ত বণিকও ছিল।

ছেলেটা হাসিমুখে সালাম দিল, হাত মেলাল। আমি বললাম— “দেরি হয়ে গেছে তোরা, আগে চলে যা।”

ওরা চলে গেল বিছানাকান্দির দিকে, আর আমরা প্রায় উৎমাছড়ার কাছাকাছি পৌঁছে যাই।

এর মাঝেই হঠাৎ একজন ফোন করে জানায়— “ভাই, বৈণিককে পাওয়া যাচ্ছে না।”

প্রথমে আমরা ভাবলাম আশেপাশেই কোথাও আছে। কিন্তু ১০ মিনিট পর আবার ফোন এলো— “ভাই, সে পানিতে নেমেছিল, এখন পাওয়া যাচ্ছে না।”

এই কথা শোনার পরই আমাদের মাথা ঠান্ডা হয়ে যায়। আমরা দ্রুত মোটরসাইকেলে বিছানাকান্দির দিকে রওনা দিই।

জানা যায়, মোট ১১ জনই পানিতে নেমেছিল। পানির গভীরতা তেমন ছিল না, স্রোতও খুব বেশি ছিল না। কিন্তু বাস্তবতা হলো—সেখানে পাথর উত্তোলনের কারণে বিভিন্ন জায়গায় হঠাৎ গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে, আর পাহাড়ি ঢলের কারণে সেখানে পলি জমে চোরাবালির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

গোসল করার সময় তিনজন বুক পানিতে চলে যায়—তার মধ্যে শান্ত বণিকও ছিল। মুহূর্তেই পাহাড়ি স্রোত ও চোরাবালির কারণে তারা তিনজনই বিপদে পড়ে যায়।

চিৎকার শুরু হলে স্থানীয়রা নৌকা নিয়ে দ্রুত এগিয়ে আসে। দুইজনকে নৌকায় তুলতে পারলেও শান্ত বণিকের হাত ছুটে যায়।

আমরা পৌঁছাতে প্রায় ২০–৩০ মিনিট লাগে। সাথে সাথে ট্যুরিস্ট পুলিশ, স্থানীয় পুলিশ, বিজিবি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হয়। স্থানীয় মানুষজনও অত্যন্ত সহযোগিতা করেন। স্থানীয় ডুবুরিরা দীর্ঘ সময় চেষ্টা করলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

এরপর প্রায় ২–৩ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিস আসে। সন্ধ্যার পর পানিতে নামার অনুমতি না থাকলেও ভিসি স্যারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় তারা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।

প্রায় দুই ঘণ্টার অভিযান শেষে, রাত ৯:৩০টার দিকে শান্ত বণিকের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে আমরা রাত প্রায় ৩:৩০টার দিকে মরদেহ নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছাই। ছোট ভাইটির নিথর দেহ রাখা হয় ফ্রিজিং ইউনিটে।

পরিবার তখন ঠাকুরগাঁও থেকে রওনা দিয়েছে—১৫ থেকে ২০ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে সিলেট পৌঁছাতে। এরপর সিদ্ধান্ত হবে ময়নাতদন্ত হবে কিনা, কিংবা ছাড়পত্র ছাড়াই মরদেহ গ্রহণ করা হবে কিনা।

মাত্র ২০–৩০ মিনিট আগেও যে ছেলেটা আমার সাথে সালাম দিয়ে হাত মিলিয়েছিল, সে এখন নিথর।

তার অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
মহান আল্লাহ যেন তার পরিবার ও স্বজনদের এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।

পোস্ট: Sahel Rana

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এক অনন্য নজির গড়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বিগত ২০২১ সালের জুন ...
16/05/2026

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এক অনন্য নজির গড়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বিগত ২০২১ সালের জুন থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত মাত্র এক বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টির ২২ জন শিক্ষার্থী বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরির সুযোগ পেয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই সময়ে বাংলাদেশের কোনো একক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক বছরে এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর আন্তর্জাতিক টেক জায়ান্টে যোগদানের ঘটনা এটিই প্রথম।

শাবিপ্রবির এসব শিক্ষার্থী Google, Meta, Microsoft, Amazon, Intel, Nvidia, Tesla, Ford ও IBM-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হয়েছেন।

Google Dublin-এ যোগ দিয়েছেন তন্ময় কৃষ্ণ দাস, মো. মাকসুদ হোসেন ও ইভান হোসেন। Meta London-এ যোগ দিয়েছেন মওদুদ খান শাহরিয়ার, নাজিম উদ্দিন ও সাকিবুল মাওলা। এছাড়া Meta UK-এ কর্মরত রয়েছেন মো. সাজিদ শাহরিয়ার ও সৈয়দ ওমর ফারুক। Meta USA-তে যোগ দিয়েছেন শান্তনু বিশ্বাস।

Microsoft UK-এ কাজ করছেন কাজী নাঈম এবং Microsoft Canada-এ যোগ দিয়েছেন পিকলু সূত্রধর। Amazon Ireland-এ খায়রুল্লাহ গৌরব, Amazon USA-তে মো. মনিরুল ইসলাম ও ইশিতা গোপে এবং Amazon Berlin-এ মো. মশিউর রহমান কর্মরত রয়েছেন।

এছাড়া মনিরুজ্জামান যোগ দিয়েছেন Nvidia-তে, তাহমিদ হাসান তালুকদার, আবু নাসের তানু ও রেজওয়ান মতিন যোগ দিয়েছেন Intel-এ। মাফিজুল ভূঁইয়া Ford, মানস কান্তি দে Tesla এবং কাজী আবু সায়েদ IBM-এ কর্মরত রয়েছেন।

বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য দেশের উচ্চশিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

লিভারের রোগে আক্রান্ত হয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার...
15/05/2026

লিভারের রোগে আক্রান্ত হয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার...

মুজতবা আলী হলে থাকাকালীন সময়ে পাশের রুমে আমাদের ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন জুনিয়র উঠেছিল। নতুন ক্যাম্পাস, নতুন জীবন, সব মিলিয়...
15/05/2026

মুজতবা আলী হলে থাকাকালীন সময়ে পাশের রুমে আমাদের ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন জুনিয়র উঠেছিল। নতুন ক্যাম্পাস, নতুন জীবন, সব মিলিয়ে তাদের মধ্যে এক ধরনের চঞ্চলতা আর উচ্ছ্বাস কাজ করতো সবসময়। সেই ছেলেগুলোর মধ্যে শান্ত বণিক ছিল সবচেয়ে আলাদা।

আমরা যারা সিনিয়র ছিলাম, শান্ত খুব সহজেই সবার সাথে মিশে গিয়েছিল। প্রায়ই রুমে এসে খোঁজ নিত, গল্প করতো, হাসি-তামাশা করতো। অনেকদিন পর হলে ফিরলে এসে বলতো, “ভাই কেমন আছেন?” ছোট ছোট এই জিনিসগুলোই ছেলেটাকে আলাদা করে চিনিয়ে দিত।

ছুটির সময় পুরো হল প্রায় ফাঁকা হয়ে গেলেও শান্ত হলে থেকে যেত। কারণ বাড়ি যাওয়া-আসার খরচ, নিজের চলার খরচ সবকিছুই তাকে হিসাব করে চলতে হতো। টিউশন করিয়ে নিজের খরচ চালাতো। আমার আপন ছোট ভাইকেও প্রায় দুই মাস বায়োলজি পড়িয়েছিল।

একটা ঘটনা আজ বারবার মনে পড়ছে। একদিন আমি আর রুমের তিনজন জুনিয়র এমনি শুয়ে আছি। হঠাৎ দরজায় নক। আমরা সবাই তাকিয়ে দেখি শান্ত দাঁড়িয়ে আছে। মনে হলো কিছু বলবে। কিন্তু সে শুধু আমাদের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলো। আমরাও তাকিয়ে আছি। কয়েক সেকেন্ড পরে হঠাৎ বলে উঠলো, “শুভ সন্ধ্যা,” তারপর আবার চুপচাপ চলে গেল।

ও চলে যাওয়ার পর আমরা এত হাসছিলাম! আজও দৃশ্যটা চোখে ভাসে।

ভাবতেই কষ্ট লাগে, এত চেনা একটা মানুষ এভাবে হঠাৎ হারিয়ে যাবে। আজ শান্ত পানিতে ডুবে আমাদের সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেল।

মানুষ আসলে খুব অদ্ভুতভাবে বেঁচে থাকে। বড় কোনো স্মৃতিতে না, বরং এমন ছোট ছোট মুহূর্তেই। শান্ত হয়তো আর কোনোদিন দরজায় নক করবে না, কিন্তু “শুভ সন্ধ্যা” বলে চুপচাপ চলে যাওয়ার সেই মুহূর্তটা মনে থাকবে অনেকদিন।

ভালো থাকুক শান্ত বণিকরা।

পোস্ট: আসিফ আহমেদ

Remember Me 🪦Shant BanikPetroleum & Mining Engineering,2023-24 SessionWe Mourn
15/05/2026

Remember Me 🪦

Shant Banik
Petroleum & Mining Engineering,
2023-24 Session

We Mourn

পরপারে ভালো থেকো শান্ত, তোমার মৃত্যুতে আমরা শাবিপ্রবি পরিবার শোকাহত...
15/05/2026

পরপারে ভালো থেকো শান্ত, তোমার মৃত্যুতে আমরা শাবিপ্রবি পরিবার শোকাহত...

15/05/2026

সিলেটের বিছানাকান্দিতে নিখোঁজ হওয়া শান্ত বণিককে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি, স্থানীয় ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে খোঁজ চালাচ্ছেন...

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SUST Spotlight posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share