জামিয়া আহলে সুফফাহ

জামিয়া আহলে সুফফাহ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জামিয়া আহলে সুফফাহ, College & University, Sylhet.

21/07/2025
আমাদের ছোট্ট আয়োজন।হে আল্লাহ আমাদের অন্তরসমূহ প্রশান্ত করুন।আমিন।
10/12/2024

আমাদের ছোট্ট আয়োজন।
হে আল্লাহ আমাদের অন্তরসমূহ প্রশান্ত করুন।
আমিন।

16/11/2024

তুমি যদি বিনয় অর্জন করো এবং অহংকার বর্জন করো তাহলে তোমার কলবের দিকে আল্লাহর পক্ষ হতে ইলমের স্রোত প্রবাহিত হবে।

শায়খ আব্দুল্লাহ বিন শহিদুল্লাহ

17/10/2024

রবহারা জীবনের উপলব্ধি :

ব্যস্ত দুনিয়ায় এলোমেলো জীবনের কোনো এক মূহুর্তে এসে প্রতিটি মানুষ ঠিকই ভাবে, কীভাবে সময় ফুরিয়ে গেল! সেদিনের শৈশব-কৈশোর পেরিয়ে যৌবনের উত্তাপ শেষে কবে যে চুল-দাড়িতে সফেদ নিদর্শন ভেসে উঠেছে, খেয়ালই করা হয়নি। কোনো এক নিশি রাতে দূরাকাশ পানে তাকিয়ে মনে পড়ে- ‘মোহময় জীবনের মায়ায় পড়ে, ক্ষণিকের দুনিয়ার ধোঁকায় পড়ে কবেই তো ভুলে বসেছি মহান রবকে! দুনিয়াকে আপন করতে গিয়ে হারিয়ে ফেলেছি ইমানের নুর, আর জীবনের মোহে পড়ে রব থেকে সরে চলে গেছি বহুদূর!’ ভাবে আর আফসোস করে, কখনোবা হতাশায় নিজের চুল ছিড়তে ইচ্ছে করে।

কল্পনায় ভেসে ওঠে- ‘এই তো সেদিন অমুককে গালি দিলাম! তমুককে মানুষের সামনে ইচ্ছেমতো অপদস্ত করলাম!’ চোখের কোণে এখনো ভাসছে- ‘অমুকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলাম, তমুককে ফাসিয়ে দিলাম। আহ! কী পৈচাশিক আনন্দই না পেয়েছিলাম সেদিন! কিন্তু হায়! আজ আমার এমন লাগছে কেন? আত্মঅহমে নিমজ্জিত আমি আজ এত অসহায় বোধ করছি কেন? হায়! যাদের জন্য এত কিছু করলাম, যাদের জন্য হালাল-হারামের বাছবিচার না করে কাড়িকাড়ি অর্থ উপার্জন করলাম, তারা আজ কোথায়?’ দূরের কোনো এক নিশাচর পাখির আওয়াজে চিন্তায় ছেদ পড়ে। হঠাৎই সম্বিৎ ফিরে পায়।

চমকে উঠে ভাবে, ‘সবাই তো নিজ নিজ স্বার্থ নিয়ে চলে গেছে। কেউ আমাকে ব্যবহার করেছে, আমিও কাউকে ব্যবহার করেছি। টিস্যুর মতো। ব্যবহার শেষে সবাই ছুড়ে ফেলেছে। কেউ মনে রাখেনি। এত এত কষ্ট আর অবদানের কথা সবাই ভুলে গেছে। তাহলে কার জন্য ব্যয় করলাম জীবনের মূল্যবান সময়? শক্তি আর যৌবন? এত আয়োজন কার জন্য? কীসের স্বার্থে?’ অনুতপ্ত হৃদয় উত্তর দেয়, ‘নফসের জন্য, নফসের স্বার্থে।’ হায়! তাহলে এত আয়োজন, এত কষ্টবরণ আর ব্যস্ত জীবন—সবই বৃথা? অবৈধ উপার্জন করে, অনর্থক বিবাদে জড়িয়ে, কারও টিস্যু হয়ে দিন শেষে অর্জনের ঝুলি পুরোই শূন্য?

অনুশোচনায় অন্তর ফেটে পড়ে। হৃদয় বিগলিত হয়। চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে একফোঁটা তপ্ত অশ্রু। ফেলে আসা অতীতের জন্য আফসোস করে ভাবে, ‘হায়! ক্ষুদ্র এ জীবনের সিংহভাগ সময়ই ব্যয় করলাম দুনিয়ার পিছনে। রবকে চিনলাম না। তাঁকে আপন করতে পারলাম না। এখন যে আমি বড়ই একা! স্ত্রী-সন্তান, আত্মীয়-স্বজন, যাদের জন্য আমার এত আয়োজন, তারা সবাই আমাকে রেখে এদিক-ওদিক চলে গেছে। যাদের ওপর জুলুম করেছিলাম, যাদের অর্থ-জমি আত্মসাৎ করেছিলাম, তারা আজ আমাকে লানত করে, ঘৃণা করে। এ জীবন বড় বিভীষিকাময়! বড্ড কষ্টের!’ এই তো জীবন। এই তো ফলাফল।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে পাওয়া এ উপলব্ধিটুকু যদি কেউ পেয়ে যায় কৈশোরে, দুনিয়ার ব্যস্ততাকে দূরে রেখে যদি কেউ যৌবনকে উৎসর্গ করে রবের তরে, তাহলে সে কত ভাগ্যবান! তার আখিরাত কতইনা উজ্জ্বল! কিন্তু আফসোস যে, আমরা জীবন-যৌবনের কী নিদারুন অপচয় করি! কখনো দুনিয়ার মোহে, কখনোবা দ্বীনের লেবাসে ব্যক্তিস্বার্থে, কখনো অপবাদ দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে, কখনোবা জালিমের টিস্যু হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে। রবকে ভুলে, দ্বীনের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে এভাবেই কেটে যাচ্ছে আমাদের দিনকাল। হায়! কবে ঘটবে আমাদের বোধদয়, আর কবেইবা ফিরব রবের পথে? সময় যে ফুরিয়ে যায়!

✒️ শায়খ আব্দুল্লাহ বিন শহিদুল্লাহ

আল আকসা ও ফিলিস্তিন❤️❤️
03/10/2024

আল আকসা ও ফিলিস্তিন❤️❤️

* আমাদের প্রথম কিবলা হচ্ছে আল-আকসা। অর্থাৎ,  সর্বপ্রথম আমরা আল-আকসার দিকে সিজদাহ দিতাম পরবর্তীতে আল্লাহর নির্দেশে...

03/10/2024

নামায

নামাযের গুরুত্ব ও তার প্রভাব

আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এবং তাওহীদ ও রিসালাতের স্বীকারোক্তির পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সবচেয়ে বড় ফরয হলো-নামায। নামায আল্লাহ তাআলার বিশেষ একটি ইবাদত। যা দিনে পাঁচবার ফরয করা হয়েছে। কুরআন মজীদের অর্ধ শতাধিক আয়াতে এবং শত শত হাদীসে নামাযের ব্যাপারে জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে এবং নামাযকে ইসলামের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ খুঁটি বলে অভিহিত করা হয়েছে।

নামাযের একটি বিশেষ প্রভাব হলো, যদি তা সঠিক পন্থায় আদায় করা যায়, আল্লাহ তাআলাকে হাজির-নাজির ভেবে একান্ত মনে খুশু-খুযু সহকারে যদি তা আদায় করা হয়, তবে মানুষের অন্তর পরিষ্কার হয়ে যায়। নামায ব্যক্তির জীবনকে সুন্দর করে দেয়। সমূহ পাপ-পঙ্কিলতা থেকে নামাযী মুক্তি পেয়ে যায়। সত্য ও সৎকাজের প্রতি আকর্ষণ এবং অন্তরে আল্লাহভীতি জন্ম নেয়। এ জন্যই ইসলামে অন্যসব ইবাদতের তুলনায় নামাযকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দস্তুর ছিল, কোন লোক তাঁর কাছে এসে ইসলাম কবুল করলে তিনি তাওহীদের তালীম দিয়েই সর্বাগ্রে নামাযের ব্যাপারে অঙ্গীকার নিতেন। মোটকথা ইসলামে কালেমার পরই নামাযের স্থান।

30/09/2024

ঈমান অবিচল বিশ্বাসের নাম।

ঈমান তো অবিচল ও দৃঢ় বিশ্বাসের নাম। সংশয় ও দোদুল্যমানতার মিশ্রণও এখানে হতে পারে না। সংশয়ই যদি থাকে তবে তা 'আকীদা কীভাবে হয়'? বিশ্বাস যদি দৃঢ়ই না হয় তবে তা ঈমান কীভাবে হয়'? কুরআন মজীদের ইরশাদ-

إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوا وَجَاهَدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ

في سَبِيلِ اللَّهِ أُولَئِكَ هُمُ الصَّادِقُونَ

তারাই মুমিন যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনে, পরে সন্দেহ পোষণ করে না এবং জীবন ও সম্পদ দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে তারাই সত্যনিষ্ঠ। - আলহুজুরাত ৪৯:১৫

21/09/2024

মু'মিনরাই হিদায়াতের আবেদন জানায়

যদি প্রশ্ন করা হয় যে, মু'মিনের তো পূর্বেই আল্লাহর পক্ষ থেকে হিদায়াত লাভ হয়ে গেছে, সুতরাং সালাতে বা বাইরে হিদায়াত চাওয়ার আর প্রয়োজন কি? তাহলে সেই প্রশ্নের উত্তর এই যে, এতে উদ্দেশ্য হচ্ছে হিদায়াতের উপর সদা প্রতিষ্ঠিত থাকার তাওফীক চাওয়া। কেননা বান্দা প্রতিটি মুহুর্তে ও সর্বাবস্থায় প্রতিনিয়তই আল্লাহ তা'আলার প্রতি আশাবাদী ও মুখাপেক্ষী। সে নিজে স্বীয় জীবনের লাভ ক্ষতির মালিক নয়। বরং নিশিদিন সে আল্লাহরই প্রত্যাশী ও মুখাপেক্ষী। এ জন্যই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা তাকে শিখিয়েছেন যে, সে যেন সর্বদা হিদায়াত প্রার্থনা করে এবং তার উপর সদা প্রতিষ্ঠিত থাকার তাওফীক চাইতে থাকে। ভাগ্যবান সেই ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তাঁর দরজায় ভিক্ষুক করে নিয়েছেন। সে আল্লাহকে ডাকলে আল্লাহ তার ডাকে সাড়া দিয়ে তার আকুল প্রার্থনা মঞ্জুর করার গুরু দায়িত্ব স্কন্ধে নিয়েছেন। বিশেষ করে অসহায় ও মুহতাজ ব্যক্তি যখন দিনরাত আল্লাহকে ডাকতে থাকে এবং প্রয়োজন পূরণের প্রার্থনা জানায়, আল্লাহ তখন তার সেই আকুল প্রার্থনা কবুলের জিম্মাদার হয়ে যান।

তাফসীরে ইবনে কাসীর
সূরা ফাতিহার ব্যাখ্যা

15/09/2024

২য় পর্ব

ইলম

আল্লাহ তাআ'লা আমাদেরকে এত বড় এক নেয়ামত দিয়েছেন, তারপর আবার রাসূল সা. বলেছেন
طلب العلم فريضة علي كل مسلم

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ইলম অর্জন করা ফরজ

সুনানে ইবনে মাজা', ২২৪।

خيركم من تعلم القران و علمه

তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যাক্তি যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে শিক্ষা দেয়।

সহীহ বুখারী, ৫০২৭।

আল্লাহ তাআ'লা যখন কুরআন অবতীর্ণ করেন তখন তিনি এটা বলেননি যে, নামাজ আাদয় করো,বলেন কুরবানী করো,বরং আল্লাহ বলেছেন اقرءঅর্থাৎ পড়ো, যেই কুরআনে আল্লাহ এটা বলছেন তাহলে একবার চিন্তা করুন সেই কুরআনে আল্লাহ কত ইলম রেখেছেন।

আমাদের কাছে ইলমের ভান্ডার বা ইলমের খাজানা হচ্ছে কুরআন। এখানে সবকিছুই আল্লাহ দিয়েছেন। যে আল্লাহ সূরা বাকারা এর প্রথমেই বলেছেন।

الم ، ذلك الكتاب لا ريب فيه ; هدا للمتقين ، الذين يؤمنون بالغيب ويقيمون الصلاه ومما رزقناهم ينفقون،

আলিফ লাম মীম,উহা এমন কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নেই,এবং এটা মুত্তাকিনদের জন্য পথপ্রদর্শক,(আর মুত্তাকিন হলো) ঐ সমস্ত ব্যাক্তিরা যারা অদৃশ্যের উপর ঈমান আনে,নামাজ প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদেরকে যা রিজিক দেই তার থেকে তারা খরচ করে।

পৃথিবীতে কোরআন ব্যতীত এমন কোন কিতাব নেই যে কিতাবের শুরুতে বলা হয়েছে যে এ কিতাবটি সন্দেহ থেকে ঊর্ধ্বে একমাত্র কোরআনেই এই এই নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং এর থেকে অনুমান করা যায় যে কোরআনে কি পরিমাণে ইলম রয়েছে।

13/09/2024

পর্ব ১

ইলম علم

সর্বপ্রথম কুরআনী ওহীতেই ইলমের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। আল্লাহর বাণী —

اِقْرَاْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِیْ خَلَقَ، خَلَقَ الْاِنْسَانَ مِنْ عَلَق ، اِقْرَاْ وَ رَبُّكَ الْاَكْرَم، الَّذِیْ عَلَّمَ بِالْقَلَم، عَلَّمَ الْاِنْسَانَ مَا لَمْ یَعْلَمْ.

পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন- সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে। পাঠ কর, আর তোমার প্রতিপালক মহামহিমান্বিত, যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন। শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানত না।

সূরা আলাক ৯৬/ ১-৫

রাসূল সা. এর জন্ম হয় ৫৭০ ঈসায়ী সনে।আর তিনি নবুয়ত প্রাপ্ত হন ৬১০ ঈসায়ী সনে।এবং সর্বপ্রথম যেই ওহী অবতীর্ণ হয় তা হলো উপরোক্ত আয়াতসমূহ। আর এগুলোর মর্মার্থ হলো তুমি ইলম অর্জন করো।

আল্লাহ তাআলার যতোগুলো গুণ রয়েছে তার সবগুলোই মানুষের ক্ষমতার উর্ধ্বে। এবং আল্লাহ এই গুণগুলো একটির অধিকারও কোন মানুষকে দেননি। তবে আল্লাহর এমন কিছু গুণ রয়েছে যেগুলোকে আল্লাহ মানুষকে অর্জন করার শক্তি ও অনুমতি দুটোই দিয়েছেন এবং পুরষ্কারের ঘোষণা করেছেন যেমন صابر ধৈর্য্যশীল,غفور ক্ষমাশীল،رحيم দয়াবান, এগুলোর মধ্যে একটি হলো عالم অর্থাৎ সর্ববিষয়ে জ্ঞানী। অর্থাৎ জ্ঞান হলো আল্লাহর একটি গুণ বা সিফাত। এই একটি গুণ যেটি অর্জন করার অনুমতি ও ক্ষমতা আল্লাহ মানুষ ও জ্বীনদেরকে দিয়েছেন।সুতরাং এটা কত বড় নেয়ামত যা কল্পনা করা যায় না।

একটু কল্পনা করুন আল্লাহর তাআলার একটি গুণ হলো তিনি متكبر বা অহংকারী।এবং অহংকার এটা আল্লাহর গুণ। হাদীসে কুূদসীতে এসেছে

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى: الْكِبْرِيَاءُ رِدَائِي وَالْعَظَمَةُ إِزَارِي فَمَنْ نَازَعَنِي وَاحِدًا مِنْهُمَا أَدْخَلْتُهُ النَّارَ . وَفِي رِوَايَةٍ: «قَذَفْتُهُ فِي النَّارِ» . رَوَاهُ مُسلم

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, ’’অহংকার আমার চাদর ও শ্রেষ্ঠত্ব আমার লুঙ্গিস্বরূপ’’। অতএব, যে ব্যক্তি এ দু’টোর কোন একটি আমার কাছ থেকে কেড়ে নেবে, আমি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, তাকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করব।

সহীহ মুসলিম ৫১১০।

আল্লাহর একটা গুণকে অর্জন করতে চাওয়াকে আল্লাহ তার চাদর নিয়ে টানাটানির কথা বলেছেন এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করার কথাও বলেছেন।

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জামিয়া আহলে সুফফাহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share