26/09/2026
অভিনন্দন
সুইস ব্যাংকে টাকার পরিবর্তে আনন্দ রাখা যায় কি না, কেউ একটু জানাবেন।
নিন্দুকেরা বলে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা নাকি এলিটিজমে ভোগে। আমি অবশ্য এই একটি বিষয়ে খুব একটা দ্বিমত করি না। দ্বিমত না করার পেছনে যুক্তিসংগত কারণও আছে।
“কানাডার রয়্যাল সোসাইটি অব কানাডার (আরএসসি) কলেজ অব নিউ স্কলার্স, আর্টিস্টস অ্যান্ড সায়েন্টিস্টসের ২০২৬ সালের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত গবেষক রঞ্জন দত্ত।”
— প্রথম আলো, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আমার সিনিয়র Ranjan Datta রঞ্জনদা কানাডার Royal Society of Canada-এর College of New Scholars, Artists and Scientists-এর সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
রঞ্জনদা যে শুধু শাবিপ্রবির বড় ভাই, তা নয়, তাঁর সঙ্গে আমার একের পর এক অদ্ভুত মিল রয়েছে। আমি কানাডার যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং যে বিভাগে পিএইচডি করছি, রঞ্জনদাও সেই একই বিশ্ববিদ্যালয় ও একই বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আমি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি, রঞ্জনদাও সেই একই ছাত্র সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমনকি আমি বর্তমানে যে বিল্ডিংয়ে থাকি, রঞ্জনদাও একসময় সেই একই বিল্ডিংয়ে থাকতেন।
পিএইচডি শেষ করার পর রঞ্জনদা কানাডার অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ Banting Postdoctoral Fellowship অর্জন করেন। এরপর আলবার্টার Mount Royal University-তে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণা পেশায় যোগ দেওয়ার মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই Royal Society of Canada-এর College of New Scholars, Artists and Scientists-এর সদস্য নির্বাচিত হওয়া রঞ্জনদার শিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে অসাধারণ অর্জনের স্বীকৃতি।
নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বড় ভাইয়ের এমন অর্জন দেখলে একটু এলিটিজমে ভুগলে খুব বেশি দোষ দেওয়া যায় কি? 😄
অনেক অনেক অভিনন্দন, রঞ্জনদা। ❤️
আপনার এই অর্জন আমাদের মতো পরবর্তী প্রজন্মের শাবিপ্রবিয়ান এবং গবেষকদের জন্য একই সঙ্গে আনন্দের, গর্বের ও অনুপ্রেরণার।