TTECian⎮টিটেকিয়ান

TTECian⎮টিটেকিয়ান Proud to be a TTECian 😎

06/02/2025
21/01/2025

আমাদের প্রাণের বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - বিটেক নাম পরিবর্তন করে টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - টিটেক করার একটা অনুমোদন দেখলাম। এটা আসলে আমাদের ব্রান্ডিং এর সাথে অনেকটা বেমানান। কারণ বিটেক নাম দিয়ে আমরা নিজেরা চাকুরির বাজারে বেশ একটা নাম কুড়িয়েছি। এই ব্রান্ডিং টা আমরা নতুন নামের কারণে হারায় ফেলবো যার প্রভাব অনেকটাই খারাপ। এক্ষেত্রে আমাদের আসলে করণীয় কি? এখানে আমাদের কাজ হতে পারে ২ টা-

১. কলেজ হতে ভার্সিটি করার আন্দোলন।
২. বিট - BITT নামে ফিরে যাওয়া।

তবে বাস্তবিক ভাবে ১ম অপশন টা বলা যায় অসম্ভব বর্তমানে। কারণ ভার্সিটি করার জন্যে অনেক ক্রাইটেরিয়া লাগে একটা কলেজের। যেমন প্রতি বছরে কতজন ক্যান্ডিডেট ভর্তির জন্য এপ্লিকেশন ও পরীক্ষা দিচ্ছে এবং তাদের জন্য আসনসংখ্যা কতোটা কম। পর্যাপ্ত একাডেমিক ভবন, ল্যাব ইত্যাদি আছে কিনা কারণ ভার্সিটি করলে আরো কিছু ফ্যাকাল্টি যেমন ফ্যাশন ডিজাইনিং, কেমিক্যাল ইত্যাদি সংযুক্ত করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। একটা ভার্সিটিতে শুধু একটা ফ্যাকাল্টি পড়াশোনা থাকলে সেটা ভার্সিটি কম কলেজ ই মানানসই। তাছাড়া তিতুমীর কলেজের কাহিনী যারা জানেন তারাও একমত হবেন সরকার নতুন করে কোন ভার্সিটি দিবে না। এছাড়াও ডুয়েট এর আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা হইছে। এই সব দিকে ভাবলে এটা বোঝাই যাচ্ছে ভার্সিটি করার আন্দোলন অনেকটা আমাদের জন্যে সফলতা আনবে না এবং আগামী এক যুগেও ভার্সিটিতে পরিবর্তন করা স্বপ্নই থেকে যাবে।

আমি মনে করি ২ অপশনটা আমাদের জন্যে বেশি উপযুক্ত। বঙ্গবন্ধু বা ব্যক্তির নাম অনুযায়ী সরকার আর কিছুই দিবে না। অপরদিকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নাম দিলে তা বরিশালের কলেজ এছাড়াও একটা প্রাইভেট কলেজের সাথে নাম মিলে জগাখিচুরি হবে। তাই সব হতে ভালো যদি সম্ভব হয় আলাদা একক নাম নিয়ে আমাদের আগানো। যেমন নিটার। যার নামের সাথে কারো মিল নেই, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নেই তাই ২দিন পর কেউ এসে বাবার নাম দিবে পরিবর্তন করে তারও ঝামেলা নেই। আলাদা ও একক এই নিটার নাম মার্কেটে অল্পদিনেই তাদেরকে সুপরিচিত করতে যথেষ্ট সাহায্য করছে।

একি ভাবে আমরা "বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল টেকনোলজি - বিট (BITT)" তে পরিবর্তন করতে পারলে তা আমাদের কে দ্রুত সুপরিচিত করতে এবং একক আইডেন্টিটি প্রদান করবে। একি সাথে নামে কোন রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না অদূর ভবিষ্যতে নাম পরিবর্তিত হওয়া কঠিন হবে।
তাছাড়া আপনি নিজেই ভাবুন একটা ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাজুয়েশন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসাবে "টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - টিটেক" বনাম "বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল টেকনোলজি - বিট (BITT)" কোনটা আপনার কাছে বেশি প্রফেশনাল লাগে? তাছাড়া আগে যেহেতু এ নাম ছিল সুতরাং এ নাম কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নিতে পারে যদি শিক্ষার্থীরা চায়।

-বিটেকিয়ান

শুভ্রতা...
03/01/2024

শুভ্রতা...

আমাদের প্রিয় ভাইয়ের জানাজা আর কিছু সময়ের (১০.০০ টায়) মাঝে অনুষ্ঠিত হবে। আশেপাশের আমরা সকলে জানাজা তে অংশগ্রহণ করি ও উনা...
21/02/2023

আমাদের প্রিয় ভাইয়ের জানাজা আর কিছু সময়ের (১০.০০ টায়) মাঝে অনুষ্ঠিত হবে। আশেপাশের আমরা সকলে জানাজা তে অংশগ্রহণ করি ও উনার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
বি: দ্র: আল্লাহর কাছে যিনি চলে গেছেন তার কোনো প্রকার ছবি/ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার হতে আমরা বিরত থাকি।

প্রথম চাকুরী/ভাইভা: পার্ট - ২সিভি ও কভার লেটার তৈরিঃ এই পার্টে শুধু সাধারণ সিভি নিয়ে আলোচনা হবে, বিডিজবস, লিঙ্কডইন আইডি ...
08/11/2022

প্রথম চাকুরী/ভাইভা: পার্ট - ২

সিভি ও কভার লেটার তৈরিঃ
এই পার্টে শুধু সাধারণ সিভি নিয়ে আলোচনা হবে, বিডিজবস, লিঙ্কডইন আইডি নিয়ে পরে বিস্তারিত লেখব।

সিভিঃ
একটা জবদাতা কোম্পানি প্রথমেই একজন ক্যান্ডিডেটের যে জিনিসটা দেখে ইম্প্রেসড হয়ে ইন্টারভিউ কল দিতে ইচ্ছুক হয় তা হলো সিভি/কভার লেটার। তাই সিভি/কভার লেটার ভালো না হলে ভাইভা কল কিম্বা জব পাওয়া বলা যায় এক প্রকার অসম্ভব। আমাদের নিজেদের উচিত নিজের মতো করে সাজিয়ে একটা ভালো মানের সিভি তৈরি করা। একটা ভালো মানের সিভিতে কি কি থাকা উচিত তা আলোচনা করবো।

হেডিং নামঃ
বেশিরভাগ শিক্ষার্থী হেডিং এ লেখে সিভি/রিজিউম অফ অমুক/তুমুক(নিজের নাম)। এটা একদম অনুচিত কাজের একটা। এভাবে সিভি ফাইলের নাম দিতে পারেন, কিন্তু ভিতরে সিভি বডিতে এভাবে দেওয়াটা অপ্রোয়জনীয়। সিভি বডি নিট এন্ড ক্লিন ভাবে সাজান।

অবজেক্টিভ/লক্ষ্যঃ
অন্যের সিভি দেখে দেখে কপি পেস্ট মারা ভুলে নিজেই একটা অবজেক্টভ লেখে ফেলুন। লেখার সময় অবশ্যই শুধু নিজের ক্যারিয়ার উন্নতি করতে চান, কাজ শিখতে চান ইত্যাদি ইত্যাদি লেখবেন না। এসবের পাশাপাশি উক্ত কোম্পানি ও দেশের উন্নয়নেও অংশগ্রহন,অবদান ইত্যাদি রাখতে চান উল্লেখ্য করা শ্রেয়।

একাডেমিক ইনফরমেশনঃ
অনেকেই অবজেক্টিভের পর নিজের পারসোনাল ইনফরমেশন দেয় সিভিতে। এটা মোটেও ঠিক না। সবসময় অবজেক্টিভের পর নিজের একাডেমিক ইনফরমেশন দিবেন। বক্স বা লাইন একভাবে দিলেই হবে। তবে মাথায় রাখতে হবে ১ম পেজে যেন আপনার একাডেমিক ও স্কিলস ইনফরমেশন গুলো হাইলাইট করতে পারেন আর ২য় পেজে নিজের পারসোনাল ইনফরমেশন দিবেন।

ইন্টার্নশীপ+ প্রোজেক্ট ওয়ার্ক/থিসিসঃ
একাডেমিক ইনফরমেশনের নিচে ইন্টার্নশীপ ও থিসিস সংযুক্ত করবেন। ইন্টার্নশীপ ডিটেইলস এ চাইলে আপনি যে যে ডিপার্টমেন্টে জব করতে ইচ্ছুক সেইসব ডিপার্টমেন্টের নাম উল্লেখ করতে পারেন এভাবে যে আমি আমার ইন্টার্নশীপে এই একটা বা দুটা কিম্বা এই কয়েকটা ডিপার্টমেন্টে ভালো দক্ষতা অর্জন করেছি। এতে করে কোম্পানির উক্ত ডিপার্টমেন্টে ফ্রেশ লোক লাগলে আপনার উপর চোখ পড়ার সম্ভাবনা বেশি। আর থিসিস সিভিতে সংযুক্ত করা খুবই স্মার্ট একটা টেকনিক। চতুর্থ বর্ষে থিসিস টপিক নেওয়ার আগেই জবের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ভ্যালু, নিজের ভালো লাগা ইত্যাদি বিষয় ভেবে সে অনুযায়ী থিসিস টপিক নিবেন যাতে সিভিতে এটার বাড়তি সুবিধা নেওয়া যায়। যেমন আজকাল সবাই চায় Dyeing, IE, Planning, Merchant ইত্যাদি ডিপার্টমেন্টে জব করতে। ধরুন আপনি ডাইং এর একাটা ক্রিটিকাল ইসু নিয়ে থিসিস করলেন আর তা সিভিতে উল্লেখ করলেন। এই থিসিসটা অবশ্যই আপনাকে ডাইং এ জব নিতে সাহায্য করবে। অন্য ক্যান্ডিডেট হতে আপনার সিভির উপর চাকুরীদাতাদের দৃষ্টি পড়বে আলাদাভাবে। তবে যারা হায়ার স্টাডি করতে চান তাদের জন্য বিষয়টা ভিন্ন।

স্কিলস ও রেফারেন্সঃ
স্কিলস ও রেফারেন্স ১ম পেজে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। এটা করার জন্য পেজ কে একটা স্পেসিফিক অনুপাতে লাইন দিয়ে ভাগ করে নিতে পারেন। লাইনের এক পাশে অবজেক্টিভ, একাডেমিক ইনফরমেশন, ইন্টার্নশীপ,থিসিস এবং অন্য পাশে স্কিলস, রেফারেন্স দিতে পারেন। স্কিলস এর মাঝে কম্পিউটার দক্ষতা, ভাষা দক্ষতা ইত্যাদি দিতে পারেন। আসলে মাক্সিমাম জবদাতা সিভির ২য় পেজ কমই দেখে। তাই আপনার সব গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন ১ম পেজে থাকলে জবদাতার দৃষ্টিগোচর হওয়া সহজ।

ফ্যাক্টরি ভিজিটিংঃ
ক্যাম্পাসে থাকাকালীন প্রতি বছর আমাদের ফ্যাক্টরি ভিজিট করানো হয়। ৪ বছরে না হলেও ৪-৮ টা ফ্যাক্টরি ভিজিট হয়। সিভিতে এই ভিজিটিং গুলো কাজে লাগাতে পারেন। এ হতে চাকুরিদাতা আপনার সম্পর্কে পজেটিভ থাকবে ও ভাইভা কলের সসম্ভাবনা বাড়বে।

কো-ক্যারিকুলার
ক্যাম্পাসে আজকাল রাজনৈতিক নেতাদের অভাব নেই। আজ এই র‍্যালী কাল অমুক মিটিং ইত্যাদি কতো কাজ। বস্তুত করপোরেট জিবনে এসবের কোনই ফায়দা নেই। এর হতে ঢেরবেশি ভালো ক্যাম্পাসের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ, বিভিন্ন ম্যাগাজিন/ক্লাবের ইত্যাদির সাথে সংযুক্ত হয়ে ক্যাম্পাস, টেক্সটাইল তথা নিজের ক্যারিয়ার উন্নতি করা। আপনার করা এই কাজগুলো সিভির মান অনেকগুন বাড়ায় দিবে। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নের ক্লাব আছে আমাদের দেশে, সেসবের সাথেও জোটবদ্ধভাবে কাজ করতে পারেন। যখন বিদেশে উচ্চ স্ট্যাডির জন্য ট্রাই করবেন কিম্বা ম্যাল্টিন্যাশনাল কোন কোম্পানিতে জবের ট্রাই করবেন তখন বুঝবেন ক্যাম্পাসের এই ছোট ছোট কাজের কত দাম।

পারসোনাল ইনফরমেশনঃ
২য় পেজের শেষ দিকে দিবেন পারসোনাল ইনফরমেশন। এছাড়াও আমরা অনেকেই অথেনটিক ডিক্লেয়ারেশন, নিজের সাইন, তারিখ ইত্যাদি যুক্ত করি, এসব আদোও কোন কাজের না, উল্টো তারিখ এর কারণে সিভি বারবার এডিট করতে হয় যা একটা বাড়তি ঝামেলা।
Courtesy@BTEC⎮Bangabandhu Textile Engineering College

প্রথম চাকুরী/ভাইভা: পার্ট - ১আমরা টেক্সটাইল গ্রাজুয়েশন সাথে নিজেরদের কে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখি, একই ভাবে আমাদের বাবা-মা ও...
17/08/2022

প্রথম চাকুরী/ভাইভা: পার্ট - ১

আমরা টেক্সটাইল গ্রাজুয়েশন সাথে নিজেরদের কে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখি, একই ভাবে আমাদের বাবা-মা ও আমাদের নিয়ে অনেক আশা রাখেন। কিন্তু দেখা যায় আজকাল বেশিরভাগ শিক্ষার্থী টেক্সটাইল গ্রাজুয়েশন শেষ করেও নিজের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী চাকুরী পায় না কিম্বা অনেক দিন বেকার বসে থাকতে হয়। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা বলবে এটা মামা-চাচাদের কারনে আমরা অবহেলিত হই। হুম এটা অনেকটা সত্যি, তবে এর হতেও বেশি সত্যি আপনি যদি নিজেকে সেভাবে গড়ে তুলতে পারেন মামা-চাচা তো দূরের কথা, নিজের যোগ্যতায় আপনার নিজের কাছেই চাকুরির মেলা বসে যাবে। আমাদের গার্মেন্টস সেক্টর আর সেই আগের মামা-চাচাদের কিম্বা বিবিএ, অনার্স-মাস্টার্স দের আমলে নেই, এখন কোম্পানিগুলো টেক্সটাইল ব্যাকগ্রাউন্ড ট্যালেন্ট, টেক্সটাইল নিয়ে গোড়া হতে জানা নতুন প্রজন্মদের বেশি চায়। দোষ বেশিরভাগ আমাদেরই, আমরা নিজেদের জড়তা ভেঙ্গে সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারি না। ফ্রেশার হতে খুব তাড়াতাড়ি প্রথম চাকুরী/ভালো ডিপার্টমেন্টে সিলেক্ট হওয়ার সাথে আসলে অনেক বিষয় জড়িত যা আজকালের গ্রাজুয়েটরা ফোকাস করে না। বিষয়গুলো নিয়ে আসলেই সবার ফোকাস করা উচিত।

একাডেমিক সময়ের প্রস্তুতিঃ
সিজিঃ
প্রথমত একটা স্ট্যান্ডার্ড মানের সিজি ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। ব্যাপারটা এমন না যে আমার ৩.৮০+ লাগবেই। হ্যা যাদের টিচিং বা হায়ার স্টাডি ফোকাস আছে তাদের জন্য বিষয়টা ভিন্ন, তবে আমাদের দেশের কোম্পানিগুলোতে মোটামুটি একটা ভাল সিজি হলেই ক্যান্ডিডেটের ভাল ইমেজ তৈরি হয়। অনেকেই বলে সিজি কোন ম্যাটার না, এটা অনেকটা বাংলা মুভির আজাইরা ডায়ালগ এর মতো। ভালো সিজির দাম অবশ্যই আছে। হ্যা তবে শুধু সিজি নিয়ে পড়ে থাকলেন বাকি কোন স্কিলস ডেভেলপমেন্টে নজর দিলেন না, তাহলে এটা বড় একটা ভুল।

থিসিস/প্রোজেক্টঃ
আমরা অনেকেই শুধু পাশ করতে হবে বলে থিসিস/প্রোজেক্টের কাজ করে থাকি, কিন্তু আমরা বেশিরভাগই জানি না কিভাবে এই থিসিস কে কাজে লাগিয়ে ভালো চাকুরী লুফে নেওয়া যায় কিম্বা ভাইবাতে নিজের জন্য আলাদাভাবে কোম্পানির সুদৃষ্টি ফেলা যায়। একটা উদাহরণ দেই, আজকাল বাজারে মার্চেন্ডাইজিং জব হলো সবচেয়ে হট জব, টেক্সটাইল ব্যাকগ্রাউন্ড মাক্সিমাম গ্রাজুয়েট এই পেশাতে আসতে চায়। ধরুন একটা কোম্পানিতে মার্চেন্ডাইজিং ডিপার্টমেন্টে ২ জন ক্যান্ডিডেট সিভি ড্রপ করেছেন। যাদের একজনের সিভিতে উল্লেখ আছে সে ছাত্রজীবনে মার্চেন্ডাইজিং নিয়ে থিসিস করেছেন আর অপরজন এমন কিছু করে নাই কিম্বা সিভিতে থিসিস উল্লেখ ও করে নাই। উক্ত কোম্পানি তাদের ঔ মার্চেন্ডাইজিং ডিপার্টমেন্টের জন্য তাহলে কোন ক্যান্ডিডেটর উপর প্রথমেই দৃষ্টি দিবে? হিসাবটা কিন্তু খুবই সোজা। এইজন্যই থিসিস এর টপিক নেয়ার আগে নিজের প্যাশন, পছন্দের জব ডিপার্টমেন্ট, হায়ার স্টাডি ফোকাস ইত্যাদি ভেবে নিতে হয় যাতে পরবর্তীতে আমরা এই থিসিস হতে পজিটিভ কিছু পায়।

কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিসঃ
কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা সেভাবে ফোকাসে নেয় না, কিন্তু তারা জানে না সিভিতে এই বাড়তি কাজগুলো ক্যান্ডিডেট কে বাকিদের তুলনায় অনেক আগায় রাখে হোক তা ভাইভা কল পেতে কিম্বা ফাইনাল সিলেকশনে কারণ, ক্যাম্পাস জীবনে যারা বিভিন্ন উদ্ভাবনী, দলীয় কাজ ইত্যাদিতে যুক্ত থাকে তাদের মাঝে একটা টিমকে লিড করার অভিজ্ঞতা আপনা আপনিই তৈরি হয়, যেটা একটা কোম্পানির জন্য অনেক বড় চাওয়া। অ্যাকটিভিটিস গুলো বিভিন্নরকম হতে পারে, যেমন বিভিন্ন টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি ভিজিটিং, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ক্লাবের কাজ, ডিবেটিং, সোস্যাল কাজ করা, ক্যাম্পাসের মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা, বিভিন্ন টেক্সটাইল অরগানাইজেশান/ম্যাগাজিন ইত্যাদির সাথে কাজ করা।

মান সম্পূর্ণ সিভি/রিজিউম/কভার লেটারঃ একজন জবদাতা প্রথমেই একটা ক্যান্ডিডেটের যে জিনিসটা দেখে ইম্প্রেসড হয়ে ইন্টারভিউ কল দিতে ইচ্ছুক হয় তা হলো সিভি/কভার লেটার। সিভি/কভার লেটারে কি কি থাকা উচিত তা পরবর্তী পার্টে আসবে। তবে শিক্ষার্থীদের উচিত কপি করা বাদ দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এর শেষ বর্ষতে নিজেরাই সিনিয়র ভাই বা টিচারদের সাহায্য নিয়ে মানসম্মত সিভি/কভার লেটার তেরী করে রাখা। আজকাল বেশিরভাগই দেখা যায় সিভি তে নিজের সেল্ফি, কপি পেস্ট, কভার লেটার ছাড়াই মেইল, ইভেন সিভির নামটাও ঠিকঠাক লেখে না ক্যান্ডিডেট।জবদাতার তো আজকাল ক্যান্ডিডেটের অভাব হয় না, সো কেন সে এমন বেসিক জ্ঞান ছাড়া কাউকে ইন্টারভিউতে ডেকে নিজেদের সময় নষ্ট করবে?গুগুলে সার্চ করলে হাজার হাজার সিভি ফরমেট পাওয়া যায়, তা হতে একটা নিয়ে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিলেই হয়ে যায়। তবে বেশি আধুনিক বা বেশি পেজ, কালারফুল সিভি না করায় ভাল। নিজের কাছে পরিপাটি লাগে এমন ২ পেজের সিভিই যথেষ্ট।

কমিনিউকেশন ডেভেলপমেন্টঃ
কমিনিউকেশন বলতে আজকাল সবাই জাস্ট নিজ নিজ ক্যাম্পাসের সিনিয়রদের সাথে যোগাযোগ বুঝে কিন্তু কমিনিউকেশন বলতে মূলত বুঝায় পুরো টেক্সটাইল জগতের সাথে সংযোগ রাখা। নিজের ক্যাম্পাসের সিনিয়রদের সাথে অবশ্যই যোগাযোগ রাখতে হবে, সেই সাথে টেক্সটাইল বিজনেসে সম-সাময়িক কি ট্রেন্ড চলছে, সমস্যা/সমাধান, টেক্সটাইল নিয়ে বিভিন্ন এক্সপো/ফেয়ার, অনলাইনে সেমিনার ইত্যাদির সাথে টুকটাক সংযুক্ত থাকা উচিত।

সেল্ফ স্কিলস ডেভেলপমেন্ট/ উপস্থাপনঃ
স্কিলস এর মাঝে প্রথমেই দরকার কম্পিউটার দক্ষতা। তবে আহামরি কম্পিউটারের সবকিছু নিয়েই যে দক্ষতা লাগবে ব্যাপারটা এমন নয়। আমাদের ফ্যাক্টরির মাক্সিমাম ওরাকল, জিএমএস ইত্যাদি সিস্টেম ব্যবহার হয় কাজের জন্য, যা সাধারন মানুষ বাইরে খুব একটা ব্যবহার করে না। মোদ্দা কথা মাইক্রোসফট এক্সেল আর ওয়ার্ড টা ভালো পারলেই যথেষ্ট। আর আজকাল ইমেইল করতে পারে না এমন ইঞ্জিনিয়ার আছে বলে মনে হয় না। আবার অনেকেই বলে ইংরেজি স্কিলস ডেভেলপমেন্ট করতে। আমি মনে করি আমরা যারা ইংরেজি মিডিয়ামতে ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করি, তাদের ইংরেজি বেসিক অতোটাও খারাপ হবার কথা না। প্রধান সমস্যা হলো ইংরেজিতে আমাদের নিজেদের জড়তা। তারপরও ইংরেজিতে আরও ডেভেলপমেন্ট কেউ করতে চাইলে এটা একটা ভাল দিক। বর্তমানে নিজেকে চাকুরির সেক্টরে উপস্থাপনের ২টা বিশাল মাধ্যম হলো বিডিজব আর লিঙ্কডইন। চতুর্থ বর্ষতেই আমাদের উচিত এই ২ মাধ্যমে আমাদের নিজেদের এ টু জেড সবকিছু সুন্দর পরিপাটি করে সাজিয়ে নিজেদেরকে কোম্পানির কাছে উপস্থাপন করা। প্রয়োজনে বিডিজবের ভিডিও সিভিটাও আপলোড করে রাখবেন।

13/11/2021

Everybody has some flaws, imperfections & battles as like you. Just always keep faith in Almighty Allah and be patient, victory will come to you. Good luck to the newcomer...

Address

Tangail

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TTECian⎮টিটেকিয়ান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share