Tangail Medical College Hospital,Tangail

Tangail Medical College Hospital,Tangail Its the first and latest page of Tangail Medical College,Hospital You all Use the page for any Updat

শুভকামনা প্রানের প্রতিষ্ঠান
29/10/2019

শুভকামনা প্রানের প্রতিষ্ঠান

28/05/2017
12/04/2017

যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ:
আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে হঠাত উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।
হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।
ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।
এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।
হঠাত এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।
১।যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।
২।এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।
৩।শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।
এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।
খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি‌ ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার,বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে।
নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।
মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সাবধান থাকতে হবে সবাইকেই।
(সংগৃহিত)

18/01/2017

_______একজন ডাক্তার কেন কাঁদে না?
মেডিকেলে এসে প্রথম দিনেই সে বড়সড় ধাক্কা খায়।
এনাটমী ডিপার্টমেন্টে একটা ঘুমন্ত লাশ দেখে। দশ বা বিশ বা তারো অনেক বছরের পুরোনো লাশ। ঘুমন্ত লাশের গায়ে কাপড় নেই। লজ্জাস্থান ঢাকা নেই। বুকের উপর কাপড় নেই। বুকের চামড়া মাঝ বরাবর কেটে ফেলা। গাছের বাকলের মতো করে চামড়া কেটে পেশী, রক্তনালী এবং নার্ভগুলো বের করা থাকে। প্রথমদিন থেকেই তাকে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় সেই কাটাকুটো অংশগুলো টানাটানি করে পড়তে হয়। ফরমালিনের ঝাঁঝে চোখের সব পানি ঝরে যায়।
দ্বিতীয় ধাক্কাটা খায় ফরেনসিকে।
মর্গে গলায় রশি দিয়ে মরা, গলা কেটে মারা, চুবিয়ে মারা, আট টুকরো লাশের জমাটবাধা রক্তপিণ্ড দেখে সে বিভ্রান্ত হয়ে যায়। কান্নার ক্ষমতাটা হারিয়ে ফেলে।
কান্না একদিন এসেছিল। মৃত গলিত মায়ের জরায়ু কেটে যখন মৃত মায়ামাখা সুন্দর একটা শিশুকে বের করে এনেছিল স্যার। কান্না থেমে গিয়েছিল, যখন স্যার গমগম গলায় বললেন-------যে লোকটা এই মেয়েটার পরিণতির জন্য দায়ী তাকে গলাকেটে হত্যা করা খুব পাপের কাজ হবে?
আমরা মুষ্ঠিবদ্ধ করে বলেছিলাম, তাকে আগুনে পুড়িয়ে মারলেও পাপ হবেনা।
তৃতীয় ধাক্কাটা খায় ইমার্জেন্সিতে রোগী দেখে। হাত পা পুড়ে ঝলসে গেছে কিন্তু তখনো হৃদপিন্ডটা ধকধক করে কাঁপছে। বুকের পাজর ফেটে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে কিন্তু রোগী কষ্ট করে কোনমতে হৃদপিন্ডটাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
যেদিন 'আমার কোন সমস্যা নেই বাবা, শুধু বুকটা ভারী লাগছে' বলার পর ইসিজি করতে করতেই লোকটা চোখ বন্ধ করে, ইসিজির গ্রাফ ফ্লাট হয়ে থাকে, সেদিন থেকে সব কান্না হারিয়ে যায়।
লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখের কান্না দূর করতে কাউকে না কাউকে তো নিজের কান্না গোপন রাখতেই হবে।
লেখাঃ রাজীব হোসাইন সরকার

11/01/2017

ভালো হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে অনেকবার পুরষ্কার পেয়েছিলাম স্কুল লাইফে ।। চিকিৎসক হইয়া খারাপ লেখার বদনাম। । এই বেদনা কেম্নে সই। । লেখা খারাপ হওয়ার পিছনের কারন গুলো দেখা জরুরি। । মেডিকেল এগজামে যখন 90 মিনিটে 15 টা প্রশ্ন লেজ সহ লিখতে হয়, তখন বুঝা যায় লেখা কি জিনিস। । লেখার কোয়ালিটির চেয়ে সব এন্সার করা জরুরি হয়ে পড়ে। ।
আউটডোরে সকাল আটটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত যদি 200 জন রোগী দেখা লাগে। ।প্রতি রোগীর প্রেস্ক্রিপশন করতে সময় পাওয়া যায় মাত্র দেড় মিনিটে । এই দেড় মিনিটে এক পৃষ্ঠা তে রোগীর সিম্পটম, মেডিসিন, এডভাইস ইত্যাদি যদি সুন্দর হাতের লেখার মতো করা হয়, তাহলে পরের রোগীদের ঠেলা, গালি শুনতে হবে। । তখন কিছু রোগী পিছনে থেকে ডাক্তার কসাই বলে ভাগবে।।
একজন বিসিএস ক্যাডারের অফিসে ভাঙা চেয়ার জুটলে সেখানে কম্পিউটার প্রিন্টেড প্রেস্ক্রিপশন কোন মুখে আশা করে। । আগে চিকিৎসকদের সুবিধা দিক, তাহলে সবকিছুই সম্ভব ।
আরেকটা কমপ্লেইন হলো- ফার্মেসির লোক প্রেস্ক্রিপশন পড়তে পারে না, তাই ভুল ঔষধ কিনে। । ঘটনা সত্যি। । ক্লাশ থ্রি পাশ ফার্মেসির লোক মেডিসিনের বানানের প্যাচ কেম্নে ধরবে। । ফার্মেসি তে ব্যাচেলর ডিগ্রী বাদই দিলাম, ন্যূনতম প্রেশক্রিপশন পড়ার যোগ্যতা নাই, তারা যদি ফার্মেসির দোকান দেয়, তাহলে এই ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক না।। ফার্মেসির দোকানের কর্মচারীর যোগ্যতা কমপক্ষে HSC পাশ লাগবেই- এই আইন কেন আসছে না।। অশিক্ষিত নাপিতকে ফোড়া কাটতে দিলে আর্টারি ভেইন ইঞ্জুরি অবধারিত, কারন তার কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড নলেজ নাই। ।
শুনতেছি - প্রেশক্রিপশন সাইজ নির্ধারণ করে দিবে সরকার ।। কতগুলা মেডিসিন দিতে পারবে, সেটাও সরকার বলে দিবে।। ওকে, নো প্রব্লেম।। এতে করে রেফারাল সিস্টেমটা ভালো ভাবে চালু হবে। । ধরে নেই - এক চাচা আসছে আমার কাছে যার, BEP, HTN, DM, B.Asthma with heart failure আছে। । আমাকে তো তিনটার বেশি মেডিসিন লিখতে দেয়া হবে না।। আমি BEP এর জন্য তিনটা মেডিসিন লিখে বাকী HTN এর জন্য এক বন্ধুর কাছে, DM এর জন্য আরেক বন্ধুর কাছে,
Asthma & heart failure এর জন্য আরেক বন্ধুর কাছে রেফার করবো। । এতে করে প্রেশক্রিপশনে মেডিসিন সংখ্যা লিমিটেড থাকবে, কিন্তু প্রেস্ক্রিপশন সংখ্যা আনলিমিটেড হয়ে যাবে।।
এইসব উদ্ভট চিন্তার লোকজনকে বলতে ইচ্ছা করে - দয়া করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন যেন আল্লাহ রোগ কম দেয়, তাহলে মেডিসিন কম লাগবে। । দেখা গেলো - রোগ চারটা রোগীর, কিন্তু আইনের জন্য মেডিসিন তিনটার জন্য দিলো, চতুর্থ রোগে রোগী মারা পড়বে চিকিৎসার অভাবে। ।।

*Sayed Sujon*

03/10/2016

3 Parent Baby
মানব ইতিহাসে এই প্রথম এমন একটি শিশু জন্মগ্রহণ করেছে যে ৩ জনের ডিএনএ বহন করছে, মানে মাতাপিতা মোট ৩ জন।
এই যুগান্তকারী ঘটনা ঘটিয়েছেন নিউইয়র্ক এর একদল ফার্টিলিটি সায়েন্টিস্ট। কিন্তু কাজটা তারা নিজের দেশে করতে পারেননি কারণ যুক্তরাষ্ট্রের আইনে এই ধরণের গবেষণা নিষিদ্ধ! কাজটা তারা করেছেন মেক্সিকোতে কারণ সেখানে এটা নিষিদ্ধ নয়।
পটভূমি :
জর্ডানের একটি দম্পতির পরপর চারটি বাচ্চা মারা গেল কারণ মা এমন একটি ডিফেক্টিভ জিন বহন করছিলেন যার জন্য তার সন্তানদের Leigh syndrome নামে একটি রোগ দেখা দিচ্ছিল এবং তারা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই মারা যাচ্ছিল,এই রোগে মারা যাওয়াই স্বাভাবিক কারণ Leigh syndrome (Subacute necrotizing encephalomyelopathy) একটি নিউরোমেটাবলিক ডিজর্ডার যা সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে আক্রান্ত করে রোগী আস্তে আস্তে নড়াচড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
৪ টি সন্তান হারিয়ে তারা এবার ভাবলেন কিভাবে একটি সুস্থ সন্তান পাওয়া যায়, সেই স্বপ্ন নিয়ে তারা গেলেন নিউ ইয়র্কের নিউ হোপ ফার্টিলিটি সেন্টারে। সেখানে Dr. John Zhang এই "থ্রি প্যারেন্ট বেবি" প্রজেক্ট এর পরিকল্পনা করলেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরণের গবেষণা বৈধ নয়, তাই তারা পুরো টিম নিয়ে চলে গেলেন মেক্সিকো!
প্রথমে তারা মায়ের ডিম্বানুর যে অংশটি ডিফেক্টিভ জিন বহন করছে সেটা আলাদা করে ফেলে দিলেন, তারপর আরেকজন মহিলার ডিম্বানু স্লাইস করে কেটে বসিয়ে দিলেন প্রথম ডিম্বানুর কাটা অংশের সাথে। এই নতুন রোগমুক্ত ডিম্বানুকে নিষিক্ত করা হল বাবার শুক্রানু দিয়ে, তারপর বসিয়ে দেওয়া হল মায়ের জরায়ুতে, নির্দিষ্ট সময় পর জন্ম নিল পরিনত শিশু, Leigh Syndrome মুক্ত।
মানব ইতিহাসের প্রথম শিশু যে তিন জনের জেনেটিক ম্যাটারিয়াল বহন করছে।
একজন বাবা আর দুইজন মা।

07/09/2016

সেদিন আমার বাসায় আমার আত্মীয় এসেছিলেন , তাঁর ছোট্ট ছেলেগুলোর হাতে স্মার্টফোন , আমার থেকে ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড নিল , না করতে পারি নাই , আত্মীয় বলে কথা । দেখি ইউটিউবে পড়ে আছে সারাদিন ।
বাসে করে বাসায় ফিরছিলাম , সামনের সিটের দুই লোক দেখি বেশ গর্ব করে বলছে - আরে জানেন না ভাই আমার ছোটটাতো এখন নিজে নিজেই গেম নামায়ে খেলে , কি যেন যুদ্ধের গেম । আমিই তো অনেক কিছু জানি না ।
আজকাল বাবা মায়েদের দেখি , কথা বলতে না পারা বাচ্চাটা যখন স্মার্ট ফোনে নিজে নিজেই ভিডিও ওপেন করে , সেল্ফি তোলে তখন সেই কথা গর্ব ভরে পাড়ায় পাড়ায় বলে বেড়ান ।
আঙ্কেলগণ , আন্টিগণ প্লিজ থামেন । গর্ব করার আগে এর কনসিকোয়েন্স চিন্তা করেন ।
একটা সময় ছিল যখন নেট এভেইলেবল ছিল না , ইন্টারনেট ছিল ব্যয়সাপেক্ষ বিষয় , সেই সময়ের শিশু কিশোরদের শৈশব কৈশর আসলেই ছিল নির্জলা নির্মল , তাদের জগৎ ছিল নিষ্পাপ নির্ভ্যাজাল । তাদের চিন্তাধারা জুড়ে ছিল তাদের বাবা মা , ভাই বোন, বন্ধু বান্ধব ।
আর এখন ক্লাস সিক্সে পড়ুয়া মেয়ে স্ট্যাটাস দেয় আমি আমার অতীত ভুলে যেতে চাই ।
কেন দেয় জানেন ?
আপনি যা পারেন না , সেটায় এখন সে পারদর্শি , স্মার্টফোনে আপনার আগোচরে আপনার সন্তান অনেক কিছু করে , আপনি সেটা বোঝেন না । বরং ভাবেন বাহ ! ওরা কি এডভান্স ! স্মার্টফোনে সব পারে !
স্মার্ট ফোনে সব পারাটা কতটুকু সেইফ ভেবে দেখেছেন ?
ইউটিউবে আপনার ছেলেটা কার্টুন দেখে , কিন্তু স্পন্সর্ড ভিডিও কি ফিল্টার করা যায় ? সেটা কি মূল ভিডিওর পাশে পপ আপ হয় না ? সেটায় যে এডাল্ট কন্টেন্ট নেই কিভাবে জানবেন ? সেখানে যে তার ক্লিক পড়ে না কিভাবে জানবেন ?
বারাক ওবামাকে চেনেন ? না চেনার কথা না , মেয়ে সাশাকে ফোন কিনে দিয়েছেন কলেজ লেভেলে ওঠার পর , তাদের কি পয়সার অভাব ছিল ? নাকি সিকিউরিটির অভাব ? সাশার ফোন কল মনিটর করা কি এতই দুরূহ ছিল ?
জাপানিজ একটা ভিডিও দেখলাম , সচেতনতামূলক ভিডিও - বাবা মা তার বাচ্চা ছেলেকে নিয়ে এসেছেন স্মার্ট ফোনের দোকানে , ট্যাব দেখছেন , বাচ্চার মায়ের সাথে পরামর্শ করছেন এটায় ভাল ভাল গেম প্রি ইনস্টলড আছে , এটাই ভাল হবে ।
দাম জিজ্ঞেস করলেন কত , রিপ্রেজেন্টেটিভ দাম বলল , এরপর জিজ্ঞেস করল কার জন্য নেবেন ?
- বাচ্চার জন্য ।
- ওর বয়স কত ?
- পাঁচ ।
- ধন্যবাদ স্যার , আপনার প্রোডাক্ট আপনার বাসায় পৌঁছে যাবে ঠিক সাত বছর পর ।
- কি বলছেন আপনি ?
- বার বছর বয়েসই ট্যাবলেট ইউজ শুরুর এপ্রপ্রিয়েট সময় , এখন ওর বয়স তার বাবা মায়ের সাথে সুন্দর সময় কাটানোর , বাবা মায়ের স্নেহ ভালবাসাকে চেনার বয়স , before he becomes heartless .....
এখন ফেইসবুকে হোয়াটসঅ্যাপে ছোট্ট ছোট্ট ছেলেমেয়েরা চ্যাটিং করে রিলেশন করে তাদের লাইফটাকে কত জটিল করে ফেলছে , এজন্যই তো স্ট্যাটাস দেয় - " আমি আমার অতীত ভুলে যেতে চাই "।

টিচার্স লাউঞ্জে ডাইনিংয়ে একসাথে খাওয়ার সময় একদিন আমার এক শ্রদ্ধেয় স্যার বলছিলেন , আমার ছেলেটা দেখি পরীক্ষা শেষ হলেই সারাদিন তিন গোয়েন্দা, মাসুদ রানা নিয়ে পড়ে থাকে ।
আমি বললাম - স্যার ওকে নিরুৎসাহিত করবেন না , আজকাল ছেলেমেয়েরা গল্পের বই পড়া ভুলেই গেছে ।
শুধু মুখে বলিনি , স্যার আপনার ছেলে এই জেনারেশনের আর দশটা ছেলের মত না , যারা স্মার্ট টেকনোলজির স্রোতে গা ভাসায় , স্মার্টফোনের ওই আলোকিত স্ক্রিনকে আমার কাছে খুব অন্ধকারাচ্ছন্ন একটা জগৎ মনে হয় ।
এই যুগে তিন গোয়েন্দা বা মাসুদ রানার ওই আলোহীন নিউজপ্রিন্টের পাতায় যে ছেলেটা রঙিন একটা জগৎকে খুঁজে নিয়েছে সে ছেলেটাকে আমি একটা হিরের টুকরো বলব ।
ডাঃ যুবায়ের আহমেদ

এই শিশূটির জন্ম হয়েছে ফরিদপুর এক শিশু হসপিটালে। জন্মের পর তার মা মারা যায়। আল্লাহর কি খেলা। শিশুটিকে দেখতে কেমন ভয়ংকর লা...
14/08/2016

এই শিশূটির জন্ম হয়েছে ফরিদপুর এক শিশু হসপিটালে। জন্মের পর তার মা মারা যায়। আল্লাহর কি খেলা। শিশুটিকে দেখতে কেমন ভয়ংকর লাগতাছে। শেয়ার করে সবাই দেখার সুযোগ করে দিন

23/07/2016

একটা ডাক্তার তখন সার্থকতা অনুভব করে যখন তার সংস্পর্শে এসে কোন বৃদ্ধ মা বা বাবা একটু সুস্থতা অনুভব করে বলে বাবা তোমাকে আল্লাহ অনেক বছর বাঁচিয়ে রাখুক। মাথায় হাত দিয়ে যখন এই কথা বলে সত্যি সেই ডাক্তার অশ্রুশিক্ত না হয়ে পারে না। এ যে এক সুখের অশ্রু।
কোন টাকার বিনিময়ে এই সুখ কিনতে পাওয়া যায় না। পৃথিবীতে যত পেশাই থাক ডাক্তারি পেশার মত মহৎ পেশা আছে নাকি সেটা নিয়ে সন্দিহান।

25/06/2016

যদি কোন ডাক্তার কোন রোগীকে সুস্থ করে তুলে তখন রোগীর ঠোটে যে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠে তা হাজার টাকা খরচ করে কেউ কিনতে পারবে না। আর সেটাই একটা ডাক্তারের সার্থকতা

Address

Tangail

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tangail Medical College Hospital,Tangail posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share