30/09/2026
📌 ছেলেটি (সুনীল) পড়াশোনায় একে বারেই মনযোগী ছিলো না। ভয়ঙ্কর এক 'নেশায়' বুঁদ হয়ে থাকতো। একটি সেমেস্টার একবার 'ফেল' করলো ঐ নেশার চক্করে। তার পর বারের চেষ্টায় 'পাশ'। 'নেশাটা' ছিলো বাড়াবাড়ি রকমের। তাতে আমরা ইন্ধন দিতাম অবশ্য। সেই নেশায় আসক্ত হয়ে অবশেষে... ভালো ফুটবলার হলো সে। হ্যাঁ নেশাটা ওর ছিলো ফুটবল। সেটাই ওর স্বপ্ন, যার ওপর নির্ভর করেই পূরণ করতে পেরেছে ওর স্বপ্ন।
📌 মেয়েটি (শ্রেয়া) বরাবরই শান্ত। কিন্তু NCC করার সময় ছিলো ও দুরন্ত। বিভাগের অনুষ্ঠানে নৃত্যে ওর নিজস্ব পরিচয় গড়ে তোলে। NCC অনুষ্ঠানে ভারতমাতার ভূমিকায় একাধিকবার মেতেছে নিজের ছন্দে। এই বিভাগ থেকেই স্নাতক, সেই সঙ্গে স্নাতকোত্তরও। কাজেই বিভাগের সঙ্গে পাঁচ বছরের নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ছিলো তার। এই স্বপ্নের কথা স্নাতক স্তরেই জানিয়ে ছিলো সে, আজ যা পূরণ হয়েছে।
📌 যখন স্নাতক স্তরে শিক্ষা নিতে আসে তখন ওর (অর্পিতা) মন এবং মুখ ভারাক্রান্ত। আর দশটা মেয়ের মতো সহজ ছিলো না ওর পথ চলা। এক কন্যে সঙ্গে নিয়ে একাকী সংগ্রামী পথ হাঁটা ওর কাছে ছিলো বেশ দুঃসাহসের। তবুও সবসময় মুখে লেগে থাকতো একরাশ হাসি। পড়াশোনাকে ও ভালোবেসেই কঠিন হাতে বেঁধে নিয়েছিলো। হাত ফসকে বেরিয়ে যাবার সুযোগ পায়নি। তাই আর এক হাতে পিএসসি থেকে ছিনিয়ে নিয়োগপত্র ধরিয়ে দিয়েছে।
📌 ২০২০ সালে ২৬ জানুয়ারি দিল্লির রাজপথে রিপাবলিক ডে প্যারেডে উজ্জ্বল একটি মুখ, শুভ্রা। ওর ভালোবাসার NCC থেকে কলেজের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে সকলকে চমকে দেয়। বিভাগের ছাত্রী হলেও বিভাগ চিনেছে পরে, আগে চিনেছে দিল্লির রাজপথ। শুভ্রারা চিনিয়েছে বাংলা বিভাগকে।
এখানেই থেমে থাকা নয়, এগিয়ে যেতে হবে আরও বড় স্বপ্নের দিকে।
আশাবাদী, আগামীদিনে অজস্র স্মৃতি প্রকাশের সুযোগ বিভাগ পাবে। সেই সুযোগের অপেক্ষায় থাকছে নেতাজী মহাবিদ্যালয়ের বাংলা পরিবার...