babu bahi143

babu bahi143 I am good boy student

31/01/2024
31/01/2024

#আবার_দেখা_2413

পাগলা রাইটার

#শেখ_লাদেন_ইসলাম_তানজিম

#পর্ব_19

👇👇

হঠাৎ পিছন থেকে কে জানি বলল,,এই ছেলে মেয়েরা তোমরা এখানে কি কর।

পিছনে তাকিয়ে দেখি আরে এটা তো আমার আম্মু।

আম্মু আমাকে দেখে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরল। সবাই এটা দেখা হয়তো অবাক হয়েছে। তবে রিয়া ম্যামের মুখে কোন রিয়েকশন নেই। কারন ম্যাম সব জানে। এই ওসি আমার আম্মু হয়।

আমি:- আম্মু ছাড় কি করছ। আশা পাশে সবাই কেমন ভাবে তাকিয়ে আছে দেখছ।

- আমি আমার ছেলেকে জড়িয়ে ধরছি। তবে কার কি।

আমি আম্মুকে ছাড়িয়ে বললাম,,কি হয়েছে বল তো। হঠাৎ এমন দরদ কেন?

আম্মু:- তর কিছু হয় নাই তো আবার।

আমি:- আরে আমার আবার কি হবে। এখন বল তুমি এখানে কেন?

- তরে সেই সকাল থেকে খুঁজতে খুঁজতে এখানে।

আমি:- কেন আমাকে ফোন দিতা তাহলেই তো হব।

- তর ফোন বন্ধ বলছে।

পকেট থেকে ফোনটা নিয়ে দেখি সত্যি বন্ধ। মনে হয় চার্জ নাই।

আমি:- আচ্ছা এখন বল। কেন তুমি আমাকে খুজছ।

আম্মু:- থাক তর এসব শুনা লাগবে না। বাদ দে!

- না বল কি হয়েছে!

আম্মু আমার কানের কাছে এসে বলল,,ফহিমের বাবা ফোন করে বলছে ছেলেকে খুঁজে পেয়েছেন তো। নাকি একটু পর লাশ নিতে আমার বাড়িতে আসবেন। এখনো ও সময় আছে ছেলেকে খুজে বের করুন। না আমার সাহায্য লাগবে। লাগলে বলবেন।

আমি:- আম্মু তুমিও না। কে কি বলেছে তাই বলে তুমিও তা শুনবে। আরে ওদের কাজ তো মানুষের পিছনে পড়ে থাকা।

- সবেই তো বুঝলাম। কিন্তু তুই এখানে কেন? আর এই মেয়েরা কারা।

আমি:- আম্মু আমি এখন ডিউটিতে আছি। বিরক্ত কর না তো! যাও।

- এটা তো ডিউটি!

ম্যাম:- ভাল আছেন ম্যাডাম।

আম্মু:- তুমি কে। আর আমার ছেলের সাথে কি কর। তোমাকে তো চিনলাম না।

আমি আম্মুর কানের কাছে গিয়ে বললাম,, কাকে কি বলছ। জান তুমি? ওনি আমাদের রিমা ম্যাম। মানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আম্মু:- কি?

আমি:- হু!

আম্মু:- বিশ্বাস হচ্ছে না।

আমি:- আর এই মেয়েটাও আমার সাথে ডিউটিতে আছে। এখন বুঝলেন।

আম্মু:- ভাল আছেন ম্যাম।

- আরে আরে কি বলেন। আমাকে ম্যাম বলবেন না!

আম্মু:- আপনি একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আপনাকে ম্যাম না বললে আপনার সম্মান থাকবে না।

- আরে এসব বলা বাদ দেন। আমি আপনার মেয়ের মতোই। তাই আমার নাম ধরে ডাকবেন।

আম্মু:- আপনি এত ক্ষমতাশালী একজন মানুষ।

- আপনি তো কম না! আপনারও তো আমার থেকে উপরের লেভেলের মানুষের সাথে উঠা বসা। সো আমাকে নাম ধরেই ডাকবেন।

আম্মু একটা হাসি দিয়ে বলল,,সে নাহয় ডাকব। কিন্তু হঠাৎ এই সাধারণ পরিবেশে।

- মানুষের ভিড়ে থাকতে থাকতে আর ভাল লাগে না। তাই ভাবলাম একা একটু বের হই।

আম্মু:- এত বেশি এখানে থাকবেন না। চলে যান।

- আপনিও দেখি আপনার ছেলের মতোই কথা বলেন।

আম্মু:- আমার ছেলে পারবে তো আপনাকে রক্ষা করতে। কারন এর আগে ও কারো বডিগার্ড হয় নাই। আর ও কারো হুকুম মেনে কাজ করতে চাই না। এই একটাই সমস্যা।

আমি:- আম্মু তুমি কি যাবে। যাও তো থানায়। কাজ নাই তোমার। সরকার কি ঘুরাফেরা করতে টাকা দেয় তোমাকে।

আম্মু:- বাড়িতে আই। পিঠের চামড়া তুলে নিব।

ম্যাম একটা হাসি দিয়ে বলল,,মা ছেলের মাঝে তো দেখি খুব মিল।

আম্মু:- আমার একটাই ছেলে খুব আদরের। খুব ভালবাসি ওকে।

আমি:- আম্মু!

আম্মু:- আরে যাব যাব। তর ম্যাডামকে তো আর খেয়ে ফেলছি না।

- লাদেন তুমি একটু চুপ থাকতে পার না। তো আপনি একদিন আমাদের বাসায় আসবেন।

আম্মু:- তেমন সময় পাই না। তবে তুমি একদিন সময় করে আমাদের বাসায় যাবে। ঘরটা আলোকিত হয়ে যাবে।

- এভাবে এত সম্মান দিয়ে বলবেন না।

আমি:- হ যান শুধু একবার। আম্মু আপনাকে আর আসতে দিবে না। আমাদের বাসায় ধরে রেখে দিবে। আমার বউ করে। লাস্ট লাইনটা একটু আস্তে বললাম। শুনলে আমার অবস্থা শেষ।

আম্মু:- দিমু এক চর শুধু উল্টাপাল্টা কথা।

আমি:- এ আমি বললেই উল্টা পাল্টা না।

তাসলিমা:- লাদেন এটা কি তর মা।

আমি:- হু।

- ভালো আছেন আন্টি।

- এই তো আলহামদুলিল্লাহ। আচ্ছা তরা থাক। আমি এখন যাই। এমনেই অনেক দেরি হয়ে গেছে আমার।

ম্যাম:- আপনার সাথে কথা বলে খুব ভালো লাগল।

- আমিও ভাবতে পারি নাই আপনার সাথে এভাবে আমার দেখা হবে। ভাল থাকবেন। আর লাদেন ওনাকে নিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে চলে যা।

আমি:- হু আম্মু। আর আমাকে নিয়ে এত চিন্তা করবে না।

আম্মু চলে যাওয়ার পর,,ম্যাম আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,, তোমার মা তোমাকে খুব ভালবাসে না।

আমি:- কি বলব ম্যাম অনেক অনেক ভালবাসে আমার আম্মু আমাকে। যা কোন কিছুর সাথে করা তুলনা করা যাবে না।

- তোমার মায়ের ভালবাসা দেখে আমার আম্মুর কথা মনে পড়ে গেল।

তাসলিমা:- কেন ম্যাম আপনার মা কোথায়।

- আমার আম্মু দেশের বাহিরে থাকে।

আমি:- কেন ম্যাম? আপনাদের এত এত টাকা।

- এই প্রশ্ন আর করিও না।‌ এগুলো লুকানোই থাক।

আমি:- আপনার ইচ্ছা। তো এখন চলেন ম্যাম।

- হু চল আর এখানে থাকা যাবে না।

- হু।

আমরা গাড়ির দিকে যেতে লাগলাম।

হঠাৎ ম্যাম দাঁড়িয়ে বললেন,,দাঁড়াও তোমরা।

আমি:- এখন আবার কি হয়েছে ম্যাম।

- আজকে আমরা হেঁটে যাব। অনেক দিন হল হাটা হয় না।

আমি:- আপনার মাথা খারাপ হয়েছে। আপনি হেঁটে যাবেন।‌ আপনার বাবা যদি এই কথা শুনতে পারে আমাকে তো শেষ করে দিবে।

- আরে বাবার চিন্তা তোমাকে করতে হবে না। এসব আমি দেখে নিব। এখন চল তো।

তাসলিমা:- সত্যি হেঁটে যাবেন আপনি।

- হু চল। অনেক দিন হল হাঁটা হয় না।

আমি:- কি যে পাগলামো শুরু করলেন না আপনি। মাঝে মাঝে আমি বুঝি না। আচ্ছা আপনারা যান আমি গাড়িটা নিয়ে আসছি।

- না তোমার এখানে থাকা লাগবে না। আমি ড্রাইভারকে বলে গাড়িটা এখান থেকে নিয়ে নিব। এখন তুমি চল।

আমি:- হু চলেন।

ম্যার সাথে সাথে হাঁটতে লাগলাম। ফোনটা হাতে নিয়ে অন করলাম। দেখি অল্প একটু চার্জ আছে।
হঠাৎ দেখি কে জানি কল করেছে। রিসিভ করে বললাম,,কে বলছেন।

কিন্তু ওই পাশ থেকে কোন আওয়াজ আসছে না। ধুর বাবা কে যে ফালতু ফোন করে ডির্সটাব করে বুঝি না। ফোনে কথা বলার কারণে ম্যামের পিছনে চলে আসলাম। রিয়া ম্যাম আর তাসলিমা সামনে হাঁটছে। আর আমি একটু পিছনে পিছনে হাঁটছি।

ম্যামের পায়ে ছিল হিল জুতো পড়ানো। হঠাৎ দেখি কিসের সাথে লেগে ম্যাম পা মোচড়ে পড়ে যাচ্ছে। আমি পিছনে থাকার কারণে। তাড়াতাড়ি গিয়ে ম্যামকে পিছন থেকে ধরে ফেললাম। যার কারনে ম্যাম নিচে পড়ে নাই।

তবে আমাকে অবাক করে দিয়ে ম্যাম তাড়াতাড়ি আমার থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে, সামনে একজন লোক ফুসকা বিক্রি করছিল। ওখানে দৌড়ে গিয়ে একটা ফল কাটার চাকু এনে আমার হাতটা ধরেই হাতের তালুর মাঝে টান মারল।

আমি একটা চিৎকার দিয়ে বললাম,,ম্যাম আপনি এটা কি করলেন।

রাগে ম্যাম এর মুখটা টমেটোর মতো হয়ে গেছে। ওনি আমার গালে ঠাস করে একটা চর দিয়ে বলল,, তর সাহস কি করে হয় আমার গায়ে হাত দেওয়া।

চরটা খেয়ে আমি পুরাই বেক্কল হয়ে গেছি। আমার হাত দিয়ে রক্তের ছড়াছড়ি হয়ে যাচ্ছে।

ম্যাম মুখ থেকে মাস্কটা টান দিয়ে খুলে জোরে চিৎকার দিয়ে বলল,,দুই টাকার বডিগার্ড হয়ে আমার গায়ে টার্স করিস। বলে লাথি দিয়ে আমাকে দূরে ফেলে দিল। আশেপাশে কিছুক্ষণের ভিতরে মানুষের ভিড় জমে গেছে।
ম্যাম চিৎকার দিয়ে বলল,, আমার পানি লাগবে।

পাশ থেকে কে জানি এক বালতি পানি এনে ম্যামকে দিল। ম্যাম পানিটা নিজের শরীরের মেরে দিলাম। যার কারনে ওনার পুরো শরীর টা ভিজে গেছে। আমি এখানোও মাটিতে পড়ে আছি। এখনো ও আমি কিছুই বুঝে উঠতে পারলাম না। আমার সাথে এসব কি হচ্ছে। আরে আমি তো ম্যামকে বাঁচানোর জন্য শরীরে হাত দিছি এজন্য।

ম্যাম দৌড়ে এসে আমাকে মাটি থেকে তুলে ইচ্ছে মতো মারতে লাগল। কিছুক্ষণের ভিতরে মিডায়া চলে আসল। সাংবাদিকের সামনে ম্যাম পায়ের জুতা খুলে আমাকে মারতে লাগল। শুধু বলছে আমার শরীরে হাত দিস। তর তো সাহস কম না। আজকে আমি তরে এই দুনিয়াতেই রাখব না। হিলের জোতা থাকার কারনে প্রত্যেকটা আঘাতের কারনে আমার গাল ফেটা রক্ত পড়ছে। আমি কথা বলার মতো শক্তি হারিয়ে ফেলছি।

পাশ থেকে এক মেয়ে সাংবাদিক বলল,,ম্যাম ছেলেটাকে ছেড়ে দেন। ও মারা যাবে। হাত থেকে প্রায় অনেকটাই রক্ত পড়ছে। আর মুখ পুরোটাই রক্তে লাল হয়ে গেছে।

ম্যাম:- ওকে আমি না মেরে শান্ত হব না। দুই টাকার বডিগার্ড আমাকে ধরার সাহস কিভাবে পাই।

ঘটনা খারাপের দিকে যাচ্ছে। তাই তাসলিমা এসে ম্যামকে ধরে ফেলে।

তাসলিমা:- লাদেন এখান থেকে চলে যা। নয়লে ওনার অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যাবে।

ওই মানুষ জ্ঞান শূন্য হলে। সেই অবস্থায় কি কিছু করতে পারে। আমারো ও ঠিক এমনেই অবস্থা হয়েছে। আমি প্রায় জ্ঞান শূন্য হয়ে গেছি। কি থেকে কি হয়ে গেল কিছু্ই বুঝতে পারছি না। ওখানে বাঁচানো মনে হয় আমার সব থেকে বড় ভুল ছিল। তবে এখন শুধু এইটুকু বুঝতে পারছি। আমি এখানে থাকলে বাঁচতে পারব না। এখান থেকে আমাকে পালাতে হবে।

সাংবাদিকদের ঠেলে বের হলাম। পিছন থেকে ম্যাম চিৎকার দিয়ে বলছে,, তাসলিমা আমাকে ছাড়। আমি ওকে না মেরে শান্ত হব না। আজ পর্যন্ত আমার গায়ে কেউ একটু ছুঁয়েও পর্যন্ত দেখে নাই। আর ওই শালা। আমি তরে ছাড়ব না।

দুইতিনটা পুলিশের গাড়ি কিছুক্ষণের ভিতরে চলে আসল। দূর থেকে দেখতে পারছি।

কাছাকাছি হাসপাতাল থাকার কারনে হাসপাতালে চলে গেলাম।

ডাক্তার আমাকে দেখে এমার্জেন্সিতে নিয়ে যেতে বলল,, আমাকে ট্রিটমেন্ট করতে করতে ওনি জিগ্গেস করলেন এসব কিভাবে হল।

আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। যার জন্য এত কিছু করলাম। আমি থাকা অবস্থায় ওনার গায়ে পর্যন্ত কাউকে হাত দিতে দেই নাই। আরে আমি তো কোন ভুল করি নাই। ওনাকে বাঁচাতে গিয়েই তো আমি ওনার শরীরে হাত দিছি। নয়লে ওনি তো পড়ে যেত। কাউকে বাঁচানো কি ভুল ছিল আমার। এজন্য সবার সামনে আমাকে জুতা দিয়ে পিটাল। ছিঃ ছিঃ। মুখে মাস্ক থাকার কারনে মানুষ হয়তো আমাকে এতটা চিনতে পারে নাই। পুরো মাস্কটাই রক্তে লাল হয়ে গেছে।

ডাক্তার:- কি চিন্তা কর!

আমি:- টিভি অন করেন। সব জানতে পারবেন হয়তো।

আমার কথা শুনে ডাক্তার টিভি অন করে দেখে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গায়ে হাত দেওয়ার কারনে, এক ছেলেকে জুতা দিয়ে মারতে মারতে রক্তোত করে ফেলল সারা শরীর।

সাংবাদিকরা একটু হলে আরেকটু বানিয়ে বলে এটা আমি জানি। তবে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে ম্যাম আমার সাথে এটা কিভাবে করতে পারল। আমাকে মারলে আমি কিছু মনে করতাম না। তাই বলে আমাকে জুতা দিয়ে সবার সামনে মারবে।

ডাক্তার:- এই ছেলেটাই কি তুমি তাহলে।

আমি:- হু।

হঠাৎ ডাক্তারের ফোনটা বাজতে লাগল। এজন্য আমাকে ছেড়ে ফোনটা রিসিভ করল। তবে ওনার কথা শেষ হতেই দেখি মুখটা কালো হয়ে গেলে ওনার।

আমি:- কি হয়েছে....

waiting for next

,, নামাজ বাদ দিয় না বন্ধু এপারের চেয়ে ওপারের জীবন অনেক সুন্দর,,

31/01/2024
31/01/2024
31/01/2024

Address

Aadi Sab To Gram Namaj Gar
Bansberia
712121

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when babu bahi143 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to babu bahi143:

Share