08/10/2026
কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃতি, শিক্ষা ও নতুনের আবাহন: সাড়ম্বরে পালিত হলো 'আগমনী উৎসব' 🌸✨
আজ ৮ অক্টোবর ২০২৬, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের বিদ্যাসাগর সভাগৃহে বাংলা বিভাগের জার্নালিজম সার্টিফিকেটে কোর্সের উদ্যোগে অত্যন্ত সাফল্যের সাথে আয়োজিত হলো 'আগমনী উৎসব'। শিক্ষা, সাহিত্য, সাংবাদিকতা এবং বাঙালির নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল আজকের এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। আগমনী গান, নাটক, এফ.এম. পরিবেশনা, গীতিআলেখ্য ‘ভোরের আগমনী’, ‘জননী এসেছে দ্বারে’, নৃত্যালেখ্য ‘দেবী অমৃতময়ী’ ও নাটক ‘ফিরে আসুক সেই পুজো’ পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হল বর্ণময় আগমনী উৎসব।
শারদোৎসবের এই আনন্দমুখর পরিবেশেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা সার্টিফিকেট কোর্সের (Journalism Certificate Course) নবম ব্যাচের সফল ছাত্রছাত্রীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয় এবং দশম ব্যাচের নবীন পড়ুয়াদের সাদর অভ্যর্থনা জানানো হয়। 🎓
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক কল্লোল পাল এবং মাননীয় সহ-উপাচার্য অধ্যাপক পার্থপ্রতিম সরকার। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রসার ভারতীর কনসাল্টিং এডিটর শ্রী প্রসেনজিৎ বক্সী এবং আকাশবাণী কলকাতার অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (নিউজ) শ্রী সন্দীপন দাশগুপ্ত।
মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক কল্লোল পাল তাঁর বক্তব্যে শিক্ষাক্ষেত্রে এবং সমাজচেতনা বৃদ্ধিতে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি নবম ব্যাচের সফল ছাত্রছাত্রীদের অভিনন্দন জানান এবং দশম ব্যাচের পড়ুয়াদের পেশাদারিত্ব, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, গঠনমূলক চিন্তাভাবনা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ থাকার পরামর্শ দেন। তাঁর এই অনুপ্রেরণামূলক কথাগুলি ছাত্রছাত্রীদের নতুন উদ্যম জোগায়।
মাননীয় সহ-উপাচার্য অধ্যাপক পার্থপ্রতিম সরকার তাঁর ভাষণে সমাজ ও বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তা গঠনে ভাষা ও সংস্কৃতির অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। সাংবাদিকতার ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনিও দায়িত্বশীল জনসংযোগ, সৎ সাংবাদিকতা এবং সমাজের প্রতি সংবেদনশীলতার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। 🎤
সমগ্র অনুষ্ঠানটি আয়োজনে ও সাংবাদিকতা কোর্সের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন অধ্যাপক সুখেন বিশ্বাস, ডিরেক্টর, জার্নালিজম সার্টিফিকেট কোর্স। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায়।
শারদ উৎসব, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মেলবন্ধনে আজ মুখরিত হয়ে উঠেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। বাংলা বিভাগ, সকল অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, ছাত্রছাত্রী সহ এই সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত সকলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।
আগমনীর এই পুণ্যলগ্নে নতুন সম্ভাবনা ও নতুন জ্ঞানের উন্মেষ ঘটুক আমাদের সকলের জীবনে। 🌺