21/06/2022
২০ তারিখ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার হলে কী কী নিতে হবে ?
- কলম, পেন্সিল বা রাবার নিবেন।
- ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র (২কপি)
- HSC পরীক্ষার এডমিট কার্ড অথবা রেজিষ্ট্রেশন কার্ড (যেকোনো একটি)
Contract for details plzz..👇🏻
+91 83920
27494
Something You all might think about..🙄💯 questions may arise to your mind🤗🕐.....
নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার আগে যেই কমন প্রশ্নগুলো আপনাদের মাথায় আসে, তার মধ্য থেকে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো।
প্রশ্নঃ ১। নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২০২১কবে প্রকাশিত হবে?
উত্তরঃ করোনা মহামারীর কারণে সঠিক ভাবে কোনো কিছু বলা যাচ্ছে না।
দেশের পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে ভর্তি পরীক্ষা হবে।
(শিক্ষা অধিদপ্তর +স্বাস্থ্য অধিদপ্তর +নার্সিং কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত)
প্রশ্নঃ ২। পরীক্ষা কবে হবে?
উত্তরঃ সারকুলার বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর, আবেদনের তারিখ, প্রবেশ পত্র তোলার তারিখ এবং নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার তারিখ সব উল্লেখ করে দেওয়া থাকবে। বলা যায় যে, গত বছরের তারিখ অনুযায়ী এই বছরও হয়তো বা ডিসেম্বরের ১ম শুক্রবার ২য় শুক্রবার নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার সারকুলার বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সাথে সাথে আমরা সঠিক ভাবে পরীক্ষার তারিখ তোমাদের জানাতে পারবো। সাথেই থাকো।
(বিঃদ্রঃএবার ভিন্নভাবেও হতে পারে)
প্রশ্নঃ ৩। আচ্ছা, ডিপ্লোমা; বিএসসি; মিডওয়াইফারি পরীক্ষা কি এক সাথে বা একই দিনে হয়?
উত্তরঃ যেহেতু মেডিকেলের মত গুচ্ছ পদ্ধতিতে নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা একই দিনে, একই সময়ে, একযোগে এবং একই প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হয়, তাই বিএসসি, ডিপ্লোমা ও মিডওয়াইফারি পরীক্ষা একই দিনে, একই সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। তাই, যে কোনো একটিতে পরীক্ষা দিতে পারবেন।
প্রশ্নঃ ৪। প্রশ্ন কি একই হয় এবং কেমন হয়?
উত্তরঃ বিএসসি, ডিপ্লোমা ও মিডওয়াইফারির প্রশ্ন আলাদা আলাদা হয়। পরীক্ষার্থী যেই কেন্দ্রেই পরীক্ষা দেয় না কেনো, সকল কেন্দ্রে ডিপ্লোমা দের প্রশ্ন একই এবং সকল কেন্দ্রে মিডওয়াইফারিদের প্রশ্ন একই। আর প্রশ্ন খুব সহজ বা কঠিন হয় না। মেডিকেল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা থেকে তুলনামূলক ভাবে সহজ হয়।
প্রশ্নঃ ৫। কোন কলেজ/ইনস্টিটিউটে কম নম্বরে চান্স হয়?
উত্তরঃ আবেদন করার সময় পছন্দের পর্যায়ক্রমে ১০ টি নার্সিং কলেজ/ইনস্টিটিউট চয়েস দেওয়া যায়। ঢাকায় বিএসসি নার্সিং কলেজ ২ টি (ঢাকা নার্সিং কলেজ এবং কলেজ অফ নার্সিং, শের ই বাংলা নগর) এবং ডিপ্লোমা ইন নার্সিং & মিডওয়াইফারি ইন্সটিটিউট ১ টি (মিটফোর্ড নার্সিং ইন্সটিটিউট, ঢাকা) এই গুলোতে চান্স পেতে হলে বেশি মার্ক পেতে হবে। এবং ঢাকার বাইরে তুলনামূলক ভাবে অল্প নম্বর পেয়ে চান্স পাওয়া যায়। বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, মেয়েদের জন্য ৭০+ পেলে চান্স পাওয়া আশা করা যায়। কিন্তু, ছেলেদের চান্স পেতে হলে ৮৫-৯০+ মার্ক পেতে হয়।
প্রশ্নঃ ৬। আলাদা আলাদা ভাবে পরীক্ষা হবে নাকি একই সাথে?
উত্তরঃ একই দিনে, একই সময়ে নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আটটি বিভাগীয় পরীক্ষা কেন্দ্রে। আপনি যেকোনো একটি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিলেই হলো। পরীক্ষার কেন্দ্র এডমিট কার্ডে লেখা থাকবে। যেই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক/সুবিধা হয়, সেখানেই পরীক্ষা দিতে পারবেন। আপনার প্রাপ্ত নম্বর এবং কলেজ/ইন্সটিটিউট চয়েস এর পর্যায়ক্রমের উপর নির্ভর করে আপনি কোন নার্সিং কলেজ/ইনস্টিটিউটে চান্স পাবেন।
প্রশ্নঃ ৭। পরীক্ষায় কি নেগেটিভ মার্কিং আছে?
উত্তরঃ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং নেই। অর্থাৎ ভুল উত্তর দাগালে তার জন্য কোনো মার্ক/নম্বর কাটা যাবে না/মার্ক মাইনাস করা হবে না।
প্রশ্নঃ ৮। কীভাবে পড়লে চান্স পাওয়া যায়?
উত্তরঃ সর্বপ্রথম মূল বই পড়ুন, কারেন্ট ওয়ার্ল্ড এবং কারেন্ট এফেয়ার্স পড়ুন। তারপর সহায়ক হিসেবে ১/২/৩ টি গাইড (সাধ্যমতো) পড়তে পারেন। আমাদের গ্রুপের এবং পেইজের পোস্ট গুলোতে কি কি বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে, সেগুলো নিয়ে অনেক পোস্ট আছে। গ্রুপের Announcement 📣 অপশনের পোস্ট গুলো নিয়মিত দেখবে।
প্রশ্নঃ ৯। নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন বলেন?
উত্তরঃ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন অনুযায়ী গত বছর প্রশ্ন করা হয়নি। গত বছর মানবন্টন মানা হয় নাই, তাই মানবন্টন না ভেবে ডিপ্লোমা হলেঃ বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ বিজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান সাধারণ গণিত এই বিষয়গুলো এবং বিএসসি হলেঃ পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান এবং সাধারণ গণিত এই বিষয় গুলো পড়ুন।
প্রশ্নঃ ১০। মানবিক ও বাণিজ্য বা কারিগরি বা উন্মুক্ত শাখা থেকে নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া যায় কি?
উত্তরঃ(HSC-2020 & 2019)
এবং
(SSC-2018-2017)
ব্যাচের পাসকৃত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
*ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতাঃ
1/ Diploma in Midwifery:
যে কোন শিক্ষা বোর্ড হতে এস,এস,সি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এবং এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এবং মোট ৬.০০ গ্রেড প্রাপ্ত মহিলা প্রার্থীগণ আবেদন করতে পারবেন।
2/ Basic BSc in Nursing:
বিজ্ঞান বিভাগে জীববিজ্ঞান বিষয়ে গ্রেড ৩.০০ সহ যারা এস এস সি / সমমানের পরীক্ষায় এবং এইচএস সি / সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে ৩.০০ গ্রেড এবং মোট ৭.০০ গ্রেড নিয়ে পাস করেছেন তারাই কেবলমাত্র আবেদন করতে পারবেন।
3/ Diploma in Nursing Science and Midwifery:
যে কোন শিক্ষা বাের্ড হতে এস,এস,সি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ (Grade Point Average) এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ (Grade Poin Average) ২.৫০ এবং মোট ৬.০০ গ্রেড প্রাপ্ত প্রার্থীগণ আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্নঃ ১১। ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এই দুইটার মধ্যে পার্থক্য কি?
উত্তরঃ ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারির মধ্যে পার্থক্যঃ
# মিডওয়াইফারি বা Midwifery একটি ইংরেজি শব্দ, বাংলায় এর অর্থ ধাত্রীবিদ্যা, অর্থাৎ আপনি যদি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং বেবি ডেলিভারি রিলেটেড নার্স হতে চান, তাহলে আপনি মিডওয়াইফারিতে আবেদন করতে পারেন।
মিডওয়াইফারি কোর্সের নার্সদের Midwives বা বাংলায় প্রশিক্ষিত ধাত্রী বলা হয়। একজন মিডওয়াইফ ফ্যামিলি প্লানিং, প্রসবপূর্ব-কালীন, গর্ভ-কালীন এবং গর্ভ-পরবর্তী সময়ে এবং নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকেন।
# ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি হচ্ছে তিন বছর মেয়াদি একটি নার্সিং কোর্স।
এই কোর্সটি সম্পন্ন করার পরে আপনি হাসপাতালের যেকোনো ইউনিটের নার্স হতে পারবেন, for example: ICU Nurse, CCU Nurse, Emergency Nurse, OT Nurse ইত্যাদি।
# আরেকটি পার্থক্য হচ্ছে আসন সংখ্যা নিয়ে।
সরকারি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এই কোর্সে ৪৩ টি ইন্সটিটিউটে মোট আসন ২৫৮০ টি। অপরদিকে সরকারি ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্সে ৩৮ টি ইন্সটিটিউটে মোট আসন ৯৭৫ টি।
# বেসরকারি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সের জন্য ১৬৫ টি ইন্সটিটিউট রয়েছে। অপরদিকে, ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্সের জন্য বেসরকারি ভাবে মোট ১৭ টি মিডওয়াইফারি ইন্সটিটিউট রয়েছে।
এখন আপনি সিদ্ধান্ত নিন, আপনি কোনটায় আপনার আগ্রহ এবং কোন কোর্সে আবেদন করবেন। আপনি কি নার্স নাকি Midwives হতে চান?
প্রশ্নঃ ১২। বেসরকারি নার্সিং কলেজে বা ইন্সটিটিউটে ভর্তির নিয়ম কি?
উত্তরঃ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ বা তার বেশি নম্বর পেলে, আপনার ইচ্ছেমতো বেসরকারি নার্সিং কলেজ বা ইন্সটিটিউট থেকে ফর্ম তুলে ভর্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তি হতে পারবেন।