Majdia College N.C.C

Majdia College N.C.C National Cadet Corps is the youth wing of the Indian Armed Forces with its headquarters in New Delhi

মেয়েটিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম না। পরে জানলাম, সে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সায়নী চক্রবর্তী। প্রাণোচ্ছল, হাসিখুশি, জী...
29/05/2026

মেয়েটিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম না। পরে জানলাম, সে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সায়নী চক্রবর্তী। প্রাণোচ্ছল, হাসিখুশি, জীবপ্রেমী এক মানুষ। তার কন্টেন্টের মূল চরিত্র ছিল প্রাণীরা - "সুন্দরী" নামের গরু, পোষ্য কুকুর, অবলা কিছু প্রাণ, যাদের সে নিজের সন্তানের মতো আগলে রাখত। তার বায়োতে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল - "জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।"
তাই যখন শুনলাম এমন জীবনমুখী, আলো ছড়ানো একটি মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে, সত্যিই থমকে গেলাম।

এই সপ্তাহেই এ নিয়ে দ্বিতীয় আত্মহত্যার খবর। পরিচালক অনীক দত্তের পর আবার এক তরতাজা প্রাণ নিভে গেল। কতই বা বয়স হয়েছিল মেয়েটির? জীবন তো তখনও ঠিকমতো শুরুই হয়নি। কত স্বপ্ন ছিল, কত গল্প বাকি ছিল, কত কিছু দেখার ছিল, বাঁচার ছিল। সব শেষ ।

তারপর ভাবতে বসে মনে হলো, আসলে আমরা সবাই ধীরে ধীরে ভীষণ যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি। চারদিকে এত ব্যস্ততা, এত দৌড়, এত ট্রেন্ড, এত স্ক্রল, এত শব্দ - চারদিকে এত ডিস্ট্রাকশন, যে মানুষের ভেতরের নিঃশব্দ কান্নাগুলো আর শুনতেই পাই না। আমরা সারাক্ষণ সংযুক্ত, অথচ ভীষণ বিচ্ছিন্ন। আমরা সবাই ধীরে ধীরে বেশি আত্মকেন্দ্রিক ও একাকী হয়ে উঠছি।
নইলে ভাবুন তো মানুষের একটা মনের কথা বলার লোকও নেই, বেছে নিচ্ছে ChatGPT-এর মত AI মডেলগুলিকে, মানুষ আর মানুষের কথা শোনে না, অদ্ভুত না?

বন্ধুদের আড্ডায় বসেও আমরা রিল স্ক্রল করি, কিন্তু পাশে বসে থাকা মানুষটার মনের খবরটা নিই না।
শেষ কবে কাউকে মন খুলে জিজ্ঞেস করেছেন - "তুই সত্যিই ভালো আছিস তো?", শেষ কবে কারও কাঁধে হাত রেখে বলেছিলেন - "কিছু হলে বলিস, আমি আছি"?
শেষ কবে আপনার প্রিয় মানুষ, কাছের মানুষ, বন্ধু, পরিবারের কেউ - তাদের মনের খোঁজ নিয়েছিলেন? বা তারাও নিয়েছিল?

আজকাল মানুষ দুদিন মন দিয়ে কথা শোনে, তৃতীয় দিনেই বিরক্ত হয়ে যায়। আমরা সবাই যেন একটু বেশিই আত্মকেন্দ্রিক ও অকারণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছি। নিজের ক্লান্তি, নিজের সমস্যা, নিজের ব্যস্ততার ভিড়ে অন্য মানুষের ভাঙচুরগুলো চোখেই পড়ে না। অথচ এই একাকীত্বই ধীরে ধীরে মানুষকে ভেতর থেকে শেষ করে দেয়।

ইমরান খানের একটা উক্তি বারবার মনে পড়ে -
"মানুষ মারা যায় কখন জানিস? যখন এই পৃথিবীর কাছে তার প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়, বা তার কাছে পৃথিবীর।"

কথাটা হয়তো পুরোপুরি সত্যি নয়, কিন্তু ভীষণ নির্মম। কারণ মানুষ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাঁচতে চায়। কেউ না কেউ তাকে একটু জড়িয়ে ধরুক, একটু শুনুক, একটু বলুক - "থাক, সব ঠিক হয়ে যাবে।"
হয়তো অনীক দত্তও শেষবার দরজায় টোকা দিয়েছিলেন, তারপরে ছাদে চলে গেলেন।
হয়তো সায়নীও কারও কাছে হাত বাড়িয়েছিল।
হয়তো তারা কাউকে খুব দরকার ছিল সেই মুহূর্তে।
কিন্তু আমরা কেউ বুঝিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝলমলে হাসির আড়ালে কত গভীর অন্ধকার লুকিয়ে থাকতে পারে, আমরা বুঝতেই পারি না। যে মানুষটা সবাইকে আনন্দ দেয়, সেও হয়তো রাতে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে। মনের অসুখ সত্যিই বড় অসুখ। শরীরের ক্ষত চোখে দেখা যায়, কিন্তু মনের ক্ষতগুলো নীরবে মানুষকে শেষ করে দেয়। এর থেকে মুক্তির পথ অনেকেই খুঁজে পায়না, তারা এভাবে হারিয়ে যায়।

তাই আজ খুব বলতে ইচ্ছে করছে -
আপনার কাছের মানুষদের একটু সময় দিন।
শুধু "কি খবর?" জিজ্ঞেস করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। কখনও জিজ্ঞেস করুন - "কি রে কেমন আছিস? সব ঠিকঠাক?" কারও আচরণ বদলে গেলে তাকে "ড্রামা" বলার আগে একবার তার পাশে বসুন, একটু কথা শুনুন, কিছু বলার দরকার নেই, কিছু মানুষ কখনো শুধুই এটাই চায় তাদের কথা কেউ একটু শুনুক। সবাই শক্ত থাকার অভিনয় করতে করতে একসময় সত্যিই ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

এই পৃথিবীটা আজ বড় বেশি কঠিন হয়ে গেছে। তাই আমাদের আরও একটু নরম হওয়া দরকার। দুনিয়াটাকে একটু নরম চোখে দেখা দরকার ।
আরও একটু মন দিয়ে শোনা দরকার।
আরও একটু মানুষ হওয়া দরকার।

সায়নী,
তারাদের দেশে ভালো থেকো। আলো হয়ে থেকো।
এই পৃথিবী হয়তো তোমাকে খুব বেশি আলো দিতে পারেনি, অন্ধকারই দিয়েছে, ওপারে না হয় শুধুই আলো হোক।
তোমার অসমাপ্ত ভালোবাসাগুলো, তোমার প্রাণীদের প্রতি মমতা, তোমার হাসি - সব রয়ে যাবে মানুষের মনে।

~ অপূর্ব ©

সচেতন হন এবং অন্যকে সচেতন করুন
29/05/2026

সচেতন হন এবং অন্যকে সচেতন করুন

কত কিছু দেখবো
28/05/2026

কত কিছু দেখবো

*বিনায়ক দামোদর সাভারকার*ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিতর্কিত কিন্তু প্রভাবশালী বিপ্লবী ও চিন্তাবিদ ছিলেন তিনি। - ...
28/05/2026

*বিনায়ক দামোদর সাভারকার*

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিতর্কিত কিন্তু প্রভাবশালী বিপ্লবী ও চিন্তাবিদ ছিলেন তিনি।

- জন্ম: ২৮ মে ১৮৩, মহারাষ্ট্রের নাসিকের ভাগুর গ্রামে।
- ছোটবেলায় মা-বাবা দুজনকেই হারান।
- পুণের ফার্গুসন কলেজ থেকে বি.এ পাস করার পর লন্ডনে গিয়ে আইন পড়েন।

- ১২ বছর বয়সে গ্রামে মুসলিম আক্রমণের বিরুদ্ধে ছাত্রদের নেতৃত্ব দেওয়ায় "বীর" উপাধি পান।
- ১৯০৪ সালে ভাই গণেশের সাথে *অভিনব ভারত সোসাইটি* নামে গোপন বিপ্লবী সংগঠন তৈরি করেন। লক্ষ্য ছিল সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান।

- লন্ডনে থাকাকালীন *ইন্ডিয়া হাউস* ও *ফ্রি ইন্ডিয়া সোসাইটি*র সাথে যুক্ত ছিলেন। বোমা তৈরির কৌশল, অস্ত্রের তথ্য ভারতে পাঠাতেন।

- ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহকে "ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ" বলে বই লেখেন - _The History of the War of Indian Independence_।

- ১৯১০ সালে গ্রেফতার হন। নাসিকের কালেক্টর জ্যাকসন হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ছিল।
- দুটি বিচারের পর ৫০ বছরের কালাপানি সাজা হয়। আন্দামানের সেলুলার জেলে রাখা হয়।
- জেলে থাকাকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছে কয়েকবার ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ১৯২৪ সালে মুক্তি পান।
- মোট ১০ বছর সেলুলার জেল, ৪ বছর রত্নাগিরি জেল, ১৩ বছর গৃহবন্দি ছিলেন।

- ১৯২৩ সালে _Essentials of Hindutva_ বইয়ে "হিন্দুত্ব" ধারণা দেন।
- বলেছিলেন ভারতে হিন্দু ও মুসলমান দুটি আলাদা জাতি। এই ধারণাই পরে "দ্বি-জাতি তত্ত্ব" নামে পরিচিত হয়।
- ১৯৩৭-১৯৪৩ পর্যন্ত *হিন্দু মহাসভার* সভাপতি ছিলেন।
- জাতিভেদ প্রথার বিরোধী ছিলেন।

- গান্ধী হত্যা মামলায় তার বিরুদ্ধে চার্জশিট হয়েছিল, কিন্তু প্রমাণের অভাবে ছাড় পান।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ও ফ্যাসিবাদের কিছু নীতির প্রশংসা করেছিলেন।
- সমালোচকরা বলেন, জেল থেকে মুক্তির পর তিনি ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলন থেকে সরে এসে হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতিতে মন দেন।

- ১৯৬৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে মারা যান।

---

সাভারকারের কাছে তিনি ছিলেন নির্ভীক বিপ্লবী, যিনি অল্প বয়সেই ব্রিটিশের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেন এবং ২৬ বছর জেল খাটেন। সমর্থকরা তাকে "বীর" বলেন। বিরোধীরা বলেন, পরের দিকে তার রাজনীতি বিভাজনমূলক ছিল।

তুমি সাভারকারের কোন দিকটা নিয়ে বেশি জানতে চাও - বিপ্লবী জীবন, হিন্দুত্বের তত্ত্ব, নাকি বিতর্কগুলো?

মাঠে তখন পিন পতনের নিস্তব্ধতা। কয়েক মুহূর্তের বিরতি, তারপরই উঠে দাঁড়ালো গোটা মাঠ। করতালিতে ভরে উঠলো স্টেডিয়াম। আর আকা...
28/05/2026

মাঠে তখন পিন পতনের নিস্তব্ধতা। কয়েক মুহূর্তের বিরতি, তারপরই উঠে দাঁড়ালো গোটা মাঠ। করতালিতে ভরে উঠলো স্টেডিয়াম। আর আকাশের দিকে মুখ করে তখন স্তব্ধ, হতবিহ্বল এক কিশোর। গোটা ক্রিকেট বিশ্ব এখন যার কাছে নতজানু সেই বৈভব সূর্যবংশীর ঘোর কাটতে কিছুটা সময় লাগলো, তারপর ধীরে ধীরে পা বাড়ালেন প্যাভিলিয়নের দিকে। দৌড়ে এসে প্রতিপক্ষের প্লেয়াররা একে একে পিঠ চাপড়ে দিয়ে গেলেন তাঁর চলার পথে। মাত্র তিন রানের জন্য আইপিএল-এর দ্রুততম সেঞ্চুরিটা মাঠে ফেলে গেলেন কিন্তু কুড়িয়ে নিয়ে গেলেন কোটি কোটি ক্রিকেট প্রেমীরা শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা।
ওদের জন্যই তো ক্রিকেট প্রেমীরা সব ছেড়ে ছুঁড়ে, ছুটে আসেন ক্রিকেট মাঠে। ১৩ বছর আগে মাত্র ৩০ বলে ১০০ করে আইপিএল-এ যে রেকর্ড গড়েছেন গেইল, সেই রেকর্ড আপাতত অক্ষত রইলো। কিন্তু কতদিন? এই কিশোর হয়ত ইউনিভার্সাল বসকে সিংহাসনচ্যুত করে ফেলবেন অচিরেই। মাঠ থেকে প্যাভিলিয়নে ফেরার পথে, তাঁর শক্ত চোয়াল হয়ত জানান দিয়ে গেল সেকথাই।
হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্লে অফ ম্যাচে, বুধবার রাজস্থানের হয়ে ব্যাট হাতে যা করলেন বৈভব, সেটা ব্যাখ্যার অতীত। হয়ত ডন ব্র্যাডম্যান বেঁচে থাকলে এর উপযুক্ত বিশ্লেষণ করতে পারতেন। প্রথম বল থেকেই শুরু হলো আমফান। মাঠে তখন দিশেহারা হায়দরাবাদের বোলাররা। স্বয়ং প্যাট কামিন্সের মতো বোলারও বুঝতে পারছিলেন না, কোথায় বল ফেলা নিরাপদ হবে। একসময় ২৩ বলে বৈভব পৌঁছে যান ৭১ রানে। এরপরই তাঁর তাণ্ডব যেন ভয়ঙ্কর আকার নেয়। পর পর তিনটে ছয় আর দুটি বাউন্ডারি মেরে পৌঁছে যান ২৮ বলে ৯৭ রানে। পরের বলে দরকার তিন রান। টান টান গোটা স্টেডিয়াম। ওভারের শেষ বল করলেন প্রফুল হিঙ্গে, বাউন্সার। আপারকাট মারলেন বৈভব কিন্তু তালু বন্দী হয়ে গেলেন ডিপ থার্ড ম্যান অঞ্চলে। ২৯ বলে ৯৭ রানে যবনিকা পড়লো এক অবিশ্বাস্য ইনিংসের।
কিন্তু আমরা অপেক্ষায় থাকলাম বৈভবের পরবর্তী ইনিংসের জন্য। বুধবার হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয়ী হয়ে বৈভবের দল এবার মুখোমুখি হবে গুজরাট টাইটানসের।💝🏏♥️🏏

✍️Dipak Ghosh






👕👕 “ভাই, তোমার জামাটা একটু দাও তো!”- এক সাধারণ ট্রাকচালকের কুর্তা চেয়ে সেদিন শুটিং করেছিলেন সুপারস্টার ধর্মেন্দ্র… 👕👕১৯...
28/05/2026

👕👕 “ভাই, তোমার জামাটা একটু দাও তো!”- এক সাধারণ ট্রাকচালকের কুর্তা চেয়ে সেদিন শুটিং করেছিলেন সুপারস্টার ধর্মেন্দ্র… 👕👕

১৯৭২ সাল। গোয়াতে চলছে ধর্মেন্দ্র অভিনীত “দো চোর”-এর শুটিং। কাকভোর থেকেই সূর্য ওঠার আগের একটি দৃশ্যধারণের তোড়জোড় চলছিল। তখনকার দিনে আজকের মতো ভ্যানিটি ভ্যান, স্টাইলিং টিম বা রেডি ব্যাকআপ কস্টিউমের এত ব্যবস্থা ছিল না। শুটিং ইউনিটকে বেশিরভাগ সময় খুব সাধারণ সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই কাজ চালাতে হতো। এহেন পরিস্থিতিতে সেদিন ঘটে যায় এক অদ্ভুত কাণ্ড।

শোনা যায়, সেদিন সকালে শুটিং স্পটে পৌঁছে ধর্মেন্দ্র বুঝতে পারেন, যে কুর্তাটা পরে তাঁর দৃশ্যের শুট হওয়ার কথা ছিল, সেটি তিনি হোটেলেই ফেলে এসেছেন। পুরো ইউনিট অপেক্ষা করছে, আলো বসানো হয়ে গেছে, ক্যামেরা রেডি। এমতো অবস্থায় যদি হোটেল থেকে পোশাক আনতে লোক পাঠানো হয়, তাহলে নষ্ট হবে বেশ অনেকটা সময়, আর ততক্ষণে সূর্য উঠে যাবে। প্রডিউসারের মাথায় হাত। আবার একদিন পিছিয়ে যাওয়া মানেই পুরো ইউনিটের থাকা, খাওয়া, পারিশ্রমিক দিয়ে বেশ বড় অঙ্কের ধাক্কা।

সবাই যখন চিন্তিত আর প্যাকআপের জন্য প্রস্তুত, ধর্মেন্দ্র তখন চারপাশে তাকিয়ে কিছু একটা খুঁজে বেড়াচ্ছেন। হঠাৎ সবাইকে অবাক করে ধর্মেন্দ্র শুটিং দেখতে আসা ভিড়ের দিকে এগিয়ে গেলেন। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন কুর্তা পরিহিত ট্রাকচালকের সামনে গিয়ে বললেন - “ভাই, তোমার জামাটা একটু দাও তো!” প্রথমে চালক ভেবেছিলেন, অভিনেতা বোধহয় তাঁর সঙ্গে মশকরা করছেন। পরে যখন সত্যিই ধর্মেন্দ্র তাঁর কাছ থেকে কুর্তাটা নিয়ে পরলেন, তখন সেটে উপস্থিত সবাই হতবাক।

ধর্মেন্দ্র সেদিন শুধু সেই কুর্তাটা পরেননি, সেই সাধারণ ট্রাকচালকের কুর্তা পরে দৃশ্যের শুটিংও করেন। আর ক্যামেরার সামনে ধর্মেন্দ্র এতটাই স্বাভাবিক ছিলেন যে, কেউ বুঝতেই পারেনি পোশাকটা আদতে কোনো ডিজাইনার কস্টিউম নয়। এই ঘটনাকে অনেকে ধর্মেন্দ্রর সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের উদাহরণ হিসেবে দেখেন। তাঁর এই আচরণ সেদিন বুঝিয়ে দিয়েছিল, সুপারস্টারের আড়ালেও তিনি কত বড় মনের একজন মানুষ ছিলেন। তারকাসুলভ চাকচিক্যের থেকেও তাঁর কাছে মূল্যবান ছিল মনুষ্যত্ব। তাঁর ছিল না বড় তারকার অহংকার, ছিল না মানুষে মানুষে ভেদাভেদ। তাই তিনি অবলীলাক্রমে পরে ফেলতে পেরেছিলেন ট্রাকচালকের ঘর্মাক্ত, মলিন পোশাক। তারকা মানেই প্রডিউসারের কাছে এই চাই, ওই চাই, এমন মানসিকতার থেকেও তাঁর কাছে বেশি মূল্যবান ছিল প্রডিউসারের খরচ বাঁচানোর এক মানবিক তাগিদ।

লেখা: সৈকত বিশ্বাস
ছবি: প্রতীকী

#সৈকত_বিশ্বাস ©️ #কথোপকথন #বংDoze

পেজটি ভালো লাগলে লাইক ও ফলো করে আমাদের উৎসাহ জোগাবেন, আর শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবেন।



————————————————————
© বংDoze © সৈকত বিশ্বাস

EXCLUSIVE! দেখুন অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ১১ পাতার অফলাইন ফর্মের এক্সক্লুসিভ লুক, দেখে নিন কি কি ইনফরমেশন আপনাকে দিতে হবে, এ...
27/05/2026

EXCLUSIVE! দেখুন অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ১১ পাতার অফলাইন ফর্মের এক্সক্লুসিভ লুক, দেখে নিন কি কি ইনফরমেশন আপনাকে দিতে হবে, একটা ধারণা হবে,
দয়া করে এটিকে কেউ 'প্রিন্ট-আউট' করবেন না, আপনারা এই ফর্ম সহজেই কালেক্ট করতে পারবেন, তাছাড়া অনলাইনেও পাওয়া যাবে, পোর্টাল চালু হলে আপডেট দিয়ে দেব, অফলাইন ও অনলাইন দুটো পদ্ধতিতেই ফর্ম ফিল-আপ করতে পারবেন ।
মুখ্যমন্ত্রী আজ বলেন, ফ্যামিলি হিস্ট্রি ডেটাও এই ফর্মের দ্বারা কালেক্ট করা হবে, যাতে আপনার পরিবারের মানুষের তথ্য সরকার পায় ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক স্কীমের আওতায় ফেলা যায় । দ্বিতীয়ত, SIR-এ বাদ যাওয়া নাম, ভারতীয় নাগরিক নন, অনুপ্রবেশকারী, দুর্নীতিগ্রস্থ ভেজাল নাম এসব রুখতে ও বাদ দিতে সবাইকেই এই ফর্ম অনলাইন বা অফলাইনে ফিল-আপ করতে হবে।
১ লা জুন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে এই ফর্ম ফিল-আপ করে লক্ষ্মীভান্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ট্রান্সফার করতে হবে, যতদিন এনরোলমেন্ট হবে না, ততদিন লক্ষ্মীভান্ডারই পাবেন। নাম এনরোলমেন্ট হয়ে গেলেই, অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা পাবেন ।
এই ফর্ম আপনাদের লোকাল অথরিটি, BLO-দের কাছে পেয়ে যাবেন, বিধায়কদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে হেল্প করার জন্যে । অনলাইন পোর্টাল আপাতত চালু হয়নি, হলে আমি আপডেট দিয়ে দেব ।

~ অপূর্ব ©

ছবি ঋণ : The Wall ©

27/05/2026

Guwahati Stadium

“যে ছাত্র ভালো নম্বর পাবে, তাকে আমি বিমানে চড়াব!”সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য এমন প্রতিশ্রুতি অনেক সময় শুধু স্বপ্নের...
27/05/2026

“যে ছাত্র ভালো নম্বর পাবে, তাকে আমি বিমানে চড়াব!”

সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য এমন প্রতিশ্রুতি অনেক সময় শুধু স্বপ্নের মতোই শোনায়।
কিন্তু তেলেঙ্গানার পেড্ডাপল্লি জেলার বয়ারামপেট সরকারি স্কুলের গণিত শিক্ষক মল্লিকা রামকিশন রাও প্রমাণ করে দিলেন— একজন সত্যিকারের শিক্ষক শুধু পড়ান না, তিনি ছাত্রদের স্বপ্নকেও ডানা দেন।

প্রজাতন্ত্র দিবসের সময় তিনি নিজের ক্লাসের ছাত্রদের বলেছিলেন—
“যে ছাত্র দশম বোর্ড পরীক্ষায় 550-এর বেশি নম্বর পাবে, তাকে আমি নিজের খরচে ফ্লাইটে ঘুরতে নিয়ে যাব।”

হয়তো তখন অনেক ছাত্রই কথাটা মজা বা অসম্ভব স্বপ্ন ভেবেছিল।
কিন্তু সেই ছাত্রদের মধ্যেই একজন ছিল পূর্ণচন্দর। সাধারণ গ্রামীণ পরিবারের এই ছেলে চুপচাপ নিজের পরিশ্রম চালিয়ে গিয়েছিল।

দিন-রাত পড়াশোনা, সংগ্রাম আর আশার মাঝে পূর্ণচন্দর SSC বোর্ড পরীক্ষায় 554 নম্বর পেয়ে যায়।
আর তারপর ঘটল এমন কিছু, যা সে হয়তো কোনওদিন কল্পনাও করেনি।

নিজের কথা রাখলেন শিক্ষক মল্লিকা রামকিশন রাও। নিজের টাকায় পূর্ণচন্দরকে প্রথমবার বিমানে ভ্রমণ করালেন। ✨

যে ছেলে এতদিন হয়তো শুধু আকাশে উড়তে থাকা বিমানকে দূর থেকে দেখেছিল, আজ সে নিজেই সেই বিমানের জানালা দিয়ে মেঘ দেখছিল।

কিছু আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। পূর্ণচন্দরের মুখের হাসিটাও ছিল ঠিক তেমনই।

এটা শুধু একটি ফ্লাইট ট্রিপ ছিল না।
এটা ছিল একটি শিশুর আত্মবিশ্বাসের উড়ান।
একটা অনুভূতি— সরকারি স্কুলের ছাত্ররাও বড় স্বপ্ন দেখতে পারে, আর সেই স্বপ্ন সত্যিও করতে পারে।

এই ভ্রমণের সময় শিক্ষক শুধু তাকে বিমানে চড়ার অভিজ্ঞতাই দেননি, বিশাখাপত্তনমের অনেক সুন্দর জায়গাও ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন। প্রতিটি নতুন জায়গা, প্রতিটি নতুন অভিজ্ঞতা হয়তো পূর্ণচন্দরের মনে আরও দৃঢ় করে দিয়েছে যে, তার পৃথিবী শুধু গ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

আজকের সময়ে, যখন সরকারি স্কুলের খামতি নিয়েই বেশি আলোচনা হয়, তখন এমন শিক্ষকরা আশার সবচেয়ে সুন্দর উদাহরণ হয়ে সামনে আসেন।

কারণ একজন ভালো শিক্ষক শুধু বইয়ের প্রশ্নের উত্তর শেখান না, তিনি ছাত্রদের মনের ভয়, সীমাবদ্ধতা আর “আমি পারব না” ভাবনাটাকেও মুছে দেন।

সৌজন্যে THE BETTER INDIA
থেকে সংগৃহীত।।

এবারের মত না হলেও সেবারও হেব্বি গরম পড়েছিলো।  আমাদের বাড়িতে তখনও এসি আসেনি। রাতে শুয়ে প্রায়ই শুনতে পেতাম,  দাদা বৌদি খাট...
27/05/2026

এবারের মত না হলেও সেবারও হেব্বি গরম পড়েছিলো।
আমাদের বাড়িতে তখনও এসি আসেনি। রাতে শুয়ে প্রায়ই শুনতে পেতাম, দাদা বৌদি খাট ঠেলা ঠেলি করছে, ঠিক পাখার তলায় খাট টাকে নিয়ে আসার জন্য। সাথে বৌদির গজগজ এসি কেনা নিয়ে। দাদা দোহাই দিতো, "আরে বাবা দুটো এসির ই এম আই এখন আমি দিতে পারবো না "
"আরে দুটো কিনতে হবে কেন?"
" বাবা মা গরমে শোবে আর আমি এসি চালিয়ে নাক ডাকাবো, লোকে কী বলবে?"
" তাহলে আমি কাল মায়ের ওখানে চলে যাই।
" এই গরমের মধ্যে গায়ে পড়বে না বলছি খবদ্দার!! "

আমি এসব শুনতে পেতাম, কারণ আমার ঘরে ফ্যান অফ থাকতো। এটাই আমার গরম কমানোর মোক্ষম উপায় ছিলো আধাঘন্টা মত ফ্যান অফ করে বসে থাকো। ঘাম শুকোবে আর শরীর ঠান্ডা হয়ে, ঘুম এসে যাবে।

তারপর বৌদির চাপে হোক বা গরমের ঠাপে, দাদা একদিন সক্কাল সক্কাল বাবা-কে এসির কথাটা বলেই ফেললো।
-" বাবা, ভাবছিলাম ইয়ে একটা এসি... "
" হ্যাঁ হ্যাঁ, কিনে ফেলো, সবাই কিনছে তোমরাই বা বাদ যাবে কেন? এসি চালাও আর পরিবেশের আরও বারোটা বাজাও "
মা পাশ থেকে প্লেটে লুচি দিতে দিতে বললো, " ও একা এসি না কিনলে কি তোমার পরিবেশ এগারোটায় থেমে থাকবে? "
" আমার পরিবেশ মানে? আমার একার পরিবেশ? তোমাদের না? আমি একা নিশ্বাস নি?

এর থেকে বেশি ভালো ভাষায় বাবার থেকে পারমিশন পাওয়া যাবে না। বাবার জন্মের সময়, মুখে মধু দেবে বলে, দাই মধু আনতে বেড়িয়ে রোদে সানস্ট্রোক হয়ে মারা যায়। সেই থেকেই বাবা এরকম।

অগত্যা এসি কিনতে যাবে বলে দাদা রেডি হতে ঘরে ঢুকলো। বৌদি গেল পিছু পিছু।
" শোনো না, এসি টা না বাবা-মায়ের ঘরেই লাগিও"
দাদা চুল আঁচড়ে টাক ঢাকছিলো, শুনে চিরুনি পড়ে গেল।
" সে কি গো এইতো বলছিলে এসি ছাড়া ঘুমাতে পারছো না... "
" না মানে, বাবা-মা গরমে শোবেন.... পরে আবার আমায় ঠিক খোঁটা শুনতে হবে "
- নইলে তো আমাকে খোঁটা শুনতে হবে সারারাত "
" কী বললে আমি তোমায় খোঁটা দিই? আমি আজই মায়ের ওখানে..... "

এদিকে মা রান্না করতে করতে বাবাকে বললো " শোনো, ছেলে যদি এসি কিনে এনে আমাদের ঘরে লাগাতে চায় তুমি কিন্তু না করে দেবে "
বাবা মন দিয়ে খবরের কাগজ পড়ছিলো পায়খানায় বসে। গলা তুলে বললো, " কেন? "
" কেন আবার কি? আমাদের তো তিনকাল গিয়ে চারকালে ঠেকেছে, ছেলে বৌ গরমে পচবে আর আমরা বুড়ো-বুড়ি..."

বাবা বাথরুম থেকে বেড়িয়ে এসে বললো, " আরে তুমি ধরেই বা নিচ্ছো কেন, যে ছেলে তোমার ঘরেই এসি বসাবে? "

" আমি আমার ছেলেকে চিনি সে কখনই বাপ মাকে বঞ্চিত করে, নিজের কথা আগে ভাববে না "

এসবের মাঝে আমি চিলড।
কিন্তু আমার সমস্ত প্ল্যানে জল ঢেলে দিয়ে, বাবা-মা আর দাদা বৌদি নিজেদের মধ্যে মধ্যপন্থা নিয়ে এসিটা আমার রুমে লাগিয়ে দিলো। এবং পৈ পৈ করে আমাকে নিয়মাবলি বোঝালো, এক, একমাত্র রাতে এসি চালাতে, দুই, যতক্ষণ এসি চলবে দরজা বন্ধ রাখতে, তিন, বারবার অন-অফ করা যাবে না।

যাক ফাইনালি দরজা বন্ধ করার পারমিট পাওয়া গেল ভেবে আমি সুন্দর এসি চালিয়ে বয়ফ্রেন্ডের সাথে ফোনালাপে মন দিলাম। ওমা দেখি দুম করে দরজা খুলে মা ঢুকলো, " উফফ রান্না ঘরে যা গরম! " বলে একটু বসে চলে গেল, দরজাটা খুলে রেখে। আমি গিয়ে বন্ধ করলাম। আবার ফোনে কথা বলছি, কিছুক্ষন পর বৌদি ঢুকলো। "উফফফ কি গরমটাই না পরেছে বল! একটুও শান্তি নেই। বলছি বিকেলে কী খাবে গো? "
বলে মিনিট পনেরো ফালতু হেজিয়ে বিদেয় হল। দরজাটা খোলা রেখে। উঠে গিয়ে বন্ধ করলাম। কিছুক্ষণ পর আবার দরজা খুলে গেল, দেখি বাবা।
" হ্যাঁ রে, তোর কাছে সঞ্জীব চাটুজ্যের শ্বেত পাথরের টেবিলটা ছিলো না? " বলে ঝাড়া আধঘন্টা আমার বুক শেল্ফটা হাতড়ালো। তারপর বললো, " ও মনে পড়েছে! ওটা তো সেদিন বাথরুমে নিয়ে গেসলাম ", প্রস্থান। এবং যথারীতি দরজা খোলা রেখে। আমি আবার উঠলাম। এরপর সারাদিন এরকম আনাগোনা চলতেই থাকলো। আমি খাট থেকে নেমে, দরজার পাশে একটা চেয়ার নিয়ে বসলাম। তারপর কী মনে হল দিলাম এসিটা বন্ধ করে। বৌদি এলো, এসি বন্ধ দেখে, কী একটা জরুরি কাজ মনে পড়ে গেছে ভাব করে চলে গেল। বাকি আনাগোনাও বন্ধ হল। বুঝলাম খবর রটে গেছে। শান্তি মনে বয়ফ্রেন্ডকে ফোন দিলাম।
পরদিন সন্ধ্যে বেলা কলেজ থেকে ফিরে দেখি পুরো বাড়ি শুনশান। ড্রয়িংরুমের লাইট নেভানো। রান্না ঘরেও কেউ নেই! বাথরুমেও না, লোকজন গেল কই? কারো বাড়ি আজ নেমন্তন্ন ছিলো? কে জানে! তাহলে আমার জন্য প্যাক করে খাবার নিয়ে আসবে। ভাবতে ভাবতে নিজের ঘরের দিকে পা বাড়ালাম। দরজা খুলেই আঁতকে উঠেছি! দেখি সমস্ত লোক আমার ঘরে! মা এক কোনে বসে সবজি কাটছে, বাবা খাটে বসে পেপার পড়ছে, বৌদি রুটি বেলছে আমার ডেস্কের উপর, দাদা চেয়ারে বসে অফিসের জুতো মোজা খুলতে খুলতে বসকে গালাগাল করছে। আর ওদিকে ফুল স্পিডে এসি চলছে। আমি কোনো মতে ব্যাগটা বুকে চেপে খাটের এক কোনায় বসে পড়লাম।

রাত হলে সবাই বিদেয় হল। একটু শান্তি পেলাম। এসি চালিয়ে, ঘর অন্ধকার করে, নাইট ল্যাম্পটা খালি জ্বেলে, চাদর মুড়ি দিয়ে বয়ফ্রেন্ডকে ফোন দিলাম। সবে ছেলেটা জিজ্ঞেস করেছে, " আচ্ছা আমি এখন তোমার কাছে থাকলে কী করতে " এমন সময় ক্যাঁচ করে একটা শব্দে বুঝলাম ঘরের দরজাটা খুলে গেছে। এ বাড়িতে ভূত আছে এটা আগেই জানতাম। কয়েকবার রাতে ফ্রিজ থেকে আমসত্ত্ব চুরি করতে গিয়ে ছায়াটায়া পাস করতে দেখেছি।
" একটু সরে শো তো " কম্বল খুলে দেখি মা।।
" তোর বাবা খালি ভাজাভুজি খেয়ে গ্যাস বাধাবে আর রাত ভর ছাড়বে, বললাম এসিলক ওয়ান ফিফটি খাও, না বলে কি না ওসব খেলে ন্যাচারাল হজমশক্তি নষ্ট হয়ে যায় , তাই উনি জৈব গ্যাস ছাড়বেন " বলে মা শুয়ে পড়ল। আমি ঊঠে গিয়ে দরজা বন্ধ করে এসে শুলাম আবার কিছুক্ষন পর ক্যাঁচ। পাশ ফিরে দেখি দাদা বালিশ বগলে ঢুকে, মাটিতে ধপ করে বালিশটা ফেলে শুয়ে পড়লো।
মা বললো, "কী হল খোকা? "
"দেখেশুনে মেয়ে এনেছিলে, সে মেয়ে যে এমন নাক ডাকে সেটা দেখে আনতে পারো নি।?"
" বৌমা নাক ডাকে!? এতো আগে শুনিনি, "
" শুনবে কী করে, পাশে তো শোও নি, আমায় শুতে হয়, এখন বকিও না, কাল অফিস আছে "
কিছুক্ষন পর আবার ক্যাঁচ । দেখি বাবা, বালিশ বগলে ঢুকছে গজ গজ করতে করতে। ", উফফ কি মশা কি মশা!!! অলআউটটা যে শেষ হয়ে গেছে সেটাও কেউ দেখে না, সব আমায় দেখতে হবে " কেউ কোনো প্রশ্ন করলো না, বাবাও চুপচাপ খাটের পাশে মাটিতে বালিশ পেতে শুয়ে পড়লো। মা খালি বললো, ", খালি মেঝেতে শুয়ো না, বাতটা বাড়বে পায়ের কাছে চাদর আছে পেতে শোও। বাবা চুপচাপ আজ্ঞা পালন করলো।
কিছুক্ষণ পর আবার ক্যাঁচ, এবার বৌদি। মা পাশ না ফিরেই বললো, " কী হল বৌমা?"
-একা একা ভয় করছে মা।
-' ঠিক আছে এসো খাটে এসে শোও "
বৌদি চুপচাপ খাটের দিকে এগিয়ে এলো। মাঝে দাদার " আহ:" করে চাপা আর্তনাদ শুনে বুঝলাম ওকে একা ফেলে আসার অপরাধে বৌদি দাদার পা মারিয়ে দিয়েছে ইচ্ছে করে।
এর পর পনেরো মিনিট সব সাইলেন্ট। হঠাৎ দাদার গলা শুনলাম, "এসিটা একটু বাড়া না এর থেকে বেশি ঠান্ডা হয়। "
আমি বাড়িয়ে দিলাম। পাঁচ মিনিট পর মা বললো " উফফ একটু কমা না, কানটা টনটন করছে "। কমালাম।
ফের বাবা বললো, " ধুর , ঠান্ডাই যদি না হবে তো পয়সা দিয়ে এসি কেনা কেন? তোদের দ্বারা হবে না, আমায় রিমোট দে" দিয়ে দিলাম।
বাবা কিছুক্ষন রিমোটে এটা ওটা টিপে টুপে দাদাকে ডাকলেন, " খোকা এই খোকা, বাড়ায় কোনটা দিয়ে? "
এর পরের পনেরো মিনিট মিনিটে মিনিটে রাজস্থান, নরওয়া, সাহারা, লাদাখ, ছোটনাগপুর, আন্টার্টিকা ঘুরতে ঘরতে যখন তন্দ্রা মত এসেছে। হটাৎ ঘং করে এসিটা বন্ধ হয়ে গেল। সাথে নাইট ল্যাম্পটাও। বুঝলাম কারেন্ট চলে গেছে। বাবা খালি, "হুহ্ কারেন্ট নাকি খালি বাম আমলেই যেত!? " বলে শুয়ে পড়ে সঙ্গে সঙ্গে নাক ডাকতে শুরু করলো।

Collected

*অনীক দত্ত* বাংলা সিনেমার একজন বিখ্যাত পরিচালক ছিলেন।- *জন্ম*: ১৯৬১ সালে কলকাতার আভিজাত্যপূর্ণ পরিবারে। তিনি 'ইউনাইটেড ব...
27/05/2026

*অনীক দত্ত* বাংলা সিনেমার একজন বিখ্যাত পরিচালক ছিলেন।

- *জন্ম*: ১৯৬১ সালে কলকাতার আভিজাত্যপূর্ণ পরিবারে। তিনি 'ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া'র প্রতিষ্ঠাতা নরেন্দ্রচন্দ্র দত্তের পৌত্র।
-

পাঠ ভবন স্কুল ও সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে পড়াশোনা। অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে চর্চা ছিল।
-
প্রায় দুই দশক বিজ্ঞাপন জগতে কাজ করেন। অনেক জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন বানিয়েছিলেন

*সিনেমা পরিচালনা:*
২০১২ সালে _ভূতের ভবিষ্যৎ_ দিয়ে পরিচালনায় আসেন। ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং তাকে রাতারাতি খ্যাতি দেয়।

_আশ্চর্য প্রদীপ_ (২০১৩)
- _মেঘনাদ বধ রহস্য_
- _ভবিষ্যতের ভূত_ (২০১৯)
- _বরুণবাবুর বন্ধু_
- _অপরাজিত_ (২০২২) – সত্যজিৎ রায়ের জীবন অবলম্বনে। ছবিটি দেশজুড়ে আলোচিত হয়।

- *শেষ ছবি*: _যত কাণ্ড কলকাতাতেই_ (২০২৪)।

তিনি কট্টর বামপন্থী ভাবধারার মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। নিজের ছবিতে হাসির মোড়কে প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক স্যাটায়ার তুলে ধরতেন।

২০২৬ সালের ২৭ মে, বুধবার দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার হিন্দুস্তান পার্ক এলাকায় প্রাক্তন স্ত্রীর বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।

অনীক দত্তের প্রয়াণ বাংলা সিনেমার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলে মনে করছেন অনেকে।

Address

Majdia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Majdia College N.C.C posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share